হরতাল সমর্থনে জাবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

অবৈধ তফসিল বাতিল, ফ্যাসিস্ট হাসিনার পদত্যাগসহ নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে ৩০শে নভেম্বর বিএনপির ডাকা হরতালের সমর্থনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সিএন্ডবি মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন গেটে গিয়ে শেষ হয়।

জাবি শাখা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো ইব্রাহিম খলিল বিপ্লবের নেতৃত্বে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বিপ্লব বলেন, 'ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আজ্ঞাবহ আউয়াল কমিশনের ঘোষিত তফসিল বাতিল এবং এই অবৈধ হাসিনা সরকার পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ ছাত্রদের সাথে নিয়ে দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে।'

ছাত্র নেতা মো. সেলিম রেজা বলেন, 'গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমান যে সকল কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন, সেই কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে আমরা ছাত্রদল মাঠে আছি। বিএনপির এক দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রদল মাঠে আছে এবং থাকবে। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত ছাত্রদল ঘরে ফিরে যাবে না।'

এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন 'জনগণের ভোটাধিকার হরণকারী আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের অধীনে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে বিএনপির এক দফা দাবি আদায়ে সব ধরনের কর্মসূচিতে ছাত্র সমাজ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।'

বিক্ষোভ মিছিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল নেতা রাজিব আহমেদ, দেওয়ান আলাউদ্দিন হোসাইন, সাদমান, রফিক, রাসেল, ইব্রাহিম, সাকিব, রাকিব, জামাল, জাহিদ প্রমুখ।

   

শেকৃবি’তে যৌন নিপীড়ন: দশ মাসেও শেষ হয়নি তদন্ত



শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি:সংগৃহীত

ছবি:সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) এক শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীদের যৌন ও মানসিক নির্যাতনের তদন্ত কার্যক্রম দশ মাসেও দেখেনি আলোর মুখ । 

২০২৩ সালের ২৮ মার্চ ছাত্রীদের জানানো অভিযোগের ভিত্তিতে ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু জাফর আহমেদ মুকুলের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন নিপীড়ন ও মানসিক নির্যাতনের তদন্ত শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে এখন অবধি আবু জাফর মুকুলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অধ্যাপক মুকুলের বিরদ্ধে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ জানায়, গভীর রাত্রে ভিডিও কল দেওয়া, প্রতিদিন সকালে রুটিনমাফিক কল দেওয়া, একা কফি শপে ডাকা, অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে উত্যক্ত করা, শিক্ষক বানানোর প্রলোভনে কাছে টানার চেষ্টা করেন তিনি।

তবে তার বিরুদ্ধে যেন কেউ অভিযোগ জানাতে না পারে সেজন্য প্রতি সেমিস্টারে ক্লাস থাকাকে হাতিয়ার করে তার থেকে 'নিস্তার নেই' উল্লেখ করে হুমকি দেন আবু জাফর মুকুল। এছাড়াও মেয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে পাগল ও অটিস্টিক বলেও সম্বোধনের  অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

তবে এসকল অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন অভিযুক শিক্ষক মুকুল।

এ ঘটনার পুর্বেও ২০১৩ সালে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই রকমের অভিযোগ আসে। সে সময় তদন্ত কমিটি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করলেও তা করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এত অভিযোগের পরও তদন্তের ক্ষেত্রে এত দীর্ঘসূত্রিতার কারণ জানতে চাইলে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধকল্পে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক লাম ইয়া আসাদ বলেন , 'বিষয়টি খুবই সংবেদনশীল। আমরা সকল দিক বিবেচনা করে খুব সূক্ষ্মভাবে তথ্যাদি বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন তৈরি করতে চেয়েছি। সত্য কে উন্মোচিত করতে চেয়েছি। আমাদের তদন্তের কাজ প্রায় শেষ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকটে দ্রুতই প্রতিবেদন জমা দেব।'  

;

জাবিতে চলছে 'ডি' ইউনিটে ভর্তিচ্ছু ছাত্রীদের পরীক্ষা 



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার তৃতীয় দিন 'ডি' ইউনিটের অধীনে জীববিজ্ঞান অনুষদে ভর্তিচ্ছু ছাত্রীদের পরীক্ষা চলছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) 'ডি' ইউনিটের ভর্তি পরিক্ষা প্রথম শিফটে সকাল ৯টা হতে শুরু হয়ে ৪র্থ শিফটে বেলা ২ টা ৫০ মিনিটে শেষ হবে।

'ডি' ইউনিটে ছাত্রদের আসন সংখ্যা ১৫৫টি এবং ছাত্রীদের আসন সংখ্যা ১৫৫টি। সর্বমোট ৩১০ টি আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা ছাত্র ৩২ হাজার ৯৫ জন এবং ছাত্রী ৩৭ হাজার ৩২১ জন। সে হিসেবে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়ছেন ২২৪ জন ভর্তিচ্ছু।

এর আগে, সকালের দ্বিতীয় শিফটে জীববিজ্ঞান অনুষদ ভবনে ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শনে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম। এ সময় উপাচার্যের সাথে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক বশির আহমেদ, রেজিস্ট্রার মো. আবু হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় উপাচার্য সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এছাড়া আগামীকাল (২৮ ফেব্রুয়ারি) ‘ডি’ ইউনিটের অধীনে জীববিজ্ঞান অনুষদে ৪ টি শিফটে ছাত্রদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

;

সিভাসু’র নেতৃত্বে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ১৩ জুলাই



শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের নয়টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। সম্প্রতি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য মহোদয়দের কৃষি গুচ্ছ বিষয়ক এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জানা গেছে, ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আরেকটি সভা হবে। ওই সভায় আবেদন শুরুর তারিখ, ভর্তি যোগ্যতাসহ যাবতীয় বিষয়ে চূড়ান্ত হবে। এবারে ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্ব দেবে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু)।

নতুন করে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর অনুমোদন পাওয়া কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ও কৃষি গুচ্ছে যুক্ত হচ্ছে।

কৃষি গুচ্ছে থাকা ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ মুজিব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেনারি ও এনিম্যাল সাইন্স ইউনিভার্সিটি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

;

কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী হাফেজ বশিরকে ছাত্রলীগের সংবর্ধনা



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী হাফেজ বশির আহমেদকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

সোমবার (২৬শে ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসাইন বলেন, এই উদ্যোগ নেওয়ার কারণ বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতি ও মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে যে সাংস্কৃতিক ও মূলধারার এক্টিভিটির যে পার্থক্য রয়েছে তা গুছিয়ে দেওয়া। মাদ্রাসায় অনেক মেধাবীরা পড়াশোনা করে। তারা বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে, নীতি-নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিকভাবে শক্তিশালী করতে ভূমিকা পালন করে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট এবং তাদের সকল অধিকার আদায়ের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কাজ করবে। আজকের এই আনুষ্ঠানে মাদ্রাসার সকল শিক্ষার্থীদের বলতে চাই আমরা সবাই যেন একসাথে কাজ করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়তে পারি।

তিনি আরো বলেন, আরবি ভাষাকে যদি আমরা কমিউনিকেশন ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে ব্যবহার করি তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে থেকে আমাদের রেমিট্যান্স আরো বাড়বে। তাছাড়া এটি আমাদের ধর্মীয় ভাষা। তাই আরবি ভাষাকে কেন্দ্র করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যদি কোন কোর্স চালু করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালী আসিফ ইনান তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইসলামের প্রকৃত মর্মার্থে বিশ্বাস করে,ধর্মের প্রকৃত সত্যে বিশ্বাস করে। আমরা চাই বশীর আহমেদের মতো আরো অনেকে যারা, মাদ্রাসা, স্কুল, পলিটেকনিক, ইন্জিনিয়ারিং, মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে এবং যেখান থেকেই জ্ঞান অর্জন করছে তারা যেন বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের সম্মানকে আরো উচ্চ আসনে আসীন করতে পারে। আমরা চাই বশীরের মতো আরো অনেকে ধর্মীয়, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি,চিকিৎসা ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে। আর বশীর আহমদের মতো যে ভাইয়েরা ইসলামের প্রকৃত তাৎপর্য মানুষের সামনে তুলে ধরতে চায় তাদের মাধ্যমে আহ্বান জানাচ্ছি আসুন আমরা ইসলামের সত্যটাকে জানি এবং ইসলামের যে প্রকৃত বাণী সকলকে নিয়ে ভালো থাকা ও সকল ধর্মের মানুষকে সম্মান প্রদর্শন করা সেই মতবাদ বুকে ধারণ করে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি যেই বাংলাদেশের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করতে পরবো।

তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা কওমী মাদ্রাসাকে যে স্বীকৃতি ও সনদ দিয়েছেন তার মাধ্যমে প্রমাণ হয় কারা ধর্মকে শ্রদ্ধা করে রাজনীতি করে এবং কারা ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করে।

হাফেজ বশীর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে ছাত্রলীগের এরকম উদ্যোগের জন্য শুকরিয়া এবং আমি খুবই আনন্দিত।

উল্যেখ্য, এসময় ছাত্রলীগের মাদরাসা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বিশ্বজয়ী হাফেজ বশির আহমেদকে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা দেন। তিনি হাফেজ বশির আহমেদকে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি উপহার বক্স দেন। এর মধ্যে বই, পাঞ্জাবির কাপড়, জায়নামাজ, টুপি, কোরআন শরীফসহ আরো বেশ কিছু উপহার ছিল।

প্রসঙ্গত, ইরানের তেহরানে অনুষ্ঠিত কুরআন প্রতিযোগিতায় ৬৮ দেশের মধ্যে বশীর আহমেদ প্রথম হন। এর কয়েকদিন দিন আগে আলজেরিয়ায় ৯০ টি দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা হয় এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ৩য় স্থান লাভ করে এই ১১ বছর বয়সী বালক।

;