বৃষ্টির পরশে চোখ মেলেছে চা-কুঁড়িরা



বিভোর বিশ্বাস, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
চা বাগানগুলোতে গজিয়েছে নতুন কুঁড়ি। ছবি: বার্তা২৪.কম

চা বাগানগুলোতে গজিয়েছে নতুন কুঁড়ি। ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল। বর্তমানে এখানকার প্রায় প্রতিটি চা বাগানে এখন হাসছে নতুন কুঁড়ি। কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতে চোখ মেছে দু’টি পাতা একটি কুঁড়িরা। সবুজে সবুজময় হয়ে উঠেছে এখানকার চা জনপদের প্রাকৃতিক অপরূপ শোভা। যেদিকে চোখ যায় – শুধুই ঘন সবুজের অস্তিত্ব।

বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট মাপের ভিত্তিতে চা গাছগুলোতে প্রুনিং (ছাটাই) করা হয়ে থাকে। বসন্তকাল আসলেই সাধারণ নিয়মেই কুঁড়ি ছাড়ে। কিন্তু বৃষ্টিপাত হলে সেই কুঁড়ি খুব দ্রুত অঙ্কুরিত হয়। এভাবেই আগাম বৃষ্টিপাত চায়ের উৎপাদনে শুভবার্তা বয়ে নিয়ে আসে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সিনিয়র পর্যবেক্ষক আনিসুর রহমান বলেন, বিগত জানুয়ারি-২২ এবং ফেব্রুয়ারি-২২ এই দুই মাসে শ্রীমঙ্গলে ২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। জানুয়ারিতে ৩ দিনে ১৯ মিলিমিটার এবং ফেব্রুয়ারিতে ৩ দিনে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়।

দুটি পাতা একটি কুঁড়িতে ভরে উঠা চায়ের দিগন্ত। ছবি: বার্তা২৪.কম

বাংলাদেশীয় চা সংসদ (বিসিএস) এর সিলেট ব্রাঞ্চের ব্রাঞ্চ-চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র টি-প্লান্টার জিএম শিবলি বলেন, গত দুই মাসের এ বৃষ্টিপাত চায়ের জন্য উপকারী। এর ফলে চা গাছগুলো দ্রুত কুঁড়ি গজাবে। ফলশ্রুতিতে পাতা চয়ন (পাতা উত্তোলন) আরো আগে করা সম্ভব হবে। তবে পুরো চা শিল্পের সমৃদ্ধির জন্য আরো বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন।  এই বৃষ্টিপাত মন্দের ভালো।

তিনি আরো বলেন, সব সফলের জন্যই বৃষ্টিপাত উপকারি। কিন্তু চায়ের জন্য আরো বেশি উপকারি। কারণ বৃষ্টিপাত ছাড়া চা গাছগুলোকে বাঁচানো সম্ভব না। তবে আরেকটি বিষয় হলো, বৃষ্টির সময় যদি বৃষ্টি না হয় অর্থাৎ বৃষ্টির গ্যাপ-পিরিয়ড (স্থানপূরণের সময়কাল) যদি বেড়ে যায় তখন আবার বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। 

চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আনুসঙ্গিক সুবিধার জন্য প্রতিটি চা বাগানে প্রতি বছর বাৎসরিক প্রুনিং (ছাটাই) পদ্ধতি পালন করা হয়। এর ফলে চা গাছের আগাগুলো সুনির্দিষ্ট পরিমাণে ছাটাই করে দেয়া হয়ে থাকে। মৌসুমের প্রথম বৃষ্টিতে সেই ছাটাইকৃত চা গাছগুলোতে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে বৃষ্টির পরশ পেয়ে জন্ম নেয় দু’টি পাতা একটি কুঁড়ি বলে জানান জিএম শিবলি।

বাংলাদেশ রেলওয়েকে ট্রলি প্রদান করল ইসলামী ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশ রেলওয়েকে ট্রলি প্রদান করল ইসলামী ব্যাংক

বাংলাদেশ রেলওয়েকে ট্রলি প্রদান করল ইসলামী ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের মালামাল বহনের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়েকে ট্রলি প্রদান করেছে।

শনিবার (২ জুলাই) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে রেলমন্ত্রী মোঃ নূরুল ইসলাম সুজন, এমপির নিকট ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রলি হস্তান্তর করেন।

এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়ে-এর মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার, ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁইয়া ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

;

‘স্বপ্ন’ এখন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘স্বপ্ন’ এখন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে

‘স্বপ্ন’ এখন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে

  • Font increase
  • Font Decrease

রিটেইল চেইন শপ স্বপ্নের নতুন আউটলেট তেল ঘাট দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে শুক্রবার (১ জুলাই) বিকেলে উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজী মোঃ বাছের উদ্দিন, সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, শুভাড্ডা ইউনিয়ন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজী মোঃ নুরুল আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোহেল শেখ (ইনভেস্টর), বিল্পব চন্দ্র দাস (ইনভেস্টর), মোঃ আলাউদ্দিন (ইনভেস্টর), মোঃ এনামুল হক সবুজ (ইনভেস্টর)। আরো উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নের হেড অব বিজনেস এক্সপেনশন মো. শামছুজ্জামান, মোঃ এস এম কাজিম, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার, স্বপ্ন ।

‘স্বপ্ন’র রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে এখানকার মানুষ স্বপ্নতে নিয়মিত বাজার করবেন। স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে এ আউটলেটে।

নতুন এই আউটলেটের ঠিকানা : হাউজ: ০১, রোড: ০১, অলিনগর পারভীন কমিউনিটি সেন্টার, তেল ঘাট দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ।

আউটলেটের উদ্বোধন উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য রয়েছে মাসব্যাপী আকর্ষণীয় অফার। থাকছে হোম ডেলিভারি সেবা।

;

ট্রেনের টিকিট কেনা যাচ্ছে ‘নগদ’-এ, সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ট্রেনের টিকিট কেনা যাচ্ছে ‘নগদ’-এ, সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক

ট্রেনের টিকিট কেনা যাচ্ছে ‘নগদ’-এ, সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক

  • Font increase
  • Font Decrease

ট্রেনের যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল সাইট কিংবা নতুন মোবাইল অ্যাপ ‘রেল সেবা’ থেকে টিকিট কাটার সময় এখন থেকে ‘নগদ’-এ পেমেন্ট করতে পারছেন। ঈদের সময় সাধারণ যাত্রীদের বাড়ি যাতায়াতের ভোগান্তি দূর করতে ঘরে বসেই ট্রেনের টিকিট কাটার ক্ষেত্রে পেমেন্টে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক চালু করেছে ‘নগদ’।

সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিটিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সহজ-সিনেসিস-ভিনসেন জেভি ও ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর মধ্যে এই সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ফলে দেশের সাধারণ যাত্রীরা যেকোনো সময় ট্রেনের টিকিট কিনতে পারবেন, যা তাদের জীবনকে করবে ঝামেলাহীন।

যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল অনলাইন ই-টিকেটিং ওয়েবসাইট [eticket.railway.gov.bd] কিংবা ‘রেল সেবা’ অ্যাপ থেকে ‘নগদ’-এর গেটওয়ে ব্যবহার করে ট্রেনের টিকিট কিনতে পারবেন। ওয়েবসাইট কিংবা ‘রেল সেবা’ অ্যাপ থেকে টিকিট কিনে ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট দিয়ে পেমেন্ট করলে যাত্রীরা পাবেন ১০ শতাংশ বা সর্বমোট ৫০ টাকা পর্যন্ত ইন্সট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

তাৎক্ষণিক ক্যাশব্যাকের এই অফারটি চলবে আগামী ১৪ জুলাই ২০২২ পর্যন্ত। যেখানে ট্রেনের যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট কিংবা ‘রেল সেবা’ অ্যাপ থেকে টিকিট কিনে ‘নগদ’-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

ক্যাশব্যাক অফারের সকল শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যাত্রীরা এই অফারটি উপভোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া এই অফারটি নিশ্চিত করতে যাত্রীদের ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট অবশ্যই সচল থাকতে হবে। 

‘নগদ’-এর মাধ্যমে পেমেন্ট সুবিধার ফলে ট্রেনের টিকিটের জন্য এখন আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। ফলে এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের টিকিট কেনার জন্য যাত্রীরা বাঁচাতে পারবেন তাদের মূল্যবান সময় ও অর্থ। পাশাপাশি বর্তমানে করোনার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় যাত্রীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকেও মিলবে মুক্তি।

ট্রেনের টিকিটের পেমেন্ট সুবিধা চালু নিয়ে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’- এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাহেল আহমেদ বলেন, ‘‘মানুষের জীবন ঝামেলাহীন করতে ট্রেনের টিকিট কেনার সেবা নিয়ে এসেছে ‘নগদ’। এখন থেকে ‘নগদ’-এর মাধ্যমে কেনা যাবে ট্রেনের টিকিট। ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য ‘নগদ’-এর এই অফার ট্রেনের টিকিট কাটার ক্ষেত্রে অনেকটা স্বস্তি দেবে। এভাবে ‘নগদ’ হয়ে উঠছে সবার ওয়ালেট, জাতীয় ওয়ালেট।’   

ট্রেনের টিকিট ক্রয় ও তাৎক্ষণিক ক্যাশব্যাকের এই অফার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে যাত্রীরা ভিজিট করতে পারেন https://nagad.com.bd/campaign?offer=utshober-khushi-nagade-beshi-ticketing&utm_source=Facebook&utm_medium=Post&utm_campaign=UKNB-Railway&utm_content=UKNB-BR-19062022 এই লিংকে। অথবা কল করতে পারেন ১৬১৬৭ বা ০৯৬ ০৯৬ ১৬১৬৭ নম্বরে।

;

৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস

৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈশ্বিক মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) পরবর্তী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবলা করে চলমান উন্নয়ন বজায় রাখা ও উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য সামনে রেখে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট আজ সংসদে পাস করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম মুস্তফা কামাল গত ৯ জুন জাতীয় সংসদে ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন’ শ্লোগান সম্বলিত এ বাজেট পেশ করেন।

আজ বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীগণ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মোট ৫৯ টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়।

এসব মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদলের ১৩ জন সংসদ সদস্য মোট ৬৬৪টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং জননিরাপত্তা বিভাগ ৪টি মঞ্জুরী দাবিতে আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়।

ছাঁটাই প্রস্তাবে আলোচনা করেন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ, ফখরুল ইমাম, রুস্তম আলী ফরাজী, পনির উদ্দিন আহমেদ, মজিবুল হক, রওশন আরা মান্নান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বিএনপির হারুনুর রশীদ, মোশাররফ হোসেন, রুমীন ফারহানা, গণফোরামের মোক্কাবির খান এবং স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু।

এরপর সংসদ সদস্যগণ টেবিল চাপড়িয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২২ পাসের মাধ্যমে ২০২২- ২৩ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন।

এর আগে গতকাল ২৯ জুন সংসদে অর্থ বিল ২০২২ পাসের মাধ্যমে বাজেটের আর্থিক ও কর প্রস্তাব সংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুমোদন করা হয়।

এদিকে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৯৯ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ  দেয়া  হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা।

বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য সূত্র থেকে কর রাজস্ব ধরা হয়েছে ৬৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর বহির্ভূত ১৮ হাজার কোটি টাকা, কর ব্যতিত প্রাপ্তি ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৫.৫ শতাংশ। ২০২১-২২অর্থ বছরের বাজেটে ঘাটতি ছিল জিডিপির  ৬.২ শতাংশ।

এ ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক ঋণ থেকে ১ লাখ ১২  হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা, অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা আহরণ করা হবে। বৈদেশিক ঋণের মধ্যে ঋণ পরিশোধ খাতে ১৭ হাজার কোটি রাখা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ৩৫ হাজার কোটি টাকা, ব্যাংক বহির্ভূত উৎস থেকে ৪০ হাজার ১ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা সংস্থানের ব্যবস্থা রাখা  হয়েছে।

বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭.৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মূল্যস্ফীতি ৫.৬  শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২৭.০৫ শতাংশ; এর মধ্যে মানবসম্পদ খাতে (শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাত) বরাদ্দ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা। ভৌত অবকাঠামো খাতে ২ লাখ ৮৬০ কোটি টাকা বা ২৯.৬২ শতাংশ; যার মধ্যে সার্বিক কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৮৬ হাজার ৭৯৮ কোটি; যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ৭৯ হাজার ২৬ কোটি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২৬ হাজার ৬৫ কোটি টাকা। সাধারণ সেবা খাতে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২০৮ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২২.৫৯ শতাংশ। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি), বিভিন্ন শিল্পে আর্থিক সহায়তা, ভর্তুকি, রাষ্ট্রায়ত্ত, বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য ব্যয় বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫৩ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৭.৮৪ শতাংশ; সুদ পরিশোধ বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১১.৮৫ শতাংশ; নিট ঋণদান ও অন্যান্য ব্যয় খাতে ৭ হাজার ৪১ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১.০৪ শতাংশ।

বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা, যোগাযোগ অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, কৃষি, মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

;