মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি ঋণ দিতে পারবে না ব্যাংক



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

একক গ্রাহক বা গ্রুপকে কোনও ব্যাংক ফান্ডেড, নন-ফান্ডেড মিলে মোট মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি ঋণ দিতে পারবে না। এতদিন ১৫ শতাংশ ফান্ডেডসহ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার সুযোগ ছিল। 

রবিবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়েছে, একটি ব্যাংক একক গ্রাহক বা গ্রুপকে মূলধনের ১০ শতাংশ ঋণ দিলে তা বড় ঋণ বা লার্জ লোন হিসেবে বিবেচিত হয়। এতদিন শুধু একক গ্রাহকের ঋণ সীমার বিষয়ে নির্দেশনা থাকলেও সব মিলিয়ে কী পরিমাণ বড় ঋণ দিতে পারবে তা সুনির্দিষ্ট করা ছিল না। এতে করে এক ব্যাংক একাধিক গ্রাহককে বড় ঋণ দিতে পারতো। তবে এখন থেকে মোট মূলধনের ৪০০ শতাংশের বেশি দিতে পারবে না।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, একক গ্রাহককে একটি ব্যাংক থেকে ফান্ডেড, নন-ফান্ডেড মিলিয়ে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ ঋণ দিতে পারবে। তবে সাধারণভাবে কোনও অবস্থাতেই ফান্ডেড ঋণের পরিমাণ ১৫ শতাংশের বেশি হবে না। শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ২৫ শতাংশের পুরোটাই ফান্ডেড দেওয়া যাবে।

একক গ্রাহকের ঋণ সীমা বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ ২০১৪ সালে সার্কুলার জারি করে। নীতিমালায় কিছু পরির্তনসহ বিভিন্ন বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। আগের মতোই একটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হারের সঙ্গে বড় ঋণের মোট সীমা দেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রেও কিছুটা কড়াকড়ি আনা হয়েছে। এতদিন খেলাপি ঋণের পাঁচটি ধাপ বিবেচনায় বড় ঋণ দেওয়ার সুযোগ ছিল। এখন ছয়টি ধাপ করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনও ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ৩ শতাংশ বা তার কম থাকলে ওই ব্যাংক মোট ঋণের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বড় ঋণ দিতে পারবে। আগে ৫ শতাংশ পর্যন্ত খেলাপি ঋণ থাকলে মোট ঋণের ৫৬ শতাংশ বড় ঋণ দিতে পারতো। এখন ৩ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত খেলাপি ঋণের ব্যাংক মোট ঋণের ৪৬ শতাংশ বড় ঋণ দিতে পারবে।
কোনও ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৫ থেকে ১০ শতাংশ হলে ওই ব্যাংক মোট ঋণের সর্বোচ্চ ৪২ শতাংশ বড় ঋণ দিতে পারবে। এতদিন এ ধরনের ক্ষেত্রে মোট ঋণের ৫২ শতাংশ পর্যন্ত বড় ঋণ দেওয়ার সুযোগ ছিল।

এখন থেকে যে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ওই ব্যাংক সব মিলিয়ে ৩৮ শতাংশ বড় ঋণ দিতে পারবে। আগে দিতে পারতো ৪৮ শতাংশ। ১৫ থেকে ২০ শতাংশ খেলাপি ঋণের ব্যাংক ৩৪ শতাংশ বড় ঋণ দিতে পারবে। এতোদিন এ রকম খেলাপি ঋণের একটি ব্যাংক মোট ঋণের ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত বড় ঋণ দিতে পারতো। খেলাপি ঋণের হার ২০ শতাংশের বেশি হলে এখন থেকে সব মিলিয়ে ৩০ শতাংশ বড় ঋণ দেওয়া যাবে। এতদিন এ ক্ষেত্রে মোট ঋণের ৪০ শতাংশ পর্যন্ত দেওয়া যেতো।

 

হজযাত্রীদের জন্য ব্যাংকের কিছু শাখা খোলা থাকবে আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে হজ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংকের শাখা আজ শনিবার খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য ব্যাংকের প্রধান প্রধান শাখা এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রয়োজনীয় শাখা পূর্ণ দিবস খোলা রাখতে হবে।

শুক্রবার রাতে এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগে একই কারণে গত শনিবারও ব্যাংকের কিছু শাখা খোলা ছিল। ওই সময় প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে হজ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা/উপশাখাগুলো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পূর্ণ দিবস খোলা রাখার বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হলো।

সাধারণত ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত শাখা শনিবার অর্ধদিবস খোলা থাকে। এখন এই নির্দেশনার কারণে শনিবার কোন কোন শাখা খোলা থাকবে, ব্যাংকগুলোকে রাতের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ জানিয়েছেন ব্যাংকাররা।

;

হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে শনিবার ব্যাংকের কিছু শাখা খোলা থাকবে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে শনিবার ব্যাংকের কিছু শাখা খোলা রাখার নির্দেশ

হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে শনিবার ব্যাংকের কিছু শাখা খোলা রাখার নির্দেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে হজ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংকের শাখা  শনিবার (২৮ মে) খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য ব্যাংকের প্রধান প্রধান শাখা এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রয়োজনীয় শাখা পূর্ণ দিবস খোলা রাখতে হবে।

শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানিয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগে একই কারণে গত শনিবারও ব্যাংকের কিছু শাখা খোলা ছিল। ওই সময় প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে হজ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা/উপশাখাগুলো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পূর্ণ দিবস খোলা রাখার বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হলো।

সাধারণত ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত শাখা শনিবার অর্ধদিবস খোলা থাকে। এখন এই নির্দেশনার কারণে শনিবার কোন কোন শাখা খোলা থাকবে, ব্যাংকগুলোকে রাতের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ জানিয়েছেন ব্যাংকাররা।

;

সংকট কাটাতে ডলারের দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সংকট মোকাবিলায় এবার ডলারের দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকগুলো। আর সেই দামে আসবে প্রবাসী আয়। পাশাপাশি রফতানিকারকদের নিজ ব্যাংকের মাধ্যমে বিল নগদায়ন করতে হবে। ব্যাংকগুলোর প্রস্তাবিত ডলারের মূল্য নিয়মিত ভিত্তিতে পর্যালোচনা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ডলারের সংকট কাটাতে বৃহস্পতিবার (২৬ মে) বিকেলে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সঙ্গে সভায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

সভা শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নিয়মিত ভিত্তিতে যে ডলার বিক্রি হচ্ছে, তা অব্যাহত থাকবে। রফতানিকারকদের নিজ ব্যাংকে ডলার নগদায়ন করতে হবে। বাফেদা ও এবিবি ডলারের একটি মূল্য নির্ধারণ করে দেবে, যা মেনে চলবে সব ব্যাংক। এই দামেই প্রবাসী আয় আনতে হবে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- এবিবির চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন ও বাফেদার চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের এমডি আতাউর রহমান প্রধানসহ দুই কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্যরা।

;

জ্বালানির একাধিক বিকল্প উৎস থাকা বাঞ্ছনীয়: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জ্বালানির একাধিক বিকল্প উৎস থাকা বাঞ্ছনীয়: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানির একাধিক বিকল্প উৎস থাকা বাঞ্ছনীয়: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

সাশ্রয়ীমূল্যে আমরা গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ করতে চাই। জ্বালানির একাধিক বিকল্প উৎস থাকা বাঞ্ছনীয় বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বুধবার (২৫ মে) বুধবার সমন্বিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মহাপরিকল্পনার সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে জাইকার স্টাডি টীমের সাথে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমন্বিত মহাপরিকল্পনা হতে হবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির টেকসই অবকাঠামো বিনির্মাণের ভিত্তি। দক্ষ ব্যবস্থাপনার সাথে জ্বালানি সম্পদের চাহিদা ও সরবরাহের সবোত্তম সমন্বয় থাকবে। আগামীর সম্ভাব্য  সমস্যা এবং তার সমাধান থাকবে এখনই।  বাস-ট্রেন বিদ্যুতে চলাচল, গ্রীণ হাইড্রোজেন নিয়েও এ মহা-পরিকল্পনায় সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা থাকতে হবে। ইন্ডাকশন কুকার বা সোলার সেচ পাম্প নিয়েও কাজ করা যেতে পারে। ক্লীন এনার্জি পোর্টফোলিও উত্তরোত্তর বাড়ানোর প্রতিকল্প যেন থাকে।

তিনি বলেন, ফুয়েল মিক্সে প্রচলিত জ্বালানির সাথে আগামীর সম্ভাব্য জ্বালানির প্রতিফলন থাকা বাঞ্ছনীয়। বিদ্যুৎ বা গ্যাস ব্যবহারের অপরচুনিটি কষ্ট ও কৃষি বা শিল্পে ব্যবহার প্যাটার্ণও এখানে থাকতে পারে।

দ্য ইন্সটিটিউট অব এনার্জি ইকনোমিকস জাপান কর্তৃক প্রণীতব্য মহাপরিকল্পনার ষ্টাডি টীমের প্রধান ইচিরো কুতানি সার্বিক অগ্রগতি বিষয়ে আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন, আগামী অক্টোবর ২০২২ নাগাদ খসড়া মহাপরিকল্পনা হবে। নভেম্বর ২০২২ নাগাদ অংশীজনদের

সাথে সভা করে তা চূড়ান্ত করা হবে। চাহিদার পূর্বাভাস, চাহিদা ও সরবরাহের সমন্বয়,রেফারেন্স দৃশ্যকল্প, নেট-শূন্য দৃশ্যকল্প, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দৃশ্যকল্প, জ্বালানি সংরক্ষণ, সাশ্রয়ী  নবায়ণযোগ্য জ্বালনি, জ্বালানির বৈচিত্রকরণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈচিত্রময় জ্বালানি ব্যবস্থাপনার সাথে বিদ্যুৎ-জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার নিয়েও আমরা কাজ করছি। বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল এবং টেকসই নবায়ণযোগ্য জ্বালানি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন গবেষণা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এ প্রতিষ্ঠান দুটি জাইকার সাথে কাজ করলে আরো বাস্তবসম্মত ফল পাওয়া যাবে।

এসময় অন্যান্যের মাঝে জাইকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তোশিয়ুকি কোবাইয়াশ ও জাইকা বাংলাদেশের প্রতিনিধি তারো কাৎসোরাই উপস্থিত ছিলেন।

;