বেরোবিতে এখনো ১৬৩ আসন শূন্য

বেরোবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ৫ম অপেক্ষমাণ (৬ষ্ঠ মেধাতালিকা) তালিকা প্রকাশ করা
হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। আগামী ২১ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) যাচাই-বাছাই ও ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

ফলাফলে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৩১৫টি সিটের মধ্যে ১৬৩টি শূন্য রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী ২১ জানুয়ারি তাদের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ৯ জানুয়ারি কোটায় উত্তীর্ণদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

বিভিন্ন ইউনিটে যে মেরিট পজিশন পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে:

‘এ’ ইউনিট (কলা অনুষদ): শূন্য আসন -২৩

১ম শিফট: (বিজ্ঞান) শূন্য আসন-০৭, ভর্তি হতে পারবে ৮৯ মেরিট পজিশন পর্যন্ত।
২য় শিফট: (বিজ্ঞান) শূন্য আসন-৩, ভর্তি হতে পারবে ৬১ মেরিট পজিশন পর্যন্ত।
৩য় শিফট: (বাণিজ্য) শূন্য আসন-০১ ভর্তি হতে পারবে শুধুমাত্র ৪০ মেরিট পজিশন, (মানবিক) শূন্য আসন-৪, ভর্তি হতে পারবে ১১৮ মেরিট পজিশন
পর্যন্ত।
৪র্থ শিফট: (মানবিক), শূন্য আসন- ০৮ ভর্তি হতে পারবে ১৬৮ মেরিট পজিশন পর্যন্ত)।

‘বি’ ইউনিট (সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ): শূন্য আসন -২১

১ম শিফট: (বিজ্ঞান) শূন্য আসন- ০৭ টি, ভর্তি হতে পারবে ১৭২ মেরিট পজিশন পর্যন্ত।
২য় শিফট: (বিজ্ঞান) শূন্য আসন-২ টি, ভর্তি হতে পারবে ১৩৭ মেরিট পজিশন পর্যন্ত। বাণিজ্য বিভাগে ৬১টি আসন, শূন্য আসন- ১টি, ভর্তি হতে পারবে ৯৪
মেরিট পজিশন পর্যন্ত।
৩য় শিফট: (মানবিক) শূন্য আসন-০৬ টি, ভর্তি হতে পারবে ১৬২ মেরিট পজিশন পর্যন্ত।
৪র্থ শিফট: (মানবিক) শূন্য আসন- ০৫ টি, ভর্তি হতে পারবে ১৬৪ মেরিট পজিশন পর্যন্ত।

‘সি’ ইউনিট (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ): শূন্য আসন -১৯

১ম শিফট: (বিজ্ঞান ও মানবিক), শূন্য আসন- বিজ্ঞান বিভাগের ৫ টি এবং মানবিক বিভাগের ৩ টি, ভর্তি হতে পারবে বিজ্ঞানে ১২৫ মেরিট পজিশন
পর্যন্ত। তবে মানবিক বিভাগে কোনো আসন ফাঁকা নেই।
২য় শিফট: (বাণিজ্য) শূন্য আসন- ১৪ টি, ভর্তি হতে পারবে ৩০৭ মেরিট পজিশন পর্যন্ত)।

‘ডি’ ইউনিট ( বিজ্ঞান অনুষদ): শূন্য আসন -৬২

১ম শিফট: (বিজ্ঞান) শূন্য আসন-৩০ টি, ভর্তি হতে পারবে ৪৪১ মেরিট পজিশন পর্যন্ত।
২য় শিফট: (বিজ্ঞান) শূন্য আসন-৩২ টি, ভর্তি হতে পারবে ৪০১ মেরিট পজিশন পর্যন্ত।

‘ই’ইউনিট (প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ): শূন্য আসন -০৯

৩য় শিফট: (বিজ্ঞান) শূন্য আসন-০৪ ভর্তি হতে পারবে ১০৪ মেরিট পজিশন পর্যন্ত।
৪র্থ শিফট: (বিজ্ঞান) শূন্য আসন- ০৫ টি, ভর্তি হতে পারবে ৮৮ মেরিট পজিশন পর্যন্ত।

‘এফ’ ইউনিট ( জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদ): শূন্য আসন -২৯

৩য় শিফট: (বিজ্ঞান শূন্য আসন- ২৫ টি, ভর্তি হতে পারবে ২৮৫ মেরিট পজিশন পর্যন্ত)।
৪র্থ শিফট: (বাণিজ্য ও মানবিক) শূন্য আসন- বাণিজ্য বিভাগের ০২ টি এবং মানবিক বিভাগের ২ টি, ভর্তি হতে পারবে বাণিজ্য ৮৩ ও মানবিক ৮৪ মেরিট পজিশন পর্যন্ত।

ভাইভা ও যাচাই-বাছাইয়ের সময় যেসব কাগজপত্র নিয়ে আসতে হবে:

১. উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল ট্রান্সক্রিপ্ট এবং মূল সার্টিফিকেট/প্রভিশনাল সার্টিফিকেট/ প্রশংসাপত্র।
২. মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল ট্রান্সক্রিপ্ট-এর ফটোকপি (প্রতিটির ৩ কপি করে)।
৩। ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র।
৪। ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রে ব্যবহৃত ছবির অনুরূপ)।
৫। ভর্তির সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল ট্রান্সক্রিপ্ট জমা দিতে হবে।
৬। অনলাইনে পূরণকৃত চয়েস ফরম এর প্রিন্টকপি (রঙিন)।

এছাড়া প্রত্যেক ভর্তিচ্ছুকে নির্ধারিত একাডেমিক ভবনগুলোর সামনে রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধন’ নামের একটি বুথে নিজের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে টোকেন
ভর্তির সময় জমা দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :