‘তালেবানি কালচার কায়েম করেন শাবি ভিসি’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ভিসি ফরিদ উদ্দিন গত চার বছরে ক্যাম্পাসে তালেবানি কালচার কায়েম করেন বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) রাত ৯টায় শিক্ষার্থীরা প্রেস ব্রিফিং করে সাংবাদিকদের একথা জানান।

শিক্ষার্থীরা জানন, উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আসার পর থেকে ক্যাম্পাসে সব ধরনের আলপনা, রোড পেন্টিং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে সারাদেশে যখন ঝড় উঠেছিল তখন শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে এক কিলোমিটারজুড়ে আলপনা এঁকেছিল যা সর্ব মহলে সুনাম
অর্জন করে।

তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি জায়গায় তিনি নারী-পুরুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেন। যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের অবাধে চলাচলের কথা সেখানে তিনি হলের ছাত্রীদের রাত ৭টার মধ্যে হলে ফেরার শর্ত জুড়ে দেন। এছাড়া মুক্ত চলাচলের ক্ষেত্রে নানা বৈষম্যমূলক নির্দেশনা জারি করেন।

প্রেস ব্রিফিংকালে শিক্ষার্থীরা বলেন, এই ভিসি দ্বায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন কালচারাল সংগঠন বন্ধ করার পায়তারা শুরু করেন। কালচারাল প্রোগ্রামে বিধিনিষেধ আরোপ করার পাশাপাশি মুক্ত সাংস্কৃতিক চর্চার জায়গা সংকোচ করার চেষ্টা করে আসছেন।

তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। অথচ এখানেও শিক্ষক-শিক্ষার্থী বৈষম্য তৈরি করেছেন ভিসি। পর্যাপ্ত পরিবহন না থাকায় শিক্ষার্থীরা বাসে গাদাগাদি করে ক্যাম্পাসে আসে। অথচ শিক্ষকদের পর্যাপ্ত পরিবহন থাকার পরও তাদেরকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে তোলা বিভিন্ন টং দোকান ছোট ছোট খাবার দোকানগুলো ভিসি বিনা নোটিশে উচ্ছেদ করে দিয়েছেন। অথচ এই দোকানগুলোই ছিলো শিক্ষার্থীদের মুক্ত আলোচনা এবং আড্ডার একটি বড় প্লাটফর্ম।

এছাড়া উপাচার্য এক শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, বিকেল পৌনে ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর এলাকায় সাংবাদিকদের শিক্ষার্থীরা জানান, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত চলমান আন্দোলন থামবে না। পরে তারা দু'হাত তুলে একসাথে শপথ পাঠ করেন।

শিক্ষার্থীরা সে সময় জানিয়েছিলেন অনশনরত সহপাঠীদের জীবন বাচাঁতে তাদের সাথে কথা বলে অনশন ভাঙতে অনুরোধ করবেন। তবে রাত ৯টায় অনশনকারীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অনশন ভাঙবে না। জীবন দিয়ে হলেও দবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় ২০ জন অনশনকারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি ৮ জন ক্যাম্পাসে অনশন করছে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও তারা অনশন ভাঙেনি বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের। অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে ভিসিকে মুক্ত করে। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি উঠে।

ঢাবিতে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাবিতে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ

ঢাবিতে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মানসুরা আলম ও জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রদলের কর্মী আতিক মুর্শেদ।

রোববার (২২ মে) রাতে টিএসসির জনতা ব্যাংকের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা টিএসসির বটতলার দিকে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এখানে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নিয়মিত আড্ডা দেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পায়রা চত্বরের দিকে ছিলেন। হঠাৎ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেন। এসময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ না করেই টিএসসির বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে যান। ছাত্রদলের কয়েকজন ঢাবি সাংবাদিক সমিতির দিকে আশ্রয় নিতে গেলে সেখানেও হামলার শিকার হন তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাত আটটার দিকে টিএসসির জনতা ব্যাংকের নিচে দাঁড়িয়ে বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলছিলেন জহুরুল হক হল ছাত্রদলকর্মী আতিক মোর্শেদ। এ সময় হাজী মুহম্মদ মহসীন হল, কবি জসিম উদ্দিন হল ও জিয়া হল ছাত্রলীগের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী এসে তাকে মারধর শুরু করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য মানসুরা আলম তাকে উদ্ধার করতে গেলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকেও হেনস্তা করেন।

মানসুরা আলম বলেন, আমরা টিএসসিতে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এ সময় ছাত্রলীগের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী এসে আতিকের ওপর হামলা করে। তারা তাকে কিল, ঘুষি, চড়-থাপ্পড় ও হেলমেট দিয়ে মারতে থাকে। তাকে উদ্ধার করতে গেলে আমাকেও হেনস্তা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এবিষয়ে জসিম উদ্দিন হল ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন খলিফা বলেন, ছাত্রদল ক্যাম্পাসে এসে উল্টাপাল্টা কথা বলে, উল্টাপাল্টা বক্তব্য দেয়। ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদকের একটি বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে যেটাতে আমাদের প্রানপ্রিয় নেত্রীকে নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলতে দেখা গেছে। তারই প্রতিবাদে আমরা মিছিল করেছি। কিন্তু তারা আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে খারাপ ব্যবহার করেছে। তাই জুনিয়রদের সঙ্গে একটু হাতাহাতি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ছাত্রদল যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিপরীত। হত্যার হুমকিদাতা, দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি ও সাবেক অষ্টম শ্রেণি পাস প্রধানমন্ত্রীর উপযুক্ত রাজনৈতিক ভাষায় তারা চর্চা করছে বলে আমরা মনে করি। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের ক্ষোভ রয়েছে। ছাত্রদল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে সবসময় দায় চাপানোর চেষ্টা করে এবং ছাত্রলীগের নাম বলে আলোচনায় আসার চেষ্টা করে।

;

লিজ ছাড়াই রাবি ছাত্রলীগের আমবাগান দখল, সাংবাদিকদের হেনস্তা



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লিজ না পাওয়া সত্ত্বেও ক্যাম্পাসের আমবাগান দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমপাড়া এলাকার গোদাগারী নামক আমবাগানে কয়েকজন শিক্ষার্থী আম খেতে গেলে লিজ নেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের আম পারতে বাঁধা প্রদান করেন শাখা ছাত্রলীগের নেতারা।

এসময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাদের বাকবিতণ্ডার পাশাপাশি ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের ছাত্রলীগ নেতারা হেনস্তা করেন বলে জানা গেছে।

অভিযুক্তরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শাকিল এবং শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজোয়ান গাজি মহারাজ। তারা উভয়ই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার অনুসারী।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানায়, সন্ধ্যায় পশ্চিমপাড়া এলাকায় আম পারতে গেলে, সেখানে উপস্থিত ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী তাদের বাঁধা দেয় এবং ক্যাম্পাসের অন্য জায়গায় গিয়ে আম পারতে বলে। পাশাপাশি সেখানে আম খেতে হলে কিনে খেতে হবে এবং এটা তারা 'লিজ' নিয়েছে বলে জানায়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদের মারতে উদ্যোত হয়। এসময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা কয়েকজন সংবাদকর্মী তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে, সংবাদকর্মীদেরও তারা মারতে যায়।

এ বিষয়ে সংবাদকর্মীরা জানান, আম পাড়া নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ কর্মীদের বাকবিতণ্ডা দেখে তাদের সঙ্গে সাংবাদিক পরিচয়ে কথা বলতে যাই। এসময় ছাত্রলীগ কর্মীরা বলে 'সাংবাদিক হইছিস তো কি হইছিস, কি নিউজ করবি কর, কারে ফোন দিবি দে।' এসময় ফোন বের করলে তারা ফোন কেড়ে নিতে আসে এবং ধস্তাধস্তি করে। তাদের একজন লাইট হাতে মারতে আসে আবার পরবর্তীতে মারার জন্য পাশে বাঁশ খুঁজতে যায়। পরে ছাত্রলীগ কর্মীরা ভুক্তভোগীদের কয়েকজনকে নিজেদের পরিচিত ছোটভাই দেখে থেমে যায়।

জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন শাকিল বলেন, একটু ঝামেলা হয়েছিল। সেটা সেখানেই মিটে গেছে। আমরা প্রথমে চিনতে পারিনি, পরে দেখি তারা আমাদের পরিচিত ছোট ভাই। আর সেখানে তাদের সঙ্গে সাংবাদিকও ছিলো। এসময় তিনি সাংবাদিকে হেনস্তার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, 'সাংবাদিকের সঙ্গে কোনো ঝামেলা হয়নি।'

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো আমবাগান লিজ নেয়নি ছাত্রলীগ। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এখন তারা ক্যাম্পাসে নেই।

লিজের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, বাগানটি এখনও লিজ দেওয়া হয়নি তবে লিজ দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। আমরা কাকে লিজ দিব এখনও ঠিক করিনি। লিজ না পেয়েই তারা লিজ নিয়েছে বলা এবং শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের মারতে উদ্যোত হওয়াটা অন্যায় করেছে। আর বাগানে তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্যও থাকতে বলা হয়নি। ঘটনার পরেই আমরা সেখানে গেছিলাম, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি এবং বলে দিয়েছি যাতে তারা আর সেখানে না যায়। এছাড়া তাদের আজ (রোববার) উপ-উপাচার্য দফতরেও ডেকেছি।

;

আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে ঢাবি ছাত্রের প্রথম স্বর্ণপদক জয়



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে ঢাবি ছাত্রের প্রথম স্বর্ণপদক জয়

আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে ঢাবি ছাত্রের প্রথম স্বর্ণপদক জয়

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম স্বর্ণপদক জয়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সুরো কৃষ্ণ চাকমা।

‘সাউথ এশিয়ান প্রফেশনাল বক্সিং ফাইট নাইট- দ্য আল্টিমেট গ্লোরি’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক বক্সিং প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ বক্সিং ফাউন্ডেশনের (বিবিএফ) আয়োজনে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতের মোট ১৪ জন বক্সারের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।

আসরের ৬১ কেজি ওজন শ্রেণিতে বাংলাাদেশের সুরো কৃষ্ণ চাকমা চার রাউন্ডের খেলায় নেপালের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মহেন্দ্র বাহাদুর চাঁদকে হারিয়েছেন।

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম স্বর্ণপদক জয়ী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী।

চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুরো কৃষ্ণ বলেন, আমি ভীষণ খুশি। এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতার দুমাস আগ থেকে খুব ডিসিপ্লেনে চলতে হয়। সকালে উঠে দৌড়ানো, বিকেলে ফুটবল খেলা, নির্ধারিত খাদ্যাভাস ঠিক রাখতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকতেও আমি এসব মেইনটেইন করতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে গুলিস্তানে বক্সিং ফেডারেশন ছিল সেখানে হেঁটে যেতাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামও আমাকে সাহায্য করেছে। পাঁচ বছর হলে ছিলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ আমাকে বেশ ভালোই সাহায্য করেছে।

সুরো কৃষ্ণ চাকমা জগন্নাথ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। থাকতেন হলের অক্টোবর স্মৃতি ভবনের ৪১২ নম্বর রুমে। তার এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা।

এদিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুকে লিখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সুরো কৃষ্ণ চাকমা (জগন্নাথ হল) আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণপদক জয়ী হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, কৃষ্ণ চাকমার বক্সিং ক্যারিয়ারের শুরুটা হয় সপ্তম শ্রেণিতে থাকতেই। রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় এই উদ্যমী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ২০০৭ সালে বিকেএসপিতে কোচ আবু সুফিয়ান চিশতির অধীনে বক্সিং-এ ভর্তি হন। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় ১৫ জন কোচের অধীনে কাজ করেছেন।

ছয় বছর কঠোর সাধনার পরে বক্সিং-এ ২০১৩ সালে বাংলাদেশ গেমসে গোল্ড মেডেল অর্জন করেন, ২০১৪ সালে দেশের মধ্যে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন হন। নেপালে অনুষ্ঠিত ‘সাউথ এসিয়ান গেমস ২০১৯’- এ এমেচার বক্সিংয়ে ব্রোঞ্জ পদক পান। এছাড়াও ২০১৮ সালে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে দুটো খেলায় জয়লাভ করেন। তার নিজস্ব প্রথম আন্তর্জাতিক ইভেন্ট ছিল ২০১৪ সালের স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমস। এর বাইরেও ২০১৫ সালে দেশের মধ্যে সেরা বক্সার নির্বাচিত হয়ে লন্ডনে ছয়মাসের একটি ট্রেনিং করার সুযোগ পেয়েছেন।

;

দেশের মানুষ ভাল আছে, তাই বিএনপির মন খারাপ



আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

“দেশের মানুষ ভাল আছে, তাই বিএনপির মন খারাপ। বিএনপি প্রতিনিয়তই ষড়যন্ত্র করতে তৎপর, যাঁরা কিনা সন্ত্রাস হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। শেখ হাসিনার লক্ষ্য পরবর্তী নির্বাচন না, পরবর্তী জেনারেশন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বিজয়ে পৌঁছাব ইনশাআল্লাহ।”

শনিবার (২১ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন, দেশে উন্নতি দেখার জন্য পদ্মা সেতু, টানেল, আন্ডারপাস, দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক গুলো বিএনপি’কে ঘুরে ঘুরে দেখার আহ্বান করেন মন্ত্রী। তিনি মনে করেন, সামনের নির্বাচনে জয়লাভ করতে এগুলোই যথেষ্ট।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঞ্চলনায় উক্ত আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বি.এম মোজাম্মেল, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ সহ আরো অনেকে।

;