মজুরি ১২০ থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকার দাবিতে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি

চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি

  • Font increase
  • Font Decrease

দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার দাবিতে সারা দেশের চা বাগানগুলোতে চলছে শ্রমিকদের কর্মবিরতি। এর ফলে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে চা শিল্প।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে সারা দেশের চা বাগানগুলোতে গত মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এই কর্মবিরতি শুরুতে দৈনিক সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টা করে ছিল। শনিবার (১৩ আগস্ট) থেকে তা পূর্ণদিবস করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও চা বাগানের মালিক পক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় শনিবার (১৩ আগস্ট) থেকে সারা দেশের ২৩২টি চা বাগানের শ্রমিকরা দিনব্যাপী পালন করেন।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দেশের প্রতিটি চা বাগানে এই কর্মবিরতি চলে। এসব কর্মসূচির মধ্যে ছিল মানববন্ধন, বিক্ষোভ সমাবেশ, মিছিল, অনতিদূরে স্লোগান সহকারে মিছিল, নিজ হাতে লিখিত নানান আকৃতির ফেস্টুনে দাবি তুলে ধরে প্রদর্শন ইত্যাদি।

গত বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) গভীর রাত পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বিভাগীয় শ্রম অধিদফতরে চা শ্রমিক ১০ নেতার সঙ্গে শ্রম দফতরের আলোচনা ব্যর্থ হলে শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল এ কর্মবিরতির ঘোষণা দেন।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ এবং শ্রমিকনেতা পরেশ কালেন্দি বলেন, মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) কর্মবিরতির ৫ম দিন। রোববার এবং সোমবার দুদিন এই কর্মবিরতি বন্ধ থাকার পর আজ থেকে তা সিলেট-চট্টগ্রামসহ দেশের ২৩২টি চা বাগানে একযোগে পালিত হয়েছে। কোথাও কোথাও মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ করাসহ বিভিন্ন জায়গায় রাস্তাঘাটে অবস্থান নেন চা শ্রমিকরা। আমাদের কিছুই করার নেই, আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আমাদের এক দাবি – দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকায় উন্নিত করতে হবে।

আমরা বিভিন্ন চা বাগানে গিয়ে শ্রমিকদের সাথে কথা বলেছি। প্রতিটি চা বাগানের শ্রমিকরা তাদের নায্য অধিকার আদায়ে ফুঁসে উঠেছে। এই দাসত্ব জীবনে তাদের অনেক কষ্ট মালিক পক্ষের থেকে আমরা মজুরি বৃদ্ধির ব্যাপারে কোন আশ্বাস পাইনি বলে তিনি জানান।

পরেশ আরও বলেন, চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকা দেওয়ার জন্য আমরা দুই বছর আগ থেকে দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু ১৯ মাস গত হয়ে গেলেও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী না গিয়ে মালিকপক্ষ মজুরি বৃদ্ধির ব্যাপারে গড়িমসি করছে। তারা মাত্র ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এই দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি বাজারে মাত্র ১৪ টাকা দিয়ে চা শ্রমিকদের আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, শ্রম অধিদফতর আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণ করেছে। তারা আগামী ২৯ আগস্ট ত্রিপক্ষীয় আলোচনার সময় চেয়েছে। কিন্তু আমরা তাতে রাজি হইনি। প্রয়োজনে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো। দাবিপূরণ না হওয়া পর্যন্ত সব বাগানে কাজ বন্ধ থাকবে। কাছাকাছি বাগানগুলো একত্রিত হয়ে আন্দোলনে নামবে। প্রয়োজনে সড়ক অবরোধ করা হবে। মালিক পক্ষের টালবাহানা আর আমরা মানবো না। এখন শ্রমিকদের আন্দোলন কেউ ঠেকাতে পারবেনা।

মালিকপক্ষের সংগঠন বাংলাদেশীয় চা সংসদের আহ্বায়ক তাহসিন আহমেদ বলেন, তাদের অযৌক্তিক আন্দোলনে এই চায়ের ভরা মৌসুমে চা উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চা-শ্রমিকদের সঙ্গে বাগান কর্তৃপক্ষের কোন ধরনের ঝামেলা নেই, অথচ তারা অযৌক্তিকভাবে আন্দোলন করছেন। তাদের দাবি নিয়ে আলোচনা চলমান থাকাকালীন সময়ে তারা হঠাৎ করে এ কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে, যা শ্রম আইনের পরিপন্থী বলে জানান তিনি।

সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল আকিজ প্লাস্টিকস



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল আকিজ প্লাস্টিকস

সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল আকিজ প্লাস্টিকস

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের শিল্পখাতের উৎপাদন শিল্পে অসামান্য অবদান এবং বিশ্বমান বজায় রেখে পণ্য উৎপাদন করার স্বীকৃতি স্বরূপ “বেস্ট প্লাস্টিক ম্যানুফ্যাকচারার ইন বাংলাদেশ” ক্যাটাগরিতে সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২২ অর্জন করেছে আকিজ প্লাস্টিকস লিমিটেড।

আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান সেখ নাসির উদ্দিন, সিআইপি গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ রাজধানীর প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নান-এর কাছ থেকে এই অ্যাওয়ার্ডটি গ্রহণ করেন। আকিজ প্লাস্টিকস - হাউসহোল্ড, আসবাবপত্র, ইউপিভিসি পাইপস এবং ফিটিংস এর পণ্যগুলো উৎপাদন করে থাকে।

একইসাথে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সেখ নাসির উদ্দিন, সিআইপিকে সাউথ এশিয়ান পার্টনারশিপ সামিট-এর “হল অফ ফেম”-এ স্থান দিয়ে সন্মানিত করা হয়।

উল্লেখ্য যে, ইতোপূর্বে রফতানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ আকিজ জুট মিলস লিমিটেড ধারাবাহিকভাবে একাধিকবার জাতীয় রফতানি ট্রফি অর্জন করেছে। এছাড়াও, ২০১৭ সাল হতে ২০২০ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ পাট-সুতা রফতানিকারক ও সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্বর্ণ পদক অর্জন ও সর্বোচ্চ সন্মানে সন্মানিত করা হয়।

সেখ নাসির উদ্দিন বলেন, এ অর্জনে আমরা আনন্দিত এবং গর্বিত। বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যকে আমরা বিশ্বমানের করে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আকিজ গ্রুপ সবসময়ই গুণগত মানে বিশ্বাস করে, তাই পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে আমরা বিশ্বমানের গুণগত মান বজায় রাখতে সর্বদা আপসহীন। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই মহান আল্লাহ-তায়ালার প্রতি, সেই সাথে ধন্যবাদ জানাই আকিজ প্লাস্টিকসের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের, যাদের নিরলস পরিশ্রমে আজকের এই অর্জন।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নান আকিজ প্লাস্টিকসের এই অর্জনকে দেশের জন্য একটি মাইলফলক হিসাবে অভিহিত করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

;

তিতাস গ্যাসের ঘুষ বাণিজ্যে অসহায় গ্রাহকরা



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
তিতাস গ্যাস

তিতাস গ্যাস

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যাপটিভ পাওয়ার ১০ মেগাওয়াটের বেশি হলে গ্যাস সংযোগ দিতে বিদ্যুৎ বিভাগের পূর্বানুমতির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তারপরও কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল) এমডির বিরুদ্ধে।

গ্যাস সংকটের কারণে বেশিরভাগ বিদ্যুৎ কেন্দ্র অলস বসে থাকছে। পেট্রোবাংলার তথ্যমতে ২৩ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২২৫২ এমএমসিএফডি চাহিদার বিপরীতে গত গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ৯৭৩.৭ এমএমসিএফডি। সরবরাহ ঘাটতি থাকায় বেশিরভাগ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ থেকেছে। কোথাও কোথাও আংশিক উৎপাদন হয়েছে।

গ্যাস সংকটে কারণে ক্যাপটিভে গ্যাস সংযোগ না দিতে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। কিন্তু রাষ্ট্রীয় কোম্পানি তিতাস গ্যাস সেই নির্দেশনাকে তোয়াক্কাই করছে না। কোন রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই দেদারছে সংযোগ দিয়ে যাচ্ছে। নারায়নগঞ্জের চৈতি কম্পোজিট টেক্সটাইল ১২.৯৩ মেগাওয়াট, টঙ্গীর স্কাই বিডি লিমিটেড ১২.২৫ মেগাওয়াট, মুন্সীগঞ্জের প্রিমিয়ার সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে ১২.৫১ মেগাওয়াটের নতুন ক্যাপটিভের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মতিন স্পিনিং মিলের লোড বাড়িয়ে ২২.০৪ মেগাওয়াট করা হয়েছে।

১০ মেগাওয়াটের বেশি ক্যাপটিভে গ্যাস সংযোগ দিতে বিদ্যুৎ বিভাগের পূর্বানুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই বাধ্যবাধকতা এড়াতে একই শিল্প কারখানায় পৃথক আইডি দিয়ে সংযোগ প্রদানের তথ্য পাওয়া গেছে। ভালুকার জামিরদিয়ায় অবস্থিত এনআর গ্রুপের কারখানায় পৃথক আইডি দিয়ে সংযোগ প্রদানের তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এনআর গ্রুপকে ভিন্ন তিনটি গ্রাহক সংকেত দিয়ে ২৪.৯২ মেগাওয়াট ক্যাপটিভে গ্যাস সংযোগের অনুমোদন দিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল)। এনআরজি স্পিনিং মিলসের নামে ১৬.২৫ মেগাওয়াট, এনআরজি কম্পোজিট ইয়ার্ন ডাইন ৩.৮৭ মেগাওয়াট, এনআরজি নিট কম্পোজিট ৪.৮০ মেগাওয়াট। সবগুলোর ঠিকানা একই, অর্থাৎ ভিন্ন নাম ব্যবহার করে ওই জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এতে তিতাসের যোগসাজস দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

এনআরজি কম্পোজিট ইয়ার্ন ডাইন ৩.৮৭ মেগাওয়াট থেকে বৃদ্ধি করে ১১.৯৪ মেগাওয়াট, এনআরজি নিট কম্পোজিট ৪.৮০মেগাওয়াট থেকে বর্ধিত করে ৬.২০ মেগাওয়াটের অনুমোদন দিতে কারচুরির অভিযোগ উঠেছে। একই কম্পাউন্ডে এনআরজি হোমটেক্স নামে আরেকটি নতুন (৭.৭৮ মেগাওয়াট) সংযোগ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গত ২১ জুলাই তারিখের বোর্ডসভায় জামিরদিয়া এলাকায় অবস্থিত মেসার্স স্কয়ার এ্যাপারেলস লিমিটেড (গ্রাহক সংকেত নম্বর-৩৭৯/৮৭৯০১২৬) এর ক্যাপটিভ রানে ৪৭ হাজার ৮৮৯ ঘনফুট (ঘণ্টা প্রতি) লোড বৃদ্ধি করা হয়। একই বোর্ডে মেসার্স বি. জে.বেড উইভিং লিমিটেড (গ্রাহক সংকেত নম্বর ৩২২/৮৩২-০০০৯৮০) ক্যাপটিভ লোড বাড়ানো হয়। শুধু লোড বৃদ্ধি নয় গত ২৬ এপ্রিলে বোর্ডে সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কো. লিমিটেড ও মেসার্স সাচ্ছান কোম্পানির (বিডি) নতুন ক্যাপটিভ সংযোগ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে ৯ এপ্রিল ৮৮১ তম বোর্ডসভায় প্রায় ১৬টি ক্যাপটিভ সংযোগ পুনঃবিন্যাস করা হয়। শুধু এসব বোর্ডে নয়, প্রত্যেক মাসেই ক্যাপটিভে গ্যাস সংযোগ দিয়ে নতুন নজীর গড়েছেন বর্তমান এমডি। এসব সংযোগের পেছনে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে তিতাস গ্যাস ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ মোল্লাহ বিরুদ্ধে।

তিতাস তাদের বিদ্যমান গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ দিতে হিমশিম খাচ্ছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধসহ নানাভাবে রেশনিং করতে হচ্ছে। ঠিক সেই সময়ে নতুন নতুন ক্যাপটিভ সংযোগের নামে এই বাণিজ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

ক্যাবের সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল আলম বলেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, এখন আর অদক্ষ ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ দেওয়া উচিত না। জাতীয় স্বার্থে এসব ক্যাপটিভে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। এখানে অসাধু ব্যক্তি স্বার্থ কাজ করছে। এতে করে কেউ কেউ বিশেষভাবে লাভবান হয়ে থাকার অভিযোগ অমুলক নয়।

তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ মোল্লাহকে ফোন দিলেও রিসিভ করেন নি।

হারুনুর রশীদ মোল্লাহ চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ পাওয়ার পর তিতাসের সেবার মান তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে। ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়েনা এটা এখন ওপেন সিক্রেট। মিটার নষ্টের অভিযোগ দিলে দেখা মেলে ৬ মাস পর, আর সেই মিটার পরীক্ষা করতে বছর কেটে যাওয়ার অহরহ প্রমান রয়েছে।

শিল্পের বয়লার এবং জেনারেটর পরিবর্তন করতে হলে, তিতাসের পূর্বানুমতি আবশ্যক। কোটি কোটি টাকা খরচ করে গ্যাস সাশ্রয়ী বয়লার এনে বসে থাকলেও তা অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না। জোনাল অফিস থেকেই শুরু করতে হয় ঘুষ প্রদান, প্রত্যেক টেবিলেই ঘুষ দিয়ে দিয়ে উপরে তুলতে হয় না দিলেই থমকে যায় ফাইল। এ রকম শতাধিক আবেদন এখনও বিভিন্ন জোনাল অফিসে পড়ে রয়েছে।

একজন শিল্প মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে জেনারেটর ও বয়লার এনেছি। এরপর ২০২০ সালে আবেদন করে বসে আছি তিতাস অনুমোদন দিচ্ছে না। মেশিনগুলো পড়ে থেকেই গ্যারান্টি ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে যাচ্ছে। অনুমোদন দিতে আরও দেরি করলে, মেশিনগুলো যদি চালু না হয় তার দায় কে নেবে।  ব্যাংক কি আমার ঋণের টাকা মওকুফ করবে। নতুন বয়লার ও জেনারেটর বসানো গেলে আমারও যেমন বিল কম আসবে, তেমনি আমদানি করা চড়ামূল্যের গ্যাসও সাশ্রয় হবে। আমার মতো অনেকেই মেশিন এনে বসে রয়েছে অনুমোদন পাচ্ছে না। অথচ সরকার বারবার গ্যাস সাশ্রয়ী মেশিন ব্যবহার করতে উৎসাহ দিচ্ছে।

;

বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা পুরস্কারের অর্থ পাচ্ছেন বিকাশে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা পুরস্কারের অর্থ পাচ্ছেন বিকাশে

বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা পুরস্কারের অর্থ পাচ্ছেন বিকাশে

  • Font increase
  • Font Decrease

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগীতার বিজয়ীরা তাদের পুরস্কারের অর্থ পাচ্ছেন বিকাশে। দেশজুড়ে ১২৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭০০০ ক্রীড়াবিদ দেশের ১৩টি ভেন্যুতে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছেন। বিজয়ীরা তাদের পুরস্কারের অর্থ তৎক্ষনাৎ তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে পেয়ে যাচ্ছেন কোন ঝামেলা ছাড়াই।

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সবচেয়ে বড় এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে বিজয়ীদের পুরস্কারের অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া মাসব্যাপী এই আয়োজনের ডিজিটাল পেমেন্ট পার্টনার বিকাশ।


‘বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ, তারুণ্যের বাংলাদেশ’-কে প্রতিপাদ্য হিসেবে সারাদেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত অংশগ্রহণে চলছে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ এর তৃতীয় আসর। প্রধান অতিথি হিসেবে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নান, এমপি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। আরো উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ এর সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি; বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ এর সহ-সভাপতি নাহিম রাজ্জাক, এমপি এবং যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন।

ফুটবল, ক্রিকেট, সুইমিং, অ্যাথলেটিক্স, টেবিল টেনিস, বাস্কেটবল, ভলিবল, হ্যান্ডবল, সাইক্লিং, দাবা, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনসহ ১২টি ইভেন্টের সমন্বয়ে  নারী, পুরুষ উভয় বিভাগে চলছে এবারের আয়োজন। আসরের প্রত্যেক ইভেন্টে অংশ নেয়া প্রথম তিনজন বিজয়ীকে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জপদক দেয়া হবে। সবচেয়ে বেশি পদকজয়ী বিশ্ববিদ্যালয় পাবে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি।

;

বেস্ট ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড পেল ইসলামী ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বেস্ট ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড পেল ইসলামী ব্যাংক

বেস্ট ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড পেল ইসলামী ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী  ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড সাউথ এশিয়ান পার্টনারশিপ সামিট প্রদত্ত সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২ এ ‘বেস্ট ব্যাংক ইন বাংলাদেশ’ পুরস্কার লাভ করেছে।

২২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার কাছে এ পুরস্কার হস্তান্তর করেন।

এ সময় মোরশেদ আলম এমপি, সাউথ এশিয়ান পার্টনারশিপ সামিট ও বিজনেস এক্সিলেন্স এ্যাওয়ার্ড-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন আশা জয়ামানে, ইসলামী ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী ও জে. কিউ. এম. হাবিবুল্লাহ, এফসিএস এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মিফতাহ উদ্দীনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

;