হাবিপ্রবিতে বন্ধ হচ্ছে না হল, ক্লাস পরীক্ষা চলবে অনলাইনে!



হাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, দিনাজপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি ) সকল ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম অনলাইনে গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সঙ্গতি রেখে আপাতত হল সমূহ বন্ধ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদার!

শুক্রবার ( ২১ জানুয়ারি ) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক ও হল সুপারবৃন্দের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। বিকাল সাড়ে ৪ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত সভাটি অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।

সভার সিদ্ধান্ত সমূহের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদার বলেন, ‘ সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক এখন থেকে আমাদের শিক্ষার্থীদের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম অনলাইনে চলবে। তবে হলসমূহ আপাতত বন্ধ হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের কঠোর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। টিএসটির নিচ তলা বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবহনের জন্য সকল বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে ’।

এ সময় ট্রেজারার আরও জানান, ‘ ভর্তি কার্যক্রম কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ক্ষেত্রে আমরা কোন ছাড় দিব না । এছাড়া যেসকল শিক্ষার্থী এখনও করোনার টিকা নিতে পারেনি তাদের জন্য আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন নার্সিং, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মে) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ১০০ নম্বরের এ এমসিকিউ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) পরীক্ষা শকলা ভবনের পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বের হওয়া বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা হলে, প্রশ্ন নিয়ে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, দেশের ১০০টি প্রতিষ্ঠানে নার্সিং ও মিডওয়াইফারিতে আসন সংখ্যা চার হাজার ৯৮০টি। এর মধ্যে বিএসসি ইন নার্সিংয়ে আসন রয়েছে এক হাজার ২০০টি। ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারিতে আসন দুই হাজার ৭৩০টি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারিতে এক হাজার ৫০টি আসন। নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় ছেলেদের আসন সংখ্যা মাত্র ১০ শতাংশ এবং বেসরকারিতে ২০ শতাংশ।

এছাড়া ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারিতে কোনো ছাত্র পরীক্ষা দিতে পারবেন না। এর আগে ৩ এপ্রিল নার্সিং ও মিডওয়াইফারিতে ভর্তির আবেদন শুরু হয় যা ২০ এপ্রিলে গিয়ে শেষ হয়।

;

১৫ শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে আবার হলে তুলল ছাত্রলীগ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
১৫ শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে আবার হলে তুলল ছাত্রলীগ

১৫ শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে আবার হলে তুলল ছাত্রলীগ

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ছাত্রলীগের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে না যাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১৫ জন শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই হল শাখা ছাত্রলীগের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে। পরে পুনরায় আবার হলে ফিরিয়ে আনা হয়।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের দুই কর্মীরা হলেন- ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আলী আজম ও বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের আরিফ রানা সজল। তারা দুজনেই শিক্ষার্থী এবং হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের অনুসারী। মাহবুবুর রহমান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের অনুসারী।

গত বুধবার (১৮ মে) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থীরা। পরে বৃহস্পতিবার (১৯ মে) তাদেরকে হলে ফিরিয়ে আনা হয় বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হলে তাঁরা জানায়, পরীক্ষা থাকার কারণে গত মঙ্গলবার মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি অংশগ্রহণ করতে পারেননি তাঁরা। যার কারণে গতকাল বুধবার (১৮ মে) রাতে ১৫ জন শিক্ষার্থীকে বের করে দেয় চতুর্থ বর্ষের আলী আজম ও আরিফ রানা সজলের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কর্মীদের একটি অংশ হল থেক বের করে দেয়।

হল থেকে বের করে দিলে তারা হল শাখা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের কাছে গিয়ে পরীক্ষার কারণে প্রোগ্রামে যেতে পারেনি বললেও কোন কর্ণপাত করেন নি বলে তাঁদের অভিযোগ।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আলী আজম ও সজল বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমরা কাউকে হল থেকে বের করিনি। এটা মিথ্যা কথা। আপনারা আসেন তদন্ত করেন।

এদিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, এ অভিযোগ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ও মিথ্যা। এরকম কোন ঘটনা আমার হলে ঘটেনি। তাছাড়া কেউ আমার কাছে এ ব্যাপারপ কোন অভিযোগও করে নি।

;

অব্যাহতির পরও পেলেন ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র প্রধানের দায়িত্ব



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

একাডেমিক পরীক্ষার ফলাফলে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগটির বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ বাহাউদ্দিনসহ দুই শিক্ষককে তিন বছরের জন্য পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও ছয় মাস পেরোতে না পেরোতে একটি ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (২০ মে) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষা কোর্সের ওই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আয়োজনের সমন্বয়কারীরর দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসান।

অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসান স্বাক্ষরিত গত ১৭ মে অধ্যাপক মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন বরাবার পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ২০ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষা কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা মাননীয় উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে জীববিজ্ঞান অনুষদ সমন্বয় করছে। পরীক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য আপনাকে (অধ্যাপক মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন) কেন্দ্র প্রধান হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আপনার অধীনে নির্দিষ্ট সংখ্যক কক্ষ ব্যবহৃত হবে এবং এ কাজে আপনার বিভাগের ১ জন ৩য় শ্রেণি এবং ১ জন ৪র্থ শ্রেণি কর্মচারী ওই সময় কাজে নিয়োজিত করতে পারবেন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রবীর কুমার সরকারের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি রেজিস্ট্রার অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (প্রশাসন-১) মো. দেলোয়ার হোসেনের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে আমি জানি না। কিছু কিছু কাজ প্রশাসনিকভাবে করাতে পারে। এসময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।

অব্যাহতি পাওয়ার পরও অধ্যাপক বাহাউদ্দিনকে কেন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এ বিষয়ে জানতে জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসানকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল ও খুদে বার্তা পাঠানোর পরও তার কোন সাড়া মেলে নি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ৩য় বর্ষ ৬ষ্ঠ সেমিস্টার বি.এ সম্মান পরীক্ষায় ফলাফলে ব্যাপকভাবে ব্যবধান রেখে চূড়ান্ত করার আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শৃঙ্খলা পরিষদের (২৯ জানুয়ারি ২০১৯) সুপারিশ ও সিন্ডিকেটের (৩০ জানুয়ারি,২০২২) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিন বছরের জন্য পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার বিষয়টি গেল ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহালুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

;

যৌন হয়রানির অভিযোগ ঢাবির ২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রী। ইতিমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

অভিযুক্ত রাকিবুল হাসান জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগে পড়েন ও বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং অপর আসামি রেফায়েত হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের আবাসিক ছাত্র।

অভিযোগে বলা হয়, গত ১৬ মে সন্ধ্যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনের কাছে তার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার সময় ঢাবি শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান ও রাফায়েত তাকে যৌন হয়রানি করেন। ওই ছাত্রীকে শিখা চিরন্তনের পেছনে নিয়ে গিয়ে হয়রানি এবং তার বন্ধুদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিন জন যুবক একটি মোটরসাইকেলে করে আমাদের কাছে আসে। তারা আমাদের সেখানে বসে থাকার কারণ জিজ্ঞেস করে। পরে আমাদের মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী চিৎকার শুরু করলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান, বলে অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র রাকিবুল হাসান অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এ দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী জানান, তারা অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

;