Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাংলাদেশের বাজারে রেনো'র দুই ফোন

বাংলাদেশের বাজারে রেনো'র দুই ফোন
ছবিঃ সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চীনা প্রতিষ্ঠান অপ্পো বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এসেছে তাদের সাবব্র্যান্ডের ফোন রেনো। ফোনটির দুটি সংস্করণ তারা বাংলাদেশের জন্য উন্মুক্ত করলো।

সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত রেনো এক্সপেরিয়েন্স অনুষ্ঠানে রেনো সিরিজের প্রথম দুটি স্মার্টফোন রেনো এবং রেনো ১০এক্স জুম উন্মুক্ত করা হয়।  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অপ্পো বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মি. ডেমন ইয়াং, সর্দার শওকত আলী ডেপুটি ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব ডিভাইস গ্রামীণফোন লিমিটেড, অপ্পো বাংলাদেশের ব্র্যান্ড হেড আইয়োনো এবং পিআর ম্যানেজার ইফতেখার সানি।

উন্মোচন অনুষ্ঠানে আগতরা রেনোর ফোনগুলো ব্যবহার করে দেখতে পেরেছেন। অনুষ্ঠানেই বাংলাদেশের বাজারে বিক্রির জন্যে আনুষ্ঠানিক ভাবে উন্মোচন করা হয় ফোন দুটি। ডেমন ইয়াং বলেন, শুরু থেকেই ব্যবহারকারীদের চাহিদা পুরোপুরি ভাবে মেটাতে সক্ষম এমন ফোন উৎপাদনে গুরুত্ব দিয়ে আসছে অপ্পো।

ফটোগ্রাফি এবং অধিক গ্রাফিক্স সমৃদ্ধ গেইমস ও মননশীল বিভিন্ন ভারী কাজের উপযোগী স্মার্টফোনে জোর দিয়েছে অপ্পো। রেনোতে থাকছে ২৩৪০*১০৮০ পিক্সেল সমৃদ্ধ ৬ দশমিক ৪০ ইঞ্চি ফুলএইচডি প্লাস ডিসপ্লে। আর রেনো ১০এক্স জুমে থাকছে ২৩৪০*১০৮০ পিক্সেলের ৬ দশমিক ৬ ইঞ্চি ফুলএইচডি প্লাস ডিসপ্লে। দুটো ফোনেই থাকছে অ্যামোলেড ডিসপ্লে। আর দুটো ফোনেই শার্ক-ফিন সদৃশ রাইজিং ক্যামেরা প্ল্যাটফর্ম। যার স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ৯৩.১ শতাংশ।রেনোতে রয়েছে ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ যার প্রাথমিক ক্যামেরাটি এফ/১.৭ অ্যাপারচারের সনি আইএমএক্স ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেন্সর। রেনো ১০এক্স জুম স্মার্টফোনটিতে ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপে মূল ক্যামেরা হিসেবে রয়েছে এফ/১.৭ অ্যাপারচার যুক্ত ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেন্সর।এছাড়াও এতে আছে এফ/২.২ অ্যাপারচার যুক্ত আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা এবং এফ/৩.০ অ্যাপারচার যুক্ত ১৩ মেগাপিক্সেল সেন্সরের টেলিফটো ক্যামেরা।দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ দিতে রেনোতে রয়েছে ৩৭৬৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি এবং রেনো ১০এক্স জুমে রয়েছে ৪০৬৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। এছাড়াও ফোন দু’টিতে রয়েছে ২০ ওয়াট ক্ষমতার ভোক ৩.০ ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি। ৮ গিগাবাইট র‍্যাম এবং ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজ যুক্ত রেনো পাওয়া যাবে ৪৯ হাজার ৯৯০ টাকায় এবং ৮ গিগাবাইট র‍্যাম ও ২৫৬ গিগাবাইট স্টোরেজের রেনো ১০এক্স জুম পাওয়া যাবে ৭৯ হাজার ৯৯০ টাকায়।গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা পাবেন ৮ গিগাবাইট ফোরজি ইন্টারনেট ডেটা। এছাড়াও রেনো কেনার প্রথম তিন মাসের জন্যে ডিজিটাল কন্টেন্ট প্ল্যাটফর্ম বায়োস্কোপ ব্যবহার করতে প্রতিটি ৫ গিগাবাইটের ৩০ দিন মেয়াদী প্যাকেজ পাবেন মাত্র ২৫ টাকায়।

আপনার মতামত লিখুন :

যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি অ্যামাজনে

যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি অ্যামাজনে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, প্রস্তুতকারক এবং উৎপাদকদের জন্য সম্ভাবনাময় মার্কেটপ্লেস বা বাজার হতে পারে অ্যামাজন। বিশ্বের বিভিন্ন মানুষের চাহিদা প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। তাদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিশ্বের কাছে তুলে ধরার এক অনন্য মাধ্যম তৈরি হতে যাচ্ছে এই মার্কেটপ্লেস।

স্বল্প বিনিয়োগে অ্যামাজনের মাধ্যমে তথা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগিয়ে বিশ্ব বাজারে নিজেদের পণ্যের প্রসার ঘটাতে পারেন দেশীয় ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২০ জুলাই) অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবস্থা পাইওনিয়ারের উদ্যোগে রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত ‘দ্যা পাইওনিয়ার ফোরাম: সেলিং গ্লোবালি উইথ অ্যামাজন’ শীর্ষক সম্মেলনে এমনটাই জানান অ্যামাজন এবং অন্যান্য ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা।

সম্মেলনে বক্তব্য দেন পাইওয়ানিয়ার বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান, পাইওনিয়ারের ডিরেক্ট সেলস (ই- কমার্স) বিভাগের প্রধান অমিত আরোরা, অ্যামাজনের সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আংশুমান হার্জাই, ই-কমার্স সাইট স্টেলকরের প্রতিষ্ঠাতা ভারত মণ্ডত, একস প্রো এবং টেক রাজশাহীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পাইওয়ানিয়ার বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান বলেন, পাইওনিয়ার সব সময় স্থানীয় কমিউনিটি নিয়ে কাজ করে। সেই হিসেবে পাইওনিয়ার বাংলাদেশ এখনকার স্থানীয় কমিউনিটিদের নিয়ে বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের সাহায্যে কাজ করে যাচ্ছে। অ্যামাজনের প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী এবং প্রস্তুতকারকদের দারুণ একটি সম্ভাবনা আছে, যা আমরা অনেকেই সেভাবে জানি না। সে বিষয়েই সবাইকে জানাতে এবং অ্যামাজনের প্রতিনিধিদের সাথে আমাদের স্থানীয়দের একটি যোগাযোগ সেতু তৈরি করতে পাইওনিয়ারের এই আয়োজন।

‘যেমন এখানে অ্যামাজন কর্মকর্তাদের সাথে দেশীয় উদ্যোক্তারা সরাসরি যোগাযোগ বা নেটওয়ার্কিং এর সুযোগ পেলেন আজ। উপরন্তু অ্যামাজনের সাথে দেশীয় যেসব ব্যবসায়ীরা কাজ করবেন তাদের টাকা আমাজন থেকে বৈধ উপায়ে দেশে নিয়ে আসার জন্য পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবেও কাজ করতে পারে পাইওনিয়ার। অ্যামাজন ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিলেই এখানকার ব্যবসায়ী দেশে বসেই তার টাকা পেয়ে যাবে। কারণ অ্যামাজনের পার্টনার পাইওনিয়ার। ব্যবসায়ীদের টাকা পেতে আর বাড়তি কোন ঝামেলা নিতে হবে না।’

অ্যামাজনের সাথে ব্যবসার বিভিন্ন দিক ও সম্ভাবনা তুলে ধরে আমাজনের সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আংশুমান হার্জাই বলেন, বাংলাদেশে অনেক ধরনের পণ্য আছে যেগুলোর বিশ্ব বাজারে ভাল চাহিদা আছে। আমরা আমাদের বিভিন্ন ধরনের টুলসের মাধ্যমে এনালাইসিস করে জানতে পেরেছি যে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি কাপড় চামড়াজাত পন্যে সহ হেলথ, কসমেটিক পণ্য, খাবারের বিপুল চাহিদা রয়েছে। পণ্যের ব্যবসায়ীরা অ্যামাজনের সাহায্য নিয়ে নিজেদের ব্যবসা আরও বড় করার সুযোগ পাবেন। আপনার একটি পণ্য রপ্তানি করতে হলে আপনার গোডাঊন থাকা লাগে, আর কেউ খুচরা বিক্রি করতে চাইলে তার খরচ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু এখন অ্যামাজ চলে আসায় এই সমস্যা গুলো থাকবেনা এবং গ্লোবাল সেলারদের সাথে একটা ভালো নেটওয়ার্ক তৈরিরও সুযোগ তৈরি হবে। আর বাল্ক হিসেবে বিপুল পরিমাণ পণ্য রপ্তানির সুযোগ ও তৈরি হয় অ্যামাজনে। এখন শুধু অ্যামাজনে একটি আইডি, ব্যাংক একাউন্ট, ইমেইল এড্রেস থাকলেই বিশ্ববাজারে প্রতিযোগী হতে পারবেন একজন।

একস প্রো এবং টেক রাজশাহী এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান বলেন, অ্যামাজনের সাথে কাজ করা বিভিন্ন ধরনের সেলার দের সেবা দিয়ে আমরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪৪টি গ্রাহক আছে আমাদের যার মাত্র একটি বাংলাদেশের। তাই বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য বড় এবং সম্ভাবনাময়ী বাজার পড়ে আছে। যারা এই প্ল্যাটফর্মে আসবেন তাদের নানাবিধ সেবা দিতে প্রস্তুত আমরা।

পাইওনিয়ার আয়োজিত এই সম্মেলনে দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা অংশ নেন।

মেয়েদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ বাড়ছে: মোস্তাফা জব্বার

মেয়েদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ বাড়ছে: মোস্তাফা জব্বার
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

অংশগ্রহণ কম হলেও প্রোগ্রামিংয়ে মেয়েদের আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শুক্রবার (২০ জুলাই) এসিএম-ইন্টারন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ২০১৯ -এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং একটি সৃজনশীল কাজ। প্রোগ্রামিং কঠিন কোনো কাজ নয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তি যাই আসুক না কেন, প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টিকে থাকার জন্য প্রোগ্রামিং প্রয়োজন। দেশে প্রোগ্রামিং উৎসাহিত করতে এক বছর আগে জাতীয় পর্যায়ে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা শুরু করেছি।

Mostofa Jabbar

দেশে নারী শিক্ষার অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে মোট শিক্ষার্থীর শতকরা ৫৩ ভাগ নারী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আতিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য জিইউ আহসান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাজ্জাত হোসেন।

প্রতিযোগিতায় ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মোস্তাফা জব্বার।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র