শক্তিশালী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবসায়িক গতি পেয়েছে গ্রামীণফোনের



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২১ সালের প্রথম তিন মাসে ৩,৪৮১ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে গ্রামীণফোন। তবে, আগের বছরের তুলনায় রাজস্ব প্রবৃদ্ধিতে ৩.৭ শতাংশ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ১৭ লাখ নতুন গ্রাহক অর্জনে সফল হয়েছে, যার ফলে, বছরপ্রতি ৭.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে এ প্রান্তিক শেষে গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৭ লাখ। এর মধ্যে ৪ কোটি ১৭ লাখ গ্রাহক অর্থাৎ মোট গ্রাহকের ৫১.৭ শতাংশ ইন্টারনেট সেবা ব্যবহারকারী।

গ্রামীণফোন লিমিটেডের সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, ২০২১ সালের প্রথম তিন মাসে বেশ কয়েকটি মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত নিলামে ১০.৪ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম অধিগ্রহণ করার ফলে গ্রামীণফোনের মোট স্পেকট্রামের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৭.৪ মেগাহার্টজ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরের পূর্তি করেছে। গ্রামীণফোনও এর ২৪ বছরের দীর্ঘ যাত্রা অতিক্রম করেছে। এ যাত্রায় ১৫,৫৯০টি টাওয়ারের মাধ্যমে দেশের সব থেকে বিস্তৃত ফোরজি/এলটিই নেটওয়ার্ক নিয়ে মানুষের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখার বিষয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতির পুনর্ব্যক্ত করছে গ্রামীণফোন। প্রথম প্রান্তিকে ১৭ লাখ নতুন গ্রাহক নিয়ে আমরা ৮ কোটি গ্রাহকের মাইলফলক অর্জন করেছি। একইসাথে বছর তুলনায় ৫০.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে আমাদের ফোরজি গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি ১৫ লাখ।

ইয়াসির আজমান বলেন, বাজার পরিচালন, উদ্ভাবন, সহজ সেবা ও গ্রাহক স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করছি এবং গ্রাহকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারের পরিবেশ তৈরিতে আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। বাংলাদেশের কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে আমরাও ক্রমবর্ধমান নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছি। বৈশ্বিক মহামারির ক্ষতি থেকে পুনরুদ্ধারে আমরা সহযোগিতামূলক সমাধান নিয়ে আসার ক্ষেত্রে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবো। একইসাথে, আমরা আমাদের সেবার পরিধি সমৃদ্ধ করে যাবো এবং দেশের প্রবৃদ্ধি ও ডিজিটালাইজেশনের যাত্রায় নিরলস কাজ করবো।

গ্রামীণফোন লিমিটেডের সিএফও ইয়েন্স বেকার বলেন, প্রথম প্রান্তিকে ১,৫১০টি ফোরজি সাইট চালু, শক্তিশালী বাজার পরিচালন কার্যক্রমের ফলে আগের বছরের তুলনায় সবচেয়ে বেশি গ্রাহক অর্জন এবং ডেটা ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে ৩.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে আমরা ভালোভাবে ২০২১ সাল শুরু করেছি।

বাংলাদেশে কোভিড সংক্রমণের এক বছর হয়ে গিয়েছে, এবং সংক্রমণের হার ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে; যার ফলে, সরকার বর্তমানে বিধিনিষেধমূলক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ প্রান্তিকের শেষভাগে আমাদের মোট রাজস্বে আগের বছরের তুলনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ৩.৭ শতাংশ, যার ফলে ইবিআইটিডিএ (পরিচালন আয়) মার্জিন দাঁড়িয়েছে ৬২.৭ শতাংশ। এ সময়ে ২৫.৬ শতাংশ মার্জিন নিয়ে কর পরবর্তী নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৮৯০ কোটি টাকা।

২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকে গ্রামীণফোন লিমিটেড ১০.৪ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম অধিগ্রহণ করেছে। নেটওয়ার্ক উন্নয়নে বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৩৬১ কোটি টাকা(লাইসেন্স ও লিজ ছাড়া)। গ্রামীণফোনের মোট সাইটের সংখ্যা ১৬,৮৫২টি। প্রতিষ্ঠানটি কর, ভ্যাট, ডিউটি, ফি, ফোরজি লাইসেন্স এবং তরঙ্গ বরাদ্দ ফি বাবদ ২,৭৩২ কোটি টাকা সরকারি কোষগারে জমা দিয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানের মোট রাজস্বের ৭৮.৫ শতাংশ।

দেশীয় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল থেকে বিনিয়োগ পেল বেস্ট এইড



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
দেশীয় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল থেকে বিনিয়োগ পেল বেস্ট এইড

দেশীয় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল থেকে বিনিয়োগ পেল বেস্ট এইড

  • Font increase
  • Font Decrease

YY ভেঞ্চারস থেকে বাংলাদেশের অন্যতম হেলথ টেক স্টার্টআপ বেস্ট এইড লিমিটেড বিনিয়োগ পেলো ৷ রোববার (২৩ জানুয়ারি) এ তথ্য বেস্ট এইডের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা আলামিন প্রান্ত নিশ্চিত করেছেন।

গ্রামীণ টেলিকম ভবনে YY ভেঞ্চারের অফিসে চুক্তি স্বাক্ষর করেন বেস্ট এইডের সিইও জনাব মীর হাসিব মাহমুদ ও YY ভেঞ্চারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম খাইরুল ইসলাম।

বেস্ট এইড ২০২০ থেকে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে ১৩ জনের টিম, ৬৭ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্যানেল, ১০০+ এজেন্ট এবং ইন্টার্ন - এম্বাসেডর আছে ৭০ জন।  এখন পর্যন্ত যেসকল সাফল্য অর্জন করেছে বেস্ট এইড তা হল: আইসিটি ফান্ড, জাতীয় কভিড পোর্টাল corona.gov.bd তে অর্ন্তভুক্তি, অন্ট্রাপ্রনারশিপ ওয়ার্ল্ডকাপ ২০২১ ফাইনালিস্ট, ইমাজিন ইফ বাংলাদেশের ২য় রানারআপ, সিমকিউবেটর ২০২১ এর ১ম রানারআপ, ইমপেক্ট হাব গ্লোবাল কো হোর্ট এর ফাইনালিস্ট।

বেস্ট এইডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর হাসিব মাহমুদ বলেন, বিনিয়োগ নিয়ে YY ভেঞ্চারের সাথে গতবছর থেকেই কথা চলছিলো। সর্বশেষ ২০২২ এর জানুয়ারী মাসে বিনিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করে YY ভেঞ্চার। আমরা বিনিয়োগের টাকায় স্বাস্থ্যসেবায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আসবো। আমরা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স(AI) এর মাধ্যমে মেডিক্যাল হেলথ এসিস্ট্যান্ট নিয়ে আসবো। এছাড়াও সাধারণ সেবা এবং IOT এর সংমিশ্রণে কিভাবে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা যায় তা নিয়েও আমাদের গবেষণা চলছে।

বিনিয়োগের ধরন সম্পর্কে হাসিব মাহমুদ বলেন, সম্পুর্ণ বিনিয়োগটি কনফিডেনসিয়াল। এখনি আমরা কিছু জানাচ্ছি না। তবে আমরা খুবই আশাবাদী বেস্ট এইড এবং YY ভেঞ্চারের যৌথ পার্টনারশিপে স্বাস্থ্যসেবায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে অনেক কাজ করা সম্ভব।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেস্ট এইডের প্রধান অপারেশন কর্মকর্তা আহমেদ ওমর ইউসুফ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা আলামিন প্রান্ত ও YY ভেঞ্চারের ফাইন্যান্স এবং একাউন্ট ম্যানেজার শেহফাজ বিন রাহিম।

;

এলডিসি পরবর্তী চ‍্যালেঞ্জ মোকবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে কমনওয়েলথ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হবার পরেও যাতে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকে সেজন্য বাংলাদেশের পাশে থাকবে কমনওয়েলথ।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) এফবিসিসিআই-এর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন কমনওয়েলথভুক্ত ৫৪টি দেশের বাণিজ্যিক সংগঠন কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিলের (সিডব্লিউইআইসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ সামান্থা কোহেন।

রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সভায় এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনীতি গতিশীল হয়েছে। কিন্তু এখনো বৈশ্বিক উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে জানেন না। তাই এফবিসিসিআই সরকারের ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ উদ্যোগের প্রচারের জন্য কমনওয়েলথ দেশগুলির বেসরকারি খাতের সাথে সংযোগ স্থাপনে আগ্রহী।

এ বছরের শেষদিকে কমনওয়েলথের একটি উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে বলে জানান সিডব্লিউইআইসি’র প্রধান নির্বাহী সামান্থা কোহেন। সফরে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের একটি বি-টু-বি সভা ও কারখানা পরিদর্শনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান সামান্থা কোহেন। এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে কমনওয়েলথের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের শিল্পখাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাবে বলে আশা করেন তিনি।

কমনওয়েলথকে ব্যবহার করে বাংলাদেশ কীভাবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে, বৈঠকে সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়। কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে রফতানি বাড়ানো, বাজার অন্বেষণ, দক্ষ জনবল তৈরি এবং উদ্ভাবন সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তরসহ অবকাঠামোতে বিনিয়োগ, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং দেশের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়েও কথা বলেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

এসময় সিডব্লিউইআইসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় দেশগুলোর মূলধারার বাজারে বাংলাদেশ পণ্যে প্রবেশের ব্যাপারে সহায়তা করবে তার সংগঠন।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।

উল্লেখ্য, কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিলের কৌশলগত অংশীদার এফবিসিসিআই। একই সঙ্গে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন সিডব্লিউইআইসি’র উপদেষ্টা বোর্ডের অন্যতম একজন সদস্য।

;

জামানত ছাড়াই ব‍্যাংক ঋণ পাবেন ১০ টাকার হিসাবধারীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা মহামারির কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয়-উৎসারী কমে গেছে এবং দেশের অর্থনীতির পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে ব‍্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে চাঙা করতে ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারীদের ক্রেডিট গ্যারান্টির আওতায় ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এজন্য আর্থিক সেবাভুক্তি ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম নামে একটি নতুন স্কিম চালু করা হয়েছে।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব‍্যাংকের এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব ব‍্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর ফলে এসএমই উদ্যোক্তাদের মতোই ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারীর আওতায় থাকা প্রান্তিক বা ভূমিহীন কৃষক, নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, স্কুল ব্যাংকিং হিসাবধারী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জামানতবিহীন ঋণ পাবেন। তবে প্রদত্ত ঋণের বিপরীতে ঋণ গ্রহীতাসহ অনধিক দু’জনের ব্যক্তিগত গ্যারান্টি প্রয়োজন হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, এ স্কিমের আওতায় ঋণ বা বিনিয়োগের জন্য অত্র ইউনিটের মোট গ্যারান্টির সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত পোর্টফোলিও গ্যারান্টি ক্যাপ প্রদান করা হবে। যার আওতায় কোন একক উদোক্তা ঋণ বা বিনিয়োগ গ্রহীতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত গ্যারান্টি কভারেজ প্রদান করা হবে। এছাড়া ক্রেডিট গ্যারান্টি সুবিধা গ্রহণের জন্য ব্যাংকসমূহকে সিজিএস ইউনিটের সাথে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকসমূহের আবেদনের ভিত্তিতে গভর্নরের অনুমোদনে বছরের যে কোন সময়ে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। ক্রেডিট গ্যারান্টি সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে ক্রেডিট গ্যারান্টি স্ক্রিম বিভাগ থেকে জারিকৃত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয় সার্কুলারে।

এর আগে, ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর এক সার্কুলারে ৫০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করে উল্লেখিত হিসাবধারীদের ঋণ বিতরণে ৩ লাখ টাকার কম ঋণের জন্য গ্যারান্টি বা জামানত না নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু গত ৫ জানুয়ারি আরেক সার্কুলারে ২৫ হাজার টাকা ও তদূর্ধ্ব পরিমাণ ঋণ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাংক নিজস্ব বিবেচনায় ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারীদের থেকে জামানত নিতে হবে বলে ব্যাংকগুলোকে জানানো হয়।

;

বিকাশে কর্মীদের বেতন-ভাতা দেবে ইউনিক গ্রুপ, হানসা ম্যানেজমেন্ট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিকাশে কর্মীদের বেতন-ভাতা দেবে ইউনিক গ্রুপ, হানসা ম্যানেজমেন্ট

বিকাশে কর্মীদের বেতন-ভাতা দেবে ইউনিক গ্রুপ, হানসা ম্যানেজমেন্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

কর্মীদের বেতন ও অন্যান্য ভাতা বিতরণে এখন থেকে বিকাশের পে-রোল সল্যুশন ব্যবহার করবে দেশের জনশক্তি রফতানি, আবাসন, নির্মাণ, হসপিটালিটি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ, কৃষি, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতের অন্যতম বৃহৎ কংলোমারেট ইউনিক গ্রুপ ও তার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হানসা ম্যানেজমেন্ট।

সম্প্রতি বিকাশের সঙ্গে ইউনিক গ্রুপ ও হানসা ম্যানেজমেন্টের মধ্যে এ সম্পর্কিত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ইউনিক গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ট্রাস্ট অফিস) সৈয়দ সানোয়ারুল হক ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ক্যাপ্টেন আনিসুর রহমান; হানসা ম্যানেজমেন্টের চিফ অপারেটিং অফিসার মোহাম্মদ সাহেদুল হক এবং বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ ও হেড অব পে-রোল বিজনেস এটিএম মাহবুব আলম সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির ফলে প্রতিষ্ঠান দু’টির কর্মীরা বিকাশের পে-রোল সল্যুশনের মাধ্যমে তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে বেতন-ভাতা পাবেন। পর্যায়ক্রমে ইউনিক গ্রুপের অন্যান্য অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও এই ডিজিটাল পে রোল সেবার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

বিকাশে বেতন দেওয়ার সেবা গ্রহণ করায় একদিকে কর্মীরা যেমন সহজে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন, অন্যদিকে ক্যাশ টাকার ঝামেলা দূর হওয়ায় সামগ্রিক বেতন ব্যবস্থাপনা আরও সহজ ও সাশ্রয়ী হয়েছে। ফলে দেশের প্রায় ৭ শতাধিক গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান বিকাশের মাধ্যমে তাদের কর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করছে।

শুধু বিকাশে বেতন পাওয়াই নয়, কর্মীরা এখন সেন্ড মানি, মোবাইল রিচার্জ, বিভিন্ন ধরনের বিল পরিশোধ করা, কেনাকাটার পেমেন্ট করা, বাস-ট্রেন-লঞ্চ-বিমানের টিকেট কেনাসহ নানান সেবা নিতে পারছেন। প্রয়োজনে দেশজুড়ে বিস্তৃত সাড়ে চার লাখের বেশি এজেন্ট পয়েন্ট এবং ১৩টি ব্যাংকের ১৫০০ এর অধিক এটিএম বুথ থেকে ক্যাশ আউটও করতে পারছেন।

পাশাপাশি, ঋণ প্রাপ্তির যোগ্যতা সাপেক্ষে কর্মীরা তাৎক্ষণিক তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে ৫০০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত সিটি ব্যাংকের জামানতবিহীন ডিজিটাল ন্যানো লোন পেতে পারেন। এছাড়া আইডিএলসি ফিন্যান্সের মাসিক ৫০০, ১,০০০, ২,০০০ এবং ৩,০০০ টাকা কিস্তিতে সর্বনিম্ন দুই থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ চার বছর মেয়াদি মাসিক সঞ্চয় সেবাও গ্রহণ করতে পারবেন কর্মীরা।

;