Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

তথ্যপ্রযুক্তির কোন ভৌগোলিক সীমারেখা নেই-পলক

তথ্যপ্রযুক্তির কোন ভৌগোলিক সীমারেখা নেই-পলক
ছবিঃ সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪ডটকম


  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্যপ্রযুক্তির কোন ভৌগোলিক সীমারেখা নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।তাই আগামী দিনের পরিবর্তিত ও আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলতে হলে উন্নত ও অনুন্নত দেশসমূহসহ সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি ।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) বাহরাইনের রাজধানী মানামায় অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল এন্টারপ্রেইনিয়রশিপ কংগ্রেস’ ২০১৯ সম্মেলনের ‘স্টার্টআপ নেশনস্‌ মিনিস্ট্রিয়াল’ শীর্ষক অধিবেশনে আলোচক হিসেবে অংশ নিয়ে এই আহ্বান জানান তিনি।

পলিসি সেশন আলোচনায় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী উদ্ভাবন পরিকল্পনা, উদ্যোক্তা একাডেমী প্রতিষ্ঠা, হাইটেক পার্ক প্রকল্প ও ইনোভেশন সেন্টার প্রকল্প স্থাপন, আইটি প্রশিক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণ প্রজন্মের সক্ষমতা অর্জন এবং তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন ও বিকাশে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অর্জন ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

সেশনে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির কোন ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। ।

ডিজিটাল বিপ্লবে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্রুতগতির ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করেছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠার জন্য ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করেছেন। এই রূপকল্প বাস্তবায়নে চারটি মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

পলক বলেন, সবাইকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় নিয়ে আসতে বিগত দশ বছরে সরকার অনেকগুলো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে। বিগত ৩ বছরে সকল সরকারি অফিসকে ইন্ট্রা-নেটওয়ার্ক এর আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং বর্তমানে ইনফো সরকার-৩ ও কানেকটেড বাংলাদেশ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সারাদেশকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় নিয়ে আসতে কাজ করা হচ্ছে।

‘থ্রি এ’ স্ট্র্যাটেজি রয়েছে ইন্টারনেটের জন্য। ইন্টারনেট যেহেতু ফুলফিলমেন্ট অব দ্যা সোসাইটি হবে তাই এটির অ্যাভেইলেবল, অ্যাফোর্টেবিলিটি ও অ্যাওয়ারনেস নিয়ে কাজ করা হচ্ছে’ বলেন তিনি।

২০৩০ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নারীর ৫০ শতাংশ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের ওয়াইফাই (উইমেন আইসিটি ফ্রন্ট্রিয়ার ইনিশিয়েটিভ) প্রকল্প চালু রয়েছে।

প্যানেল আলোচনায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, গ্রামের অনেকেই স্মার্টফোন ব্যবহার করে ইন্টারনেট পাচ্ছে। ইনফো সরকার-৩ এর মাধ্যমে দেশের ২ হাজার ৬০০ ইউনিয়নকে ফাইবার অপটিক ক্যাবল সংযোগের আওতায় আনা হচ্ছে। দেশের সকল ডিজিটাল সেন্টারে (ইউডিসি) বিপিও সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। ইডিসিতে দুই লাখ ফিক্স ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদান করা হচ্ছে ।

এছাড়াও লার্নিং-আর্নিং, শি পাওয়ার, এলআইসিটি, সারাদেশে ২৮টি হাইটেক পার্ক, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতায় প্রশিক্ষণ, আইডিয়া প্রকল্পের আওতায় স্টার্টআপ বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন, এ সকল প্রকল্পের আওতায় অনেক তরুণ তরুণীর প্রশিক্ষণ নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে দেশে তিন লাখ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করা হবে।

সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, ইটালি, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, সুদান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, আর্জেন্টিনা, বেনিন, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, কংঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইস্তোনিয়া, গ্রানা, হাঙ্গেরিসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, উচ্চ পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

আরো ১ হাজার স্টার্টআপ তৈরিতে সরকার সহায়তা করবে

আরো ১ হাজার স্টার্টআপ তৈরিতে সরকার সহায়তা করবে
‘সহজ’ -এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

২০২১ সালের মধ্যে আরও এক হাজার স্টার্টআপ তৈরি করতে অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনলাইনভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘সহজ’ -এর পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার (১৭ জুলাই) রাতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার চায় তরুণরা শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে সফল উদ্যোক্তা হবে। তারা হোমগ্রোন সলিউশনের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখবে। আমরা বিশ্বাস করি- একজন উদ্যোক্তা সফল হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি মাধ্যমে লক্ষ তরুণের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠানে ‘সহজ’ -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালিহা এম কাদির সভাপতিত্ব করেন। আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম। ‘সহজ’ -এর ভবিষ্যত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তুলে ধরেন হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের সহকারী অধ্যাপক ড. এন্ডি উ।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন- বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক সহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।

সুন্দরগঞ্জের নারী উদ্যোক্তাদের গরু দারাজে

সুন্দরগঞ্জের নারী উদ্যোক্তাদের গরু দারাজে
দারাজের ঈদ বিগ সেল

অনলাইন শপ দারাজ বাংলাদেশে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে তৃতীয়বারের মত আয়োজন করেছে ঈদ বিগ সেল। এই বছর ঈদ বিগ সেলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে থাকছে দারাজ “অনলাইন গরুর হাট”, যা দ্বিতীয়বারের মতন আয়োজন করেছে দারাজ। এই হাটের বিশেষত্ব হল- প্রতিটি গরু শতভাগ অর্গানিক এবং গরুগুলো লালন-পালন করেছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের নারী উদ্যোক্তারা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) থেকে ১২ই আগস্ট পর্যন্ত চলাকালীন এই ঈদ শপিং ক্যাম্পেইনে থাকছে বিশাল মূল্যছাড়, অনলাইন গরুর হাট, টপ রেটেড প্রোডাক্ট, মেগা ডিল, শেক শেক ভাউচার, আই লাভ ভাউচার, রাশ আওয়ার ভাউচার, ফায়ার ভাউচার সহ আরও অনেক আকর্ষণীয় ঈদ অফার।

এবারের দারাজের অনলাইন গরুর হাটের গরুগুলো দারাজ নন্দিনীর উদ্যোগে অ্যাকশনএইড-এর সহায়তায় নিয়ে আসা হচ্ছে প্রত্যন্ত গাইবান্ধা থেকে। ক্রেতারা খুব সহজেই কোরবানির পশুর সকল বিস্তারিত বিষয় জেনে গরুর ভিডিও দেখে দারাজ অ্যাপে (daraz app) তা অর্ডার করতে পারবেন। ১০৭ টি গরুর সমারোহে সাজানো এই হাটে রয়েছে ৪২,০০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১,৩০,০০০ টাকার গরু। দারাজে গরু অর্ডার করার শেষ তারিখ ৫ই আগস্ট আর গরুগুলো ডেলিভারি শুরু হয়ে যাবে ৯ তারিখ থেকে।

তাছাড়াও ক্যাম্পেইনে ঈদের নিত্য প্রয়োজনীয় হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স সামগ্রী পাওয়া যাবে আকর্ষণীয় মূল্যে, যার মধ্যে রয়েছে এসি, ফ্রিজ, এয়ার কুলার ও মাইক্রোওয়েভ কালেকশন। আর ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফোন, টিভি, ডিএসএলআর ক্যামেরা ইত্যাদি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র