বছরে ৭৩ হাজার কোটি টাকার স্বর্ণ চোরাচালান হয়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি টাকার স্বর্ণ চোরাচালান হয় যা বছরে প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)।

শনিবার (১৩ আগস্ট ) বাজুস স্ট‍্যান্ডিং কমিটি অন এন্টি স্মাগলিং এন্ড ল এনফোর্সমেন্টের চেয়ারম্যান এনামুল হক খান দোলন সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

এনামুল হক খান দোলন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অব্যাহতভাবে মার্কিন ডলারের মাত্রাতিরিক্ত দাম ও সঙ্কট সহ অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার উর্দ্ধমুখি দাম এবং বেপরোয়া চোরাচালানের ফলে বহুমুখি সঙ্কটে পড়েছে দেশের জুয়েলারি শিল্প। দেশে মার্কিন ডলারের দাম ১১৮ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সোনার বাজারে অস্থিরতা ছড়িয়ে দিয়েছে চোরাকারবারিদের দেশি বিদেশি সিন্ডিকেট। কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে প্রতিনিয়ত স্থানীয় পোদ্দার বা বুলিয়ন বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হচ্ছে। পোদ্দারদের সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সোনার পাইকারি বাজার। পোদ্দারদের সঙ্গে চোরাকারবারিদের সিন্ডিকেটের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। মূলত এই চোরাকারবারিদের একাধিক সিন্ডিকেট বিদেশে সোনা পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে মনে করা হয়।


দেশে চলমান ডলার সঙ্কট ও অর্থপাচারের সঙ্গে সোনা চোরাচালানের সিন্ডিকেট সমূহের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। এমন পরিস্থিতিতে সোনার বাজার অস্থিরতার নেপথ্যে জড়িত চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে কাস্টমস সহ দেশের সকল আইন প্রয়োগকারি সংস্থা সমূহের জোরালো অভিযান ও শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সোনার বাজারে শৃঙ্খলা আনতে কঠোর অভিযানের বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।

এনামুল হক খান বলেন, বাজুসের প্রাথমিক ধারণা- প্রবাসী শ্রমিকদের রক্ত-ঘামে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার অপব্যবহার করে প্রতিদিন সারাদেশের জল, স্থল ও আকাশ পথে কমপক্ষে প্রায় ২০০ কোটি টাকার অবৈধ সোনার অলংকার ও বার চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসছে। যা ৩৬৫ একবছর শেষে দাঁড়ায় প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা। দেশে চলমান ডলার সঙ্কটে এই ৭৩ হাজার কোটি টাকার অর্থপাচার ও চোরাচালান বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে বাজুসের প্রস্তাব হলো- সোনা চোরাকারবারিদের চিহ্নিত করতে বাজুলকে সম্পৃক্ত করে পৃথকভাবে সরকারি, মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে। পাশাপাশি চোরাকারবারিদের দমনে প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে আরও কঠোর আইন করতে হবে। এছাড়াও ব্যাগেজ রুলের আওতায় সোনার বার ও অলঙ্কার আনার সুবিধা অপব্যবহারের কারণে ডলার সঙ্কট ও চোরাচালানে কী প্রভাব পড়ছে, তা জানতে বাজুসকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে সমীক্ষা পরিচালনার প্রস্তাব করছি।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় গ্রিডের ইস্টার্ন অঞ্চলে (ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ) অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।

অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্টরা কাজ করছে। উক্ত সময় দেশের উত্তর অঞ্চল (রাজশাহী, রংপুর) ও দক্ষিণ অঞ্চলের (খুলনা, বরিশাল) বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল।

দুপুর ২টা ৩৬ মিনিটে আশুগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন চালুর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হয়। রাত ৯টায় সিস্টেম জেনারেশন ৮,৪৩১ মে,ও. এবং ক্রমান্বয়ে জেনারেশন বৃদ্ধি করে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজ চলমান আছে।

জাতীয় গ্রিডের পূর্বাঞ্চলের বৃহৎ জেনারেশন কেন্দ্র সমূহ (ঘোড়াশাল, আশুগঞ্জ, মেঘনাঘাট, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ ইত্যাদি) চালু করে ধীরে ধীরে সিস্টেম স্বাভাবিক করা হচ্ছে। ঢাকায় ২৩০০ মেগাওয়াটের বিপরীতে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ১৭৫০ সরবরাহ করা হচ্ছে। ঢাকায় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ উদঘাটনের জন্য পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক (পিএন্ডডি) ইয়াকুব ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকেও আরও দুটি কমিটি গঠন করা হবে।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সম্মানিত গ্রাহকদের একটু ধর্য্য ধরার জন্য অনুরোধ করে বলেছেন, পাওয়ার গ্রিড, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের ইঞ্জিনিয়ার ও টেকনিশিয়ানরা অক্লান্ত শ্রম দিচ্ছেন, দ্রুতই বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হবে। সম্মানিত গ্রাহকদের সাময়িক এই অসুবিধার জন্য তিনি এসময় আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা সবসময় গ্রাহকদের পাশেই থাকবো।

;

স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ

স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর রাজধানীর কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

এদিকে রাতের মধ্যে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাওসার আমির আলী জানান, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর এয়ারপোর্ট ও উত্তরা এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। আশা করছি, রাতের মধ্যে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

অন্যদিকে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ, কল্যাণপুর, মানিকনগরে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হয়েছে। অন্যান্য এলাকায় দ্রুত চালু হবে।

এদিকে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) আশা প্রকাশ করেছে, রাতের মধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। শুরুতে জরুরি স্থাপনায় বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে টঙ্গি, ঘোড়াশালসহ কয়েকটি জায়গার পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু হয়েছে।

এর আগে, আশুগঞ্জে গ্রিডে ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয় (ট্রিপ) ঘটেছে। এতে করে হঠাৎ করেই রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে। দুপুর ২টা ৫ মিনিটে ট্রিপ করে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিবি) সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

পিজিসিবির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রিড ট্রিপ করেছে। কাজ চলছে। কতক্ষণ এমন পরিস্থিতি চলবে বলা যাচ্ছে না।

;

‘সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
‘সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে’

‘সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে’

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, সন্ধ্যার মধ্যেই সারা দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।

নসরুল হামিদ জানান, জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সন্ধ্যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা করছি। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগবে।

এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য কাজ করছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।

এর আগে, আশুগঞ্জে গ্রিডে ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয় (ট্রিপ) ঘটেছে। এতে করে হঠাৎ করেই রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে। দুপুর ২টা ৫ মিনিটে ট্রিপ করে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিবি) সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

পিজিসিবির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রিড ট্রিপ করেছে। কাজ চলছে। কতক্ষণ এমন পরিস্থিতি চলবে বলা যাচ্ছে না।

;

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ৩৮৮তম শাখা ৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার উদ্বোধন করা হয়েছে। ব্যাংকের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন প্রধান অতিথি হিসেবে এ শাখা উদ্বোধন করেন। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ শাব্বির, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মাকসুদুর রহমান ও মিফতাহ উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সাউথ জোন প্রধান মিয়া মোহাঃ বরকত উল্লাহ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আসকার দিঘীর পাড় শাখাপ্রধান কাজী মোঃ আলমগীর। গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর শৈবাল দাস সুমন ও আনজুমান আরা, চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সুচারু বিকাশ বড়–য়া, প্রিন্সিপাল আ.ন.ম দেলোয়ার হোসাইন আল-কাদরী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইফতেখারুল আলম। এ সময় ব্যাংকের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এম শহীদুল এমরানসহ নির্বাহী-কর্মকর্তা, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ইসলামী ব্যাংক বর্তমান সময়ের জন্য অন্যতম রোল মডেল। দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে ইসলামী ব্যাংকের সেবা। তথ্যপ্রযুক্তির এই সময়ে মানুষকে আধুনিক ব্যাংকিংয়ের সাথে যুক্ত করেছে ইসলামী ব্যাংক। চট্টগ্রামে আরো বেশি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন, উন্নত রেমিট্যান্স সেবা প্রদান ও জীবনমান উন্নয়নে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে পরিবর্তন করতে ইসলামী ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা সভাপতির বক্তব্যে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইসলামী ব্যাংক অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে। বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং খাতের সকল সূচকে ইসলামী ব্যাংক এগিয়ে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা মানুষের দোড়ঁগোড়ায় পৌঁছে দিতে ইসলামী ব্যাংক বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্জিত রেমিট্যান্সের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এককভাবে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে আসে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে এ ব্যাংক। আধুনিক ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করে নিজেদের উন্নয়নের পাশাপাশি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে তিনি সকলকে আহবান জানান।

;