Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ই-কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি, সময় চাইলেন সংশ্লিষ্টরা

ই-কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি, সময় চাইলেন সংশ্লিষ্টরা
ছবিঃ বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাজেটে ই কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে বলে জানালেন খাত সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি আমলে নিয়ে অনলাইনে পণ্য ও সেবা বিক্রয়কে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮ ও বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত সংজ্ঞা অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত করে আলাদা সার্ভিস হিসাবে বিবেচনা করা এবং নতুন সেবা কোড বরাদ্দ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে এই খাতের জাতীয় সংগঠন ই-কমার্স  অ্যাসোসিয়েশন   অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) 

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে সংগঠনটি। 

সম্মেলনে জানানো হয়, ইতিমধ্যে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি বৃন্দ এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় , আইসিটি বিভাগ , এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে একাধিকবার বৈঠক করে বাজেটে ই-কমার্স এর সংজ্ঞা পরিবর্তন, ভুল সংশোধন এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসের উপর আরোপিত ভ্যাট অব্যাহতি সহ বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পেশ করেছেন। ই-ক্যাব এর প্রস্তাবনার উপর সম্মতি জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি বিভাগ থেকে দুটি অফিসিয়াল চিঠিও এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে ভারতে ই-কমার্সের উপর কোন ভ্যাট নেই উল্লেখ করে  শমী কায়সার বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই ই-কমার্সের উপর ভ্যাট নেই। বাংলাদেশেও এই খাতটি একদমই নতুন। যখন এই খাত টি মাত্র দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে তখন এমন ধরনের সিদ্ধান্ত ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাঁধা গ্রস্ত করবে। 

ই-কমার্স খাতে ভ্যাট সরকারের ডিজিটাল সেবা খাত বিকাশে বাধাগ্রস্ত করবে উল্লেখ করে ই-ক্যাব সেক্রেটারি মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বেলেন,  আমরা সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগের সঙ্গে এক মত। কিন্তু তাই বলে বৃহত্তর স্বার্থে স্বল্প মেয়াদী আয়ের বিনিময়ে নয়।
এ কারণেই আমরা ই-কমার্সের সংজ্ঞাকে পরিষ্কার করতে চাই। যাদের ফিজিক্যাল কোনও স্টোর নেই, কেবল অনলাইনেই পণ্য বিক্রি করেন শুধু সেসব প্রতিষ্ঠানকেই ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানাই। কেননা অনলাইন ব্যবসায় করেন তারা বাজার থেকে পণ্য কেনার সময়ই একদফা ভ্যাট দিয়ে থাকেন। এরপরও যদি পুনরায় তাদেরকে ভ্যাট দিতে হয় তবে তাদেরকে দুই দফা কর দিতে হবে। আর এই করভার কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর গড়াবে। অর্থাৎ অনলাইনে পণ্য মূল্য বেড়ে যাবে। তখন কেউ অনলাইনে কেনা-কাটা করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।
তিনি জানান, ই-ক্যাব আগামী তিন বছরে সারাদেশে আরও ১০ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে ই-কমার্সের সঙ্গে প্রায় ৫০ হাজার উদ্যোক্তা সরাসরিভাবে জড়িত। ই-কমার্সের উপর প্রস্তাবিত ভ্যাট তাদের সবার জন্যই একটা মারাত্মক ঝুঁকির ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। শুধু উদ্যোক্তাদের এই খাতে আসলেই চলবে না, গ্রাহকদেরও নিয়ে আসতে হবে। নতুন করে এই খাতের উপর প্রস্তাবিত ভ্যাট উদ্যোক্তা-গ্রাহক উভয়কেই এ খাত থেকে দূরে সরিয়ে দিবে।  

ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ: আব্দুল ওয়াহেদ তমাল, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হক সহ ই-ক্যাব কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পরিচালকবৃন্দ । 

 

আপনার মতামত লিখুন :

সুন্দরগঞ্জের নারী উদ্যোক্তাদের গরু দারাজে

সুন্দরগঞ্জের নারী উদ্যোক্তাদের গরু দারাজে
দারাজের ঈদ বিগ সেল

অনলাইন শপ দারাজ বাংলাদেশে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে তৃতীয়বারের মত আয়োজন করেছে ঈদ বিগ সেল। এই বছর ঈদ বিগ সেলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে থাকছে দারাজ “অনলাইন গরুর হাট”, যা দ্বিতীয়বারের মতন আয়োজন করেছে দারাজ। এই হাটের বিশেষত্ব হল- প্রতিটি গরু শতভাগ অর্গানিক এবং গরুগুলো লালন-পালন করেছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের নারী উদ্যোক্তারা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) থেকে ১২ই আগস্ট পর্যন্ত চলাকালীন এই ঈদ শপিং ক্যাম্পেইনে থাকছে বিশাল মূল্যছাড়, অনলাইন গরুর হাট, টপ রেটেড প্রোডাক্ট, মেগা ডিল, শেক শেক ভাউচার, আই লাভ ভাউচার, রাশ আওয়ার ভাউচার, ফায়ার ভাউচার সহ আরও অনেক আকর্ষণীয় ঈদ অফার।

এবারের দারাজের অনলাইন গরুর হাটের গরুগুলো দারাজ নন্দিনীর উদ্যোগে অ্যাকশনএইড-এর সহায়তায় নিয়ে আসা হচ্ছে প্রত্যন্ত গাইবান্ধা থেকে। ক্রেতারা খুব সহজেই কোরবানির পশুর সকল বিস্তারিত বিষয় জেনে গরুর ভিডিও দেখে দারাজ অ্যাপে (daraz app) তা অর্ডার করতে পারবেন। ১০৭ টি গরুর সমারোহে সাজানো এই হাটে রয়েছে ৪২,০০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১,৩০,০০০ টাকার গরু। দারাজে গরু অর্ডার করার শেষ তারিখ ৫ই আগস্ট আর গরুগুলো ডেলিভারি শুরু হয়ে যাবে ৯ তারিখ থেকে।

তাছাড়াও ক্যাম্পেইনে ঈদের নিত্য প্রয়োজনীয় হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স সামগ্রী পাওয়া যাবে আকর্ষণীয় মূল্যে, যার মধ্যে রয়েছে এসি, ফ্রিজ, এয়ার কুলার ও মাইক্রোওয়েভ কালেকশন। আর ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফোন, টিভি, ডিএসএলআর ক্যামেরা ইত্যাদি।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য স্যামসাংয়ের বিশেষ ছাড়

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য স্যামসাংয়ের বিশেষ ছাড়
ছবি: স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ

২০১৯ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ শুরু করেছে এইচএসসি স্টুডেন্ট ক্যাম্পেইন। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় শিক্ষার্থীরা স্যামসাংয়ের বিভিন্ন ডিভাইসের ওপর ১৫% পর্যন্ত ছাড় পাবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পেইন চলবে ২৮ জুলাই পর্যন্ত ।

এই ক্যাম্পেইন চলাকালে, শিক্ষার্থীরা  গ্যালাক্সি এ২কোর কিনতে পারবেন ৭,৫৯০ টাকার পরিবর্তে ৭,২১০ টাকায়, গ্যালাক্সি এম১০ পাওয়া যাবে ১১,৯৯৯ টাকার পরিবর্তে ১১,৪০০ টাকায় , গ্যালাক্সি এ১০ কেনা যাবে ১১,৯৯৯ টাকার পরিবর্তে ১১,৪০০ টাকায়,  গ্যালাক্সি এম২০ পাওয়া যাবে  ১৫,৯৯০ টাকার পরিবর্তে ১৫,১৯০ টাকায়, গ্যালাক্সি এ২০ কেনা  যাবে ১৫,৯৯০ টাকার পরিবর্তে ১৫,১৯০ টাকায়, গ্যালাক্সি এ৩০ কিনতে পারবেন ২২,৯৯০ টাকার পরিবর্তে ১৯,৯৪০ টাকায় ,  গ্যালাক্সি এ৫০ কিনতে পারবেন ২৬,৯৯০ টাকার পরিবর্তে ২৩,৭৪০ টাকায় , গ্যালাক্সি এ৭০ পাওয়া যাবে ৩৮,৯৯০ টাকার পরিবর্তে ৩৭,০৪০ টাকায় । এছাড়াও স্যামসাংয়ের অন্যান্য মডেলের হ্যান্ডসেটে কেনার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ছাড়।

এছাড়া, বিকাশ ব্যবহারকারীরাও ডিভাইস ক্রয়ের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ৫% ক্যাশব্যাক পাবে। এই অফারটি শুধু স্যামসাংয়ের অনুমোদিত নির্দিষ্ট আউটলেটগুলোতে পাওয়া যাবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র