বিটিআরআই ৫৬তম বার্ষিক কোর্সে ‘সেরা’ হলেন যারা



বিভোর বিশ্বাস, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিটিআরআই ৫৬তম বার্ষিক কোর্সে ‘সেরা’ হলেন যারা

বিটিআরআই ৫৬তম বার্ষিক কোর্সে ‘সেরা’ হলেন যারা

  • Font increase
  • Font Decrease

সর্বোচ্চ স্বীকৃতি বলে একটা কথা আছে। যে কোনো প্রশিক্ষণ কোর্সের শেষের দিন একটি পরীক্ষাপর্ব থাকে। যারা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন তারা প্রত্যেকেই সেই পরীক্ষাপর্বে অংশ নিয়ে থাকেন। সুনির্দিষ্ট প্রশ্নপত্রের সাথে সুনির্দিষ্ট সময়ের ছকে সেই পরীক্ষা শেষ হয়। তারপর আসে সেরা নম্বরপ্রাপ্তদের নাম প্রকাশের পালা। 

সম্প্রতি সমাপ্ত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউটে (বিটিআরআই) ৫৬তম কোর্সে প্রশিক্ষার্থীদের সেই মানদণ্ডই নিরূপণ করা হয়েছিল। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চা আবাদী ব্যবস্থাপনা ও হাতে কলমে প্রশিক্ষণের জন্য এই কোর্সটি পরিচালিত হয়েছিল।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বিকেলে ‘৫৬তম বিটিআরআই বার্ষিক কোর্স-২০২২’ বিটিআরআই কনফারন্সে রুমে কোর্সটির সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কোর্সটিতে বাংলাদেশের শ্রীমঙ্গল, চট্টগ্রাম, পঞ্চগড়সহ বিভিন্ন চা বাগান হতে ৩৫ জন প্রশক্ষির্নাথীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

‘দ্বিতীয় স্থান’ অধিকারী সেলিনা নিপা’র ক্রেস্টগ্রহণ। ছবি: বার্তা২৪

বাংলাদেশ চা গবষেণা ইন্সটিটিউটের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলী অনুষ্ঠানে প্রধানঅতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন ক্রপ প্রোডাকশন ডিপার্টমেন্ট এর মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ইসমাইল হোসেন।

বিটিআরআই এর সকল চা বিজ্ঞানীবৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ বার্ষিক কোর্স সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা, উন্নত জাত নির্বাচন কৌশল, আধুনিক চা চাষাবাদ পদ্ধতি (প্রুনিং, টিপিং, প্লাকিং, ড্রেনেজ ও খরা ব্যবস্থাপনা), পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা, চা প্রাণরসায়ন, স্ট্যাটিস্টিক্স, চা প্রক্রিয়াজাতকরণ ইত্যাদি বিষয়াদি হাতে-কলমে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞ কর্তৃক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

‘তৃতীয় স্থান’ অধিকারী আবদুল্লাহ’র ক্রেস্টগ্রহণ। ছবি: বার্তা২৪

প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্য থেকে Post evaluation session এ সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ৩জন প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট প্রদানসহ এবং সকল প্রশিক্ষণার্থীদের সাটিফিকেট প্রদান করা হয়। ক্রেস্টপ্রাপ্ত ৩জন হলেন- সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ‘প্রথম স্থান’ অধিকার করেন চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. রাহেল রানা, ‘দ্বিতীয় স্থান’ অধিকার করেন বিটিআরআই’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার লিপা এবং ‘তৃতীয় স্থান’ অধিকার করেন ডিনস্টন চা বাগানরে ডেপুটি সহকারী ব্যবস্থাপক সৈয়দ আবদুল্লাহ।

পরিশেষে প্রশিক্ষণার্থীদরে মধ্যে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে কোর্সটির সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চা আবাদী ব্যবস্থাপনা ও হাতে কলমে প্রশিক্ষণের জন্য গত ৫ ফেব্রুয়ারি, শনিবার বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিটিআরআই) এর ৫৬তম বার্ষিক কোর্সটি শুরু হয়েছিল। বাংলাদেশ চা বোর্ড (বিটিবি) এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম এনডিসি, পিএসসি প্রধানঅতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ কোর্সের উদ্বোধন করেছিলেন।

চাল আমদানির অনুমতি পেল ৯৫ কোম্পানি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চাল আমদানির অনুমতি পেল ৯৫ কোম্পানি

চাল আমদানির অনুমতি পেল ৯৫ কোম্পানি

  • Font increase
  • Font Decrease

চাল আমদানির জন্য ৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৪ লাখ ৯ হাজার টন চাল ১১ আগস্টের মধ্যে চাল আমদানি করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সংগ্রহ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান ও অতিরিক্ত সচিব মুজিবর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই অনুমতি দেওয়া হয়।

চিঠির শর্তানুযায়ী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে চালের এলসি খুলতে হবে এবং ১১ আগস্টের মধ্যে আমদানি করা চাল দেশে বাজারজাত শেষ করতে হবে। আমদানি করা চালের মধ্যে ৩ লাখ ৭৯ হাজার মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল ও ৩০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল রয়েছে।

সময়মতো এলসি খুলতে বা আমদানি করতে ব্যর্থ হলে সেসব ব্যবসায়ীর চাল আমদানির অনুমতি বাতিল হবে বলেও চিঠিতে জানানো হয়েছে।

আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানগুলোকে জেলা খাদ্য অফিসে জানাতে হবে যে তারা কী পরিমাণ চাল আমদানি করবে, কী পরিমাণ বিক্রি করবে ও কী পরিমাণ মজুত করবে। বাজারে সরবরাহ বাড়িয়ে চালের দাম কমাতে এ অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২২ জুন থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আমদানি করা চালের ওপর শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ করেছে। তবে প্রতিটি চালান আমদানির সময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। ৯৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টি মোট ১ লাখ ৭০ হাজার টন আমদানির অনুমতি পেয়েছে। এ ছাড়া দুটি প্রতিষ্ঠান ২৫ হাজার টন করে, তিনটি ২০ হাজার টন করে এবং বাকিগুলো বিভিন্ন পরিমাণ চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছে।

;

ঈদ কেনাকাটায় ১০ হাজার আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঈদ কেনাকাটায় ১০ হাজার আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক

ঈদ কেনাকাটায় ১০ হাজার আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক

  • Font increase
  • Font Decrease

এবারের ঈদের কেনাকাটা আরো সাশ্রয়ী করতে দেশজুড়ে প্রায় ১০ হাজার আউটলেট ও রিটেইল দোকানে বিকাশ পেমেন্টে মিলছে ৫ থেকে ২০% পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

সারাদেশে ৩ হাজার ব্র্যান্ড ও মার্চেন্ট আউটলেটে লাইফস্টাইল সামগ্রী, পোশাক, জুতা, ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট কিনে বিকাশ দিয়ে পেমেন্টে করলে দিনে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা ও অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। অন্যদিকে, দেশজুড়ে প্রায় ৭ হাজার রিটেইল দোকানে বিকাশ পেমেন্টে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন গ্রাহক। রিটেইল দোকানগুলোতে ক্যাশব্যাক পেতে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে গ্রাহককে।

১১ জুলাই, ২০২২ পর্যন্ত বিকাশ অ্যাপ, ইউএসএসডি কোড *২৪৭# মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন গ্রাহকরা।

এছাড়াও, প্রায় ৫০টি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কেনাকাটায়ও ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক নিতে পারছেন গ্রাহকরা।

অফারের আওতাভুক্ত সব মার্চেন্ট এর তালিকা এবং বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এই লিংকে- https://www.bkash.com/payment/। বিকাশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজেও অফারগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাবেন গ্রাহকরা।

;

ব্যাংক মাস্কাট থেকে ৪৫ মিলিয়ন ডলার সিন্ডিকেটেড ঋণ পেল সিটি ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ব্যাংক মাস্কাট থেকে ৪৫ মিলিয়ন ডলার সিন্ডিকেটেড ঋণ পেল সিটি ব্যাংক

ব্যাংক মাস্কাট থেকে ৪৫ মিলিয়ন ডলার সিন্ডিকেটেড ঋণ পেল সিটি ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

সিটি ব্যাংক ওমানের শীর্ষস্থানীয় আর্থিক ব্যাংক মাস্কাট থেকে ৪৫ মিলিয়ন ডলারের সিন্ডিকেট ঋণ নিয়েছে। ব্যাংক মাস্কাট প্রাথমিকভাবে ২৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে লেনদেন শুরু করে। পরবর্তীতে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের ব্যাংকের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়ার প্রেক্ষিতে এইসব দেশের স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংকের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ৪৫ মিলিয়ন ডলারের ফান্ড সংগ্রহ করে ব্যাংক মাস্কাট যা প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ২৫ মিলিয়ন ডলার থেকে ৮০ শতাংশ বেশি। এটি সিটি ব্যাংকের জন্য ব্যাংক মাস্কাটের নেতৃত্বে তৃতীয় সফল সিন্ডিকেটেড ঋণ সুবিধা।

বিশ্ব করোনা মহামারি থেকে এখনো পুরোপুরি মুক্ত হয়নি, আবার বর্তমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায়  অর্থনীতি ব্যাপকভাবে প্রভাবিত। এই ঋণ সুবিধা সিটি ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে। দেশের বাণিজ্য খাতের অন্যতম শীর্ষ ব্যাংক সিটি ব্যাংক তাদের বাণিজ্যিক লেনদেনের অর্থায়নে এই ঋণ ব্যবহার করতে পারবে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে দেশের বাণিজ্য কার্যক্রম এবং অর্থনৈতিক  প্রবৃদ্ধি অর্জনে এটি সহায়তা করবে।

অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মারুফ এই  সিন্ডিকেট ঋণের বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘সিটি ব্যাংকের সিন্ডিকেশন ঋণে বৈশ্বিক ব্যাংকগুলোর অভূতপূর্ব সাড়া দেখে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ সিকিন্ডিকেট ঋণ প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৮০ শতাংশ ওভারসাবস্ক্রাইবড হওয়ায় তা সিটি ব্যাংকের শক্তি এবং বিশ্বব্যাপী আর্থিক বাজারে তার গ্রহণযোগ্যতার চিত্র তুলে ধরে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে, ব্যাংকটির জন্য শক্তিশালী তারল্য নিশ্চিত করতে এবং আমাদের ক্লায়েন্টদের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক প্রয়োজন মেটাতে আমরা এই ঋণসহ একাধিক উদ্যোগ নিয়েছি।  সিটি ব্যাংকের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের জন্য এবং এই চুক্তিটি সম্পন্ন করতে সাহায্য করার জন্য আমি ব্যাংক মাসকটকে ধন্যবাদ জানাই।’

উল্লেখ্য, সিটি ব্যাংক ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ব্যাংক মাস্কাট থেকে ২০ মিলিয়ন ইউরো সিন্ডিকেট ঋণ নিয়েছিল। যা ছিল কোনো ওমানি ব্যাংকের কাছ থেকে কোনো বাংলাদেশি ব্যাংকের নেওয়া এ ধরনের প্রথম ঋণ। ২০২০ সালে সিটি ব্যাংক ৩০ মিলিয়ন ডলার সিন্ডিকেটেড ঋণ গ্রহণ করে।

৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি সম্পদের ব্যাংক মাস্কাট হলো ওমানের সালতানাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক। ৩৫ শতাংশ মার্কেট শেয়ারসহ এটি দেশটির শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক। ব্যাংকটির বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সম্পর্কের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত, যা ব্যবসা বাণিজ্যকে গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকটি উপসাগরীয় অঞ্চল, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, এশিয়া এবং আফ্রিকা জুড়ে ঋণদাতাদের কাছ থেকে অনুকূল অর্থায়নের শর্তে তহবিল সংগ্রহে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

;

বাংলাদেশ রেলওয়েকে ট্রলি প্রদান করল ইসলামী ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশ রেলওয়েকে ট্রলি প্রদান করল ইসলামী ব্যাংক

বাংলাদেশ রেলওয়েকে ট্রলি প্রদান করল ইসলামী ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের মালামাল বহনের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়েকে ট্রলি প্রদান করেছে।

শনিবার (২ জুলাই) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে রেলমন্ত্রী মোঃ নূরুল ইসলাম সুজন, এমপির নিকট ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রলি হস্তান্তর করেন।

এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়ে-এর মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার, ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁইয়া ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

;