Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

চট্টগ্রামের মেগা প্রকল্পগুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের দাবি

চট্টগ্রামের মেগা প্রকল্পগুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের দাবি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের টেকসই বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক উদ্যোগের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।

টানা বর্ষণে গত সোমবার (১৩ জুলাই) শহর রক্ষায় নির্মিতব্য উপকূলীয় বাঁধ পতেঙ্গা আউটার রিং ওয়াকওয়ে ধসে পড়ে, যা এখনও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। এ প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (সিডিএ)।

বাঁধটি ধসে যাওয়ার জন্য সিডিএ‘র সাবেক চেয়ারম্যান আবদুছ ছালামের অনিয়মকে দায়ী করেন বক্তারা। মানববন্ধনে তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়নের লক্ষ্য বিভিন্ন মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। এসব প্রকল্পের জন্য বিপুল সংখ্যক অর্থ বরাদ্দের পরও সেবা সংস্থার অনিয়মের কারণে জনগণ এর সুফল পাচ্ছে না।

লিংক রোড ধসের পড়ার কারণ তদন্তে কমিটি গঠনের দাবি জানান তারা। এছাড়া, দুর্নীতি দমন কশিমনকে (দুদক) এ ঘটনায় বুয়েট-চুয়েটের পর্যবেক্ষকদদের মাধ্যমে তদন্ত করার আহবান জানান তারা। সিডিএ চেয়ারম্যান ও তার আত্মীয়স্বজনের গত দশ বছরের ব্যাংক লেনদেন খতিয়ে দেখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানান তারা।

CTG Protest

স্থানীয় নারীনেত্রী নুর জাহান খান বলেন, আমরা কোনো সেবা সংস্থার পক্ষে-বিপক্ষে না। আমরা চাই চট্টগ্রামে অর্থনৈতিক উন্নয়নে যেসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর কাজ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে শেষ করা হোক। কিন্তু উদ্বোধনের আগেই একটি বাঁধ ধসে পড়ছে, এটা সরকারের ইতিবাচক কাজগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার বলেন, আউটার রিং ধসের কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিটি করতে হবে। পাশাপাশি বুয়েট ও চুয়েটের পর্যবেক্ষকদের পরীক্ষা করার দাবি জানাই।

চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের সমন্বয়ক খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল্লাহ আব্বাস, মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ইন্দ্রু নন্দন দত্ত সহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন :

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা
খুলনায় নারী নেত্রীদের মতবিনিময় সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা। খুলনার নারী নেত্রীরা বলেছেন, স্বামী, সন্তান, সংসার, চাকরি সামলে নারীদের কাজ করতে হয়। তারপরও তারা এগিয়ে চলছে। তাই কোটা নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই নারীরা এগিয়ে যাবে। রাজনৈতিক দলের কমিটিতে যোগ্যতার ভিত্তিতে ৩৩ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এক মঞ্চে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির তৃনমূলের নারী নেত্রীরা এসব কথা বলেন। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিএমএ সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাড. ফরিদ আহমেদ, নিমাই মন্ডল, জুবায়ের আহমেদ জবা, বিএনপি নেতা বিএম কামরুজ্জামান টুক, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, হোসনে আরা চম্পা, মহিলা দলের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট তসলিমা খাতুন ছন্দা, নারী নেত্রী শোভা রাণী হালদার প্রমুখ।

এতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নারী সংগঠনের অর্ধ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন।

খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসামির মৃত্যু

খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসামির মৃত্যু
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ছবি: সংগৃহীত

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন শামসু মল্লিক (৭৫) নামের এক আসামি মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরের দিকে তিনি মারা যান। শামসু মল্লিক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার আসামি ছিলেন। সে রূপসার কাশেম মল্লিকের ছেলে।

ওই আসামি গত কয়েকদিন ধরেই জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানান খুলনার জেলার মো. জান্নাত উল ফরহাদ।

তিনি বলেন, 'জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ১৯ আগস্ট থেকে তিনি জেলা কারাগারের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।'

খুলনা জেলার রূপসা থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন। রূপসা থানার মামলা নং-১০ (৬) ১৯ জিআর -১৮৮/১৯।

উক্ত ব্যক্তির মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র