বিকাশের ডিজিটাল পে-রোল সল্যুশন ব্যবহার করবে ‘ডিজিগো’



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিকাশের ডিজিটাল পে-রোল সল্যুশন ব্যবহার করবে ‘ডিজিগো’

বিকাশের ডিজিটাল পে-রোল সল্যুশন ব্যবহার করবে ‘ডিজিগো’

  • Font increase
  • Font Decrease

এখন থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় এইচআর সফটওয়্যার ‘ডিজিগো’-র ব্যবহারকারীরা বিকাশের ডিজিটাল পে-রোল সেবার মাধ্যমে তাদের কর্মীদের বেতন দিতে পারবেন।

সম্প্রতি ডিজিগো’র উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান এসবিজনেসের সঙ্গে বিকাশের এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বিকাশের প্রধান কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেন সেবা প্ল্যাটফর্ম লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আদনান ইমতিয়াজ হালিম এবং বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিকাশের হেড অব পে-রোল বিজনেস এটিএম মাহবুব আলম, সেবা প্ল্যাটফর্মের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এসবিজনেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসা আবরারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

ডিজিগো একটি গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অ্যাপ যা যেকোনো কোম্পানির এইচআর সংক্রান্ত সমস্যাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাধান করে দেশের এইচআর সেক্টরে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে এসেছে।

উল্লেখ্য, বিকাশ পে-রোল সল্যুশন ব্যবহার করে কর্মীদের সরাসরি বেতন-ভাতা দেওয়া বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের প্রায় আট শতাধিক প্রতিষ্ঠান বিকাশের মাধ্যমে তাদের কর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করছে।

   

‘পরিকল্পিত অর্থনীতির জন্য পরিসংখ্যান খুবই গুরুত্বপূর্ণ’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিকল্পিত অর্থনীতির জন্য পরিসংখ্যান খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা হতে হবে সঠিক, নির্ভরযোগ্য এবং সময়োপযোগী বলে জানিয়েছেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনেওয়াজ আরেফিন।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। ‘স্মার্ট পরিসংখ্যান, উন্নয়নের সোপান’- এ প্রতিপ্রাদ্যকে সামনে রেখে উদযাপন করা হচ্ছে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস-২০২৪।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনেওয়াজ আরেফিন বলেন,  সঠিক পরিসংখ্যান, টেকসই উন্নয়ন-পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভিত্তি হিসাবে কাজ করে। পরিসংখ্যানের গুরুত্ব বিবেচনা করেই ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের জনগণকে পরিসংখ্যান বিষয়ে অবহিত ও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে দিবসটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এই সচিব বলেন, বিবিএস জনশুমারি, কৃষিশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারিসহ বিভিন্ন প্রকার গুরুত্বপূর্ণ জরিপ পরিচালনা করে থাকে। এসডিজি পরিবীক্ষণে ডেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। হালনাগাদ তথ্য প্রস্তুতে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কাজ করছে। এসডিজির ২৩১টি সূচকের মধ্যে ১১১টি সূচক দেয় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ চারটি সূচকের উপাত্ত দেয়, অর্থাৎ পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ২৩১টি সূচকের মধ্যে মোট ১১৫ টি সূচকের উপাত্ত দিয়ে থাকে।

পরিসংখ্যানের গুরুত্ব বিবেচনায় ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে পরিসংখ্যান আইন পাশ করা হয়। এ আইনের ভিত্তিতে পরিসংখ্যান ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এ দিবসটির স্মরণেই ২০২০ সালের ৮ জুন মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে প্রতিবছর ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে পরিসংখ্যান দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

সভাপতির বক্তব্য পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক পরিমল চন্দ্র বলেন, পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যর মাধ্যমে সরকার উন্নয়নের নানাবিধ পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো মহাপরিচালক পরিমল চন্দ্রের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনেওয়াজ আরেফিন। অতিরিক্ত সচিব ড. মইনুল হক আনছারী। এছাড়া পরিসংখ্যানের গুরুত্ব ও দিবসে তাৎপর্য তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাহাদাত হোসেন।

;

মার্চ থেকে বাড়ছে বিদ্যুতের দাম



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট সর্বনিম্ন ৩৪ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। নতুন এই দাম মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে কার্যকর হবে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এতথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে না, সমন্বয় করা হচ্ছে। উৎপাদন খরচের তুলনায় কম দামে বিক্রি করায় লোকসান হচ্ছে, সে কারণে কিছুটা সমন্বয় করা হচ্ছে বলে জানান বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।

গত বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি) এর নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি প্রফিট করতাম তাহলে দাম বাড়ছে বলতে পারতেন। আমরাতো খরচ উঠাতে চাচ্ছি। খুবই সামান্য পরিমাণে দাম বাড়তে পারে। লাইফ লাইন গ্রাহকের (৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী) মাসের বিল ২০ টাকার মতো বাড়তে পারে। এখন তারা যদি একটু সাশ্রয়ী হন, তাহলে বিল আগের অবস্থায় থাকবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে গ্রাহকদের মিতব্যয়ী হতে উদ্বুদ্ধ করা।

তিনি বলেন, ১ কোটি ৪০ লাখ গ্রাহক রয়েছে যাদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৪ টাকার মতো নেওয়া হয়। সেখানে হয়তো ৩০ থেকে ৩৫ পয়সার মতো বাড়তে পারে। তবে যারা বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, বাসায় দুই থেকে ৩টি এসি ব্যবহার করে, তাদের বিল ৭০ পয়সার মতো বাড়তে পারে। তাদের মাসের বিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেড়ে গেলে কোন সমস্যা হবে না। সরকার ভর্তুকি থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে। এখন রাজস্ব থেকে ভর্তুকি দিচ্ছে এটি খুবই ব্যববহুল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনও কয়লা থেকে পাওয়া বিদ্যুতের দাম সবচেয়ে কম। পরমাণু বিদ্যুতের দাম সাড়ে ৫ টাকার মতো পড়বে। ফার্নেস অয়েলে ১৪ থেকে ২০ টাকার মতো পড়ছে। যে কারণে কয়লার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। যেভাবে হোক কয়লা সরবরাহ চেইন ঠিক রাখতে হবে। তাদের বিল পেমেন্ট দিতে হবে, যাতে কয়লা আমদানি ও সরবরাহে কোন সংকট না হয়।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়েছে ডলারের দর বেড়ে যাওয়ায়। তেল-গ্যাস ও কয়লার আন্তর্জাতিক বাজারদর ক্ষেত্র বিশেষে একই থাকলেও আগের চেয়ে ডলার প্রতি ৪০ টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। এখানেই বিশাল গ্যাপ তৈরি হয়েছে। আমরা ধরে নিচ্ছি আগামী ৩ বছর ডলারের দাম ১১০ টাকা থাকবে, সেভাবে প্রাক্কলন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে দৈনিক ২ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ অর্ধেকে নেমে আসতো। যে কারণে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনে ৭০ পয়সার মতো বাড়িয়ে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হবে।

সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি গ্রাহক পর্যায়ে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। তার ৩ সপ্তাহ আগে ১২ জানুয়ারি গড়ে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গঠনের পর থেকেই বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করে আসছিল সংস্থাটি। ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম ইউনিট প্রতি ১৯.৯২ শতাংশ বাড়িয়ে ৬.২০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। তারপরেই গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন করে বিতরণ কোম্পানিগুলো।

;

২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৬৫ কোটি মার্কিন ডলার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসীরা বৈধ পথে ও ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৫ কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৮ হাজার ১০৭ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে)।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। 

হিসেব অনুযায়ী দৈনিক গড়ে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। আগের মাস জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১০ কোটি মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৪ কোটি ৬১ লাখ ডলার এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪০ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার।

 

;

ইতিবাচক ধারায় রেমিট্যান্স প্রবাহ, ২৪ দিলে এলো ১৬৫ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ইতিবাচক ধারায় রেমিট্যান্স প্রবাহ, ২৪ দিলে এলো ১৬৫ কোটি ডলার

ইতিবাচক ধারায় রেমিট্যান্স প্রবাহ, ২৪ দিলে এলো ১৬৫ কোটি ডলার

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রবাসী আয়ে সুবাতাস বইছে। চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসীরা বৈধ পথে ও ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৫ কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৮ হাজার ১০৭ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে)। এই হিসাবে দৈনিক গড়ে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। 

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৪ কোটি ৬১ লাখ ডলার এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪০ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার। 

বিদায়ী মাস জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১০ কোটি মার্কিন ডলার।

২০২৩ সালের জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ডলার, মার্চে ২০২ কোটি, এপ্রিলে ১৬৮ কোটি, মে মাসে ১৬৯ কোটি, জুনে ২২০ কোটি, জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ, সেপ্টেম্বর মাসে ১৩৩ কোটি, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি, নভেম্বরে ১৯৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৯৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।

২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার। যা ছিল সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স।

;