Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

হালদা পাড়ে এবার অপেক্ষা পূর্ণিমার

হালদা পাড়ে এবার অপেক্ষা পূর্ণিমার
হালদা পাড়ে চলছে জেলেদের প্রস্তুতির কাজ / ছবি: বার্তা২৪
আবদুস সাত্তার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হালদা নদীর পাড়ে জেলেরা এখন অপেক্ষা করছে পূর্ণিমার জন্য। আগামী ১৭ থেকে ১৯ এপ্রিল পূর্ণিমার রাতে হয়তো ডিম ছাড়তে পরে মা মাছ। জেলেদের ভাষায় এটাকে ‘জো’ বলা হয়।

এর আগে চলতি মাসের শুরুর সপ্তাহের ৪ থেকে ৬ তারিখের অমাবস্যায় মা মাছ ডিম দিতে পারে এমন ধারণায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল প্রশাসন। কিন্তু অমাবস্যায় মা মাছ ডিম দেয়নি ফলে অপেক্ষা পূর্ণিমার।

এদিকে ডিম সংগ্রহ করতে পূর্বের প্রস্তুতিকে আরও ঢালাওভাবে সাজিয়েছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে সরকারি হ্যাচারিগুলো সংস্কার করা হয়েছে। নদীর পাড়ে কূপ খনন করা হয়েছে। প্রস্তুত আছেন জেলেরাও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/10/1554905419979.jpg

এ বিষয়ে বুধবার চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুমিনুল হক বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘গেল অমাবস্যায় হালদায় ডিম ছাড়েনি মা মাছ। তবে পূর্ণিমায় ছাড়তে পারে। এ জন্য আগেভাগে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। জেলেদের নিয়ে সভাও করা হয়েছে। হাটহাজারী ও রাউজানে সরকারি হ্যাচারিগুলো সংস্কার করতে দুই উপজেলা থেকে সরকারি বাজেট দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রস্তুত। এবার ঠিকঠাক মতো ডিম সংগ্রহ করা গেলে গত বছরের চেয়ে বেশি রেণু উৎপাদন করা সম্ভব হবে।’

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বুধবার (১০ এপ্রিল) জেলেদের নিয়ে হ্যাচারিতে বৈঠক করেছি। চূড়ান্তভাবে পরামর্শ দিয়েছি জেলেদের। আমাদের লক্ষ্য অন্যান্য বছর থেকে এবার অধিক ডিম সংগ্রহ করতে পারব।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/10/1554905437804.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘এর আগে হ্যাচারি সংস্কার করতে উপজেলা পরিষদ থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪০টি কূপ সংস্কার করা হয়েছে। প্রত্যেক হ্যাচারিতে একজন করে কেয়ারটেকারও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

জানা গেছে, প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হাদলায় প্রতিবছর এপ্রিল ও মে মাসে ডিম দেয় মা মাছ। প্রায় সাড়ে তিনশত নৌকায় এক হাজার জেলে এ ডিম সংগ্রহ করে। সংগৃহীত ডিম থেকে রেণু ফোটানোর জন্য হাটহাজারী ও রাউজানে সাতটি সরকারি হ্যাচারি রয়েছে। এছাড়া জেলেদের রয়েছে আরও এক হাজার কূপ। এসব কূপে রেণু ফোটানো হয়। রেণু থেকে চট্টগ্রামে স্থানীয় পোনার চাহিদা পূরণ করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/10/1554905458417.jpg

হালদা গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘হালদায় প্রাকৃতিক নিয়মেই ডিম ছাড়ে মা মাছ। মাছ কখন ডিম ছাড়বে বা কী পরিমাণ ডিম ছাড়বে, তা কেউই বলতে পারে না। তবে ডিম সংগ্রহের প্রস্তুতি নিয়ে রাখা ভালো উদ্যোগ।’

তিনি আরও বলেন, ‘হালদা পরিদর্শন করে জেলেদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছি। ডিম সংগ্রহের পরে রেণু ফোটানোর অভাবে অনেক ডিম নষ্ট হয়ে যায়। এবার আরও অধিক রেণু ফোটানো যাবে বলে আশা করছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/10/1554905471138.jpg

আরও পড়ুন: মাছের ডিম সংগ্রহে প্রস্তুত হালদা, অপেক্ষা অমাবস্যার

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
গ্রেনেড হামলায় আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর এবং মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ'লীগের সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু।

এতে সংগঠনের সহ-সভাপতি হোসাইন জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই দানবীয় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে পরিকল্পিত সে হামলায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এই গ্রেনেড হামলার যে রায় হয়েছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে হবে।'

প্রতিবাদ সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম
মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের আয়েশি ঘুম/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা চলছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন স্থানীয়, সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলায় ব্যস্ত। তবে অনুষ্ঠানের এ মঞ্চে দুশ্চিন্তামুক্ত ছিলেন একজন। আর তিনি হলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরু থেকে তিনি দফায় দফায় ঘুম দিচ্ছেন। কখনও ঘুমে দুলুনি খাচ্ছেন, কখনও আবার হঠাৎ চমকে উঠছেন। কোনো কোনো সময় মুখ হা করে বিরাট হাই তুলছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566400999878.jpg

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভায় এমন আয়েশি ভঙ্গিতে ধরা পড়লেন সচিব হেলালুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401016016.jpg

মন্ত্রীর কারণে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় আরও দেরিতে। এরপর মন্ত্রীর ডান পাশের চেয়ারে বসেন সচিব হেলালুদ্দীন আর বাম পাশে বসেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সভার শুরুতে মেয়র কথা বলার পর বক্তব্য শুরু করেন মন্ত্রী। তার বক্তৃতার পুরো সময় সচিব কখনো হাই তুলেছেন, আবার কখনো দুই হাত বুকের ওপর রেখে ভঙ্গিতে ঘুম দিয়েছেন। মাঝে মাঝে দুই চোখ খুললেও আবার চোখ বন্ধ করে ফেলেন। মন্ত্রী যখন বক্তৃতা করছিলেন তখন মাঝে মাঝেই সচিব চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401037611.jpg

সম্প্রতি দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সরকার, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসন কর্মকর্তারা বেশ দৌড়ের ওপর রয়েছেন। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমালোচনাও সইতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলকে। এর মধ্যে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে সরকারের একজন আমলার এভাবে ঘুমানোকে বেমানান বলছেন সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:  রোববার থেকে চিরুনি অভিযান, লার্ভা পেলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের..

ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুঃখ..

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র