Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

কলকাতায় অমিত শাহের রোড শো ঘিরে রণক্ষেত্র

কলকাতায় অমিত শাহের রোড শো ঘিরে রণক্ষেত্র
অমিত শাহের রোড শো ঘিরে রণক্ষেত্র, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কলকাতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের রোড শো ঘিরে রণক্ষেত্র চেহারা নেয়। কলেজ স্ট্রিট লাগোয়া কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অমিত শাহের সুসজ্জিত গাড়ি পৌঁছলে কালো পতাকা দেখায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীরা। স্লোগান তোলে গো ব্যাক অমিত শাহ। আর তখনই তাদের ওপরে চড়াও হন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। শুরু হয় ইটবৃষ্টি।

ফুটপাতের গার্ডরেল ভেঙে মারমুখী হয়ে ওঠেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। দুপক্ষের বিবাদ থামাতে নাজেহাল অবস্থা হয় পুলিশের। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধান দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপরেও দুপক্ষের মধ্যে ইট ছোড়াছুড়ি চলতে থাকে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় পরপর কয়েকটা বাইক। আহত হয় দুপক্ষসহ পুলিশ সদস্যরা।

বিজেপির অভিযোগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর থেকে শুরু হয় ইট ছোড়া। এ প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, 'গোটা ভারতে বিজেপির রোড শো বা র‌্যালি চলছে কোথাও কোনো হিংসার ঘটনা নেই। যত ঘটনা পশ্চিমবাংলায়। এর কারণ হিংসার মুল মাথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ভয় পেয়েছেন, তিনি বুঝতে পারছেন রাজ্যে বিজেপি বড় ভাবে আসছে। ভয় পেয়েই হিংসার পথ ধরছে তৃণমূল কংগ্রেস।'

ঘটনা প্রসঙ্গে কলকাতার টালিগঞ্জের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছাতে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীকে। অপরাধীদের নামে এফআইআর করতে বলেছেন তিনি। পাশাপাশি বলেছেন আজকের ঘটনার জন্য দায়ী বিজেপি। কারণ তারা দাঙ্গা লাগাতে ওস্তাদ। এ বিষয়ে তৃনমূল ছাত্র পরিষদ বলেন তারা গেটের বাইরে শান্তিপূর্ণ স্লোগান দিচ্ছিল। স্লোগান শুনে তাদের উপর চড়াও হয় বিজেপি কর্মীরা।

এর আগে বিকেল থেকেই কলকাতায় অমিত শাহর রোড শো ঘিরে তৈরি হয় জটিলতা। শহিদ মিনার থেকে রোড শো শুরু করার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, তারকা প্রচারের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশের অনুমতি নিতে হয়। এক্ষেত্রে বিজেপি নেতৃত্ব সেনাবাহিনীর কাছে অনুমতি চান। সেনা অনুমতি দেওয়ার পর তারা আর পুলিশের কাছে অনুমতি চাননি।

যতক্ষণে তারা পুলিশের কাছে রোড শো-র অনুমতি চেয়েছেন, ততক্ষণে ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। তাই নিয়ম অনুযায়ী অনুমতি দিতে পারেনি পুলিশ। এক্ষেত্রে বিজেপি নেতৃত্বের গাফিলতিরই অভিযোগ তুলছে বিরোধীরা। পরে ধর্মতলা রোড থেকে রোড শো শুরু করার নির্দেশ দেয় পুলিশ। এরপরই শুরু হয় চরম বিশৃঙ্খলা।

আপনার মতামত লিখুন :

সপ্তাহ শেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বর্ষা

সপ্তাহ শেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বর্ষা
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি নিম্নচাপের জেরে আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা জেলায় এ সপ্তাহেই মৌসুমি বায়ু ঢুকতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর থেকে জানানো হয়েছে। ফলে গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।  পাশাপাশি চাষবাসের জন্য এখনই ভারী বৃষ্টি হওয়া প্রয়োজন।

পশ্চিমবঙ্গসহ সমগ্র ভারতে বৃষ্টির ঘাটতি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে যথেষ্ট উদ্বেগে রেখেছে। অবশ্য প্রাক বর্ষার বৃষ্টি ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে। আগামী দুই তিনদিন এই পরিস্থিতি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার (২১ জুন) নাগাদ উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি তৈরি হলে বৃষ্টির মাত্রা বাড়তে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২০ জুন) তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। পাশাপাশি আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন, এই নিম্নচাপ পশ্চিমবঙ্গ সহ পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো ছাড়াও মধ্য ভারতে বর্ষা টেনে আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এবারে দেশে বর্ষা বেশ ধীর গতিতে এগোচ্ছে।

নির্ধারিত সময়ের আট দিন পর কেরল উপকূল দিয়ে স্থলভূমিতে বর্ষা ঢুকেছে। তারপরও মৌসুমি বায়ু বিশেষ সক্রিয় নয়। এই সময়ের মধ্যে দক্ষিণ, পশ্চিম, মধ্য ও পূর্ব ভারতের একটা বড় অংশে পুরোদমে বর্ষা শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। স্বাভাবিক নিয়মে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে গোটা দেশ বর্ষার আওতায় এসে যায়। জুন মাসে বৃষ্টির ব্যাপক ঘাটতি হলে তা বর্ষাকালের বাকি তিন মাসে পূরণ করা সমস্যা হয়ে দাড়াবে।

মৌসুমি উত্তর রেখা বৃহস্পতিবার উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের খুব কাছে চলে এসেছে। বঙ্গোপসাগরে এই অংশের সংলগ্ন এলাকার দক্ষিণবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে অবস্থান করছে। শুক্রবার নাগাদ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি তৈরি হলে বৃষ্টি বাড়বে। ওড়িশা ও অন্ধ্র তুলনামূলকভাবে বেশি বৃষ্টি পাবে। পশ্চিমবঙ্গসহ বিহার, ঝাড়খণ্ডও বৃষ্টি হবে।

 

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ
পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে নির্বাচিত এমপি সানি দেওল

ভারতে সদ্য সমাপ্ত হওয়া লোকসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা বলিউড তারকা সানি দেওল। এমপি পদে শপথ নেওয়ার পর থেকে তাঁর সংসদ সদস্য পদ ঘিরে শুরু হয়েছে জটিলতা।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, অভিনেতা সানির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ উঠে এসেছে । তবে এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সানি দেওলের জেতা আসনও হারাতে হতে পারে।    


 
ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়মনুযায়ী, এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থী প্রচারের জন্য সর্বোচ্চ ৭০ লক্ষ রুপি পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবে। সেখানে সানি দেওল নিজের নির্বাচনী প্রচারে ৮৬ লক্ষ রুপি  খরচ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের নজরদারি কমিটির কাছে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে, অভিযুক্ত সংসদ সদস্যর ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে নির্বাচন কমিশন।

এমনকি, জয়ী প্রার্থীকে বরখাস্ত করে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে জয়ী হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতাও রয়েছে কমিশনের হাতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561032884410.jpg

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনের দিন ঘোষণার অনেক পরে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে অভিনেতা সানি দেওলকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে বিজেপি। নির্বাচনের অন্তিম পর্যায়ে এসে নাম ঘোষণার ফলে সানির জয় নিয়ে সন্দিহান ছিলেন দেশের বহু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ। কিন্তু তাঁদেরকে কার্যত ভুল প্রমাণ করে পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান সুনীল জাখরকে ৮০ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হন সানি দেওল।  আগে ঐ আসনে বিজেপির আসনে ভোটে জিতেছিলেন অভিনেতা তথা রাজনীতিবিদ বিনোদ খান্না। তাঁর মৃত্যুর পর এই আসনে নতুন মুখ দরকার ছিল বিজেপির। এই আসনে কে প্রার্থী হতে পারেন, তা নিয়ে জল্পনার মধ্যেই সানি দেওলের নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র