Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহার
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে আন্দোলনকারী ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা।

এর আগে সোমবার (৮ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৪টায় উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠক করে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। প্রায় দেড়ঘণ্টা বৈঠক শেষে আন্দোলন প্রত্যাহারের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন উপস্থিত নেতা-কর্মীরা।

বৈঠকে অংশ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক শরীফ উদ্দিন বলেন, ‘দায়েরকৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হবে বলে উপাচার্য স্যার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। একই সঙ্গে বিগত সময়ে দায়ের করা বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলার বিষয়েও সমাধান করবে। এ কারণে আমরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছি।’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘এখানে একটা ভুল বোঝাবুঝি এবং বিভ্রান্তির ঘটনা ঘটেছে। দায়ের করা মামলাটি অস্ত্র মামলা নয়, এটি যেকোনো সময় জামিনযোগ্য একটি মামলা। পুলিশও আমাদের সকল প্রকার সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি সুরাহা করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরাও আমার কাছে ভুল স্বীকার করেছে। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) যথারীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা সচল হবে।’

এদিকে ধর্মঘট পালনকারী নেতা-কর্মীরা প্রক্টর ও হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) অপসারণও চেয়েছিল।

বৈঠকে অংশ নেওয়া এক ছাত্রলীগ কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা হাটহাজারী থানার ওসির অপসারণের বিষয়টি তুলে ধরেছিলাম। স্যাররা বলেছেন বিষয়টি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জানাবেন।’

উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুটি পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। কয়েক দফা সংঘর্ষের পর রাতে পাঁচটি আবাসিক হলে তল্লাশি চালিয়ে ২টি পাইপ গান, ১১২ রাউন্ড গুলিসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন ফের ছাত্রলীগের বিবদমান দুটি গ্রুপ সংঘর্ষে জড়ায়। এরপর ৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র মামলা দায়ের করে।

এরপর সংঘর্ষে অংশ নেওয়া দুটি পক্ষ একত্রিত হয়ে রোববার (৭ এপ্রিল) ধর্মঘটের ডাক দেয়। ধর্মঘটের এক পর্যায়ে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়। ঘটনাস্থলে দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেফতার করলেও প্রশাসনের মধ্যস্থতায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ শুরু করলে তাদের ডেকে বৈঠক করেন উপাচার্য।

আপনার মতামত লিখুন :

জাবির পরিবহনে যুক্ত হলো ৫টি নতুন গাড়ি

জাবির পরিবহনে যুক্ত হলো ৫টি নতুন গাড়ি
গাড়ি উদ্বোধন করলেন জাবি উপাচার্য, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিবহন ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করতে নতুন করে আরও পাঁচটি গাড়ি যুক্ত করা হয়েছে। পাঁচটি গাড়ির মধ্যে রয়েছে- দুটি এসি মিনিবাস, একটি নন এসি মিনিবাস, একটি এসি মাইক্রোবাস ও একটি পিকআপ।

জানা যায়, দুটি এসি মিনিবাস ও এসি মাইক্রোবাস শিক্ষকদের পরিবহনে এবং নন এসি মিনিবাসটি শিক্ষার্থীদের পরিবহনে ব্যবহৃত হবে বলে জানা যায়।

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে পরিবহনগুলোর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম।

উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, 'আমরা অত্যন্ত খুশি যে, শেষ পর্যন্ত নতুন বাস পেলাম। এর মধ্যদিয়ে আমাদের পরিবহন আরও সমৃদ্ধ হল। যদিও চাহিদার তুলনায় বাসের সংখ্যা এখনো কম। খুব শীঘ্রই আরও কিছু বাস আমরা পরিবহনে সংযোজন করতে পারব।'

গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণে সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপাচার্য আরও বলেন, 'এসব আপনাদের সম্পদ। আমাদের পরিবহন শুধু গাড়িতেই সুন্দর হবে তা নয়। পরিবহন সেবায় নিয়োজিত সকলের আচরণও ভালো হবে আশা করি।'

এদিকে দুই কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে গাড়িগুলো কেনা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ সিটের এসি মিনিবাস দুটি ক্রয়ে এক কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার ও ১৬ সিটের মাইক্রোবাস ক্রয়ে ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া পিকআপ ২৯ লাখ এবং ৩০ সিটের নন এসি মিনিবাস ক্রয়ে ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করা হয়েছে।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নূরুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক বশির আহমেদ, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক রাশেদা আখতার, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ প্রমুখ।

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সারাদেশে একেরপর এক ঘটতে থাকা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রমৈত্রী।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা রাজাকারদের বিচার করতে পেরেছি। কিন্তু দেশে চলমান খুনি, ধর্ষণকারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের কেন বিচার করতে পারছি না?

এ সময় তারা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের কার্যকরী ভূমিকা পালন করার দাবি জানান।

ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোরশেদ হাবিবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- সহসভাপতি আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিমুল ইসলাম সুমন, শেখ রাসেল হলের সভাপতি আশিকুর রহমান প্রমুখ।

ছাত্র মৈত্রী ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফের সঞ্চালনায় মানবন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- দফতর সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ পাপ্পু, প্রচার সম্পাদক মোরশেদুল ইসলাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রিড়া সম্পাদক আশিকুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আখতার হোসাইন আজাদসহ বিভিন্ন পর্যয়ের নেতাতর্মীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র