করোনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা

ক্যারিয়ার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইন্ডিপেনডেন্ট রিসার্চ ইনিসিয়েটিভ (আইআরআই) লোগো

ইন্ডিপেনডেন্ট রিসার্চ ইনিসিয়েটিভ (আইআরআই) লোগো

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাস মহামারি রূপ নেওয়ায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অনলাইনে। প্রথমদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নেতিবাচক মন্তব্য থাকলেও পরবর্তীতে ইউজিসি অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রমের অনুমোদন দেয়। এর মধ্যদিয়ে দেশের প্রচলিত পাঠদান কর্মসূচীতে আসে আমূল পরিবর্তন। এ বিষয় নিয়েই ইন্ডিপেনডেন্ট রিসার্চ ইনিসিয়েটিভ (আইআরআই) আয়োজন করে ‘করোনা মহামারি : অনলাইন টিচিংয়ের মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থার পূনরুদ্ধার’ শীর্ষক আলোচনা।

এতে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলোজির অতিরিক্ত রেজিষ্ট্রার ড. মোশাররফ হোসাইন মাসুদ, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের (চট্টগ্রাম) অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শরিফুল হক, বিজিএমইএ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান ড. আলী আজগর তালুকদার, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিপল-ই বিভাগের প্রধান শাকাওয়াত জামান সরকার, বাংলাদেশ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং আইআরআই’র আহবায়ক ড. জুলফিকার হাসান, বাংলাদেশ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজের প্রভাষক ও আইআরই’র যুগ্ম আহবায়ক সাদিক মো. ইয়াকুব।

ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশেষ করে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে এটি যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করছে। তবে অনলাইন কার্যক্রমকে সঠিক ও যুগোপযোগীভাবে ব্যবহার করতে হবে। নিজেদের স্বার্থেই এটি করতে হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি অনেক স্কুলও অনলাইন কার্যক্রম শুরু করেছে। তার মধ্যে কেউ কেউ আবার খুবই নিম্নমানের অ্যাপস ব্যবহার করে ক্লাস নিচ্ছে। এতে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এসব দিকেও নজর দিতে হবে। এই মুহুর্তে যুতসই অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনা করতে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়বে। তাই সংশ্লিষ্টদের সচেতন ও প্রস্তুত থাকতে হবে।’

ড. আলী আজগর তালুকদার বলেন, ‘বাংলাদেশ অনেক দিক দিয়ে উদাহরণ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা তার মধ্যে অন্যতম। কেবলমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এ কাযক্রমের সঙ্গে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যুক্ত হোক।’

আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড. জুলফিকার হাসান। তিনি বলেন, ‘বিগত দুই মাসের অনলাইন পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও নতুন একটি অভিজ্ঞতা হয়েছে। টেকনোলোজির দিক দিয়ে সবসময়ই নবীন ও প্রবীণের একটি সংঘাত থাকে। তবে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রমে নবীন ও প্রবীণ এক কাতারে অংশ নিয়েছে। এটি ইতিবাচক।’ করোনা পরিস্থিতির পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ ভাগ ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করতে তিনি নীতি নির্ধারকদের অনুরোধ জানান।

এসময় শিক্ষকরা তাদের অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার অভিজ্ঞতা ও বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় সর্ম্পকেও আলোচনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন :