Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

দেশে ২ কোটি টাকার জ্বালানিবিহীন বিএমডব্লিউ

দেশে ২ কোটি টাকার জ্বালানিবিহীন বিএমডব্লিউ
বিএমডব্লিউ’র জ্বালানিবিহীন ২ কোটি টাকার গাড়ি/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জার্মানির বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিএমডব্লিউ নতুন মডেল নিয়ে হাজির হয়েছে বাংলাদেশের বাজারে। নতুন এই গাড়ি ইলেক্ট্রিক প্লাস ফুয়েলে নয় বরং সম্পূর্ণরূপে ব্যাটারিতে চলবে। বিএমডব্লিউ ৭৪০এলই এক্সড্রাইভ মডেলের এই গাড়ির দাম ধরা হয়েছে দুই কোটি ২২ লাখ টাকা।

এক্সিকিউটিভ মটরস এর হাত ধরে হাইব্রিড আই পারফমেন্সের প্লাগ-ইন গাড়িতে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার চলবে এই গাড়ি এবং চলাকালীন অবস্থায়ই হবে এর ব্যাটারি চার্জ।

শনিবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এক্সিকিউটিভ মটরস এর নিজস্ব শো রুমে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের বাজারে যাত্রা শুরু হয় এই গাড়ির। এই ধরণের হাইব্রিড প্লাগইন গাড়ি জ্বালানি সাশ্রয়ী। পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ খুব স্বল্পমাত্রায় হওয়ায় খুবই পরিবেশবান্ধব।

বর্তমানে এক্সিকিউটিভ মটরস এর শো রুমে ইলেক্ট্রিক প্লাস ফুয়েলে চলা আরও দুটি মডেলের নতুন গাড়ি পাওয়া যাবে। মডেলগুলো হলো-বিএমডব্লিউ ৫৩০ই ও বিএমডব্লিউ এক্স ফাইভ এক্সড্রাইভ ৪০ই। গাড়িগুলোর দাম যথাক্রমে এক কোটি ২৫ লাখ ও এক কোটি ১৮ লাখ টাকা।

গাড়ির উল্লেখযোগ্য দিক জানাতে গিয়ে এক্সিকিউটিভ মটরস এর ডিরেক্টর (অপারেশন) দেওয়ান মুহাম্মদ সাজিদ আফজাল বলেন, ‘এই গাড়ি খুবই ফুয়েল ইফিশিয়েন্ট, ঢাকার ট্রাফিকে যেখানে একজন মানুষ প্রতিদিন ৩০ কিলোমিটার কমিউট করে সে হিসাব করতে গেলে একজন ইউজার প্রতিদিন একবার চার্জেই ফুয়েল ছাড়াই ঢাকাতে চলাচল করতে পারবেন।

তিনি জানান, পূর্বে বিএমডব্লিউ ৫৩০ই মডেলটির দাম ছিলো এক কোটি ৫০ লাখ টাকা কিন্তু পরিবেশ রক্ষায়  বাংলাদেশ সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপের কারণে ট্যাক্স কমিয়ে দেওয়ার সেই গাড়ি এক কোটি ২৫ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জানা যায়, নতুন এ তিনটি গাড়িতেই পাঁচ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা পাওয়া যাবে। যার মধ্যে রয়েছে সার্ভিস ওয়্যারেন্টি, রক্ষণাবেক্ষণ ও বিনামূল্যে মেরামত সুবিধা।

ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড ফুয়েল ইঞ্জিনের সমন্বয়ে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি নিয়ে এলো বিএমডব্লিউ। আই পারফরমেন্স খ্যাত প্লাগ ইন মডেলের গাড়িগুলো এক ফোটা জ্বালানি খরচ না করেই ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে সক্ষম।

এই গাড়ি পরিপূর্ণ চার্জ নিতে তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা সময় নেয়। অন্য দুটি মডেলে ফুয়েল সাশ্রয়ের জন্য হাইব্রিড ইঞ্জিন রয়েছে। তিনটি মোডে গাড়িগুলো ড্রাইভ করা যাবে। এছাড়াও এর বিশেষ ফিচার হচ্ছে ফুয়েলে চলা অবস্থায় এটি নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে চার্জড আপ হতে পারবে যা সাধারণ হাইব্রিড গাড়িতে সম্ভব ছিলো না।

আপনার মতামত লিখুন :

ঘড়ির জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন

ঘড়ির জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন
অ্যাপেল ওয়াচ, ছবি: সংগৃহীত

অ্যাপেল ডিভাইসের সঙ্গে এখন অন্যতম একটি অনুষঙ্গ হচ্ছে অ্যাপেল ওয়াচ বা ঘড়ি। যা অন্যসব স্মার্ট ওয়াচের মতোই কাজ করে। কিন্তু এবার অ্যাপেল ওয়াচ যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো অঞ্চলের এক ব্যক্তিকে পানিতে ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

নাইন টু ফাইভ ম্যাক নিউজ পোর্টালের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিপ ইশো নামের ঐ ব্যক্তি স্পিড বোডে চড়ে হারবোর থেকে ম্যাককরমি যাচ্ছিলেন শিকাগো শহরের ছবি তোলার জন্য। সেই মূহুর্তে হঠাৎ একটি ঢেউ এসে তাকে পানিতে ফেলে দেয়। পানিতে পড়ে তার ফোনটিও হারিয়ে যায়। কিন্তু সাহায্যে চাওয়ার জন্য তার কাছে বার্তা পাঠানোর কিছু ছিল না। পরক্ষণেই ইশো তার হাতে থাকা অ্যাপেল ওয়াচ থেকে সোফেস্টিকেটেড অপারেটিং সিস্টেম (এসওএস) প্রযুক্তির সাহায্যে জরুরি নাম্বারে (৯১১) তে যোগাযোগ করেন। তার পরেই শিকাগো পুলিশ হেলিকপ্টার নিয়ে তাকে উদ্ধার করতে আসে এবং তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

সম্প্রতি অ্যাপল ওয়াচ ‘সিরিজ ফোর’ এই  স্মার্ট ঘড়ির জগতে প্রথম ইলেক্ট্রিক্যাল কার্ডিওগ্রাম বা ইসিজি সুবিধা নিয়ে আসে। যা দিয়ে শরীরের রিয়েল টাইম পরিবর্তনগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন। শুধুমাত্র এর ক্রাউন স্ক্রলিং বাটনটিকে ৩০ সেকেন্ড চেপে ধরে রাখলেই আপনি দেখতে পারবেন আপনার রিয়েল টাইম ইসিজি হার্ট রেট।

উল্লেখ্য এসওএস কল হচ্ছে জরুরি ভিত্তিতে সাহায্যের জন্য আইন শৃঙ্খলা, দমকল বাহিনী কিংবা চিকিৎসা সেবার জন্য ফোন করা।

এনডি টিভি অবলম্বনে

এক গেমে খেলেই খোয়ালেন সব সঞ্চয়!

এক গেমে খেলেই খোয়ালেন সব সঞ্চয়!
গেমিংয়ে আসক্ত কিশোর, ছবি: প্রতীকী

আমার ২২ বছর বয়সের ছেলেটি অটিজমে আক্রান্ত। সে অন্য কোনো কাজ করতে পারে না বিধায় আইপ্যাড, প্লেস্টেশন এবং গেমিংয়ের জগতে ঢুকে গেছে। সম্প্রতি সে একটি গেম খেলে ব্যয় করেছে ৩,১৬০ পাউন্ড যা বাংলাদেশি টাকায় ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৮০ টাকা।

এভাবেই ছেলিটির বাবা থমাস কার্টার বিবিসিকে জানান, সম্প্রতি সে আইপ্যাডে ‘হিডেন আর্টিফ্যাক্ট’ নামের একটি গেম খেলে। আর সেই গেম খেলেই গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মে মাসের মধ্যে তাদের সঞ্চয়ের সব টাকা খরচ করে ফেলেছে।

থমাস আইটিউন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। কিন্তু তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হলেও সেই টাকা আর ফেরত দেয়নি।

তবে গেমিংয়ের প্রতি তীব্র আশক্তি এবং অর্থ খোয়াবার মতো খবর এটিই প্রথম নয়। এমন বেশকিছু খবর বিবিসির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। যেখানে কিশোররা তাদের বাবা-মার ব্যাকিং কার্ড থেকে অর্থ ব্যয় করে গেম খেলছে।

সূত্র: বিবিসি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র