একজন নতুন উদ্যোক্তার কী কী প্রয়োজন?



সোহেলী জান্নাত,পিএইচডি গবেষক, ইউজিসি
একজন নতুন উদ্যোক্তার কী কী প্রয়োজন?

একজন নতুন উদ্যোক্তার কী কী প্রয়োজন?

  • Font increase
  • Font Decrease

আপনি যদি নতুন করে ব্যবসায় নামতে চান, কিংবা ঢিমেতালে চলতে থাকা পুরাতন ব্যবসাকে নতুন করে ঝালিয়ে নিতে চান তবে কতিপয় দিকে আপনাকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

সঠিক মাত্রার আত্মবিশ্বাস
আত্মবিশ্বাসী মানুষ সফল হয়, এ কথা আমরা সবাই জানি, কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস মানুষকে বিভ্রান্ত করে ফেলে, আত্মবিশ্বাস তখন অহংকারের পর্য়ায়ে চলে যায়। আবার দুর্বল আত্মবিশ্বাসী মানুষকে কেউ পছন্দ করে না, ভরসা করে না। বাস্তবতার অভিজ্ঞতায় দেখবেন সংসারে বাবা বা বড় ভাই শ্রেণির মানুষের কথা অনেকসময় ভুল হলেও আমরা হাসিমুখে মেনে নেই! বিপদে আপদে তাদেরই ভরসা করি। কারণ তারা ভুল কথাটাও আত্মবিশ্বাস থেকে বলেন। অনেক পরিবারে মায়েরাও আত্মবিশ্বাসী হয়ে পরিবার মেইনটেইন করেন। ব্যবসা যেহেতু অনেকটা নির্ভর করে পারসোনাল ব্রান্ডিং এর উপর, আপনাকে ভরসা করলে আপনার পন্যও কিনতে পারবে ক্রেতা নির্ভাবনায়। আত্মবিশ্বাসই প্রথম ধাপ যেটা আপনাকে ব্যবসার ক্ষেত্রে পজেটিভ ভাইভ দিবে। একটা গল্প বলি।

আমার এক ছাত্র গেছে করপোরেট অফিসে ভাইভা দিতে। তো, প্রয়োজনীয় একাডেমিক বিষয় জিজ্ঞাসা করার পর একজন নিয়োগকর্তা হুট করেই জিজ্ঞাসা করে বসলেনঃ
আচ্ছা বলেন তো, এই জগৎটা কার বশ?
ছাত্রটি প্রথমে মনে মনে বিভ্রান্ত হল, ভাবলো কার কথা বলি... কার কথা বলি... মহা মুশকিল তো! পরে উত্তর খুঁজে না পেয়ে সময়ক্ষেপণের জন্য যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রশ্নকারীর প্রশ্নটাই রিপিট করলোঃ
জগৎ টা কার বশ!

সঙ্গে সঙ্গে তুমুল হাততালি সবার! পারফেক্ট বলেছেন। আপনাকেই আমাদের করপোরেট অফিসে চাই! আসলেই এ পৃথিবীটা টাকার কাছে বশ! ছাত্র এবার মেলালো...
ও তাইতো! প্রশ্নটাই উত্তর!
জগৎ টা কার বশ?
জগৎ টাকার বশ!

নেতিবাচকতাকে ইতিবাচকতায় পরিণত করা
চলার পথে এমন হরহামেশাই ঘটে, যে আমরা না চাইতেও ভুল করে ফেলি! ভুল মানুষকে বিশ্বাস করি, ভুল জিনিস নির্বাচন করে ফেলি। এরপরে আবার নিজেরাই হতাশায় ভুগে সেই সামান্য করে ফেলা ভুলটুকুকে বাড়িয়ে দীর্ঘ করে ফেলি। থামুন! আপনি মানুষ, যন্ত্র নয়! আপনার আবেগ আছে, মন আছে! ভুল করেছেন বলেই আপনি মানুষ! ভুল করেছেন ভাল কথা। এবার সেই ভুলটাকে কীভাবে সঠিক করা যায় সেটি নিয়ে আপনাকে মাথা খাটাতে হবে, এবং দ্রুত সেই ভুলকে কর্ম দিয়ে বুদ্ধি দিয়ে সাফল্যে পরিবর্তন করতে হবে। এক্ষেত্রেও একটি উদাহরণ দেই। এক সাংবাদিক গেছে গ্রামের এক স্কুলে জেএসসিতে এ প্লাস পাওয়া ছাত্ররা আসলেই মেধাবী কি না, সেটি যাচাই করতে। তার আসল উদ্দেশ্য ছিল এ প্লাস পাওয়া ছাত্রদের হেও করা, ছোট করা। সে কারণে সে ইচ্ছে করেই এমন প্রশ্ন করছে যেন ছাত্ররা ভুল উত্তর করে এবং সে এটা মজা করে তা প্রচার করতে পারে। এরকম করে করে এক ছাত্রকে সে প্রশ্ন করল আচ্ছা বলতো দেশের বর্তমান জনসংখ্যা কত? ছেলেটি জানতো উত্তর ১৬ কোটি। কিন্তু মুখ ফস্কে বেড়িয়ে গেলো.. ৩২ কোটি!
সাংবাদিকতো হেসেই খুন! সে যা চাচ্ছিল তাই হয়েছে। ছাত্রটি ভুল করেছে!

ছাত্রটি বুঝল টিভিতে লাইভ সম্প্রচারে এমন ভুল সত্যি তার স্কুলকে বিপদে ফেলতে পারে! যেটা স্কুলের জন্য, তার নিজের জন্য ভয়ানক নেতিবাচক প্রভাব এনে দেবে! তখন সে দ্রুত বুদ্ধি করে ডেকে বললোঃ

ভাই! দাঁড়ান! আগে শুনবেন না ৩২ কোটি কেন বললাম?
: তুমি জান না তাই বলেছো! সোজা হিসেব!
: হা হা! আসলে ভাই আপনিই সমকালীন তথ্য রাখেন না! আগে হয়তো ছিল ১৬ কোটি। কিন্তু এ বছর থেকে দেখেন সরকার দলীয় নেতারা বলে যাচ্ছেন, "আমাদের সাথে দেশের ১৬ কোটি জনগণ আছে!" আবার বিরোধী দলও বলে যাচ্ছে "আমাদের সাথে দেশের ১৬ কোটি জনগণ আছে!" এখন এই খ্যাতিমানরা নিশ্চয়ই মিথ্যুক নন! এরাই দেশবরেণ্য নেতা, এরাই মন্ত্রী! এদের উভয়ের কথা সত্যি হলে দেশের জনগণ অবশ্যই ৩২ কোটি!

সাংবাদিকের তো আক্কেলগুড়ুম! বাপরে কত মেধাবী এই স্কুলের বাচ্চারা! সহজেই নেতিবাচকতা বদলে ইতিবাচকতায় পরিনত হলো!

সঠিক পণ্য নির্বাচন, সঠিক ইনভেস্টমেন্ট
আপনি একটি ব্যবসায় নামার আগে আপনাকে প্রথম যে দুটি বিষয়ের দিকে নজর দিতে হবে, সেটি হল আপনার পণ্যের উৎস সহজ এবং আপনার হাতের কাছে এভেইলেবেল কি না সেটা দেখা, এবং সে পন্যের বাজারে চাহিদা কেমন। সহজ কথায় বললে বাজার রেকি করা। পন্যের উৎসের ক্ষেত্রে যদি আপনি অরিজিনাল উৎস থেকে সরাসরি ক্রয় করতে পারেন তবে কম মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন। আপনার কষ্টও কম হবে এক্ষেত্রে। যেমন বাগেরহাটের কথাই বলি। বাগেরহাটের ইউনিক জিনিস, পান সুপরি, চিংড়ি, নারকেল তেল। এবার উদ্যোক্তা যদি এ এলাকার হয় তবে তার উচিৎ হবে পন্য নির্বাচনে এগুলোকে বেশি প্রায়োরিটি দেয়া। এখানে সে সহজেই অরিজিনাল উৎস থেকে কমে জিনিশ কিনে বাজারে কমে দিতে পারবে। যেটা ঢাকা বা অন্যজেলার একজন উদ্যোক্তা পারবে না। কেননা চিংডি বা তেল কিনতে তাকে বাগেরহাটে নিজে আসতে হবে যেটাতে পরিশ্রম অধিক হবে, আর ব্রোকার বা মধ্যস্বত্তভোগীর মাধ্যমে কিনলে দাম বেশি পরবে, ফলে তুলনামূলক কমে বাজারে ছাড়তে পারবে না!। তার ব্যবসায় প্রসার ঘটানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে।

তাই পণ্য চুজের ব্যাপারে এদিকে প্রথম নজর দিতে হবে।

এবার যে পণ্য আপনি কিনবেন বা উৎপাদন করবেন, সেটার মারকেট ভ্যালু আছে কি না যাচাই করা। একটা সত্য ঘটনার উদাহরণ দেব এক্ষেত্রঃ

কিশোরগঞ্জের এক প্রান্তিক চাষী একবার ধান বাদ দিয়ে পাট উৎপাদন করেছিল প্রচুর! সে অনুমান করেছিল বাজারে যেহেতু পাটের খুব চাহিদা, আদমজী জুটমিলের লোক এসে সহজেই তার পাট উচ্চমূল্যে কিনে নেবে। সে স্বপ্ন দেখতে লাগলো পাট বিক্রি করে লাখপতি হবার। অত:পর কঠোর পরিশ্রমে পাট চাষ করে পুরো প্রক্রিয়া শেষে সে যখন বাজারে পাট তুলল, কেউ তার পাট কিনতে এল না! পর পর সাতদিন বাজারে তোলার পরও যখন তার পাট বিক্রি হলো না, তখন সে ভাবলো ঘটনা কী! মিলের লোক কেন আসে না!

এবার সে মিলের অবস্থা যাচাই করতে দু টাকা দিয়ে ট্রেনের টিকেট কেটে নারায়ণগঞ্জ এলো আদমজী জুটমিলে। এসে দেখলো জুট মিল সে বছরের শুরুতেই বন্ধ হয়ে গেছে! পাট কেনাতো দূরের কথা এখানকার শ্রমিকরা হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে দেদারছে নেশাগ্রস্ত হয়ে পরছে!

লোকটি এবার তুমল লসে পরে আর দেনার কথা ভেবে উৎপাদিত পাটে আগুন দিয়ে নিজেই তাতে ঝাঁপিয়ে পড়ল! সে সময়ের বড় বড় পত্রিকায় সে নিউজ ছাপা হয়েছিলো।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভিসি অধ্যাপক মীজান স্যার এক পলিসি মেকিং সংক্রান্ত সভায় এই ঘটনা তুলে ধরে প্রশ্ন তুলেছিলেন এই চাষীর মৃত্যুর জন্য আসলে কে দায়ী ?

দায়ী মূলত চাষী নিজে! কেননা সে পাট চাষের সিদ্ধান্ত নেবার আগে আদমজী জুট মিলে খোঁজ নেয় নি, পাট বিক্রি হবে কি না! তার দু হাজার টাকা পাটে ইনভেস্ট করার আগে দু টাকা দিয়ে রেলে চেপে নারায়ণগঞ্জ আসা উচিৎ ছিল, পাট চলবে কি না যাচাই করার জন্য! সে যদি আগে এখানে আসতো তবে নিশ্চিতভাবে বুঝে যেত এখানে এখন পাটের প্রয়োজন নেই! হতাশায় ভোগা শ্রমিকদের প্রয়োজন সস্তা নেশাদ্রব্য! ফলে সে ফিরে গিয়ে বরং তামাক বা গাজা পাতা চাষে ইনভেস্ট করতো! এবং সেটি বিক্রয় করে অধিক মুনাফা পেতে পারতো।

আর ইনভেস্টমেন্টের সঠিক পরিমাণ কী হওয়া উচিৎ এ সংক্রান্ত একটি মজার গল্প বলে লেখা শেষ করবো। শিক্ষক ক্লাসে বিটলুকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ

বিটলু বলতো আমাদের দেশের সরকার মেয়েদের শিক্ষায় বেশি ইনভেস্ট করে ছেলেদের জন্য করে না কেন?

বিটলুর বিটকেলে উত্তরঃ স্যার সরকার ভাল করেই জানে, মেয়েরা স্কুলে আসলে ছেলেগুলি এমনিতেই আসবে! অযথা পয়সা খরচ করে লাভ কী!

শিক্ষকঃ তবেরে! ছেচড়া বাদর ছেলে!

হা হা। আপনিই ভাল বুঝবেন আপনি কত টাকা কোন খাতে মার্কেটে ঢাললে সঠিক সময়ে জাল ফেলে তুলে নিতে পারবেন! বিচক্ষণতা এক্ষেত্রে বেশি প্রয়োজন।

পরিশেষে, স্বপ্ন দেখুন। সঠিক পদক্ষেপে সে স্বপ্নের বীজকে ফুলে ফলে সুশোভিত বৃক্ষে পরিণত করুন।
শুভকামনা সবার জন্য।

 লেখক: সোহেলী জান্নাত

 পিএইচডি গবেষক, ইউজিসি ও
 সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ,   জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

অডিটরের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অডিটরের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

অডিটরের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

  • Font increase
  • Font Decrease

কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স (সিজিডিএফ) কার্যালয়ের ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের (ডিএফডি) অডিটর পদে জনবল নিয়োগের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ রবিবার (২৩ জানুয়ারি) সিজিডিএফ-এর ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। নিয়োগ পরীক্ষায় অডিটর পদের জন্য প্রায় তিন লাখ প্রার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এদের মধ্য থেকে এক হাজার ২০৭ জন এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সিজিডিএফ জানায়, এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে না। সরাসরি মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার তারিখ শিগগিরই সিজিডিএফের ওয়েবসাইটে এবং পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে (https://cgdf.gov.bd/) পাওয়া যাবে।

এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকা দেখা যাবে এ লিংকে (যারা এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন)

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য লিখিত পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র প্রদর্শন করতে হবে। আলাদা কোনো প্রবেশপত্র ইস্যু করা হবে না। লিখিত পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র এবং অনলাইন আবেদনের এপ্লিকেন্টস কপি প্রদর্শন ব্যতীত কোনো প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এছাড়া এসময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সার্টিফিকেটের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। চাকরি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যেকোন তদবির কিংবা কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেনের বিষয় প্রমাণিত হলে তা প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

উল্লেখ্য, অডিটর (১১তম গ্রেড) পদের এমসিকিউ পরীক্ষা গত শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন বেলা তিনটা থেকে বিকেল চারটা ১৫ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়।

;

একসাথে সহস্রাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

একসাথে এক হাজারের এর বেশি সদ্য পাশ করা গ্র্যাজুয়েট ও এক থেকে দুই বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তা নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। এসএমই ব্যাংকিং ও ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। ব্যবসা সম্প্রসারণের সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

মহামারীর প্রভাবে অনেক প্রতিষ্ঠান যখন নতুন নিয়োগ স্থগিত রাখছে, সেখানে ব্র্যাক ব্যাংক পূর্বের বছরের তুলনায় আরও বেশি সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিচ্ছে। এ নিয়োগ ব্যাংকের দৃঢ় ও শক্থিশালী অবস্থান ও প্রবৃদ্ধিমুখী যাত্রার প্রমাণ দেয়।

গত কয়েক বছরে ব্যাংকের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির অগ্রযাত্রা বজায় রাখতে ও আরও গতিময় করতে অনেক নতুন মানবসম্পদ প্রয়োজন। ব্র্যাক ব্যাংক ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের আর্থিক খাতে অগ্রগামী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দৃঢ় ও মজবুত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ অবস্থান ধরে রাখতে এই রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নিচের চারটি পজিশনে নিয়োগ করা হচ্ছে:

রিলেশনশিপ ম্যানেজার, এসএমই ব্যাংকিং:

জামানতবিহীন এসএমই লোনের প্রবর্তক ব্র্যাক ব্যাংক এর আছে ৪৬০টি ইউনিট অফিস সহ দেশব্যাপী বিশাল এসএমই নেটওয়ার্ক। এসএমই ব্যবসা আরও সম্প্রসারণ করতে ৯০০ জন নতুন রিলেশনশিপ ম্যানেজার নিয়োগ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক। বর্তমানে এসএমই ব্যাংকিংয়ে ২,৩০০ জন কর্মকর্তা মাঠ পর্যায় কর্মরত আছে।

ইউজিসি স্বীকৃত যেকোন বিশ্ববিদ্যালয় যেকোন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী থাকলে আবেদন করা যাবে। এ পদে আবেদনের জন্য কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না। আছে আকর্ষণীয় বেতন, ইনসেন্টিভ, মোবাইল বিল, কনভেয়েন্স বিল সহ নানা সুযোগসুবিধা।

ইউনিভার্সাল অফিসার / সিনিয়র ইউনিভার্সাল অফিসার
অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার/ ম্যানেজার ব্রাঞ্চ কম্প্লায়েন্স
বিজনেস রিলেশনশিপ অফিসার
ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক

সারা দেশে ব্র্যাক ব্রাংক এর আছে ১৮৭টি শাখা। এসব শাখার গ্রাহক সেবা প্রদানের জন্য ইউনিভার্সাল অফিসার নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। শাখায় গ্রাহককে সব ধরনের সেবা প্রদানে দায়িত্বে থাকবেন ইউনিভার্সাল অফিসাররা। ইউজিসি স্বীকৃত যেকোন বিশ্ববিদ্যালয় যেকোন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী থাকলে আবেদন করা যাবে। ইউনিভার্সাল অফিসার / সিনিয়র ইউনিভার্সাল অফিসার, অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার/ ম্যানেজার ব্রাঞ্চ কম্প্লায়েন্স পজিসনের জন্য দুই বছর এবং বিজনেস রিলেশনশিপ অফিসারের জন্য এক বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হবে।

এ নিয়োগ সম্পের্ক ব্র্যাক ব্যাংক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন, ‘গত কয়েক বছরে ব্র্যাক ব্যাংক লক্ষ্যণীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। আর্থিক সূচক ও মানদণ্ডে ব্র্যাক ব্যাংক অন্য সব স্থানীয় ব্যাংক থেকে এগিয়ে আছে। আগামীতেও এ প্রবৃদ্ধির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আমরা এই নিয়োগ দিচ্ছি। এর ফলে অনেক চাকুরী প্রত্যাশী ফ্রেস গ্র্যাজুয়েটেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। একটি মূল্যবোধ ভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক কর্মকর্তাদের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে থাকে। তাই ব্যাংকিং খাতে সফল ক্যারিয়ার গড়ার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান।’

ব্র্যাক ব্যাংক এর মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান আখতারউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘প্রায় সাড়ে সাত হাজার কর্মকর্তা নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক একটি বিশাল পরিবার, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রাইভেট ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতি বছরই ব্র্যাক ব্যাংক উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ করে থাকে। সুযোগ-সুবিধা, কাজের পরিবেশ, ব্র্যান্ড ভ্যালু ও কর্পোরেট সুশাসনের কারণে চাকুরী প্রার্থীদের প্রথম পছন্দ ব্র্যাক ব্যাংক।’

;

১০টি পদে ৫৪ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির



ক্যারিয়ার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশ ব্যাংক ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংক ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত বিভিন্ন ব্যাংক/ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১০টি পদে ৫৪ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক । প্রতিষ্ঠানটি একাধিক পদে লোকবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের  নাম : ফিন্যান্সিয়াল এনালিস্ট

পদ সংখ্যা : ৪টি।

প্রতিষ্ঠানের নাম : বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

বেতন :  ৪৩০০০-৬৯৮৫০ (গ্রেড-৫)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো ইনস্টিটিউট  হতে চাটার্ড একাউন্ট অথবা আইসিএমএ সার্টিফিকেট এবং সংশ্লিষ্টি ক্ষেত্রে অন্যুন ০২ (দুই) বছরের অভিজ্ঞতা।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (চিকিৎসক)

পদ সংখ্যা : ২টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো মেডিকেল কলেজ হতে এমবিবিএস উত্তীর্ণ হতে হবে এবং বিএমডিসি হতে রেজিস্ট্রেশন সনদ প্রাপ্ত।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার ( প্রকৌশল-টেক্সটাইল)

পদ সংখ্যা : ১০টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ও জনতা ব্যাংক লিমিটেড

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকৌশল (টেক্সটাইল) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (প্রকৌশল-ইলেকট্রিক্যাল)

পদ সংখ্যা : ৫টি।

প্রতিষ্ঠানের নাম : অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ও জনতা ব্যাংক লিমিটেড

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকৌশল (ইলেকট্রিক্যাল) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (প্রকৌশল-আর্কিটেকচার)

পদ সংখ্যা : ১টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : জনতা ব্যাংক

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকৌশল (আর্কিটেকচার) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার ( প্রকৌশল লেদার টেকনোলজি)

পদ সংখ্যা : ১টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : জনতা ব্যাংক

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকৌশল (লেদার টেকনোলজি) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (আইন)

পদ সংখ্যা : ৪টি।

প্রতিষ্ঠানের নাম : রূপালী ব্যাংক লিমিটেড ও বিএইচবিএফসি

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে নূন্যতম স্নাতক ডিগ্রি বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিস (প্রকৌশলী-মেকানিক্যাল)

পদ সংখ্যা : ১৮টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : জনতা ব্যাংক লিমিটেড ও অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকৌশল (মেকানিক্যাল) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সাব-এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)

পদ সংখ্যা : ৮টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ও বিএইচবিএফসি

বেতন : ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : সরকার অনুমোদিত কোন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট/কলেজ হতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : লাইব্রেরিয়ান

পদ সংখ্যা : ১ টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ

বেতন : ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে অন্যুন স্নাতক ডিগ্রিসহ কোন স্বীকৃত ইনস্টিটিউট হতে গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা থাকতে হবে।

 

বয়সসীমা: সকল পদে আবেদনের বয়সমীমা ১৮-৩০ বছর। বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর।

ফিন্যান্সিয়াল এনালিস্ট পদের ক্ষেত্রে ৩৮ বছর ও সিনিয়র অফিসার (চিকিৎসক) পদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর।

 

 

আবেদনের পাঠানোর ঠিকানাঃ আগ্রহীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েব সাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।

 

আবেদনের শেষ তারিখ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২

 

বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন:

 

;

আনসার পদে যোগ দেওয়ার সুযোগ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী: ফাইল ছবি

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী: ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

সাধারণ আনসার হিসেবে পুরুষ প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। অনলাইনে ২৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। দেশে বর্তমানে ৫০ হাজার ৪৪৬ জন প্রশিক্ষিত সাধারণ আনসার সদস্য ৪ হাজার ৭১৪টি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। 

যোগ্যতা: সাধারণ আনসার হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

বয়স: বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন ১৮ বছর এবং ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

উচ্চতা: শারীরিক যোগ্যতার ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। বুকের মাপ ৩০/৩২ ইঞ্চি। দৃষ্টিশক্তি ৬/৬। কোনো দুরারোগ্য ব্যাধি থাকলে প্রার্থীকে প্রাথমিক বাছাইয়ে নির্বাচন করা হবে না।

বেতন-ভাতা: প্রশিক্ষণ শেষে অঙ্গীভূত হলে সমতল এলাকায় মাসিক ১৩ হাজার ৫০ টাকা এবং পার্বত্য এলাকায় ১৪ হাজার ২০০ টাকা ভাতা পাবেন। প্রতিবছর দুটি উৎসব ভাতা বাবদ ৯ হাজার ৭৫০ টাকা করে দেওয়া হবে।

সুযোগ-সুবিধা: দুটি ইউনিট রেশন ভর্তুকি মূল্যে প্রদান করা হবে। কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্থায়ী পঙ্গুত্ববরণ করলে দুই লাখ টাকা অর্থসহায়তা দেওয়া হবে।

আবেদন: আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ওয়েবসাইটে (www.ansarvdp.gov.bd) ‘সাধারণ আনসার (পুরুষ) মৌলিক প্রশিক্ষণের আবেদন’ লিংকে ক্লিক করে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

আবেদন ফি: অনলাইন নিবন্ধন ফি বাবদ ২০০ টাকা আবেদন পোর্টালে প্রদর্শিত বিকাশ, রকেট, মোবিক্যাশ ইত্যাদির মাধ্যমে জমা দিতে হবে, যা অফেরতযোগ্য। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে অনলাইন থেকে প্রবেশপত্রটি প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে এবং বাছাইয়ের সময় অবশ্যই তা প্রদর্শন করতে হবে।

;