চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজে বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ, ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজে বিনামূল্যে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ালেখা করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ এ সুযোগ করে দিয়েছে।  

২০১৯ সালে প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে যেসব শিক্ষার্থী ১ হাজার ১০০ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের প্রত্যেকে এই সুযোগ পাবেন।

বিনামূল্যে অধ্যয়নের পাশাপাশি এই শিক্ষার্থীরা কলেজের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করতে পারবেন। গ্রাম অথবা শহরের যেসব শিক্ষার্থী গরিব অথচ মেধাবী তাদের পাশে দাঁড়াতে শিক্ষা বৃত্তিসহ নানা উদ্যোগ নিয়ে আসছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে অধ্যয়নের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়। গত বছর ১ হাজার ৫০ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়ে বিজ্ঞান কলেজে ভর্তি হওয়া অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী বিনামূল্যে পড়াশোনা করছেন।

বিনামূল্যে অধ্যয়নের সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের একজন ইমন তালুকদার। বাংলাদেশ নৌ বাহিনী স্কুল থেকে গত বছর জিপিএ-৪ দশমিক ৭৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়ে বিজ্ঞান কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থী জিয়াউল হক ইমন বলেন, ‘আমি এসএসসিতে ১ হাজার ১২২ নম্বর পেয়ে এখানে বিনা মূল্যে পড়াশোনা করছি। এখানে শ্রেণি কার্যক্রমে প্রতিদিন অংশ নেওয়ায় ক্ষেত্রে যেমন বাধ্যবাধকতা রয়েছে তেমনি পঠনপাঠনেও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। কলেজের শিক্ষকেরা অত্যন্ত বন্ধু বৎসল এবং শিক্ষার্থী বান্ধব।’

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমি চিকিৎসক হতে চাই। আমার এই উচ্চাশা তৈরি হয়েছে এ কলেজে ভর্তি হওয়ার পর।’

চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ জাহেদ খান বলেন, ‘১৯৯৮ সাল থেকে শিক্ষা নিয়ে কাজ করি। অর্থের জন্য কোনো শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতে পারবে না সেটি আমি মানতে পারি না। আমি বিশ্বাস করি মেধাবী শিক্ষার্থীদের সামনে এগিয়ে দিতে প্রতিটি শিক্ষকের কাজ করা দরকার। আমি দায়বোধ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করি। তাই প্রতি বছর ব্যক্তিগত সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করি।’ 

ড. মোহাম্মদ জাহেদ খান বলেন, ‘আমাদের কলেজে পড়াশোনার আধুনিক পদ্ধতি রয়েছে। কলেজ থেকেই বিজ্ঞানের প্রতিটি বিষয়ে হ্যান্ড নোট দেওয়া হয়। এসব হ্যান্ডনোট অত্যন্ত সহজ এবং সাবলীল ভাষায় তৈরি করা হয় বলে শিক্ষার্থীরা খুব সহজে আয়ত্ত করতে পারে। এর ফলে ভালো ফলাফলও করতে পারে তারা।’

আপনার মতামত লিখুন :