Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো কুমিল্লা বৃহস্পতিবার

বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো কুমিল্লা বৃহস্পতিবার
ছবিঃ সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪ডটকম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশী-বিদেশী নামকরা তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এর অংশগ্রহণে  কুমিল্লায় শুরু হতে যাচ্ছে বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো কুমিল্লা ২০১৯। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) কুমিল্লা আইটি পার্কে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রদর্শনীর কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী এবং বিসিএস মহাসচিব মোশারফ হোসেন সুমন।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল)  বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি কুমিল্লা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলাটি  ১১ টায়  উদ্বোধন করবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার । যা চলবে  চলবে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত।

সংবাদ বিজ্ঞেপ্তিতে বিসিএস জানায়,  মেলায় আটটি পণ্য প্রদর্শনী কেন্দ্র, ৩২ টি স্টল এবং পাঁচটি প্যাভেলিয়ন থাকছে। প্রদর্শনীতে 

প্রদর্শনী চলাকালে ২১ এপ্রিল বেলা ১১ টায় ‘অপরটুনিটিস অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস অব ফ্রিল্যান্সিং অ্যান্ড আউটসোর্সিং’ এবং ২২ এপ্রিল একই সময়ে ‘আইসিটি বেজড ক্যারিয়ার ফর আইটি অ্যান্ড নন আইটি প্রফেশনালস’  শীর্ষক দুটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

মেলায় থাকবে রোবট প্রদর্শনী, শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, গেইমিং ও কুইজ কনটেস্ট। সেলফি কনটেস্টে অংশ নিয়েও দর্শনার্থীরা আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নিতে পারবেন।

প্রদর্শনীর প্লাটিনাম স্পন্সর আসুস, এইচপি, লেনেভো এবং লজিটেক। গোল্ড স্পন্সর টিপি-লিংক এবং ওয়াল্টন ল্যাপটপ। সিলভার স্পন্সর হিসেবে থাকছে ডেল, রেপো এবং টেন্ডা।

এছাড়া রোবোটিক পার্টনার ক্যাসপারস্কি ল্যাব, গেইমিং পার্টনার গিগাবাইট, ওয়াইফাই পার্টনার কুমিল্লা আইটি পার্ক, সিকিউরিটি পার্টনার এবং দাহুয়া। টিকেট স্পন্সর বি-ট্রেক ও টিকিট কাউন্টার স্পন্সর ডি-লিংক এবং ভলান্টিয়ার ড্রেস স্পন্সর টেন্ডা। প্রদর্শনীর শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার স্পন্সর ইপসন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএস কুমিল্লা শাখার ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুজিবুর রহমান মুকুল, বিসিএস সদস্য এম এ বাতেন, ফরহাদ উল্লাহ মজুমদার এবং অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হায়দার মজুমদারসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

এনওসি বন্ধ হতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন-রবি’র

এনওসি বন্ধ হতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন-রবি’র
বকেয়া পরিশোধ না করলে গ্রামীণফোন ও রবি’র এনওসি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি/ ছবি: সংগৃহীত

ব্যান্ডউইথে অবরোধ আরোপে সৃষ্ট অচলাবস্থার অবসানের পর এখন নো অবজেকশান সার্টিফিকেট বা এনওসির নিষেধাজ্ঞায় পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম দুটি মোবাইল ফোন অপারেটর রবি ও গ্রামীণফোন।

বকেয়া আদায়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক নেওয়া ব্যান্ডউইথ ব্লকের সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের হস্তক্ষেপে উঠিয়ে নেওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নিল বিটিআরসি।

বুধবার (১৭ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক। তিনি বলেন, ‘বিটিআরসি অপারেটরদের কাছে যে টাকা পায় সেটি রাষ্ট্রের টাকা। সুতরাং সেটি যেভাবেই হোক রাষ্ট্রের কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য বিটিআরসি বদ্ধপরিকর।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563369084768.gif
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

জহুরুল হক বলেন, ‘এখানে কম আদায় করা বা মাফ করে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে সুরক্ষা দিতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।’ তবে কবে নাগাদ এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে সে বিষয়ে কোনো ধারণা দেননি বিটিআরসি চেয়ারম্যান।

এনওসি বন্ধ করা হলে অপারেটগুলোর সব প্যাকেজ অনুমোদন বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি বন্ধ, নেটওয়ার্ক বিস্তারের অনুমোদনও বন্ধ হবে। সাধারণত যেকোনো কিছুর জন্যে বিটিআরসি থেকে এই এনওসি নিতে হয়। এমনকি ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলেও। অনেক ক্ষেত্রে অন্য কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে গেলেও এনওসি নিতে হয়।

গত এপ্রিলে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বকেয়া দাবি করে গ্রামীণফোন ও ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকার জন্য নোটিশ পাঠায় বিটিআরসি। টাকা পরিশোধের জন্য অপারেটর দুটিকে দুই সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়। বিটিআরসি থেকে তখন বলা হয়েছিল, গ্রামীণফোন ও রবির সর্বশেষ অডিটের পরে এই ডিমান্ড লেটার পাঠানো হয়েছে।

‘ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছি’

‘ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছি’
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

প্রত্যেক ঘরে ঘরে তৃণমূল পর্যায়ে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা মনে করি যে রূপান্তরটা আমরা করতে চাচ্ছি—বাংলাদেশের প্রত্যেক বাড়িতে দ্রুত গতির কানেক্টিভিটি যাতে পৌঁছাতে পারি, সেই কারণে তারা (ডিসি) তৃণমূলে কাজ করেন। বস্তুত পক্ষে আমরা ওই যে গ্রামের কথা বলছি, সেই গ্রাম পর্যন্ত যে নিয়ন্ত্রণের জায়গা, সহযোগিতার জায়গা—পুরোটাই কিন্তু জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের ওপর নির্ভর করে।

তিনি বলেন, আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে কানেক্টিভিটি তৈরি করা। এটা আমাদের কমিটমেন্ট। আমি যদি রেলপথ, নৌপথ, সড়ক পথের মতো আমার ইন্টারনেটের পথ তৈরি করতে না পারি তাহলে যে বাংলাদেশের কথাই বলি, ডিজিটাল বলি আর যাই বলি, কিছুই হবে না।
মন্ত্রী বলেন, আমরা এইবার গ্রামগুলোকে শহর বানাতে চাইছি। গ্রামগুলোকে শহর বানানোর মানে কেবল গ্রামগুলোতে বিল্ডিং বানানো কিংবা রাস্তাঘাট পাকা করা কিংবা মানুষের যে অবস্থান আছে সেটা পরিবর্তন করা নয়। ডিজিটাল রূপান্তর সারা পৃথিবীতে হচ্ছে। আমাকে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করেই রূপান্তরটা করতে হবে। সামনের দিনে আপনি কৃষি থেকে শুরু করে হেন কিছু পাবেন না যেখানে আমরা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করব না।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, যদি স্বাস্থ্যসেবা দিতে হয় তাহলেও ডাক্তার পৌঁছে স্পেশালিস্ট দিয়ে সেবা দেওয়ার চাইতে সহজ হয়ে যাবে টেলি মেডিসিন ব্যবহার করা। আইটি ব্যবহার করা সহজ হয়ে যাবে প্রচলিত কৃষি উন্নয়নের জন্য।

তিনি আরও বলেন, আমি যদি কোথাও একটা ফাইবার বসাতে চাই তাহলে সেখানে আমার ফাইবার বসানোর লোকটার নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা লাগে। রাস্তা কাটার জন্য তার অনুমতি দরকার হয়। আমি আশাবাদী, জেলা প্রশাসকরা নতুন পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াবেন। প্রশাসনে পরিবর্তন আসছে। প্রশাসন কাজের দিক থেকে ডিজিটাল হচ্ছে। ডিজিটাল প্রশাসন রূপান্তর করাও আসলে তৃণমূল থেকে করতে হবে। তাদের বলেছি, আপনারা ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল‌ রেভল্যুশনের জন্য প্রস্তুত হোন।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের টাইমলাইন একুশ সাল। এই সময়ের জন্য যা যা করণীয় আছে তার জন্য তৈরি হোন। আমি মনে করি আমাদের জনগণ কোন অবস্থাতেই পেছনে পড়ে থাকে না। তারাও তাদের সাথে সহযোগিতা করবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দিক থেকে কমিটমেন্টটা এই রকম যে, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বোঝাই বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে, প্রত্যেক মানুষের কাছে কানেক্টিভিটি যেন থাকে। জেলা প্রশাসকরা এই বিষয়ে উৎসাহী, তারা সহযোগিতা করবেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র