পুঁজিবাজারে বড় পতনে সপ্তাহ শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (১৪ নভেম্বর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের বড় পতন ঘটেছে। সেই সঙ্গে টাকার অঙ্কে লেনদেনও কমছে।

ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচকের বড় উত্থান লক্ষ্য করা যায়। এই উত্থান স্থায়ী ছিল মাত্র ৫ মিনিট। এরপর থেকেই সূচকের পতন ঘটে। মাঝে কয়েক মিনিট সূচক বাড়লেও আবার তা কমে যায়। দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত কার্যদিবসের চেয়ে ৬১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৯৩৪ পয়েন্টে। গত কার্যদিবসে ছিল ৬ হাজার ৯৯৫ পয়েন্ট।

অপর দুই সূচকের মধ্যে ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ৬৫৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরীয়া ১২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৪৬৪ পয়েন্টে।

বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮৪৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। গতকার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৫শ ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। যা গত তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।

লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৭৩টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ৬৯টির, কমেছে ২৬৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম।

ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো কোম্পানির। কোম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ১১৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের লেনদেন হয়েছে ৬২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ওরিয়ন ফার্মার লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ এ রয়েছে, আইএফআইসি, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, জিনেক্স ইনফোসিস, ফরচুন, ডেলটা লাইফ, লাফার্জ হোলসিম এবং সাইফ পাওয়ার।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৬৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৩২৮ পয়েন্টে। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৫৯টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ৫৬টির, কমেছে ১৮৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির। টাকার অঙ্কে লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

গ্যাস চুরি: মাসে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা লোপাট



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মাসে প্রায় ৬ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস চুরি হচ্ছে যার দাম (আমদানি মূল্যে) সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা প্রায়। চুরির পুরোটাই সিস্টেম লসের নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

চুরি পরিমাণ এক-তৃতীয়াংশ কমানো গেলেও স্পর্ট মার্কেট এলএনজি আমদানি করতে হয় না। আর স্পর্ট মার্কেট থেকে গ্যাস আমদানি করতে না হলে দাম বাড়ানোর প্রয়োজন পড়ে না। মুনাফায় থাকা গ্যাসের ৬টি বিতরণ কোম্পানি দাম না বৃদ্ধি করে বিদ্যমান বিতরণ চার্জ বাতিল (ঘনমিটার ২৫ পয়সা) করলেও চলে ( সূত্র বিইআরসি করিগরি কমিটি)।

বাংলাদেশ বর্তমানে দৈনিক কমবেশি ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে গত জুলাই-ডিসেম্বর সিস্টেম লস হয়েছে সাড়ে ৮ শতাংশ। দৈনিক সিস্টেম লসের পরিমাণ ২৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট। কারিগরি ও অন্যান্য দিক বিবেচনায় গ্যাসের আদর্শ সিস্টেম লস ধরা হয় সর্বোচ্চ ২.২৫ শতাংশ। বিতরণে ২ শতাংশ সঞ্চালনে দশমিক ২৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল গণশুনানিতে বলেছেন, গ্যাসের আদর্শ সিস্টেম লস হচ্ছে ২ শতাংশের নিচে। বিশ্বের কোথাও ২ শতাংশের উপরে সিস্টেম লস নেই। সাড়ে ৮ শতাংশ সিস্টেম লস গ্রহণযোগ্য নয়। এই মাত্রা গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।

অর্থাৎ প্রায় ৬ শতাংশ চুরিকে সিস্টেম লসের নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দৈনিক চুরি যাওয়া গ্যাসের পরিমাণ হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অন্যদিকে চড়াদামে স্পর্ট মার্কেট থেকে আমদানি করা গ্যাসের পরিমাণ মাত্র ৯৯ মিলিয়ন ঘনফুট। স্পর্ট মার্কেটের এলএনজির মূল্যের (ঘনমিটার ৫০ টাকা আমদানি শুল্কসহ) সঙ্গে তুলনা করলে দৈনিক চুরি যাওয়া ৬ শতাংশ গ্যাসের মূল্য দাঁড়ায় ৩৪৫ কোটিতে। যা বছরে ১ লাখ ৩ হাজার ৫’শ কোটি টাকার মতো।

এই চুরির পরিমাণটি সরল অংকের হিসেবে। আরেকটি অংক রয়েছে, আবাসিকের মিটারবিহীন ৩৪ লাখ গ্রাহক। মিটারবিহীন গ্রাহকরা মাসে ৪০ ঘনমিটারের নিচে ব্যবহার করলেও প্রতিমাসে ৭৮ ঘনমিটারের বিল দিয়ে আসছে।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ২০১৬ সালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বলেছিলেন, “প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের পাইলট প্রকল্পের রেজাল্ট খুব ভালো। দুই চুলায় মাসে ৩৩ ঘন মিটার গ্যাস সাশ্রয় হচ্ছে”।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য মতে দেশে বৈধ আবাসিক গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৩৮ লাখ গ্রাহকের মধ্যে ৩ লাখ ৬৮ হাজার প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করছে। অর্থাৎ প্রতিমাসে সাড়ে ৩৪ লাখ গ্রাহকের পকেট কাটা হচ্ছে। মাসে গড়ে ৫’শ টাকা হারে ধরলেও মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বছরে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই টাকার কারণে সিস্টেম গেইন করার কথা অর্থাৎ প্রকৃত সিস্টেম লসের পরিমাণ ১২ শতাংশের উপর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছে।

এই চুরির প্রায় পুরোটাই বিতরণ সংস্থা তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি অধিভুক্ত এলাকায়। অল্প পরিমানে রয়েছে কুমিল্লা চাঁদপুর অঞ্চলে বিতরণ কোম্পানি বিজিডিসিএল ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিতরণ কোম্পানি কেজিডিসিএল'এ। তিতাসের চুরি এখন ওপেট সিক্রেট। কোম্পানিটি সম্প্রতি চাপের মুখে জোনগুলোকে পৃথক করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এতে বেশকিছু জোনে পৃথক মিটার বসানো হয়েছে।   নারায়নগঞ্জ আড়াইহাজার জোনে প্রায় ৩০ শতাংশের উপরে সিস্টেম লস ধরা পড়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

তবে এ তথ্য সঠিক নয় বলে উল্লেখ করেছেন তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক হারুনুর রশীদ মোল্লাহ। তিনি বার্তা২৪.কমকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, কে দিয়েছে এই তথ্য? তার কাছে প্রকৃত তথ্য জানতে চাইলে বলেন আমি মুখস্ত বলতে পারবো না। জোন কতটি সে বিষয়েও আমার মুখস্ত নেই।

তিতাস গ্যাসের পরিচালক অপরেশন (চলতি দায়ত্বি) প্রকৌশলী সেলিম মিয়া যেনো এক কাঠি সরেস। তার কাছে সিস্টেম লসের কথা জানতে চাইলে বলেন, সাংবাদিক কি এই তথ্য চাইতে পারে। আপনার এই তথ্য দিয়ে কি দরকার। আপনি কোন এলাকায় গ্যাস থাকবে, কোন এলাকায় থাকবে না এটা জানতে চাইতে পারেন। সিস্টেম লস কি দরকার।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির যুক্তি হিসেবে পেট্রোবাংলা বলেছে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বেড়ে গেছে। স্পর্ট মার্কেট থেকে চড়া দরে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে। তাদের তথ্যে দেখা গেছে গত অর্থবছরে গড়ে দৈনিক ৯৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আমদানি করা হয়েছে। সে হিসেবে স্পর্ট মার্কেট থেকে আমদানি করা গ্যাসের পরিমাণ মাত্র ৩ শতাংশ। এ জন্য ১১৭ শতাংশ দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে বিইআরসি কারিগরি কমিটি ২০ শতাংশ দাম বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। যে কোন দিন ঘোষণা আসতে পারে।

ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, বর্তমানে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সরকারের জন্য আত্মঘাতি হতে পারে। আমরা মনে করে চুরি ঠেকানো গেলে স্পর্ট মার্কেট থেকে গ্য্যাস আমদানির প্রয়োজন পড়ে না। তখন গ্যাসের দাম বাড়ানোর বদলে কমানো যায়। আমরা হিসেব করে দেখিয়ে দিয়েছি গ্যাসের দাম ১৬ পয়সা কমানো যায়।

গ্যাস বিতরণের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় এই কোম্পানিটি এমন সব দুর্নীতি সামনে এসেছে যা পুরোপুরি অভিনব। বৈধ সংযোগ বন্ধ, তখন সংযোগ দেওয়া হয়েছে, সেসব গ্রাহকের আস্থা সৃষ্টি করার জন্য কাগজপত্র তুলে দেওয়া হয় তাদের হাতে। যথারীতি গ্রাহকরা বিলও জমা করেন। ২০১২ সালে এ রকম পে-স্লিপের মাধ্যমে ব্যাংকে ১০০ কোটি টাকা জমা পড়ে। তিতাসের আবাসিক গ্রাহকেরা যেসব ব্যাংকে প্রতি মাসে গ্যাসের বিল জমা দেন, সেই ব্যাংকগুলো থেকে ওই বাড়তি টাকার হিসাব কোম্পানির কেন্দ্রীয় হিসাব বিভাগে আসে। কিন্তু এই টাকা তিতাসের হিসাবে জমা হচ্ছিল না (পোস্টিং না হওয়া) তাই বেকায়দায় পড়ে তিতাস। আর তখনেই বিষয়টি সামনে চলে এলে তখন বিষয়টি বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল।

এরপর আরেকটি অভিনব ঘটনা ঘটে, গভীর রাতে সার্ভারে ঢুকে অবৈধ গ্রাহককে বৈধ করার। রাতের আধারে কোম্পানির সার্ভারে এন্ট্রি দিয়ে বৈধ করার অভিযোগে ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নামে মামলা করে তিতাস। প্রাথমিকভাবে এক রাতেই ১ হাজার ২৪৭টি সংযোগ বৈধ করে দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলাটি (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০) দায়ের করা হয়।

আবার এমন ঘটনা ঘটেছে গ্রাহকরা বিল জমা দিয়েছেন কিন্তু সেই বিল জমা হয়নি লেজারে। কিছু অসাধু কর্মকর্তা গ্রাহকদের এসব টাকা মেরে দিয়েছেন। আর ঘটনাটি ধরে পড়ে বকেয়ার দায়ে লাইন কাটতে গেলে। গ্রাহক তখন তাদের জমার রশিদ দেখান। এই ঘটনাটি ধরা পড়েছে গত জানুয়ারি মাসের দিকে।

সম্প্রতি আরেকটি হাস্যকর ঘটনার জন্ম দিয়েছেন বিতর্কিত এই কোম্পানিটি। বাহবা নেওয়ার জন্য বিশাল এলাকা জুড়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার খবর বিজ্ঞপ্তি পাঠায় মিডিয়াতে। গত ২৫ মে পাঠানো সেই বিজ্ঞপ্তিতে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর বাঘাবন্দি (বাঘাইয়াকান্দি) গ্রামের নাম লেখা হয়। কিন্তু গ্রামবাসি দাবী করেছেন তাদের এলাকার কখনও লাইন ছিল না। তাহলে কাটলো কিভাবে। এই ঘটনায় বেশ হাস্যকর ঘটনার জন্ম দেয়। অন্যদিকে কেজি মেপে ঘুষ খাওয়ার ঘটনাও তিতাসের সৃষ্টি।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তিতাসে ব্যাপক দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে। ‍দুদক গ্যাস-সংযোগে নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ না করা, অবৈধ সংযোগ দেওয়া, মিটার টেম্পারিং করা, কম গ্যাস সরবরাহ করেও সিস্টেম লস দেখানো এবং বাণিজ্যিক গ্রাহককে শিল্প শ্রেণির গ্রাহক হিসেবে সংযোগ দেওয়াসহ ২২টি বিষয়কে প্রতিষ্ঠানটিতে দুর্নীতির উৎস বলে চিহ্নিত করেছে।

গ্যাসের দাম ‍বৃদ্ধির গণশুনানিতে অংশ নিয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশীদ মোল্লাহ বলেন, তিতাসের এতো বদনাম, আমরা কাজ করতে পারছি না। হয়তো ৫-১০ শতাংশ স্টাফ দুনীতিতে জড়িত থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, অনেক বলেন অবৈধ সংযোগ রয়েছে তিতাস কিছু করে না। আমাদের হাজার হাজার লাখ লাখ অবৈধ সংযোগ রয়েছে। আমরা কাটছি, তারা আবার লাগাচ্ছে। ইদুর বিড়াল খেলা চলছে, আমাদের লোকবল কম তাদের সঙ্গে পেরে উঠছি না। অবৈধ প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

;

এসআইবিএলের রেমিট্যান্স ও ডিপোজিট প্রোডাক্ট ক্যাম্পেইন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
এসআইবিএলের রেমিট্যান্স ও ডিপোজিট প্রোডাক্ট ক্যাম্পেইন

এসআইবিএলের রেমিট্যান্স ও ডিপোজিট প্রোডাক্ট ক্যাম্পেইন

  • Font increase
  • Font Decrease

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের দুই মাসব্যাপী ‘রেমিট্যান্স ও ডিপোজিট প্রোডাক্ট ক্যাম্পেইন- ২০২২’ আয়োজন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে রোববার (২২ মে) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলমের সভাপতিত্বে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মো. মাহবুব উল আলম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া, উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সামছুল হক ও মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানগণ সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

;

স্বাস্থ্যসেবা পেমেন্টে ‘নগদ’ দিচ্ছে সর্বোচ্চ ২৩৫০ টাকা পর্যন্ত ছাড়



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বাস্থ্যসেবা পেমেন্টে ‘নগদ’ দিচ্ছে সর্বোচ্চ ২৩৫০ টাকা পর্যন্ত ছাড়

স্বাস্থ্যসেবা পেমেন্টে ‘নগদ’ দিচ্ছে সর্বোচ্চ ২৩৫০ টাকা পর্যন্ত ছাড়

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বেশকিছু হাসপাতাল, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও ডেন্টাল কেয়ারে চেকআপের ফি ‘নগদ’-এর মাধ্যমে পরিশোধ করলে গ্রাহকেরা পাচ্ছেন বিশেষ ছাড়। গ্রাহকদের নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের মূল্য পরিশোধের ওপর বিশেষ ছাড়ের এই অফার নিয়ে এসেছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’। বিভিন্ন মেয়াদের এই অফারগুলো চলবে বছরজুড়ে।

এখন থেকে ‘নগদ’ গ্রাহকরা ইউনাইটেড হাসপাতোলে বিশেষ হেলথ চেকআপ-এ ‘নগদ’ পেমেন্টে পাচ্ছেন ২,৩৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। গ্রাহকেরা ইউনাইটেড হাসপাতালে এই অফার উপভোগ করতে পারবেন আগামী ৩১ মে পর্যন্ত। সেক্ষেত্রে ‘নগদ’ অ্যাপে বা *১৬৭# (ইউএসএসডি) ডায়ালের মাধ্যমে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট করতে হবে। অফারটি একাধিকবার উপভোগ করা যাবে।

এ ছাড়া নিজের বা আপনজনদের নিয়মিত হেলথ চেকআপের জন্য ‘সাকিব ৭৫ হেলথ কেয়ার’ থেকে ১,০০০ টাকার হেলথ কার্ড কিনে ‘নগদ’ পেমেন্টে ৬০০ টাকা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকেরা। এই অফারটিও গ্রাহকেরা একাধিকবার উপভোগ করতে পারবেন। মার্চেন্টের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হেলথ কার্ড কিনে ‘নগদ’ অ্যাপ অথবা *১৬৭# (ইউএসএসডি) ডায়ালের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। এই অফারটি চলবে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত।

পাশাপাশি অনেক গ্রাহকরা এখন দীর্ঘমেয়াদি রোগ, বিশেষ করে বাত- ব্যাথা ও পক্ষাঘাতের মতো রোগ নিরাময়ে ফিজিওথেরাপি নিয়ে থাকেন। সেই বিবেচনায় ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতালের নির্দিষ্ট সার্ভিসের পেমেন্ট ‘নগদ’- এ প্রদান করে গ্রাহকেরা পাচ্ছেন ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। অফারটি চলবে ১৫ জুলাই পর্যন্ত। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ‘নগদ’ অ্যাপ বা *১৬৭# (ইউএসএসডি) ডায়ালের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হবে।

জায়ন্যাক্স হেলথ-এ সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবার পেমেন্ট ‘নগদ’-এর মাধ্যমে করে গ্রাহকেরা উপভোগ করতে পারছেন ২০ শতাংশ ডিসকাউন্ট, যা চলবে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত। অফারটি পেতে গ্রাহকদের ‘নগদ’ অ্যাপ বা *১৬৭# (ইউএসএসডি) অথবা অনলাইনের মাধ্যমে জায়ন্যাক্স হেলথ-এর ওয়েবসাইট অথবা অ্যাপ থেকে পেমেন্ট করতে হবে।

তাছাড়া ডেন্টাল চিকিৎসায় ‘ডেন্টাল পিক্সেল’ হাসপাতাল থেকে নির্দিষ্ট ডেন্টাল চিকিৎসা নিয়ে ‘নগদ’ পেমেন্টে গ্রাহকরা আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত উপভোগ করতে পারছেন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ‘নগদ’ অ্যাপে বা *১৬৭# (ইউএসএসডি) ডায়ালের মাধ্যমে বা মার্চেন্ট কিউআর ব্যবহার করে ডেন্টাল পিক্সেল অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট করলেই উপভোগ করা যাবে অফারটি।

শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতা নিশ্চিতে ‘লাইফস্প্রিং’ ও ‘বাংলাদেশ সাইকিয়াট্রিক কেয়ার লিমিটেড’ থেকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পেমেন্ট ‘নগদ’-এর মাধ্যমে পরিশোধ করে গ্রাহকেরা যথাক্রমে ১৫ শতাংশ ও ৫ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারছেন। লাইফস্প্রিং-এ এই অফার চলবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং বাংলাদেশ সাইকিয়াট্রিক কেয়ারে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। অফারগুলো উপভোগ করা যাবে মার্চেন্ট কিউআর কোড দিয়ে ‘নগদ’ অ্যাপ অথবা *১৬৭# ডায়ালের মাধ্যমে পেমেন্ট করে।

এ বিষয়ে ‘নগদ’-এর প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) শেখ আমিনুর রহমান বলেন, আমার বিশ্বাস এই অফারগুলো গ্রাহকদের শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিতে সাহায্য করবে। ডিজিটাল লেনদেনের নতুন চাহিদা পূরণ ও সাশ্রয়ী সেবা দিতে ‘নগদ’ এই ধরনের আরও নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে আসবে।

;

‘বাংলাদেশের কাছে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রস্তাব রাশিয়ার’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের কাছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এই তেল কিভাবে ক্রয় করা যায় তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি

সোমবার (২৩ মে) বিদ্যুৎ ভবনে বিপিএমআই আয়োজিত ‘বিদ্যুৎ খাতে সাইবার নিরাপত্তা-নীতি এবং অপারেশনাল দৃষ্টিকোণ’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, রাশিয়ার পক্ষ থেকে তেল বিক্রির প্রস্তাব এসেছে। বিশেষ করে ক্রুড অয়েলের কথা বলছে তারা। আমরা সেই প্রস্তাব বিবেচনা করে দেখছি।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে রাশিয়ার প্রস্তাবে ঠিক কী আছে, কত দরে কী পরিমাণ তেল রাশিয়া দিতে পারবে, মূল্য পরিশোধইবা কীভাবে হবে, সেসব বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

যুদ্ধ শুরুর পর পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিতি জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১৩০ ডলার ছাড়িয়ে গেলেও এখন তা কিছুটা কমে এসেছে। দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভারতে শুল্ক ছাড় দিয়ে জ্বালানির দাম কমানো হয়েছে।

বাংলাদেশে এই মুহূর্তে জ্বালানির দাম কমানোর চিন্তা আছে কিনা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা জ্বালানির দামটা স্থিতিশীল রাখতে চাই। বাড়াতেও চাই না, কমাতেও চাই না। দাম যতটুকু কমেছে, তাতে করে এখনই সমন্বয় করার মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, জনগণের ওপর থেকে জ্বালানি খরচের চাপ কমাতে তরল জ্বালানির পরিবর্তে বিদ্যুৎচালিত গণপরিবহন চালু করা উচিত।

;