জাফর ইকবালের আশ্বাসে অনশন ভাঙছে শিক্ষার্থীরা!



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অবশেষে প্রিয় শিক্ষক ড. জাফর ইকবালের আশ্বাসে অনশন ভাঙছে শাবির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। কোনো শর্তে নয়, বরং শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় তারা অনশন ভাঙছেন বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

ড. জাফর ইকবাল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান। তিনি শিক্ষকতা জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় কাটিয়েছেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) ভোররাতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন ড. জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী ড. ইয়াসমিন হক। প্রায় দেড় ঘন্টা শিক্ষার্থীদের কথা কথা শুনেন দুজন। এরপর অনশন ভাঙতে বললে শিক্ষার্থীরা এতে সম্মতি দেন। এসময় তারা জানায় বাকিরা সকাল ৮টায় হাসপাতাল থেকে আসার কথা রয়েছে। তারা এলে এক সাথে সবাই অনশন ভাঙবে।

এর আগে বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাত পৌনে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে সোজা অনশনকারী শিক্ষার্থীদের কাছে চলে যান।

এ সময় অনশনরতদের চিকিৎসা সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার কথা শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন, ‘আমি আশ্বস্ত হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম চিকিৎসা সহায়তা থাকলে বাচ্চারা অন্তত কিছুটা শক্ত থাকবে। কিন্তু এসে দেখলাম ভিন্ন। এটা অমানবিক।’

আন্দোলনকারীদের খাবার সহায়তার জন্য অর্থ দেওয়ায় সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করায় তিনি ক্ষুব্ধ বলে জানান। পরে নগদ ১০হাজার টাকা শিক্ষার্থীদের হাতে দিয়ে বলেন, ‘আমি টাকা দিলাম। তাহলে আমাকেও গ্রেফতার করা হোক।’

তিনি শিক্ষার্থীদের বলেন, ‘সরকার থেকে আমাকে কথা দেওয়া হয়েছে সকল মামলা প্রত্যাহার করা হবে এবং কাউকেই হয়রানি করা হবে না।’

সাবেক শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় নিয়ম অনুযায়ী তাকেও গ্রেফতার করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘আমি কারো অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করিনি। তাই আমাকেও গ্রেফতার করা হোক।’

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী।

শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে ভিসিকে মুক্ত করে। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি উঠে।

লিজ ছাড়াই রাবি ছাত্রলীগের আমবাগান দখল, সাংবাদিকদের হেনস্তা



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লিজ না পাওয়া সত্ত্বেও ক্যাম্পাসের আমবাগান দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমপাড়া এলাকার গোদাগারী নামক আমবাগানে কয়েকজন শিক্ষার্থী আম খেতে গেলে লিজ নেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের আম পারতে বাঁধা প্রদান করেন শাখা ছাত্রলীগের নেতারা।

এসময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাদের বাকবিতণ্ডার পাশাপাশি ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের ছাত্রলীগ নেতারা হেনস্তা করেন বলে জানা গেছে।

অভিযুক্তরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শাকিল এবং শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজোয়ান গাজি মহারাজ। তারা উভয়ই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার অনুসারী।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানায়, সন্ধ্যায় পশ্চিমপাড়া এলাকায় আম পারতে গেলে, সেখানে উপস্থিত ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী তাদের বাঁধা দেয় এবং ক্যাম্পাসের অন্য জায়গায় গিয়ে আম পারতে বলে। পাশাপাশি সেখানে আম খেতে হলে কিনে খেতে হবে এবং এটা তারা 'লিজ' নিয়েছে বলে জানায়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদের মারতে উদ্যোত হয়। এসময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা কয়েকজন সংবাদকর্মী তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে, সংবাদকর্মীদেরও তারা মারতে যায়।

এ বিষয়ে সংবাদকর্মীরা জানান, আম পাড়া নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ কর্মীদের বাকবিতণ্ডা দেখে তাদের সঙ্গে সাংবাদিক পরিচয়ে কথা বলতে যাই। এসময় ছাত্রলীগ কর্মীরা বলে 'সাংবাদিক হইছিস তো কি হইছিস, কি নিউজ করবি কর, কারে ফোন দিবি দে।' এসময় ফোন বের করলে তারা ফোন কেড়ে নিতে আসে এবং ধস্তাধস্তি করে। তাদের একজন লাইট হাতে মারতে আসে আবার পরবর্তীতে মারার জন্য পাশে বাঁশ খুঁজতে যায়। পরে ছাত্রলীগ কর্মীরা ভুক্তভোগীদের কয়েকজনকে নিজেদের পরিচিত ছোটভাই দেখে থেমে যায়।

জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন শাকিল বলেন, একটু ঝামেলা হয়েছিল। সেটা সেখানেই মিটে গেছে। আমরা প্রথমে চিনতে পারিনি, পরে দেখি তারা আমাদের পরিচিত ছোট ভাই। আর সেখানে তাদের সঙ্গে সাংবাদিকও ছিলো। এসময় তিনি সাংবাদিকে হেনস্তার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, 'সাংবাদিকের সঙ্গে কোনো ঝামেলা হয়নি।'

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো আমবাগান লিজ নেয়নি ছাত্রলীগ। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এখন তারা ক্যাম্পাসে নেই।

লিজের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, বাগানটি এখনও লিজ দেওয়া হয়নি তবে লিজ দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। আমরা কাকে লিজ দিব এখনও ঠিক করিনি। লিজ না পেয়েই তারা লিজ নিয়েছে বলা এবং শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের মারতে উদ্যোত হওয়াটা অন্যায় করেছে। আর বাগানে তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্যও থাকতে বলা হয়নি। ঘটনার পরেই আমরা সেখানে গেছিলাম, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি এবং বলে দিয়েছি যাতে তারা আর সেখানে না যায়। এছাড়া তাদের আজ (রোববার) উপ-উপাচার্য দফতরেও ডেকেছি।

;

আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে ঢাবি ছাত্রের প্রথম স্বর্ণপদক জয়



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে ঢাবি ছাত্রের প্রথম স্বর্ণপদক জয়

আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে ঢাবি ছাত্রের প্রথম স্বর্ণপদক জয়

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম স্বর্ণপদক জয়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সুরো কৃষ্ণ চাকমা।

‘সাউথ এশিয়ান প্রফেশনাল বক্সিং ফাইট নাইট- দ্য আল্টিমেট গ্লোরি’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক বক্সিং প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ বক্সিং ফাউন্ডেশনের (বিবিএফ) আয়োজনে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতের মোট ১৪ জন বক্সারের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।

আসরের ৬১ কেজি ওজন শ্রেণিতে বাংলাাদেশের সুরো কৃষ্ণ চাকমা চার রাউন্ডের খেলায় নেপালের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মহেন্দ্র বাহাদুর চাঁদকে হারিয়েছেন।

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম স্বর্ণপদক জয়ী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী।

চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুরো কৃষ্ণ বলেন, আমি ভীষণ খুশি। এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতার দুমাস আগ থেকে খুব ডিসিপ্লেনে চলতে হয়। সকালে উঠে দৌড়ানো, বিকেলে ফুটবল খেলা, নির্ধারিত খাদ্যাভাস ঠিক রাখতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকতেও আমি এসব মেইনটেইন করতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে গুলিস্তানে বক্সিং ফেডারেশন ছিল সেখানে হেঁটে যেতাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামও আমাকে সাহায্য করেছে। পাঁচ বছর হলে ছিলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ আমাকে বেশ ভালোই সাহায্য করেছে।

সুরো কৃষ্ণ চাকমা জগন্নাথ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। থাকতেন হলের অক্টোবর স্মৃতি ভবনের ৪১২ নম্বর রুমে। তার এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা।

এদিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুকে লিখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সুরো কৃষ্ণ চাকমা (জগন্নাথ হল) আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিংয়ে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণপদক জয়ী হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, কৃষ্ণ চাকমার বক্সিং ক্যারিয়ারের শুরুটা হয় সপ্তম শ্রেণিতে থাকতেই। রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় এই উদ্যমী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ২০০৭ সালে বিকেএসপিতে কোচ আবু সুফিয়ান চিশতির অধীনে বক্সিং-এ ভর্তি হন। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় ১৫ জন কোচের অধীনে কাজ করেছেন।

ছয় বছর কঠোর সাধনার পরে বক্সিং-এ ২০১৩ সালে বাংলাদেশ গেমসে গোল্ড মেডেল অর্জন করেন, ২০১৪ সালে দেশের মধ্যে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন হন। নেপালে অনুষ্ঠিত ‘সাউথ এসিয়ান গেমস ২০১৯’- এ এমেচার বক্সিংয়ে ব্রোঞ্জ পদক পান। এছাড়াও ২০১৮ সালে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে দুটো খেলায় জয়লাভ করেন। তার নিজস্ব প্রথম আন্তর্জাতিক ইভেন্ট ছিল ২০১৪ সালের স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমস। এর বাইরেও ২০১৫ সালে দেশের মধ্যে সেরা বক্সার নির্বাচিত হয়ে লন্ডনে ছয়মাসের একটি ট্রেনিং করার সুযোগ পেয়েছেন।

;

দেশের মানুষ ভাল আছে, তাই বিএনপির মন খারাপ



আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

“দেশের মানুষ ভাল আছে, তাই বিএনপির মন খারাপ। বিএনপি প্রতিনিয়তই ষড়যন্ত্র করতে তৎপর, যাঁরা কিনা সন্ত্রাস হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। শেখ হাসিনার লক্ষ্য পরবর্তী নির্বাচন না, পরবর্তী জেনারেশন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বিজয়ে পৌঁছাব ইনশাআল্লাহ।”

শনিবার (২১ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন, দেশে উন্নতি দেখার জন্য পদ্মা সেতু, টানেল, আন্ডারপাস, দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক গুলো বিএনপি’কে ঘুরে ঘুরে দেখার আহ্বান করেন মন্ত্রী। তিনি মনে করেন, সামনের নির্বাচনে জয়লাভ করতে এগুলোই যথেষ্ট।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঞ্চলনায় উক্ত আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বি.এম মোজাম্মেল, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ সহ আরো অনেকে।

;

আইএসডির শিক্ষার্থীদের সাঁতারের পারদর্শিতা প্রদর্শন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আইএসডির শিক্ষার্থীদের সাঁতারের পারদর্শিতা প্রদর্শন

আইএসডির শিক্ষার্থীদের সাঁতারের পারদর্শিতা প্রদর্শন

  • Font increase
  • Font Decrease

ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি) এর বার্ষিক সুইমিং গালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে সাঁতারের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে করোনা মহামারি প্রাদুর্ভাবের পর এবারই প্রথম সুইমিং গালা আয়োজন করলো প্রতিষ্ঠানটি।

দুটি বিভাগে এ প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। দুই গ্রুপে প্রায় ১২০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। রিলে, ব্যাকস্ট্রোক, ব্রেস্টস্ট্রোক এবং আইএম ক্যাটাগরিতে ২৫ মিটার সাঁতারের এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

আইএসডি’র সুইমিং কোচ মারিয়ানা ইগনাট বলেন, আইএসডি সবসময় সাঁতারকে প্রাধান্য দেয় এবং নিশ্চিত করে যেন শিক্ষার্থীরা এ ধরনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিষয়টি উপভোগ করে। এই আদর্শ ধারণ করে, আমরা পাঁচ বছর যাবত সুইমিং গালা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছি।

এই সুইমিং গালা শিক্ষার্থীদের সাঁতারে দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি সাঁতারের সুস্থ ও আনন্দদায়ক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে তাদেরকে অন্যদের সাথে যোগাযোগের ও সামাজিকীকরণের সুযোগ করে দিয়েছে। সহনশীলতা, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক ফিটনেসে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার মাধ্যমে আয়োজনটি শিক্ষার্থীদের মাঝে আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে সাঁতারের সুস্থ পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা করে আইএসডি, যা সবাইকে বন্ধুত্ব স্থাপন, ক্রীড়া এবং টেকসই জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

;