নতুন পারফিউমের পণ্যদূত হলেন বাংলাদেশের মুনিম এহসান



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: লাক্সারি ব্র্যান্ড প্রসাধনীর মডেল হলেন বাংলাদেশের মুনিম এহসান

ছবি: লাক্সারি ব্র্যান্ড প্রসাধনীর মডেল হলেন বাংলাদেশের মুনিম এহসান

  • Font increase
  • Font Decrease

লাক্সারি ব্র্যান্ড প্রসাধনী প্যাকো রাবানি ফ্যান্টমের মডেল হলেন এবার বাংলাদেশের মুনিম এহসান । সম্প্রতি এই লাক্সারি ব্র্যান্ডটি নতুন একটি পারফিউম বের করেছে। আর এই পারফিউমের বাংলাদেশের পণ্যদূত হয়েছেন বাংলাদেশি মডেল মুনিম। মুনিমের পুরো নাম এ.এফ.এম.ইফতে খায়রুল এহসান হলেও শোবিজের সকলে তাকে মুনিম নামেই চিনেন।

২০০৭ সালে পরিচালক সাইফুল ইসলাম মান্নুর ‌কোথাও কেউ নেই নাটকের মাধ্যমে অভিনয় শুরু করেন মুনিম। পাশাপাশি মডেল হিসেবে সেভেন আপ, প্রাণসহ অনেক পণ্যের মডেল হয়েছেন। মুনিম বাংলাদেশে ইয়েলো, অ্যাপেক্স, স্টাইলসেল, ট্রেন্ডজ, টেক্সমার্ট, ওকাল্ট জিনস, নাবিলা বুটিকসহ অনেক ফ্যাশন হাউসের সঙ্গে কাজ করেছেন।

পেশাদার মডেল হিসেবে মুনিমের ক্যারিয়ার প্রায় ১৪ বছরের। বাংলাদেশের প্রথম সারির প্রায় সব ব্র্যান্ডের সঙ্গেই কাজ করেছেন। মুনিম বলেন, লাক্সারি ব্র্যান্ড প্রসাধনী প্যাকো রাবানি ফ্যান্টমের মডেল হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এটা আমার জন্য সত্যিই আনন্দের খবর । বেস্ট ইন ব্র্যান্ডকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। নামী ব্র্যান্ড সুন্দরা বিউটির অংশ হতে পেরে খুব ভালোলাগছে।

 

২টি নতুন পণ্যসেবা চালু করলো এনসিসি ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
২টি নতুন পণ্যসেবা চালু করলো এনসিসি ব্যাংক

২টি নতুন পণ্যসেবা চালু করলো এনসিসি ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে “এনআরবি হোম লোন এবং মাইক্রো এটিএম” নামে ০২ নতুন পণ্যসেবা চালু করলো এনসিসি ব্যাংক। ঢাকাস্থ এনসিসি ব্যাংক ভবনে ১৯ মে এ সেবার উদ্বোধন করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল বাশার।

এ সময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার নাইমুল কবির, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ মোঃ রাফাত উল্লা খান, মোঃ মাহবুব আলম ও মোঃ জাকির আনাম, হেড অব অপারেশন্স সৈয়দ তোফায়েল আলী, সিআইও মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, চীফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, কোম্পানী সচিব মোঃ মনিরুল আলম, হেড অব মার্কেটিং এন্ড ব্রাঞ্চেস ডিভিশন মোহাম্মদ রিদওয়ানুল হক এবং রেমিটেন্স ও এনআরবি সার্ভিস বিভাগের প্রধান মোঃ মাহ্ফুজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল বাশার বলেন, এনসিসি ব্যাংক বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের সন্তুষ্টি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় “এনআরবি হোম লোন এবং মাইক্রো এটিএম” নামে ০২ নতুন পণ্যসেবা চালু করেছে। তিনি আরও বলেন, যুগোপযুগী বিভিন্ন প্রযুক্তি নির্ভর পণ্যসেবা অর্ন্তভূক্তির মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, এনসিসি ব্যাংক সবসময় গ্রাহকদের বর্ধিত চাহিদা পূরণে সচেষ্ট রয়েছে। রেমিট্যান্স প্রেরণকারী প্রবাসী বাংলাদেশীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে এবং তাঁদের স্থায়ী সম্পত্তি তৈরিতে এনসিসি ব্যাংক এনআরবি হোম লোন পণ্যটি সহায়ক হবে। এছাড়া, মাইক্রো এটিএম সেবা থেকে এনসিসি ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের গ্রাহকবৃন্দ নির্ধারিত মার্চেন্ট আউটলেট থেকে স্বল্প খরচে টাকা উত্তোলন করতে পারবে।

 

;

অগ্রণী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কি!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি অগ্রণী ব্যাংক কি বিপদের মুখোমুখি! বড় ঋণ গ্রহীতাদের বেশিরভাগ বেসরকারি খাতের। এই বেসরকারি খাতের কোম্পানীগুলির মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ওরিয়ন গ্রুপ। এদের ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ৯৯ কোটি টাকা। দ্বিতীয় হচ্ছে ইউনিক গ্রুপ। এদের পরিমাণ ১ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা।

অগ্রণী ব্যাংকের বেসরকারি খাতের ঋণ পরিস্থিতি রোববার প্রকাশ করেছে দৈনিক বণিক বার্তা। প্রথম পাতায় প্রধান শিরোনাম হিসাবে প্রকাশিত এই রিপোর্টে বলা হয়েছে:

দেশের বড় কিছু করপোরেটের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছে অগ্রণী ব্যাংকের ঋণ। ব্যাংকটির বিতরণকৃত মোট ঋণের প্রায় ৪০ শতাংশই গিয়েছে ৩৬ গ্রাহকের কাছে, যার সিংহভাগই বেসরকারি খাতের। কোম্পানিগুলোর মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে সাত ও ২৯টি। এসব বড় গ্রাহকের মধ্যে মূলত বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর ভালোমন্দ বা সদিচ্ছার ওপরই এখন নির্ভর করছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির ভবিষ্যৎ।

গত বছরের শেষে ব্যাংকটির মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৯ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩৬ কোম্পানিকে দেয়া হয়েছে ২৩ হাজার ৭৩ কোটি টাকারও বেশি। এসব কোম্পানির একেকটি ২৮৪ কোটি থেকে শুরু করে ২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিয়েছে।

অগ্রণী ব্যাংকের ঋণের সবচেয়ে বড় গ্রাহক ওরিয়ন গ্রুপ। ২০২১ সাল শেষে ওরিয়নের কাছে ব্যাংকটির ঋণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৯৯ কোটি টাকা। ব্যাংকটি থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঋণ গিয়েছে ইউনিক গ্রুপের কাছে। গত বছর শেষে এ গ্রুপের কাছে অগ্রণী ব্যাংকের ঋণ ছিল ১ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে রয়েছে এ নিট স্পিন লিমিটেড। কোম্পানিটি অগ্রণী ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছে ১ হাজার ২৬১ কোটি টাকা।

ঋণের অন্য বড় গ্রাহকদের মধ্যে ১ হাজার ৯৭ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে জাকিয়া গ্রুপের কাছে। এছাড়া জজ ভূঞা গ্রুপের কাছে ৯২৯ কোটি, বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের কাছে ৯০০ কোটি, থার্মেক্স গ্রুপের কাছে ৭৬৯ কোটি, তানাকা গ্রুপের কাছে ৭৩৭ কোটি, ম্যাগপাই গ্রুপের কাছে ৭৩০ কোটি ও নাইস স্পান মিলস লিমিটেডের কাছে ৬৮৩ কোটি টাকার ঋণ রয়েছে অগ্রণী ব্যাংকের। এসব গ্রাহক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির শীর্ষ ১০ ঋণগ্রহীতা হিসেবে স্বীকৃত।

বড়দের কাছে ঋণ কেন্দ্রীভূত হয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করছেন অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, বড় ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু রীতিনীতি আছে। সেসব রীতিনীতি মেনেই আমরা বড় গ্রহকদের ঋণ দিয়েছি। তবে অগ্রণী ব্যাংকের ঋণ বড়দের কাছে কেন্দ্রীভূত হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আমি স্বীকার করছি। যেকোনো ব্যাংকের ক্ষেত্রেই এ ধরনের ঋণ কিছুটা ঝুঁকি তৈরি করে। আশার কথা হলো অগ্রণী ব্যাংকের বড় গ্রহকদের ঋণ নিয়মিত আছে। যেসব ঋণ এরই মধ্যে বিতরণ হয়ে গিয়েছে, সেগুলো আদায়ে জোর দেয়া হচ্ছে।

জায়েদ বখত বলেন, সম্প্রতি বড়দের ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু বিধিনিষেধ দিয়েছে। আমরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিধিনিষেধ মেনে বড়দের ঋণ নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হয়েছি। ঋণের ঝুঁকি কমাতে আমরা সিন্ডিকেশনের পদ্ধতিতে বড় ঋণ বিতরণ করছি। পাশাপাশি এসএমই খাতে ঋণ বিতরণে জোর দেয়া হচ্ছে।

অগ্রণী ব্যাংকের সরকারি-বেসরকারি বড় ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে আরো রয়েছে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (৬৬২ কোটি টাকা), প্যাসিফিক গ্রুপ (৬৫৮ কোটি), যমুনা গ্রুপ (৬৩০ কোটি), প্রাইম গ্রুপ (৬০৮ কোটি), ঢাকা হাইড অ্যান্ড স্কিন্স লিমিটেড (৫৬৬ কোটি), নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন (৫৫৩ কোটি), প্যারামাউন্ট বিট্র্যাক এনার্জি লিমিটেড (৫৩১ কোটি), নোমান গ্রুপ (৫২৭ কোটি), মুন গ্রুপ (৫২১ কোটি), বসুন্ধরা গ্রুপ (৫১৪ কোটি), বিএসআরএম স্টিল (৫১১ কোটি), নোমান উইভিং মিলস লিমিটেড (৫১১ কোটি), বেক্সিমকো গ্রুপ (৫০৯ কোটি), সোনালী গ্রুপ (৫০৩ কোটি), বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড অর্গানাইজেশন (৪৯০ কোটি), আরপিসিএল (৪৬৭ কোটি), বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (৪৪০ কোটি), সিকদার গ্রুপ (৪৪০ কোটি), অগ্রণী ইকুইটি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (৪০১ কোটি), অ্যারিস্টোক্র্যাট গ্রুপ (৩৯৪ কোটি), নিটল মটরস লিমিটেড (৩৪৩ কোটি), আবদুল মোনেম লিমিটেড (৩০৯ কোটি), লাবিব গ্রুপ (৩০১ কোটি), প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ (২৯২ কোটি), সাদ মুসা ফ্যাব্রিকস লিমিটেড (২৮৫ কোটি) ও সিটি গ্রুপ (২৮৪ কোটি টাকা)। অগ্রণী ব্যাংকের এ শীর্ষ ৩৬ গ্রাহকের মধ্যে সাতটি কোম্পানি সরকারি খাতের। এসব কোম্পানির কাছে ব্যাংকটির ঋণের পরিমাণ ৩ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা।

অগ্রণী ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২১ সাল শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৯ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা। এ ঋণের ৩২ দশমিক ২৮ শতাংশই বিতরণ করা হয়েছে একটিমাত্র শাখা থেকে। অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নিচে অবস্থিত প্রিন্সিপাল শাখা থেকে বিতরণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ২৯৮ কোটি টাকার ঋণ। অভিযোগ রয়েছে, শাখাটিকে ঘিরে অনিয়ম-দুর্নীতির একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। ব্যাংকটির প্রায় সব বড় গ্রাহকই প্রিন্সিপাল শাখা থেকে ঋণ নিয়েছেন।

২০২১ সাল শেষে অগ্রণী ব্যাংকের বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ৪০ শতাংশ গিয়েছে মাত্র ৩৬ গ্রাহকের কাছে। তবে আগের বছর বড় এসব গ্রাহকের কাছে ঋণ কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ার হার ছিল আরো বেশি। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর অগ্রণী ব্যাংকের বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৫১ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। এ ঋণের অর্ধেকের বেশি তথা ২৬ হাজার ৬১৯ কোটি টাকাই পেয়েছিল মাত্র ৩৬ গ্রাহক। বড় কয়েকটি করপোরেটের ঋণ কিছুটা কমে আসায় গত বছর কেন্দ্রীভূত ঋণের পরিমাণ কমেছে।

২০১৬ সাল থেকে অগ্রণী ব্যাংকের এমডি পদে দায়িত্ব পালন করছেন শামস-উল ইসলাম। প্রথম মেয়াদে তিন বছরের দায়িত্ব পালন শেষ হলে ২০১৯ সালে তাকে দ্বিতীয় মেয়াদে এমডি নিয়োগ দেয়া হয়। আগামী আগস্টে এমডি পদে তার দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক কোম্পানিতে নির্ধারিত এমডি পদের বয়সসীমা ৬৫ পূর্ণ হবে শামস-উল ইসলামের। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই শামস-উল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

শামস-উল ইসলাম অগ্রণী ব্যাংকের এমডি পদে দায়িত্ব নেয়ার সময় ২০১৬ সালে অগ্রণী ব্যাংকে ২০০ কোটি টাকার বেশি এমন ঋণগ্রহীতার সংখ্যা ছিল ১৩। এসব গ্রাহকের কাছে ব্যাংকটির মোট ঋণের পরিমাণ সীমাবদ্ধ ছিল ৬ হাজার ১১২ কোটি টাকায়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯২৯ কোটি টাকা ঋণ ছিল ওরিয়ন গ্রুপের। কিন্তু গত পাঁচ বছরে অগ্রণী ব্যাংকের মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি ঋণ নেয়া বড় গ্রাহকের সংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে। একই সঙ্গে বড় গ্রাহকদের কাছে ব্যাংকের কেন্দ্রীভূত ঋণের পরিমাণ বেড়েছে চার গুণ।

গত পাঁচ বছরে অগ্রণী ব্যাংকের আমানত, বিতরণকৃত ঋণসহ ব্যবসায়িক পরিধিও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু এ সময়ে ব্যাংকটির আর্থিক স্বাস্থ্য সুদৃঢ় না হয়ে আরো ভঙ্গুর হয়েছে। ২০২১ সালে সুদ খাতে ব্যাংকটি লোকসান দিয়েছে ৭৪৪ কোটি টাকা। গত বছর অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ২৩৫ কোটি টাকা বেড়েছে। ২০২১ সাল শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৯৯২ কোটি টাকায়, যা মোট ঋণের ১৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। খেলাপি ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত সঞ্চিতিও রাখতে পারেনি অগ্রণী ব্যাংক। ২০২১ সাল শেষে ৪ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা সঞ্চিতি ঘাটতি ছিল ব্যাংকটির।

;

স্বর্ণের দামে রেকর্ড, প্রতি ভরি সাড়ে ৮২ হাজার টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত সপ্তাহের বুধবার থেকে প্রতি ভরি স্বর্ণালঙ্কারে এক হাজার ৭৫০ টাকা বেড়েছিল। রোববার থেকে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা করে বাড়ছে।

এতে একজন গ্রাহককে এক ভরি স্বর্ণের অলঙ্কার কিনতে ৮২ হাজার ৪৬৪ টাকা টাকা ব্যয় করতে হবে। এটাই দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।  শনিবার পর্যন্ত যা ছিল ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকা।

এর আগে গত ১৮ মে স্বর্ণের দাম এক দফা বাড়িয়েছিল বাজুস। মাত্র চার দিনের মাথায় আবারও দাম বাড়ানো হলো। তবে স্বর্ণের দাম বাড়লেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

শনিবার বাজুসের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে মুদ্রাবাজারে ডলারসহ বিভিন্ন মুদ্রার দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজুসের প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় স্বর্ণের দাম পুনর্নিধারণ করা হয়েছে।

নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম পড়বে প্রতি ভরি ৮২ হাজার ৪৬৪ টাকা। যা গত চারদিন আগে নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকা।

এছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম চার হাজার ৩২ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৭৩২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৫০০ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৫৩৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ৭৪ হাজার ৭০৮ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ৬৪ হাজার ৩৫ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছিল।

সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও বাড়ানো হয়েছে দুই হাজার ৮৭৫ টাকা। ফলে এই মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ৫৬ হাজার ২২০ টাকা। এতদিন এই মানের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছিল ৫৩ হাজার ৩৬৩ টাকায়।

;

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১৫টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১৫টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১৫টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের নতুন ১৫টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট সম্প্রতি উদ্বোধন করা হয়েছে।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. মো. মাহবুব উল আলম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সামছুল হক ও মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ। প্রধান কার্যালয় হতে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আউটলেটগুলোর এজেন্টসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

নতুন এজেন্ট আউটলেটগুলো হচ্ছে নোয়াখালীর মগুয়া বাজার, নবগ্রাম বাজার ও সমিতির বাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মনকাশাইর বাজার, কিশোরগঞ্জের পাড়াতলী বাজার ও নারায়নপুর বাজার, রংপুরের খলিলগঞ্জ বাজার, ফরিদপুরের চরভদ্রাসন বাজার, ফেনীর আফতাব বিবির হাট ও হাজারী পুকুর, খুলনার গড়ইখালী বাজার ও খর্ণিয়া বাজার, কুমিল্লার দক্ষিণ বালুয়া চৌমুহনী, চাঁদপুরের আফাজউদ্দিন মোল্লার বাজার ও পালের বাজারে।

;