নতুন ড্যাপে এফএআরকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন আবাসন ব্যবসায়ীরা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিকল্পিত আবাসন ও উন্নত রাজধানী গড়তে নতুন বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা বা ড্যাপ অনুমোদন পেয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নতুন এই পরিকল্পনায় টেকসই নগরায়ন বান্ধব উদ্যোগ থাকলেও, আবাসন শিল্পের জন্য বেশকিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে বলে দাবি রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব)।

রোববার (২৭ নভেম্বর) এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত স্ট্যান্ডিং কমিটি অন রিয়েল এস্টেট অন্ড হাউজিংয়ের দ্বিতীয় সভায় আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা জানান, নতুন ড্যাপে রাস্তার প্রশস্ততার অনুপাতে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর) নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আগে যেখানে প্রশস্ত রাস্তা না থাকলেও ৮ থেকে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করা যেত, এখন সেখানে অনুমোদন পাওয়া যাবে ৪ থেকে ৫ তলার। এ কারণে স্বল্প প্রস্থের রাস্তার পাশের জমির মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বৈষম্যের শিকার হবেন আবাসন ব্যবসায়ীরাও। এমন অবস্থায়, শিল্পটি ক্ষতির মুখে পড়বে বলে দাবি তাদের।

বৈঠকে জানানো হয়, আগে রাজধানীতে জমির নিবন্ধন ফি নির্ধারণ হতো মৌজার দর অনুযায়ী। নতুন ড্যাপে সেটিকে পরিবর্তন করে বাজার মূল্য অনুযায়ী নির্ধারণের বিধান করা হয়েছে। যেটিকেও আবাসন শিল্পের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন উদ্যোক্তারা।

বৈঠকে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন জানান, আবাসন খাতের সংকট নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণায়ের সাথে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। এ সময়, নিজেদের ধারণা সমৃদ্ধ করতে- আবাসন ব্যবসায়ীদের ড্যাপ বিষয়ে গভীর বিশ্লেষণের পরামর্শ দেন তিনি। অন্যদিকে টেকসই নগরায়ন নিশ্চিতে- ড্যাপকে বাস্তবতার আলোকে সমন্বয় করতে রাজউকের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে কমিটির ডিরেক্টর ইন চার্জ এবং রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, ড্যাপে বেশকিছু ভালো দিক রয়েছে। তবে আবাসন খাতের জন্য কিছু জটিলতা থেকে গেছে। এসব বিষয়ে সমাধানে আসতে রাজউক, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে রিহ্যাব।

তিনি বলেন, আমরা সরকারের প্রতিপক্ষ নয়, সহযোগী হয়ে কাজ করতে চাই।

বৈঠকে এফবিসিসিআই’র সহ-সভাপতি আমিন হেলালী বলেন, এই বৈঠকের আলোচ্য বিষয়গুলো নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরা আমাদের কাজ। আবাসন শিল্পের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সমিতির সাথে বসে সুনির্দিষ্ট সমস্যাগুলো চিহ্নিত করুন। একই সঙ্গে আবাসন খাতের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে রিহ্যাবের প্রতি আহ্বান তার।

বর্তমানে নির্মাণ সামগ্রীর উচ্চমূল্যের কারণে এমনিতেই সংকটে রয়েছে আবাসন খাত। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন ড্যাপ নিয়ে শঙ্কা। এমন সংকট থেকে উত্তরণে নীতিনির্ধারক এবং অংশীজনদের নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান কমিটির চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী ভূঁইয়া মিলন।

তিনি বলেন, আবাসন ব্যবসায়ীরা ড্যাপের বিরুদ্ধে নয়। তাদের আপত্তি কেবল টেকসই নগরায়ন এবং আবাসন খাতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিষয়গুলো নিয়ে।

এফবিসিসিআই’র পরিচালক এম জি আর নাসির মজুমদার, শফিকুল ইসলাম ভরসা, বিজয় কুমার কেজরিওয়াল, হাফেজ হারুন, আবু মোতালেব, আক্কাস মাহমুদ, মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, কমিটির কো-চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন জিটু, মোহাম্মদ আলী দ্বীন, কামাল মাহমুদ, এ.এফ.এম ওবায়দুল্লাহসহ অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস ও ইউপিডিএস কর্মকর্তাদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস ও ইউপিডিএস কর্মকর্তাদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস ও ইউপিডিএস কর্মকর্তাদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমি (আইবিটিআরএ)- এর উদ্যোগে আরডিএস ও ইউপিডিএস কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন এবং লক্ষ্য অর্জনের কৌশল বিষয়ক কর্মশালা ২৯ জানুয়ারি ২০২৩, রবিবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জে. কিউ. এম. হাবিবুল্লাহ, এফসিএস। আইবিটিআরএর প্রিন্সিপাল এস এম রবিউল হাসানের সভাপতিত্বে কর্মশালার বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ শাব্বির, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এস এম রেজাউল করিম, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এম. জোবায়ের আজম হেলালী ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জামাল উদ্দিন। ব্যাংকের আরডিএস ও ইউপিডিএস কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

;

রিয়েল এস্টেট খাতকে নিয়ে কাজ করবে অস্ট্রেলিয়ার ডিজিটাল ক্ল্যাসিফাইডস গ্রুপ ও বিপ্রপার্টি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট খাতকে এগিয়ে নিতে একসাথে কাজ করার ঘোষণা দিলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রিয়েল এস্টেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিপ্রপার্টি ও অস্ট্রেলিয়ার ডিজিটাল ক্ল্যাসিফাইডস গ্রুপ। ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখা ও সম্ভাবনাময় উদ্যোগের সাথে যুক্ত হয়ে ব্যবসার পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি, এই চুক্তির আওতায় বিপ্রপার্টির সেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে বিভিন্ন সেবা প্রদান করবে ডিসিজি।

প্রপার্টি ক্ল্যাসিফায়েড প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০০৯ সালে ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে আবির্ভাব ঘটে ডিসিজির। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কম্বোডিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, লাওস এবং ফিজিতে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং একইসাথে যৌথ উদ্যোগ এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে থাইল্যান্ড-ভিত্তিক প্রপ-টেক ফাজওয়াজ গ্রুপের সাথেও কাজ করছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, ডিসিজি এর ব্যবসায়িক প্রসারকে ত্বরান্বিত করতে বিজ্ঞাপন থেকে সরে এসে লেনদেন বিষয়ক সেবা প্রদানের দিকে তাদের ব্যবসায়িক মডেলকে রূপান্তরিত করেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে গ্রুপটির কর্মী সংখ্যা ৫৫০ ছাড়ানোর পাশাপাশি শতভাগ রাজস্ব অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। প্রযুক্তি এবং প্রপার্টি খাতে বিশ্বব্যাপী সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও এই পরিবর্তন সম্ভব করেছে গ্রুপটি ।

বাংলাদেশের বৃহত্তম রিয়েল এস্টেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিপ্রপার্টি গ্রাহকদের জন্য প্রপার্টি বিষয়ক যেকোনো লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি নিরাপদ প্রপার্টি মার্কেট হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে, যেখানে প্রপার্টি ক্রেতা-বিক্রেতা, বাড়িওয়ালা এবং ভাড়াটিয়া নিরাপদ, সুবিন্যস্ত এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রপার্টির লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন। আর এ লক্ষ্য অর্জনে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিপ্রপার্টি গ্রাহকদের প্রপার্টি বিষয়ক যেকোনো সমস্যার সমাধান দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

সে সাথে প্রপার্টি বিষয়ক সেবা প্রদানে অনলাইন এবং অফলাইন উপস্থিতির মাধ্যমে বিপ্রপার্টির কাছে রয়েছে তথ্যের বিশাল ডাটাবেজ। যেখানে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে রয়েছে লক্ষাধিক প্রপার্টির তালিকা, যা ২০১৬ সালে যাত্রা শুরুর সময় ছিল ৯৯০টি প্রপার্টি, যা বর্তমান সময়ে অর্থাৎ, ২০২৩ সালে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখেরও অধিক প্রপার্টিতে। যেখানে গ্রাহকরা পাচ্ছেন প্রপার্টির বিস্তারিত বিবরণ, ভিডিও এবং ফ্লোর প্ল্যানসহ প্রপার্টি ক্রয়-বিক্রয় কিংবা ভাড়া নেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে এমন সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যার ফলে গ্রাহকরা প্রপার্টি বিষয়ক যেকোনো তথ্য পরিষ্কারভাবে এই প্ল্যাটফর্ম থেকেই পেতে পারেন খুব সহজে।

প্রপার্টি লেনদেনের প্রক্রিয়াটি সহজ এবং ঝামেলাহীন করতে, বিপ্রপার্টির রয়েছে দক্ষ এবং বিশেষজ্ঞ কর্মীবৃন্দ। যারা প্রপার্টি বিষয়ক সার্ভিস দেয়ার পাশাপাশি লিগ্যাল, ফাইন্যান্সিয়াল, এবং ইন্টেরিয়র সার্ভিস নিয়েও কাজ করে যাচ্ছেন। আর এর মূল লক্ষ্যই হলো প্রপার্টি বিষয়ক যেকোনো সেবা একই প্ল্যাটফর্মের অধীনে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা এবং সে অনুযায়ী দক্ষভাবে কাজ করে যাওয়া।

বাৎসরিক ৪ মিলিয়নেরও অধিক ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ভিজিটর সহ আবসন খাত সেবায় খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিপ্রপার্টি ইতিমধ্যেই গ্রাহকদের কাছে আস্থা অর্জন করেছে।

 চুক্তি স্বাক্ষরের প্রসঙ্গে বিপ্রপার্টির সিইও, মার্ক নসওয়ার্দি বলেন, “ এই চুক্তির মাধ্যমে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিপ্রপার্টির প্রসারের পাশাপাশি ডিসিজি অন্যান্য মার্কেটের সাথে কাজ করে এশিয়ান ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় প্রপার্টি অপারেটর হিসেবে তাদের অবস্থান আরো দৃঢ় করতে পারবে।”

অন্যদিকে ডিসিজি গ্রুপের সিইও, ম্যাথিউ কেয়ার, এ চুক্তি স্বাক্ষরকে ডিসিজি গ্রুপের প্রসারের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য একটি মাইলফলক হিসেবেই দেখছেন।

তিনি বলেন, “আমি ডিসিজি পরিবারে বিপ্রপার্টি টিমকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই, যারা প্রপার্টি লেনদেনের ক্ষেত্রে বেশ স্বনামধন্য মার্কেটপ্লেস হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিপ্রপার্টির সিইও মার্ক নসওয়ার্দিকে আমি ডিসিজি বোর্ডে স্বাগত জানাই; আমি বিশ্বাস করি ডিসিজির অগ্রগতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে তার অভিজ্ঞতার এ ধারা নিঃসন্দেহে আমাদেরকে আরও দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।”

চুক্তি অনুযায়ী, বিপ্রপার্টি-এর সিইও মার্ক নসওয়ার্দিও ডিসিজি এর বোর্ডের সাথে যুক্ত হতে যাচ্ছেন।

গতিশীল বাংলাদেশি বাজারের সাথে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে, ডিসিজি এ যাবতকালে তাদের একক সর্ববৃহৎ ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে প্রবেশ করেছে, যা মার্কেটে তাদের প্রসার তিনগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। ফলে এই গ্রুপটি পাঁচটি দেশে প্রায় ২০০ মিলিয়ন গ্রাহককে সেবা দিতে সক্ষম হবে। এশিয়ান ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে প্রপার্টি ক্ল্যাসিফাইডের নেতৃস্থানীয় অপারেটর হিসাবে সব ধরনের মার্কেটে এর অবস্থানকে আরও দৃঢ় করতে কাজ করে যাবে।

এ বিষয়ে মার্ক আরও জানান, “বাড়তি এই উৎস এবং অভিজ্ঞতাকে সাথে নিয়ে বিপ্রপার্টি এর ব্যবসায়িক লক্ষ্যকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে, এমনকি আর্থিক ও নির্মাণ শিল্পের সাথে কাজ করা সহ বাংলাদেশের ভোক্তাদের জন্য প্রপার্টি বিষয়ক নিত্যনতুন সব সমাধানের বিষয়ে প্রপার্টি মার্কেটে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার উদ্দেশ্যে কাজ করে যাবে।”

;

এসআইবিএল- এর উপশাখার ব্যবসায়িক সম্মেলন-২০২৩ অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের উপশাখার ব্যবসায়িক সম্মেলন-২০২৩ ২৮ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম।

সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ। অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান কাজী ওবায়দুল আল-ফারুক সহ আঞ্চলিক প্রধানগণ, বিভাগীয় প্রধানগণ, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং দেশব্যাপী বিস্তৃত ১৬৩টি উপশাখার ইনচার্জবৃন্দ। ব্যবসায় সম্মেলনে ২০২৩ সালের কর্মপরিধি নির্ধারণ ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য উপশাখাসমূহের করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাফর আলম বলেন, দেশব্যাপী বিস্তৃত উপশাখাগুলোর মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে যাচ্ছে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায়। তিনি সামনের দিনগুলোতে উপশাখার সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের জীবনধর্মী প্রোডাক্ট ও প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক ব্যাংকিং সেবা দেশের সকল মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

;

ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক-২০২৩ জিতল নগদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক-২০২৩ জিতল নগদ

ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক-২০২৩ জিতল নগদ

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা-২০২৩’-এর ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক-২০২৩ জিতেছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস- এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অবদান রাখায় নগদ-কে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গতকাল শনিবার ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে ‘নগদ’-এর করপোরেট কমিউনিকেশন-এর ডিরেক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান এবং হেড অব পাবলিক কমিউনিকেশন্স মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাননীয় মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাননীয় মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘ইলেকট্রনিক কেওয়াইসি ও *১৬৭# চেপে অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি উদ্ভাবন করে নগদ একটা বিপ্লব করেছে। আমরা যে উদ্ভাবনী শক্তির কথা বলছি, তা করে দেখিয়েছে ডাক বিভাগের এই সেবাটি। সে জন্যই তাদের সম্মানিত করা।’ পুরস্কার গ্রহণের পর নগদ’-এর করপোরেট কমিউনিকেশন-এর ডিরেক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ‘যেকোনো পুরস্কার প্রাপ্তি অত্যন্ত গর্বের ব্যাপার। নগদ সবসময় নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে মানুষের পাশে থাকতে চায়। সেই পথে আমাদের উদ্ভাবন যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের পুরস্কার পেল, এটা পুরো দেশের জন্য একটা অর্জন। সমস্ত নগদ পরিবারের পক্ষ থেকে আমি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত তিন দিনের এই আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শ্যামসুন্দর সিকদার এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, এমপি।

মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টলের পাশাপাশি ছিল নগদ-এর আকর্ষণীয় একটি স্টল। সেখানে মানুষের ভিড় জমেছিল নগদ-এর বিভিন্ন সুবিধা ও ফিচার সম্পর্কে জানতে। এছাড়া এই স্টলে ভিআর ফুটবল খেলার ব্যবস্থা ছিল। যা অনেক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজন করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ পুরস্কার। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস-এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নগদ-কে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে মাত্র চার বছরেরও কম সময়ে নগদ-এর উন্নতি এবং উদ্ভাবনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অসাধারণ দুটি অবদান রেখেছে নগদ। প্রথমত তারা *১৬৭# ডায়াল করে কোনো জটিলতা ছাড়া তাৎক্ষণিক এমএফএস অ্যাকাউন্ট খোলার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। এর ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অন্তর্ভূক্তিতে এসেছে কয়েক কোটি প্রান্তিক মানুষ। এ ছাড়া ডিজিটাল কেওয়াইসি উদ্ভাবনের ভেতর দিয়ে কাগজমুক্ত অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি বাংলাদেশে প্রথম চালু করেছে নগদ। এর ফলে মানুষের সময় ও জটিলতা অনেক সাশ্রয় হয়েছে। বর্তমানে এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আরও অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান সেবা প্রদান করছে।

মাত্র চার বছরেরও কম সময়ে নগদ-এর গ্রাহক সংখ্যা এখন ৭ কোটির বেশি। এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে দৈনিক ৭৫০ কোটি টাকা লেনদেন করছে; যা কখনো কখনো এক হাজার কোটি টাকাও স্পর্শ করেছে। এ ছাড়া মাত্র তিন বছরে এই প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতাদের তালিকায় চলে এসেছে। এ ছাড়া নগদ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল ফিনটেক হিসেবে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পুরস্কার অর্জন করেছে।

;