Alexa

শুভেচ্ছা, সানিয়া মির্জা

শুভেচ্ছা, সানিয়া মির্জা

সানিয়া মির্জা, ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ এশিয়ার খুব কম তারকা তার মতো খেলার মাঠ থেকে বিশ্ব গ্ল্যামারের ময়দানে জায়গা পেয়েছেন। টেনিস কোর্টের ছোট্ট চৌহদ্দী ছাড়িয়ে বিস্তারিত হয়েছিল তার খেলা ও জীবনের নানা বিষয়। টেনিস বল আর ব্যাট হাতে যেমন, তেমনি জীবন-যাপনে তিনি ছিলেন লাখ লাখ মানুষের দৃষ্টির মধ্যমণিতে।

সানিয়া মির্জা। তিনিই ভারতের একমাত্র তারকা খেলোয়াড়, যিনি বিশ্ব টেনিসের হেভিওয়েটদের টক্কর দিয়েছেন। মহিলা ডাবলসে এক নম্বর স্থানটিও দখল করেছিলেন। ২০০৩ সাল থেকে ২০১৩ সালে সিঙ্গেলস থেকে অবসর নেওয়ার সময়কালে তিনি ছিলেন ভারতের এক নম্বর প্রমীলা টেনিস খেলোয়াড়। খেলায় সবচেয়ে বেশি সম্মানীও পেয়েছিলেন তিনি। হাইপ্রোফাইল খেলোয়াড়ের আসনে থেকেছেন ক্যারিয়ারের পুরোটা সময়। পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে বিয়ে করেও তিনি আলোড়ন তুলেছিলেন।

১৫ নভেম্বর, ১৯৮৬ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন ভারতের মুম্বাইয়ে। আদিবাড়ি দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকের হায়দারাবাদে, যা এখন তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজধানী।

ব্যবসায়ী পিতা আমরান মির্জার কন্যা সানিয়া পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার আসিফ ইকবালের দূরসম্পর্কীয় আত্মীয়। টেনিস ছাড়া সাঁতার ও ক্রিকেট খেলায় তার দক্ষতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে তেলেঙ্গানা রাজ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসেডর। তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

‘টাইম’ম্যাগাজিন ২০০৫ সালে সানিয়াকে এশিয়ার ৫০ শ্রেষ্ঠজনের মধ্যে একজন হিসাবে স্থান দেয়। ২০১৬ সালে তিনি রচনা করেন সাড়া জাগানো আত্মজৈবনিক গ্রন্থ ‘এস এগেইনস্ট অড।’ যে গ্রন্থে তিনি একজন নারী হিসেবে বহুমুখী সমস্যা পেরিয়ে জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার সংগ্রামী দিনগুলোর কথা অকপটে বর্ণনা করেছেন। দক্ষিণ এশীয় নারীর পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন ও আত্মপ্রতিষ্ঠা লাভের সফল দৃষ্টান্ত তিনি।

সানিয়া মির্জার জন্মদিনে বার্তা২৪.কমের শুভেচ্ছা।

আপনার মতামত লিখুন :