বিকাশের পে-রোল সল্যুশনের সঙ্গে যুক্ত হলো আরও ৫ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিকাশের পে-রোল সল্যুশনের সঙ্গে যুক্ত হলো আরও ৫ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান

বিকাশের পে-রোল সল্যুশনের সঙ্গে যুক্ত হলো আরও ৫ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান

  • Font increase
  • Font Decrease

বিকাশের পে-রোল সল্যুশন ব্যবহার করে কর্মী ও শ্রমিকদের বেতন ভাতা বিতরণ করবে দেশের শীর্ষস্থানীয় আরও পাঁচটি তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান। এ নিয়ে দেশের পোশাক শিল্পের ৮০০ এরও বেশি প্রতিষ্ঠান বিকাশের ডিজিটাল পে-রোল সল্যুশন ব্যবহার করে তাদের কর্মী ও শ্রমিকদের বেতন ভাতা প্রদান করছে।

বুধবার (৩০ মার্চ) বিকাশের প্রধান কার্যালয়ে শীর্ষ পাঁচটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিকাশের এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এম. এ. মজিদ তালুকদার, লারিজ ফ্যাশনের পরিচালক রাফসান ইলাহী, গ্রীনলাইফ গ্রুপের পরিচালক আসাদুজ্জামান চৌধুরী, এপিএস গ্রুপের পরিচালক মো. জাহিদুজ্জামান সায়েম, এম এম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক এ.কে.এম সাহীদ আহমেদ এবং বিকাশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার কামাল কাদীর সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

শুধুমাত্র ডিজিটাল পদ্ধতিতে বেতনই নয়, এ খাতের কর্মীদের জন্য একটি টেকসই আর্থিক ইকোসিস্টেম তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বিকাশ। কর্মীরা এখন বিকাশে পাওয়া বেতন ডিজিটাল পদ্ধতিতেই ব্যবহার করে তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করার সুযোগ পাচ্ছেন। এর অংশ হিসেবে ফ্যাক্টরির ভেতরেই ন্যায্য মূল্যের দোকান ‘সুলভ বাজার’ স্থাপন করেছে বিকাশ যেখানে শ্রমিকদের জন্য বাজার মূল্যের চেয়ে কম খরচে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া, নারী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে অটোমেটিক স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করার কাজ করছে বিকাশ।

পাশাপাশি, তাদের জন্য বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকেই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ইনস্ট্যান্ট লোন ও সেভিংস সেবা, বিমা সেবা দিচ্ছে বিকাশ। এছাড়া, শ্রমঘন এলাকায় শ্রমিকদের জন্য বিশেষ গ্রাহক সেবা পয়েন্ট, আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আরও সচেতন করতে গবেষণা ও ট্রেনিং প্রোগ্রাম এবং শ্রমিকদের ফ্যাক্টরি ও আবাসস্থলের কাছাকাছি মার্চেন্ট অবকাঠামো নির্মাণে কাজ করছে বিকাশ।

১৬ দিনে রেমিট্যান্স এল ১২ হাজার কোটি টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি আগস্ট মাসের ১৬ দিনে ১১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১১ হাজার ১২৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা হিসাবে)।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ২০০ কোটি ডলার ছড়িয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ১০০ কোটি ৭০ লাখ (১ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা চলতি আগস্টের তুলনায় ১৬ দশমিক ৩০ শতাংশ কম। চলতি মাসে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে ৭ কোটি ২৬ লাখ ডলার বা প্রায় ৭০০ কোটি টাকা।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২০৯ কোটি ৬৯ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। আর গত বছরের (২০২১) জুলাই মাসের চেয়ে বেশি ছিল ১২ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া নতুন অর্থবছরের (চলতি মাস আগস্টের ১৬ দিন) প্রথম দেড় মাসে ৩২৮ কোটি ৮০ লাখ (৩.২৭ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা হিসাবে) এ অর্থের পরিমাণ ৩১ হাজার ৪৬ কোটি টাকা।

গত বছরের আগস্টের একই (১ থেকে ১৬ আগস্ট) সময়ে ১০০ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আর গত ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম দেড় মাসে (২০২১ এর আগস্টের ১৬ দিন) ২৮৭ কোটি ৮০ লাখ (২.৮৮ বিলিয়ন) ডলার এসেছিল দেশে। সে হিসাবে গত অর্থবছরের দেড় মাসের চেয়ে ১৩.৫০ শতাংশ বেশি এসেছে।

২০২১-২০২২ অর্থবছরে ২ হাজার ১০৩ কোটি (২১.০৩ বিলিয়ন) ডলার এসেছিল দেশে। যা গড়ে প্রতিদিন ৫ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। সবচেয়ে বেশি এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে। ওই অর্থবছরে ২ হাজার ৪৭৮ কোটি (২৪.৭৮ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে যা প্রতিদিন গড়ে আসে ৬ কোটি ৭৯ ডলার।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ইতিবাচক এই ধারা পুরো মাসেই অব্যাহত থাকবে। গত জুলাই মাসের মতো চলতি আগস্ট মাসেও ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে আসবে।

;

ইসলামী ব্যাংক সিলেট জোনের শরী‘আহ পরিপালন বিষয়ক ওয়েবিনার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামী ব্যাংক সিলেট জোনের শরী‘আহ পরিপালন বিষয়ক ওয়েবিনার

ইসলামী ব্যাংক সিলেট জোনের শরী‘আহ পরিপালন বিষয়ক ওয়েবিনার

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর সিলেট জোনের উদ্যোগে ‘ব্যাংকিং কার্যক্রমে শরী‘আহ পরিপালন’ শীর্ষক ওয়েবিনার সম্প্রতি ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ব্যাংকের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যাংকের শরী‘আহ সুপারভাইজরি কমিটির সদস্য প্রফেসর মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী। মূল বিষয়ের ওপর বক্তব্য দেন শরী‘আহ সেক্রেটারিয়েটের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ শামসুদ্দোহা। সিলেট জোনপ্রধান শিকদার মোঃ শিহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেট শাখাপ্রধান মোঃ শহিদ আহমেদ।

এছাড়া সিলেট জোনের অধীন শাখাসমূহের নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ ওয়েবিনারে অংশগ্রহণ করেন।

;

৪০ টাকা লিটারে ডিজেল দিতে চায় রাশিয়া!



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতি টন রাশান ডিজেল ৪২৫ ইউএস ডলারে সরবরাহ দিতে আগ্রহ দেখিয়েছে একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতি ব্যারেলের (১৫৯ লিটার) মূল্য দাঁড়ায় ৫৭ দশমিক ৪৩ ডলার মাত্র। ডলার ১১০ টাকা হিসেবে ধরলে প্রতি লিটারের আমদানি খরচ পড়বে ৪০ টাকার নীচে।

বুধবার (১৭ আগস্ট) দুপুরের পর দেশীয় এক আমদানিকারক এমন প্রস্তাব দিয়েছে বলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে। তবে সূত্রটি তার নিজের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

বর্তমানে প্রতি ব্যারেল ডিজেল আমদানি করতে ১২৫ ডলারের মতো খরচ পড়ছে। অপরিশোধিত ক্রড অয়েল আনতেও ৯০ ডলার খরচ পড়ছে। অর্থাৎ অপরিশোধিত ক্রডের চেয়েও অনেক কম দামে ডিজেল দিতে চায় প্রস্তাবকারী।

দাম কম হলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে রাশান ডিজেল কেনাটা বেশ ঝূঁকিপুর্ণ। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার ওপর আমেরিকাসহ ইউরোপের নানা রকম নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। তারপরও ভারতসহ অনেক দেশ সাশ্রয়ী দরে জ্বালানি তেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে। ২০২১ সালে এপ্রিল-মে মাসে রাশিয়া থেকে মাত্র ৪৪ কোটি ১০ লাখ ডলারের তেল কিনেছিল ভারত ৷ আর ২০২২-এ শুধু মে মাসেই ১৯০ কোটি ডলারের তেল কিনেছে। আগের বছরে চাহিদার মোট দুই শতাংশ রাশিয়া থেকে আসত ৷ এবার এপ্রিল-মে মাসে চাহিদার ১০ শতাংশ তেল রাশিয়া থেকে আমদানি করেছে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশটি। সময় যতো যাচ্ছে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির পরিমাণও বাড়ছে ৷

রাশিয়া থেকে সরাসরি ডিজেল আমদানি করতে গেলে পশ্চিমা বলয়ের বিরাগভাজন হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়। সে কারণে অনেকদিন ধরেই রাশান তেল আমদানির বিষয়ে আলোচিত হলেও সবই ছিল অনানুষ্ঠানিক। কিন্তু ১৬ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়টি পর্যালোচনার করার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারত পারলে আমরা কেন পারব না? রুবলের সঙ্গে টাকা বিনিময়ের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের করা যায় কি না, সেই বিষয়ে উপায় খুঁজে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর ওই নির্দেশনার পর নড়ে চড়ে বসেছে সংশ্লিষ্টরা। বিপিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, তাদের কাছে একাধিক প্রস্তাব এসেছে। এরমধ্যে একটি প্রস্তাব এসেছে যারা চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টমস পয়েন্টে ৪২৫ ডলারে ডিজেল পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। সবগুলো নিয়ে কাজ করছে সরকার।

বিপিসির পরিচালক (বিপণন) অনুপম বড়ুয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, এসব প্রস্তাবের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। হয়ে থাকলেও হয়তো উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হতে পারে। বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন, তারা জানতে পারে।

মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য ও অপরেশন) মুস্তফা কুদরত-ই ইলাহীকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, রাশিয়া থেকে তেল কেনার বিষয়ে সুবিধা অসুবিধা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাশান মুদ্রা রুবল ও টাকার বিনিময়ের যে বিষয়টি সামনে এসেছে তারও সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। রুবলে লেনদেন করতে হলে রাশিয়াতে আমাদের রফতানির বিষয়টি খুবই গুরুত্বপুর্ণ। বাণিজ্য ঘাটতি অনেক বেশি হয় তাহলে সেই ঘাটতি মোকাবিলা হবে কি করে। তখনতো ইউএস ডলার দিয়ে রুবল কিনে পরিশোধ করতে হবে। এতে দুই ধাপে কমিশন দিতে হবে।

সৌভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পূর্বে বাংলাদেশের বাণিজ্য ছিল বাটা সিস্টেম। কোরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে ওই পদ্ধতি অনুসরণ করা হতো। এ দেশের ব্যাংকে ছিল রাশিয়ান অ্যাকাউন্ট। বাংলাদেশ পণ্য আমদানি করে তার বিনিময়ে টাকা সেই হিসাব নম্বরে জমা করতো। ওই টাকা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পণ্য কিনে দেশে নিয়ে যেতো তারা। দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার টেবিলে বাটা সিস্টেমও স্থান পাবে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মাহবুব হোসেন বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর আমরা কাজ শুরু করেছি। কিছু প্রস্তাব পাওয়া গেছে সেগুলো নিয়ে কাজ চলছে। এখনই বলার মতো কোন আপডেট নেই। আমরা কাজ করছি আপডেট হলেই জানাবো।

রুবলে লেনদেনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জ্বালানি বিভাগের সিনিয়র সচিব বলেন, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে কাজ করছি। ভালো করে ভেবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে চাই।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বড় ধরনের ঝাঁকুনির শিকার হয়েছে। এরই মধ্যে ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বসিয়ে রাখা হয়েছে। তারপরও পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে, রেকর্ড পরিমাণে দাম বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের জ্বালানির দাম। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জ্বালানি তেল ডিজেল লিটার প্রতি ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৪ টাকা করা হয়েছে। বিপিসি দাবি করেছে তারপরও লিটারে ৬ টাকা করে লোকসান দিতে হচ্ছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ডিজেলের চাহিদা ছিল ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৫ মে. টন। যা মোট জ্বালানি চাহিদার ৭২.৯৮ শতাংশ।

বিপিসির ওই লোকসানের হিসেব আমদানিকৃত ডিজেলের ব্যারেল প্রতি মূল্য ১৩০ ডলার ধরে। সেখানে রাশান ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে ৬০ ডলারের নিচে। অর্থাৎ আমদানি মূল্য অর্ধেকের নিচে নেমে আসবে।

;

সোনার দাম ভরিতে কমল ২,২৭৮ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সোনার দাম ভরিতে দুই হাজার ২৭৮ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বুধবার (১৭ আগস্ট) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) থেকে প্রতি ভরি সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনা ৮২ হাজার ৫৬ টাকায় বিক্রি হবে। যা আজ বুধবার পর্যন্ত ছিল ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকা।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক‍্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম পড়বে ৭৮ হাজার ৩২৩ টাকা এবং ১৮ ক‍্যারেটের সোনার দাম প্রতি ভরি ৬৭ হাজার ১২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা প্রতি ভরির দাম ৫৫ হাজার ২৮৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোনার দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকায় অপরিবর্তিত আছে।

;