Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক

চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক
গ্রেফতারের প্রতীকী ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামে দুইটি বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ানের (র‌্যাব) সদস্যরা।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে নগরীর আকবর শাহথানাধীন এ কে খান এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, মো. রাজ্জাক (৪৮), মো. ইসহাক (৩২) ও মো. আবু তাহের (৪০)।

র‌্যাব-৭ এর সহকারি পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মাশকুর রহমান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সন্ত্রাসীরা এ কে খান এলাকায় অবস্থান করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়। এদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

৬ কি.মি. বাঁধ হলে ভাঙন থেকে বেঁচে যায় কালিহাতি

৬ কি.মি. বাঁধ হলে ভাঙন থেকে বেঁচে যায় কালিহাতি
নদী ভাঙনে বন্যা কবলিত টাঙ্গাইলের কালিহাতি/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

টাঙ্গাইলের কালিহাতি থেকে: বন্যায় প্লাবিত কালিহাতির ১৫০টি গ্রাম। এই উপজেলার গরিলাবাড়ি থেকে ট্রলারে চেপে আফজালপুরে গিয়ে মেলেনি শুকনা মাটির অস্তিত্ব। সবই ডুবে আছে বন্যার জলে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জানালেন, এই জনপদে কাউকে এখন সমাহিত করতে গেলে তারও উপায় নেই। কারণ, সামান্য শুকনা মাটিও পাওয়া যাবে না। পানিবন্দীর পাশাপাশি এ উপজেলায় আপদ হিসেবে যুক্ত হয়েছে নদী ভাঙন। অব্যাহত নদী ভাঙনে বদলে যাচ্ছে টাঙ্গাইলের কালিহাতির মানচিত্র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563774784186.jpg

নদী ভাঙন কেড়ে নিচ্ছে মানুষের জমি। নিঃস্ব করে নিচ্ছে এখানকার মানুষদের। যাদের ৫০০ বিঘা জমি ছিলো, তারাও এখন সব হারিয়ে নিঃস্ব। তাদের অনেকেই এখন চক্ষু লজ্জা ভুলে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন ত্রাণের জন্যে সারিতে।

তবে এই নদী ভাঙন রোধ করা সম্ভব- স্থানীয়দের দাবি। যদি যমুনার তীরে মাত্র ৬ কিলোমিটার বাঁধ দেয়া হয়, তাহলে বেঁচে যাবে কালিহাতি জনপদের মানুষ।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সাংসদ হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারীও বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এমনটাই বলছিলেন।

হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী বলেন, অব্যাহত নদী ভাঙনে এ এলাকার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। যদি যুমনার তীরে বাঁধ দেওয়া যায় তাহলে কালিহাতি ভাঙন থেকে মুক্তি পাবে। মানুষের দুর্ভোগও কমে যাবে। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563774797410.jpg

কালিহাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেব নাথ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ভৈরববাড়ী পর্যন্ত কালিহাতি অংশের ৬ কি:মি: বাঁধ দেয়া হলে বন্যা, নদী ভাঙনের অভিশাপ থেকে বেঁচে যাবে এই অঞ্চলের মানুষ।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, এ জেলাকে বন্যা ও নদী ভাঙন থেকে রক্ষা করার জন্যে ২৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে তখন আর এ সমস্যা থাকবে না।

সদরঘাটে ভাসমান বোর্ডিংয়ে ৪০ টাকায় থাকার ব্যবস্থা

সদরঘাটে ভাসমান বোর্ডিংয়ে ৪০ টাকায় থাকার ব্যবস্থা
সদরঘাটে ভাসমান বোর্ডিং, স্বল্প আয়ের ব্যবসায়ীরা এখানে রাত্রিযাপন করেন/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফো.কম

রাজধানীর সদরঘাটের ওয়াইজঘাট এলাকায় প্রায় ৬০ বছর ধরে রয়েছে ভাসমান হোটেল বা বোর্ডিং। বুড়িগঙ্গা নদীতে সারিবদ্ধভাবে ভেসে আছে পাঁচটি ভাসমান হোটেল। এসব হোটেলের ডেকে মাত্র ৪০ টাকায় রাত্রি যাপন করার ব্যবস্থা আছে। তবে একদিনের জন্য কেবিন ভাড়া গুনতে হয় ১০০ টাকা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সদরঘাটের ওয়াইজঘাট এলাকায় ভাসমান হোটেলগুলো ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। এসব হোটেলে সাধারণত নিম্ন আয়ের ব্যবসায়ীরাই থাকেন।

ভাসমান এসব হোটেল ঘুরে জান যায়, ভাসমান হোটেলের ঐতিহ্য বেশ পুরানো। একটা সময় বুড়িগঙ্গার বুকে ভাসতো অসংখ্য ভাসমান হোটেল। এসব হোটেলের সংখ্যা এখন কমে এসেছে। যদিও এসব হোটেল তেমন মানসম্মত নয়। তবে এখানে অনেকেই মাসের পর মাস থাকছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563772681290.jpg

কম টাকায় থাকতে পারার বাইরে ভাসমান হোটেলের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- কোনো দরিদ্র মানুষকে টাকার অভাবে ফিরিয়ে দেয়া হয় না। হোটেলের কোন এক জায়গায় তাদের মাথা গোঁজার একটু ব্যবস্থা করে দেয়া হয়।

ভাসমান ফরিদপুর মুসলিম হোটেলের ম্যানেজার মো. মোস্তফা আলি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'এখানে মোট পাঁচটি ভাসমান হোটেল আছে। এ সব হোটেলে ৩৫-৪৮ জনের থাকার ব্যবস্থা আছে। এখানে বিদ্যুৎ ও ফ্যানসহ সব সুযোগে সুবিধা আছে। ৪০ টাকা দিয়ে একদিন থাকা যায়।

শরীয়তপুর থেকে আসা ফল ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন আলী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'যেহেতু ঢাকায় ফল বিক্রি করি তাই সারাদিন পর রাতে কম খরচে ভাসমান হোটেলই ভরসা। এর বাইরে ভালো মানের হোটেলে থাকতে গেলে অনেক টাকার প্রয়োজন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563772694084.jpg

শরীয়তপুর মুসলিম হোটেলের গ্রাহক আব্দুল কুদ্দুস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘নিম্ন আয়ের মানুষের থাকার জন্য এই ভাসমান হোটেল ভালো জায়গা। রাতে এখানে থাকি, দিনে ব্যবসা করি। আমাদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে টাকা না থাকলেও এসব হোটেলে থাকতে দেয় ম্যানেজাররা। পরে টাকা দিয়ে দিতে হয়। তবে আগে ভাড়া কম ছিল।’

শরীয়তপুর ভাসমান মুসলিম হোটেলের ম্যানেজার রমজান আলী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘পাকিস্তান আমলে মেজর শফিউল সাহেব এসব ভাসমান হোটেলের লাইসেন্স দিয়েছিলেন। এখন বিআইডব্লিউটিএ'র অধীনে আছে। সাধারণত ঘাটের শ্রমিক, হকার ও ক্ষুদ্র ফল ব্যবসায়ীরাই এখানে থাকেন। এছাড়াও সদরঘাটের নৌপথে যাতায়াতকারী দরিদ্র মানুষ এখানে রাত যাপন করেন। তবে ব্যবসার অবস্থা আগের চেয়ে অনেক খারাপ।’

নিম্ন আয়ের ব্যবসায়ী যাদের পরিবার থাকে গ্রামে। তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় এসব হোটেল। এত অল্প টাকায় ঢাকা শহরে থাকার জন্য আর ব্যতিক্রম কিছু নেই। ভাসমান হোটেল প্রতিদিন রাত ১২ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। দুই তলা বিশিষ্ট  ভাসমান লঞ্চের হোটেলে মানুষ বেশি হলে থাকার জায়গা না হলে, অনেক সময় হোটেলের ছাদেও থাকার ব্যবস্থা থাকে এসব হোটেলে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র