Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

কৃষকদের ধানের টাকা দিচ্ছেন না খাদ্য কর্মকর্তা

কৃষকদের ধানের টাকা দিচ্ছেন না খাদ্য কর্মকর্তা
কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলা খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ ধান ক্রয় চলছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুমিল্লা


  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে সরকারিভােবে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের পরও চেক অথবা টাকা না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দাউদ হোসেন চৌধুরীর নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন কৃষকরা।

সূত্র জানায়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মাধ্যমে সরকার কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি মণ ধান এক হাজার ৪০ টাকা দরে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত হয়। গত ২৬ মে উপজেলার জোড্ডা পূর্ব ইউপির হাসানপুর গ্রামের সোলাইমানের কাছ থেকে বিআর ৬৭ জাতের ৫০ মণ ধান ক্রয় করে গুদাম কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু এসব ধান গুদামজাত করলেও এখনো মূল্য পরিশোধ করা হয়নি। টাকার জন্য গেলে গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিছুর রহমান স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

অপরদিকে, জোড্ডা গ্রামের কৃষক মাহবুবুল হকের কাছ থেকে গুদাম কর্তৃপক্ষ গত ২৬ মে হীরা ১২০৩ জাতের ৫০ মণ ধান ক্রয় করে। একই ইউনিয়নের পানকরা গ্রামের কৃষক এস আর শাহাবুদ্দিন ভুঁইয়ার কাছ থেকে গত ২৫ মে খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ ২৮ জাতের ৭৫ মণ ধান ক্রয় করে। তাদেরকে ধানের মূল্য বাবদ বার বার তারিখ দিয়েও চেক অথবা টাকা কোনোটাই দিচ্ছে না।

এ বিষয়ে কৃষক সোলাইমান, মাহবুবুল হক ও এস আর শাহাবুদ্দিন বার্তা২৪.কম-কে জানান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের তালিকা অনুযায়ী সরকার কর্তৃক প্রতিজন কৃষকের কাছ থেকে ১২০ কেজি থেকে শুরু করে তিন টন পর্যন্ত ধান ক্রয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ অনুযায়ী সকল নিয়ম মোতাবেক খাদ্য গুদামে গিয়ে ধানগুলো দেওয়ার পর গুদাম কর্তৃপক্ষ উৎকোচের জন্য ধান বিক্রয়ের চেক দিচ্ছে না।

নাঙ্গলকোট উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মিয়াজী নিষেধ করাতে তাদেরকে ধান ক্রয়ের চেক দেওয়া হচ্ছে না।’

ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মিয়াজির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমার ইউনিয়ন থেকে ২০ জন কৃষক থেকে ২০ টন ধান ক্রয় করা হবে। প্রতি জন থেকে এক টন করে ধান ক্রয় করার জন্য গুদাম কর্তৃপক্ষকে বলেছি।’

এদিকে এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দাউদ হোসেন চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

রাজধানীতে গড়ে উঠা সীসা বার উচ্ছেদের দাবি

রাজধানীতে গড়ে উঠা সীসা বার উচ্ছেদের দাবি
বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবসে প্রেসক্লাবে মানববন্ধনে স্কুলছাত্ররা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস বা বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবসে রাজধানী ঢাকায় গড়ে উঠা অবৈধ সীসা বার উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছে মাদকবিরোধী সংগঠন ‘প্রত্যাশা’।

বুধবার ( ২৬ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘মাদক কে না বলুন’ শীর্ষক মানববন্ধন এ দাবি জানায় সংগঠনটি। সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে।

‘প্রত্যাশা’র সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য বিরোধী ফেডারেশনের মহাসচিব আশরাফুল আলম কাজল, সংগঠনটির নির্বাহী সদস্য গোলাম কাদের, আব্দুল রাজ্জাক, মনিরউদ্দিন প্রমুখ। এ সময় বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561565422611.jpg

মানববন্ধনে ফেডারেশনের মহাসচিব আশরাফুল আলম কাজল বলেন, ‘দেশে মাদকের ব্যবহার যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, তা খুবই উদ্বেগজনক। এখনই এর লাগাম টেনে ধরতে না পারলে ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুস্থ ও সুন্দরভাবে গড়ে তোলা অসম্ভব হবে।’

হেলাল আহমেদ বলেন, ‘সম্প্রতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর নতুন করে প্রাইভেট ক্লাব, অভিজাত শপিংমলসহ বিভিন্ন স্থাপনায় বারের লাইসেন্স প্রদান করছে। এটি বর্তমান সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা ও প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে যে অঙ্গীকার করেছেন, তা বস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হবে।’

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির মূল পাঠ্যবই ছাপানোর অভিযোগে গ্রেফতার ২

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির মূল পাঠ্যবই ছাপানোর অভিযোগে গ্রেফতার ২
র‍্যাবের অভিযানে বইসহ আটক ২, ছবি: সংগৃহীত

এনসিটিবি’র অনুমোদন বিহীন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির মূল পাঠ্যবই ছাপানোর অভিযোগে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। এঘটনায় বিপুল পরিমাণ নিন্মমানের নকল পাঠ্যবই উদ্ধার করেছে সংস্থাটি।

বুধবার (২৬ জুন) বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাব সদরদফতরের সিনিয়র এএসপি মিজানুর রহমান।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিবাগত রাতে র‌্যাব-১১ ঢাকার সূত্রাপুরে ১৫নং রূপচাঁদ লেন বাড়ির নিচ তলার ভাড়াটিয়া প্রতিষ্ঠান ‘ভাই ভাই বুক বাইন্ডিং’ এবং ঢাকা জেলার ডেমরা থানাধীন মাতুয়াইল হাজী বাদশা মিয়া রোডস্থ ‘ফাইভ স্টার প্রিটিং প্রেস এন্ড পাবলিকেশন্স’ এ অভিযান চালায়।

অভিযানে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা মূল পাঠ্য বইয়ের নকল প্রিন্টেড কপির ৪ হাজার ৫০০টি বইয়ের সমপরিমাণ ৪৭টি বান্ডিল ও বাংলা সাহিত্য ও সহপাঠ মূল বইয়ের এনসিটিবি এর নকল লোগোসহ ২ বান্ডেল বই উদ্ধার করা হয়।

এসময় মূল পাঠ্যবই ছাপানোর অভিযোগে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ভাই ভাই বুক বাইন্ডিং এর মালিক মোঃ নবী খাঁন (৩৫), ফাইভ স্টার প্রিটিং প্রেস এন্ড পাবলিকেশন্স এর ম্যানেজার মোঃ আইয়ুব হোসেন (৫৩)।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এই অসাধু ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় কলেজ ও মাদরাসার মূল পাঠ্য বইয়ের নকল প্রিন্টেড কপির প্রিন্ট, বাইন্ডিং, সংরক্ষণ ও বিক্রয় করে প্রতারণামূলক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। নকল এই পুস্তকগুলোতে অনেক মুদ্রনজনিত ত্রুটি ও তথ্যের বিভ্রাট রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র