একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে বুধবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সংসদ অধিবেশন, ছবি: সংগৃহীত

সংসদ অধিবেশন, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে বুধবার (৩০ জানুয়ারি)। এদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হবে।

সংবিধান অনুযায়ী, বছরের প্রথম অধিবেশন শুরুর দিন রাষ্ট্রপতি সংসদে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। পরে রাষ্ট্রপতির ওই ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব জানাতে সাধারণ আলোচনা হয়। তবে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম মারা যাওয়ায় সংসদে শোক প্রস্তাব আনা হবে। এরপর তার স্মরণে আলোচনা হবে।

মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) সংসদ ঘুরে দেখা গেছে, সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু উপলক্ষে জাতীয় সংসদের ভেতরে ফুল ও সুদৃশ্য গাছের টপ দিয়ে সাজানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ উপলক্ষে প্রধান বিচারপতি ছাড়াও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সংসদে যান। এ জন্য সংসদের নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৭৪ অনুযায়ী নতুন সংসদের প্রথম বৈঠকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করতে হয়। এ জন্য কমপক্ষে এক ঘণ্টা পূর্বে নোটিশ দিতে হয়। একজন প্রস্তাবক, একজন সমর্থক ও প্রার্থীর সম্মতি লাগে।

সংসদের ডেপুটি সচিব নাজমুল হক বলেন, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন ছাড়াও প্রথম অধিবেশনে সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন, শোক প্রস্তাব; অধ্যাদেশ উত্থাপন (যদি থাকে), সংসদীয় কমিটি গঠন (যদি থাকে), সংবিধান বা আইন অনুযায়ী কোনো রিপোর্ট উপস্থাপন (যদি থাকে) ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ থাকে। তবে রেওয়াজ অনুযায়ী প্রশ্নকাল থাকে না।

জানা গেছে, এদিন স্পিকার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন দেওয়া হবে। সংসদে স্পিকার ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে তারা সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন। রেওয়াজ অনুযায়ী প্রত্যেক অধিবেশনেই পাঁচজন করে সভাপতিমণ্ডলীর নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে একজন নারী সদস্যকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

এরপর পাঁচটি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হবে। সংসদ অধিবেশন না থাকায় এই অধ্যাদেশগুলো জারি করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। এগুলো ক্রমান্বয়ে আইনে পরিণত করা হবে। এরপর থাকবে শোক প্রস্তাব। শোক প্রস্তাব শেষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দেবেন। তার ভাষণের পর সংসদ মুলতবি করা হবে।

গত ৩ জানুয়ারি সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে চার ধাপে এমপিরা শপথ নেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংবিধান ও কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রথমে নিজে শপথ গ্রহণ করেন এবং শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পরে অন্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। এছাড়া বিএনপির ৬ জন ও ঐক্যফ্রন্টের দু’জন শপথ নেননি।

আপনার মতামত লিখুন :