Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কার নির্দেশে শপথ নিলেন না ফখরুল?

কার নির্দেশে শপথ নিলেন না ফখরুল?
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পুরনো ছবি
রেজা-উদ্-দৌলাহ প্রধান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রাম্য একটা শ্লোক আছে, ‘সেই তো নথ খসালি, কেন লোক হাসালি’। সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট জোটের নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নিয়ে যে নাটকীয়তা, টানা-হেচড়া আর গুঞ্জন হল তাতে সেই শ্লোকটি ঘুরে আসছে রাজনীতির ময়দানে।

দফায় দফায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের  নির্বাচিত সদস্যদের শপথ ও তাদের নিয়ে নাটকীয়তার চূড়ান্ত রূপ দেখা গেল সোমবার (২৯ এপ্রিল)।

শপথ গ্রহণের সময়সীমা শেষের অন্তিম মুহূর্তে বিএনপির চারজন নির্বাচিত যখন সংসদের পথে তখন দলটির পল্টনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নিতে সরকার চাপ দিচ্ছে, জুলুম জবরদস্তি করছে।

কিন্তু মূল চমক দেখা যায় সন্ধ্যায় শপথ নেওয়ার পরই। শপথ নেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশেই শপথ নিয়েছেন। এর কিছুক্ষণ পর গুলশান কার্যালয়ে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও একই কথা বলেন। তিনি জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তেই বিএনপি থেকে নির্বাচিত চার নেতা শপথ নিয়েছেন।

তিনি তাহলে শপথ নিলেন না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সময় হলেই তা জানতে পারবেন।’

স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে অন্যরা তারেক রহমানের নির্দেশে শপথ নিতে গেল তাহলে ফখরুল গেলেন না কেনো? তাহলে তিনি কি তারেক রহমানের আদেশ মানতে চাইছেন না! নাকি অন্য কোনো রহস্য রয়েছে। বিএনপি কার নির্দেশে চলে এ নিয়ে অনেক দিন ধরেই নানা রকম মুখরোচক আলোচনা রয়েছে। সেই আলোচনাকেই আবার উস্কে দিলো বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

আর সেটা বুঝতে হলে ফিরে যেতে হবে পেছনের ঘটনায়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট জোট থেকে ৮ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলকে প্রত্যাখ্যান করে জোটের নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবে না বলে জোটের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত টেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত। ওই দিন ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচিত সদস্য সুলতান মনসুর (মৌলভীবাজার-২) জোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নেন। সুলতানের শপথ নেওয়ার পর থেকেই রাজনীতিতে নতুন গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়। সেই গুঞ্জনকে আরো উষ্কে দেন সুলতান মনসুর নিজেই। তাকে বহিস্কার করে গণফোরাম। তিনি বলেন, ‘আমি তো শপথ নিয়েছি। অপেক্ষা করেন আরো আসবে।’

সুলতান মনসুরের সে ভবিষ্যতবাণীকে সত্য করে ২ এপ্রিল শপথ নেন গণফোরামের মোকাব্বির খান (সিলেট-২)। মোকাব্বির খান শপথ নিলে একদিকে গণফোরাম তাকে শোকজ করে, বহিস্কৃত হবেন বলে দলের নেতারা জানায়। অন্যদিকে দলের কাউন্সিলেই আবার তাকে ড. কামালের পাশের মঞ্চে বসতে দেখা যায়।

মোকাব্বির খানের শপথের পরই রাজনীতির দৃশ্যপট পাল্টে যায়। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ওঠে বিএনপি থেকে নির্বাচিতরাও শপথ নেবেন, বিনিময়ে দুর্নীতির দায়ে কারাবন্দি অসুস্থ চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে প্যারোলে মুক্ত হবেন। সাংবাদিকরা যতই এই গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করেন; বিএনপি নেতারা বিষয়টিকে পুরোপুরি উড়িয়ে দেন। খালেদা জিয়া প্যারোলে মুক্ত হবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন দলের শীর্ষ নেতারা। সংসদ সদস্য হিসেবেও কেউ শপথ নেবেন না।

কিন্তু বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) শেষ সময়ে আচমকাই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে নির্বাচিত জাহিদুর রহমান। বিএনপির মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে শপথ নেবেন তারা গণদুশমন। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য ও দলীয় প্রধানকে কারাগারে রেখে যারা শপথ নিচ্ছে তারা জনগণের থুথুর ঢলে ভেসে যাবে।’

দুই দিন পর ২৭ এপ্রিল রাতে বসে স্থায়ী কমিটির বৈঠক। তাতে স্কাইপির মাধ্যমে লন্ডন থেকে যোগদেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দলীয় সিদ্ধান্ত ভঙ্গের দায়ে জাহিদুরকে বহিস্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জাহিদুরের বহিস্কারের ঘটনায় যখন অন্যদের নিরুৎসাহিত হওয়ার কথা। কিন্তু না অন্যরাও শপথের প্রস্তুতি নিয়েই ঢাকায় ঘুরাঘুরি করতে থাকেন। অবশেষে ২৯ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টায় অনেক বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো স্পিকারের কক্ষে শপথ নেওয়ার জন্য হাজির হন হারুনুর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), আমিনুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২) ও বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচিত মোশাররফ হোসেন। তারা শপথ নেওয়া শেষেই ‘বোমা ফাটান’। জানান, তারেক রহমানের নির্দেশ পেয়েই শপথ নিতে এসেছেন।

অথচ দু’দিন আগেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত ছিল শপথ না নেওয়ার। কিন্তু দুই দিন পরেই তারেক রহমানের একক নির্দেশে দলীয় সে সিদ্ধান্ত পাল্টে গেল। স্থায়ী কমিটির কোনো বৈঠকও হল না। এমনকি যার খবর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভীও জানেন না।

আরও নানান রকম প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। কেননা কয়েকদিন ধরেই বিএনপি বলা বলি করছিলো শপথ নিতে সরকারের চাপ রয়েছে। বিশেষ করে জাহিদুর রহমানের শপথের পর তারা আরও গলা ফাটিয়ে বলতে থাকেন। রুহুল কবীর রিজভী ছিলেন কয়েকধাপ এগিয়ে। এখন বলা হচ্ছে তারেক রহমানের নির্দেশেই শপথ। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে এতোদিনের বক্তব্য কি স্ট্যান্ডবাজি, নাকি অন্যকিছু। অন্যকিছু যদি নাই হয় তাহলে তারেক রহমান বলার পরেও কার নির্দেশে এখনো শপথ নিলেন না মির্জা ফখরুল।

তৃণমূলের নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের নির্দেশে শপথ নিয়ে থাকলে ভালো। আর যদি না হয় তাহলে খবর আছে।

আরও পড়ুন: শপথ নিলেন ফখরুল বাদে বিএনপির বাকিরা

আরও পড়ুন: সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন বিএনপির ৫ এমপি

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদ শুধু ভাই না, আমার পিতা ও শিক্ষক ছিলেন

এরশাদ শুধু ভাই না, আমার পিতা ও শিক্ষক ছিলেন
গুলশান আজাদ মসজিদে প্রয়াত এরশাদের কুলখানি/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ শুধু আমার বড় ভাই ছিলেন না। উনি আমার পিতা উনি আমার শিক্ষক ছিলেন। ওনার কোলে চড়ে সিনেমা দেখেছি, হাতে ধরে চামুচ দিয়ে খাওয়ায় এবং কিভাবে টাই বাঁধতে হয় শিখিয়ে দিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে গুলশান আজাদ মসজিদে প্রয়াত এরশাদের কুলখানিতে কাতর কণ্ঠে  তিনি এমন মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের বলেন, আমি যখন রাজনীতিতে আসি তখন কিভাবে পরিবেশ ট্যাকেল দিতে হয়, সংকট মোকাবেলা করতে হয় শিখিয়েছেন। আমাদের মাথার উপর ছাতাটি সরে গেছে, বট গাছটি আর নেই। আপনারা ওনার জন্য দোয়া করবেন।

কাদের বলেন, আজকে খেলার যে অর্জন তার বীজবপন করেছেন উনি বিকেএসপি প্রতিষ্ঠা করে। আমি সরকারকে ধন্যবাদ জানাই ওনার বীজটাকে লালন করার জন্য। আওয়ামী লীগ গ্রামকে শহর করার কথা বলছে এর গোড়াপত্তন করেছেন এরশাদ উপজেলা প্রতিষ্ঠা করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563368275716.jpg

তিনি বলেন, একটি মানুষের অবদান অর্জন বুঝা যায় তার মৃত্যূর পর জানাজায় লোক সমাগম দেখে। ওনার চারটি জানাজা হয়েছে কোনটিতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। একটির চেয়ে আরেকটি সমাগম বেশি হয়েছে। এতে বুঝা যায় ওনার নীতি কর্ম মানুষ গ্রহণ করেছিলেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জিএম কাদের বলেন, আমার ভাই যখন হাসপাতালে তখন প্রতি ঘণ্টায় খোঁজ খবর নিয়েছেন। সম্মিলিত সমারিক হাসপাতালের ডাক্তাররা রাতদিন কাবার করে কাজ করেছে। ওনারা নিজের বাবার মতো করে সেবা করেছেন।

কুলখানিতে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ, মোহাম্মদ. নাসিম, সালমান এফ রহমান, নুরে আলম সিদ্দিকী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ এবং প্রয়াত এরশাদের দুই পুত্র এরিক এরশাদ, সা'দ এরশাদ।

জাতীয় পার্টির নেতাদের মধ্যে ছিলেন, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, রুহুল আমিন হাওলাদার, মসিউর রহমান রাঙ্গা, কাজী ফিরোজ রশিদ, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, আবু হোসেন বাবলা প্রমুখ।

১/১১ -এর ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি

১/১১ -এর ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

২০০৭ সালে ১/১১ ঘটনার মাধ্যমে যারা দেশে সেনাসমর্থিত অগণতান্ত্রিক সরকার আনতে বাধ্য করেছিল, সেই ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা।

দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৭ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে স্বপ্ন ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সিনিয়র কয়েকজন নেতা এ দাবি জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ’১/১১ -এর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে তাকে জেলে পাঠানো হয়ে হয়েছিল। যারা এ ষড়যন্ত্রে জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনা উচিৎ।’

আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে দেশের বাইরে এখনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এসব ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না। দেশের মানুষ শেখ হাসিনার সরকারের সাথে আছে। দেশের মানুষের সমর্থন আছে বলেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা তৃতীয়বারের মতো দেশ পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ।

২০০৭ সালে সালে মাইনাস টু নয়, মাইনাস ওয়ান ষড়যন্ত্র হয়েছিল দাবি করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, কেবল শেখ হাসিনাকে দেশর জনগণ ও রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে দূরে রাখতে ৭১-এর শত্রু ও তাদের মিত্ররা এ ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছিল।

তিনি দাবি করেন, জনগণ উদগ্রীব ছিল বলে জনদাবির মুখে শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন সেনা সর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে হানিফ বলেন, তিনি কেবল আইনি প্রক্রিয়া ও রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুবাদে মুক্তি পেতে পারেন। আন্দোলন করে লাভ হবে না।

সভায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ২০০৭ ও ২০০৮ সালে সংস্কারের নামে অওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতা সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সহযোগিতা করে দলের সভাপতি শেখ হাসিনাকে নির্লজ্জভাবে সরাতে চেয়েছিল। শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য দলের অনেক সিনিয়র আইনজীবীও কোনো প্রচেষ্টা চালাননি। সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জুনিয়র বেশ কিছু আইনজীবী নিয়ে অইনি লড়াই চালিয়ে যান।

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, দেশের জনগণ চেয়েছিল বলেই ১/১১ -এর সেনাসমর্থিত সরকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

স্বপ্ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন রুহুল, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সেনাসর্থিত তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র