আমরা এখন আকাশ ছুঁতে চাই: খু‌বি উপাচার্য



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষা কার্যক্রমের ৩১ বছর পূর্তিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় দিনটি উদযাপন করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।

উদ্বোধন শেষে উপাচার্যের নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হাদী চত্বর থেকে শুরু হয়ে কটকা স্মৃতিস্তম্ভের সামনে দিয়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পাশ ঘুরে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবন হয়ে পুনরায় হাদী চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

barta24

এ সময় উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত যারা নানাভাবে অবদান রেখেছেন তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো আঞ্চলিক বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এটি বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়। আমাদের সামনে শুধু আকাশ। আমরা এখন আকাশ ছুঁতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনায় আমরা দেশে-বিদেশে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই।

উপাচার্য বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সম্মিলিতভাবে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সমৃদ্ধির এ সম্মুখযাত্রায় বর্তমান ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে তাল মিলিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় তার অভীষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষা গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অর্জন ও সুদৃঢ়ভিত্তি রচিত হয়েছে তা আগামী দিনের সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শোভাযাত্রায় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ডিনবৃন্দ, ডিসিপ্লিন প্রধানবৃন্দ, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্টসহ বিভাগীয় প্রধান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বেলা ১২টায় উপাচার্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সংস্কারকৃত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন করেন। পরে তিনি হলের সামনে খুলনা সরকারি মহিলা কলেজে বঙ্গবন্ধুর রোপণকৃত নারকেল গাছে উৎপাদিত নারকেল থেকে তৈরি চারা রোপণ করেন। এরপর তিনি খানজাহান আলী হলের সামনে স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন।

এছাড়া বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল ও বেলা সাড়ে ১২টায় মন্দিরে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বিকাল সাড়ে ৩টায় মুক্তমঞ্চে বিভাগ/ডিসিপ্লিনসমূহের গত বছরের অর্জন ও আগামী বছরের পরিকল্পনা উপস্থাপন, বিকাল ৪.২০ মিনিটে বিগত বছরের কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থী ও সংগঠনমূহকে সম্মাননা প্রদান।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসের মেইন গেট, রাস্তা, শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবন, উপাচার্যের বাসভবন, ক্যাফেটেরিয়া, একাডেমিক ভবন ও হলসমূহ আলোকসজ্জা করা হয়।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর ১৯৮৭ সালের ৪ জানুয়ারি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। ১৯৮৯ সালের ৯ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

১৯৯০ সালের জুলাই মাসে জাতীয় সংসদে ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৯০ পাস হয়, যা গেজেট আকারে প্রকাশ হয় ওই বছর ৩১ জুলাই। এরপর ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে ৪টি ডিসিপ্লিনে ৮০ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়। ১৯৯১ সালের ৩০ আগস্ট প্রথম ওরিয়েন্টেশন এবং ৩১ আগস্ট ক্লাস শুরুর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের সূচনা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালের ২৫ নভেম্বর শিক্ষাকার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে ৪টি ডিসিপ্লিনে ৮০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রমের যাত্রা শুরু হয়। ৩১তম শিক্ষাবর্ষে এখন ডিসিপ্লিনের সংখ্যা ২৯টি এবং শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় সাত হাজার।

গণ-অনশনে যাচ্ছেন শাবি শিক্ষার্থীরা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

উপাচার্য ইস্যুতে এবার গণঅনশনে যাচ্ছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থীর। শনিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয় গোলচত্বরে শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ইয়াসের সরকার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের ২৩ জন শিক্ষার্থী অনশনের ৭৫ ঘণ্টা অতিবাহিত করলেও ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এখনো পদত্যাগ না করে স্বপদে বহাল থেকেছেন। তাই আমরা সব শিক্ষার্থী সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ভিসির পদত্যাগের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত গণঅনশন চালিয়ে যাবো।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবিতে গত বুধবার বিকাল থেকে ২৪ জন শিক্ষার্থী আমরণ অনশনে বসেন।

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে অনশন চালিয়ে যাওয়ায় অনশনকারীদের মধ্যে অসুস্থের সংখ্যা বাড়ছে। শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাত পৌণে ৮টায় এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত ১৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও তাঁরা অনশন ভাঙেননি। চিকিৎসকরা বলছেন অনশনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মুখ দিয়ে খাবার না খাওয়ালে অবস্থার আরও অবনতি হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের। অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার দাবি আদায়ে ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশি সংঘর্ষ হয়। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগেরও নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে এ ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

;

দেশব্যাপী উত্তাল শাবি ভিসি পদত্যাগের আন্দোলন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দেশব্যপী উত্তাল শাবি ভিসি পদত্যাগের আন্দোলন

দেশব্যপী উত্তাল শাবি ভিসি পদত্যাগের আন্দোলন

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে। দাবি আদায়ে আমরণ অনশন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীদের একাংশ। শাবি শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে দেশের প্রগতিশীল ৯ ছাত্র সংগঠন।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সকাল ১০টা থেকে অবস্থান করছে তারা। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে শাবিপ্রবির আন্দোলনের দশম দিন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে দেশের একাধিক ছাত্র ও নাগরিক সংগঠনসমূহ। এতে আন্দোলন আরও জোরালো হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ঢাবি শাখার সভাপতি রাজীব কান্তি বলেন, শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলন, ধৈর্য্য এবং ত্যাগ; তার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও সমর্থন রেখে আমরা সারাদেশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনক ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পদত্যাগ না করায় ওই দিন দুপুরের পর উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশন শুরু করেন ২৪ জন ছাত্রছাত্রী।

এর মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়ায় সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় একাধিক শিক্ষার্থী। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল করেন কয়েক শ শিক্ষার্থী।

শাবিপ্রবির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তীব্র ঠান্ডায় অনশন চালিয়ে যাওয়া অনেকের জ্বর দেখা দেওয়ার পাশাপাশি রক্তচাপ কমে অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে অংশগ্রহণকারীদের। অসুস্থ হয়ে পড়ায় নয়জনের শরীরে স্যালাইন পুশ করেছেন চিকিৎসকেরা। তবে তারা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত চলবে এ অনশন।

রাজুতে প্রগতিশীল ৯ সংগঠনের অবস্থান

বিগত কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার সিলেটসহ সারাদেশে বিভিন্ন ব্যানারে উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে একাধিক নাগরিক সংগঠন। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে জজকোর্টের সামনে শাবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী ও আইনজীবীদের উদ্যোগে এবং সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন হয়েছে। একই দিন বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে সংহতি প্রকাশ করে সিলেট মহানগর বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।

একই দিন শুক্রবার রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংহতি সমাবেশ আয়োজন করেন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন সমূহ। এতে উপস্থিত থেকে সংহতি জানান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। শনিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এ ছাড়া শুক্রবার বিকেলে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছেন দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত সিলেটের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ২৫ বিশিষ্ট নাগরিক। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন আইনজীবী তবারক হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ বজলুল করিম, স্থপতি জেরিনা হোসেন, আইনজীবী ইরফানুজ্জামান চৌধুরী ও এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম, নাগরিক সংগঠক ফারুক মাহমুদ চৌধুরী ও আবদুল করিম চৌধুরী (কিম), নাট্যব্যক্তিত্ব মিশফাক আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের ১৩ তারিখ রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন ওই হলের অন্তত কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে ছাত্রীদের আন্দোলনে হামলা চালায় ছাত্রলীগ।

পরদিন বিকেলে বিশাল জমায়েতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনের সামনে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। তখন শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা ও তাঁদের লক্ষ্য করে শটগান নিয়ে গুলিবর্ষণ এবং সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে পুলিশ। ওই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। তা উপেক্ষা করে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, খুলনা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।

;

কুবিতে অনলাইনে চলবে ক্লাস, খোলা থাকবে হল



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রশাসন।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৯ টায় ৬৯ তম জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সূত্রানুসারে, ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্লাস কার্যক্রমগুলো অনলাইনে হবে। আর পরীক্ষার বিষয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এছাড়া অফিস কার্যক্রম চলবে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এক্ষেত্রে যাদের অফিস কার্যক্রম চালানো প্রয়োজন শুধু তারাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিসে আসবেন। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোও খোলা থাকবে।

;

স্বাস্থ্যবিধি মেনে জবিতে নেওয়া যাবে পরীক্ষা



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

  • Font increase
  • Font Decrease

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বিভিন্ন বিভাগে চলমান সেমিস্টার পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নেওয়া যাবে৷ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল বিভাগে পরীক্ষা চলমান আছে, সে সমস্ত পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও অনুষদের ডীনবৃন্দ আলোচনা সাপেক্ষে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক গ্রহণ করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,  অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পারষ্পরিক সহযোগিতায় অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় স্কুল,কলেজ ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দু’সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার । এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার এক জরুরী মিটিংয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও দুই সপ্তাহের জন্য সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

;