Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

৫ এলজি অ্যাম্বাসেডর পেলেন ৪ লাখ টাকা

৫ এলজি অ্যাম্বাসেডর পেলেন ৪ লাখ টাকা
বৃত্তিপ্রাপ্তদের সাথে এলজি ইলেক্ট্রনিক বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি কে সন ও সংশ্লিষ্টরা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বিভিন্ন এলাকায় আর্থ সামাজিক সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে তরুনদের পাঁচটি উদ্যোগকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বহুজাতিক কোরীয় কোম্পানি এলজি ইলেক্ট্রনিক বাংলাদেশ। মানুষের কল্যাণে কাজ করার ইচ্ছাশক্তি ও প্রচেষ্টার জন্য তাদেরকে এলজি অ্যাম্বাসেডর বৃত্তি নামে এ সহায়তা ও স্বকৃতি প্রদান করা হয়।

মঙ্গলবার ( ৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এ স্বকৃতি ও  সহায়তা প্রদান করা হয়। বৃত্তিপ্রাপ্ত সংগঠনগুলো হলো,খুলনার কয়রার ইনিশিয়েটিভ ফর কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট’র প্রতিনিধি আশিকুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যাচ ৯৭’র মুখপাত্র আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া, যশোরের আমরা বেনাপোল বাসিন্দা’র তাওসিফ আহমদে ,ঢাকার টিডিসি শিক্ষা সহায়তা’র সমন্বয়ক ইরফান হক এবং দিনাজপুরের স্মৃতি বিজ্ঞান ক্লাব’র আবদুল্লাহ আল মুজাহিদ কাছে  ৪ লক্ষ টাকার  আর্থিক সহায়তা ব্যাংক চেক হস্তান্তর করেন এলজি ইলেক্টনিক্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি কে সন ।

অনুষ্ঠানে খুলনার কয়রার ইনিশিয়েটিভ ফর কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট এর উদ্যোক্তা আশিকুজ্জামান তার প্রকল্প তুলে ধরেন। সমাজে  বাঘবিধবাদের নিয়ে একটি কুসংস্কার প্রচলিত আছে যে স্ত্রী অভিশপ্ত বলে তার স্বামীকে বাঘে খেয়ে ফেলেছে। তাই এই সব কুসংস্কার এর বিরুদ্ধে ছিলো তার লড়াই। তিনি এমন ৫ জন বাঘবিধবাকে সেলাই প্রশিক্ষণ দেন এবং স্বাবলম্বী গড়ে তুলে তাদের কাপড় ও সেলাই মেশিন দেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/04/1543904616383.JPG

 অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্তদের উপস্থাপনা শেষে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এলজি ইলেক্ট্রনিক বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি কে সন বলেন, সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার তারুণ্যের শক্তি। বাংলাদেশের তরুণরা অনেক উদ্যমী । দেশের – সমাজে নানা সমস্যা সমাধানে তরুণরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং পণ্যসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাপনকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে আমরা কাজ করছি। ‘জীবনটা সুন্দর’ স্লোগান ধারণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এলজি।

 

এই পর্যায়ে যারা সিলেক্ট হয়েছে তাদের অভিনন্দন জানিয়ে  এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশ’র হেড অব কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স মাহমুদুল হাসান বলে, এই প্রকল্পের সাফ্যল্য নির্ভর করে আপনাদের নিজেদের চেস্টার , যাতে আপনাদের কাজ দেখে অন্যরা অনুপ্রাণিত হয়।

আশা করছি আমদের উদ্যোগ দেখে অন্যান্য কোম্পানি গুলো এগিয়ে আসবে।

 

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বেসরকারী সংস্থা গুড নেইবারস বাংলাদেশের প্রোগ্রাম সাপোর্ট বিভাগের পরিচালক আনন্দ কুমার দাস বলেন, আমি মনে করি তরুণরা এই দেশের ভবিষ্যৎ , আজকে এলজি বাংলাদেশ আমাদের দেশে শুধু ব্যবসা নয় দ্বায়িত্ব বোধ থেকে যে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য চেস্টা করছে আমরা তাদের চেস্টাকে সাধুবাদ জানাই।

আমি বিশ্বাস করি এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাওয়ারফুল একটি পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।

দেশের নানা প্রান্তে আর্থিক সহায়তার কারণে যে  সকল প্রচেষ্টা থেমে আছে তাদের সাহায্য করতে ২০১৭ সাল থেকে ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। ফেসবুকে ‘এলজি বাংলাদেশ’ পেজে পরিচালিত একটি ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গত অক্টোবর থেকে নভেম্বরে ১৮১ টি প্রকল্প প্রস্তাব জমা পড়ে। অইর প্রস্তাবগুলো থেকে উপযোগিতা , টেকসই গুণাবলি, এবং বাস্তবায়নের দক্ষতা বিবেচনায় এই পাঁচটি সংগঠন ও ব্যাক্তির প্রকল্প নির্বাচিত করা হয়।

 

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

দেশীয় ব্যবসার ডিজিটাল রূপান্তর ঘটাবে ‘টেক মাহিন্দ্রা’

দেশীয় ব্যবসার ডিজিটাল রূপান্তর ঘটাবে ‘টেক মাহিন্দ্রা’
‘ব্যাংকিং পরবর্তী ডিজিটাল নেতৃত্ব সম্মেলন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করতে আগ্রহী ভারতভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘টেক মাহিন্দ্রা’। বিশেষ করে ব্যাংকিং, পরিবহন ও বন্দর এবং নাগরিক পরিষেবা খাতে ডিজিটাল কার্যক্রম গ্রহণে জোর দিতে চায় এই প্রতিষ্ঠান।

সোমবার (২২ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ব্যাংকিং পরবর্তী ডিজিটাল নেতৃত্ব সম্মেলন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে নিজেদের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটি। টেক মাহিন্দ্রার বিভিন্ন কার্যক্রম এবং লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন টেক মাহিন্দ্রার গ্লোবাল কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স প্রেসিডেন্ট ও বিজনেস হেড সুজিত বক্সী ।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার বিশ্বদীপ দে।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমরা আগে শ্রমভিত্তিক অর্থনীতির ওপর নির্ভর করতাম। এখন আমরা প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির জাতিতে নিজেদেরকে রূপান্তর করেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং তাঁর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশে আইসিটি ইকো সিস্টেম গড়ে তুলছি। প্রধানমন্ত্রী তিনটি পরিকল্পনাকে বাতিঘর হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

এগুলো হল- ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের সব সুবিধা গ্রামে নিয়ে যাওয়া, তারুণ্যের শক্তি এবং সুশাসন।

আর ডিজিটাল বাংলাদেশের চারটি স্তম্ভ- মানবসম্পদ উন্নয়ন, নাগরিকদের সম্পৃক্ত করা, ডিজিটাল সরকার এবং আইটি বা আইটি ইএস ইন্ডাস্ট্রির সম্প্রসারণ।

এই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ সেবা আমরা জনগণের ডিজিটাল পদ্ধতিতে দিচ্ছি। আইটি পণ্য বা সেবা রফতানির পরিমাণ এখন ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগামী চার বছরের মধ্যে আমরা পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চাই। এই খাতে প্রায় ১০ লাখ তরুণ কাজ করছে। আগামী পাঁচ বছরে আরও ১০ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা আছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘টেক মাহিন্দ্রা’কে সত্যিকারের বন্ধু মন্তব্য তিনি বলেন, এধরনের বিনিয়োগকারী বন্ধুদের আমরা সব সময়ই স্বাগত জানাই। তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছে। যেমন- ২০২৪ সাল পর্যন্ত মুনাফার ওপর কর মওকুফ, ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কর রেয়াত, ১০ শতাংশ পর্যন্ত রফতানিতে ক্যাশ বোনাস ইত্যাদি। বাংলাদেশ বিনিয়োগের একটি আদর্শ স্থান।

নিজেদের পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরে ‘টেক মাহিন্দ্রা’র গ্লোবাল কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স প্রেসিডেন্ট ও বিজনেস হেড সুজিত বক্সী বলেন, বাংলাদেশ এশিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমরা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির দেখেছি। এখানকার লিডিং এন্টারপ্রাইজ এবং ডিজিটাল টেকনোলজি প্রকৃতি আমাদের আকর্ষণ করেছে। টেক মাহিন্দ্রা ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক দক্ষতার পরিচয় ইতোমধ্যে দিয়েছে। স্থানীয় প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে আমরা পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তি দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশনকে বাস্তব করতে চাই।

তিনি বলেন, টেক মাহিন্দ্রা বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশের বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল সেবাগুলো অফার করছে; যার মধ্যে গ্রাহক হিসেবে রয়েছে- টেলিকম এবং ব্যাংকিং, ফিনান্সিয়াল সার্ভিস এবং ইন্সুরেন্সের মত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সেবা বাড়ানোর একটা অংশ হিসেবে টেক মাহিন্দ্রা গুরুত্ব দিচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর প্রকল্পে। যেখানে বিভিন্ন ধরনের সরকারি সেবার পাশাপাশি বেসরকারি খাত এবং শিল্প কারখানাগুলোতে গুরুত্ব রয়েছে আমাদের। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে আমরা এক সাথে কাজ করতে আগ্রহী।

ঈদ উপলক্ষে বাগডুমে মূল্য ছাড়

ঈদ উপলক্ষে বাগডুমে মূল্য ছাড়
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আযহা উপলক্ষে ই-কমার্স সাইট বাগডুম ডটকম দিচ্ছে ৬৮ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়। নির্দিষ্ট পণ্য কিনে মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশে পেমেন্ট করলে ক্যাশব্যাক ও সুদ ছাড়া ইএমআইতে পণ্য কেনার সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

রোববার (২১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঈদ উপলক্ষে কয়েকটি ভাগে মূল্যছাড়ের এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে যেকোনো পণ্য কিনে বিকাশে মূল্য পরিশোধ করলে পাওয়া যাবে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি মোবাইল ফোন কেনার উপর দিচ্ছে বিশেষ অফার। যেখানে ক্রেতারা নিজের পছন্দের স্মার্টফোন কিনে পেতে পারেন ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড়।  রেফ্রিজারেটরেও অফার দিচ্ছে ই-কমার্স সাইটটি। সাইটটি থেকে এখন রেফ্রিজারেটর কিনলে ক্রেতারা সর্বোচ্চ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যছাড় পেতে পারেন।

এদিকে ঈদে বাগডুম থেকে ওয়াশিং মেশিন কিনলে ৪৯৫০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে। এছাড়াও বাগডুম কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স, ফ্যাশন সামগ্রী, পোশাক, মেকআপ, ঘড়ি, গ্যাজেটসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যে মূল্যছাড় দেবার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি এসব অফারের পাশাপাশি নিশ্চয়তা দিচ্ছে দ্রুত ডেলিভারি এবং পণ্য পছন্দ না হলে সহজে রিটার্ন সুবিধা। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র