আঞ্চলিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয়

কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ  হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ ২৫ জুন বিমসটেক (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টর‍াল টেকনিক্যাল এ্যান্ড ইকোনমিক্যাল কোপারেশন) -এর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বাংলাদেশ, ভূটান, ভারত,, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড এর মধ্যকার আঞ্চলিক সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্য আয়োজনের  মধ্য দিয়ে পালনের  উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে সদস্যদেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানগণ পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। এতে আঞ্চলিক অখণ্ডতা, আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সন্ত্রাস দমন, পরিবেশ রক্ষায় একযোগে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। ঢাকার গুলশানস্থ বিমসটেক সচিবালয় সন্ধ্যায় এক সংবর্ধনা ও নৈশভোজের আয়োজন করেছে। এতে সদস্য দেশগুলোর কূটনীতিকসহ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এমপি প্রধান অতিথি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

দিবসটি উপলক্ষে প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণীতে বলেছেন, বিগত ২২ বছরে বিমসটেক এর  উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিমসটেক এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জ্বালানি সহযোগিতা, সন্ত্রাস ও পরিবেশের বিরূপ প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে আসছে। ২০১৪ সালে ঢাকায় বিমসটেক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা বিমসটেক প্রক্রিয়ায় তার সরকারের একটি অঙ্গীকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিমসটেক সদস্য দেশগুলো আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা অর্জনে নিজ নিজ চেষ্টা জোরদার করেছে। তিনি বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার হচ্ছে ‘প্রতিবেশী প্রথম’, আর এই প্রক্রিয়ায় ভারতের কাছে বিমসটেক একটি প্রাকৃতিক প্লাটফর্ম।

এ উপলক্ষে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা, শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা, ভূটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে সেরিং, মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সূচি শুভেচ্ছা বানী দিয়েছেন। পৃথক পৃথক বাণীতে তারা বিমসটেকের সাফল্য কামনা করেন এবং এর সদস্যভুক্ত ৮টি দেশের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিমসটেক সেক্রেটারি জেনারেল এ্যাম্বাসাডর এম শহিদুল ইসলাম বলেছেন, ৬ জুন ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর বিগত দুই দশকে বিমসটেক এ অঞ্চলের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে উল্লেখযোগ্য পরিপক্কতা দেখিয়েছে।

১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণাপত্র গ্রহণের মাধ্যমে বিমসটেক-এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতি বছর ৬ জুন বিমসটেক দিবস পালন করা হয়। এ বছর এ অঞ্চলে একইসময় ঈদের দীর্ঘ ছুটির কারণে আজ ২৫ জুন বিমসটেক দিবস পালিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :