দুর্নীতি তদন্তে ১৪ মার্চ বেরোবিতে আসছে ইউজিসির টিম



বেরোবি করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মহামান্য রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা অমান্য করে ক্যাম্পাসে ধারাবাহিক অনুপস্থিতি, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া, ইউজিসির নির্দেশনা অমান্য করে জনবল নিয়োগ, শিক্ষক ও জনবল নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মসহ ৪৫টি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করতে আগামী ১৪ মার্চ (রোববার) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একটি টিম।

২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর দফতর বরাবর সাত শিক্ষকের স্বাক্ষরিত ৪৫ অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

ইউজিসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব জামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে বার্তা২৪.কম-কে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান।

তিনি বলেন, নানা অনিয়ম-দুর্নীতির ৪৫টি অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ প্রায় ১৫টি দফতরে পেশ করেছি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউজিসির পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৪ মার্চ তদন্ত কাজ পরিচালনা করা হবে। উপাচার্যের মদদে যে নানান অনিয়ম দুর্নীতি সংগঠিত হয়েছে এবং উপাচার্য নিজেও আইন অমান্য করে চলছেন যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নসহ পড়াশোনার পরিবেশ স্থবির হয়ে পড়েছে। আমরা চাই দুর্নীতিবাজ উপাচার্যের শাস্তিসহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রত্যাহার করা হোক।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ তার প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে ৪৫টি অভিযোগ তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর একটি চিঠি পাঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদ। এতে সংগঠনের সভাপতি
কমলেশ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানসহ ৭ শিক্ষক স্বাক্ষর করেন। তাদের করা ওই ৪৫ অভিযোগের সরেজমিন তদন্ত করতে রংপুরে আসছে ইউজিসির তদন্ত কমিটি।

অভিযোগকারী সাত শিক্ষক হলেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কমলেশ চন্দ্র রায়, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মশিউর রহমান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. গাজী মাজহারুল আনোয়ার, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এইচ এম তারিকুল ইসলাম, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খায়রুল কবির সুমন, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাব্বীর আহমেদ চৌধুরী এবং অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।