Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কতটুকু কফি পান নিরাপদ?

কতটুকু কফি পান নিরাপদ?
কফি, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিদিন সকালের শুরুতে এক কাপ কফি না হলে যেন চলেই না।

এরপর পুরো দিনভর চলে দফায় দফায় কফি পান। সকালের খাদ্যাভ্যাসের এই রুটিন মেনে চলেন অনেকেই। কফি পানের মাধ্যমে দিনের শুরু করার ফলে, সারাদিনের কর্মব্যস্ততার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা যায়। এছাড়া অভ্যাসবশত, শখের বশে কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডায় কফির পেয়ালায় চুমুক তো দেওয়া হয়ই।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, ঠিক কতটুকু পরিমাণ কফি পান করা কিংবা ক্যাফেইন গ্রহণ করা নিরাপদ? গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে জানা আছে কি আপনার? বিজ্ঞান পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সেই তথ্যটিই বের করেছে।

অবশ্যই কফি পানের বেশ অনেকগুলো উপকারিতা রয়েছে। ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত এক গবেষণার তথ্য জানায়, প্রতিদিন এক কাপ পরিমাণ কফি পানে হৃদরোগের সম্ভবনা কমে যায়।

সেই সাথে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির গবেষণার তথ্য জানায়, টাইপ-২ ডায়বেটিস, পারকিনসন ডিজিজ, লিভার ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভবনাও হ্রাস পায়।

এদিকে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন তাদের গবেষণা থেকে জানায়, পরিমিত মাত্রার কফি গ্রহণে বেশ কয়েক ধরনের ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভবনা কমে যায় প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত। এছাড়া কফিতে থাকা ক্যাফেইন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ডিএনএর ক্ষতি হওয়া থেকে প্রতিরোধ করে।

এ পর্যায়ে এসে বলতে হবে, এখানেও রয়েছে একটি ‘কিন্তু’। কফি পানের নানান উপকারিতা থাকলেও, অতিরিক্ত কফি পানে দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্যগত সমস্যা। একদিনে ছয় কাপ বা তার বেশি কফি পানে হৃদরোগের সম্ভবনা বেড়ে যায় বলে জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষক দল।

তারা জানাচ্ছেন, একদিকে পরিমিত কফি পান যেমন হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী, তেমনিভাবে অতিরিক্ত কফি পানের ফলে হৃদরোগের সম্ভবনা বেড়ে যায় প্রায় ২২ শতাংশ পর্যন্ত।

অতিরিক্ত কফি পানের ফলে রক্তচাপের মাত্রা বেড়ে যায় তুলনামূলক অনেক। যা থেকেই হৃদরোগের প্রাদুর্ভাভ দেখা দেওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়।

অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার অফ প্রিসিশন হেলথ এর গবেষক প্রফেসর এলিনা হিপ্পনেন জানান, পুরো বিশ্ব জুড়ে কফি হলো সর্বাধিক পান করা পানীয়। যা ঘুম ভাব দূর করতে, শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি তে ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে কাজ করে। তবে ঠিক কতটুকু ক্যাফেইন আমাদের শরীর নিতে পারবে, সেটা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকলে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

আরও পড়ুন: কফির পরিবর্তে চা পানে যা ঘটতে পারে!

আরও পড়ুন: কতটা উপকারী প্রিয় পানীয় কফি?

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র