১০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে ট্রান্সকম গ্রুপের উত্তরাধিকারীরা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শাযরেহ হক, সিমিন রহমান, শাহনাজ রহমান (বাম থেকে)

শাযরেহ হক, সিমিন রহমান, শাহনাজ রহমান (বাম থেকে)

  • Font increase
  • Font Decrease

ট্রান্সকম কোম্পানির শেয়ার ও অর্থসম্পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে মা শাহনাজ রহমান (ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান) এবং বোন সিমিন রহমানসহ (ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও) আটজনের নামে পৃথক তিনটি মামলা করেছেন প্রয়াত শিল্পপতি লতিফুর রহমানের ছোট মেয়ে শাযরেহ হক। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আইকনিক ব্যবসায়ী লতিফুর রহমানের মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া ১০ হাজার কোটি টাকার (সমপরিমাণ) সম্পদের বণ্টন নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন তার স্ত্রী-সন্তানরা। 

দায়েরকৃত মামলার অভিযুক্তরা হলেন- সিমিন রহমান, শাহনাজ রহমান, ট্রান্সকম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স-আইন) মো. ফখরুজ্জামান ভূঁইয়া, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) কামরুল হাসান, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) আবদুল্লাহ আল মামুন, সহকারী কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ মোসাদ্দেক, ব্যবস্থাপক (কোম্পানি সেক্রেটারি) আবু ইউসূফ মো. সিদ্দিক ও সিমিন রহমানের ছেলে এবং ট্রান্সকম লিমিটেডের হেড অফ ট্রান্সফরমেশন যারাইফ আয়াত হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২২ফেব্রুয়ারি) লতিফুর রহমানের ছোট মেয়ে শাযরেহ হক তার মা শাহনাজ রহমান এবং বড় বোন সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, জালিয়াতি এবং প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। নথি জাল করে পারিবারিক সম্পত্তির ন্যায্য অংশ থেকে  তাকে এবং তার ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। লতিফুর রহমান মারা যাওয়ার আগে ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তি রেখে গেছেন বলেও দাবি করেন শাযরেহ হক।

তিনটি মামলায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থায় একই দিনে সিমিন রহমান ও শাহনাজ রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সাথে তাদের (সিমিন রহমান ও শাহনাজ রহমান) সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে অভিযুক্ত পাঁচ কর্মকর্তাকেও গ্রেফতার করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বাকি তিনজনকে খুঁজছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. ফখরুজ্জামান ভূঁইয়া, কামরুল হাসান, আবদুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ মোসাদ্দেক ও আবু ইউসূফ মো. সিদ্দিক।

গুলশান থানার ২০ নম্বর মামলার এজাহারে বাদী শাযরেহ হক উল্লেখ করেছেন, তার বড় বোন সিমিন রহমান ট্রান্সকম লিমিটেডের ২৩ হাজার ৬০০ শেয়ার থেকে তাকে এবং তার ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে বঞ্চিত করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের নামে করে নেন। এতে সহযোগিতা করেন ফখরুজ্জামান ভুঁইয়া, কামরুল হাসান, মোহাম্মদ মোসাদ্দেক এবং আবু ইউসুফ। বাবা লতিফুর রহমানের মৃত্যুর পর তিনি এসব জানতে পারেন বলে উল্লেখ করেন। এই জালিয়াতিতে যে সই ও টিপসই ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো তাদের না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ দেওয়া হলেও তারা কর্ণপাত করেননি। তাই তিনি থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

২১ নম্বর মামলার এজাহারে শাযরেহ হক অভিযোগ করেন, তার বাবা মারা যাওয়ার আগে রেখে যাওয়া ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সমভাবে বণ্টন করেননি বড় বোন ও মা। তারা বেশি শেয়ার হস্তগত করতে অসৎ উপায়ে কয়েকজনের সহায়তায় মনগড়া ‘ডেথ অব সেটেলমেন্ট’ করেন। সেটেলমেন্টে তার বাবা লতিফুর রহমান, তার ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের স্বাক্ষর জাল করা হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আরেক মামলার এজাহারে শাযরেহ হক আরও বলেন, লতিফুর রহমান মারা যাওয়ার সময় বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং এফডিআরে প্রায় ১০০ কোটি টাকা রেখে যান, যা শরিয়া অনুয়ায়ী তিনিসহ তার ওয়ারিশরা পাওয়ার কথা। কিন্তু মা শাহনাজ রহমান ওই টাকার নমিনি (ট্রাস্টি) হওয়ায় সেই টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে ৬০ কোটি টাকা দিয়ে ট্রান্সকম লিমিটেডের ১৮ শতাংশ কেনার বায়না করেন। সেই শেয়ার পরে সিমিন রহমানকে দান করা হয়। 

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১ জুলাই শিল্পপতি লতিফুর রহমান কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নিজ বাসভবনে মারা যান। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছেন। ২০২০ সালের ২৭ জুলাই প্রয়াত লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান ট্রান্সকমের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হন। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হন তার বড় মেয়ে সিমিন রহমান। বর্তমানে মামলা তদন্ত করছেন পিবিআই-এর পরিদর্শক আলাউদ্দিন।

   

একীভূত হচ্ছে না ইসলামী ব্যাংক, তালিকায় রয়েছে অন্য ৯টি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইতিমধ্যে স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসরকারি খাতের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে ধুঁকতে থাকা পদ্মা ব্যাংক। আরও বেশ কয়েকটি ব্যাংক একীভূত করার চূড়ান্ত একটি লিস্ট তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এর মধ্যে কোনো ইসলামি ব্যাংকে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়নি।

জানা যায়, দুর্বল যেসব ইসলামি ধারার ব্যাংক রয়েছে এসব ব্যাংক মালিকরা নিজেদের উদ্যোগেই ব্যাংকগুলোর স্বাস্থ্য ভালো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নরের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকের মালিকানায় থাকা পরিচালক ও চেয়ারম্যানরা বৈঠক করেন। বৈঠকে ১০টি দুর্বল ব্যাংককে বিভিন্ন সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে পদ্মা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এবং আইসিবি ইসলামি ব্যাংক।

যদিও আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের একীভূত হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের শেয়ার ওরিয়ন গ্রুপ কিনে নেয়ার বিষয়ে কথা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে। এর আগে আইসিবি ইসলামি ব্যাংকটির নাম ছিল দ্য ওরিয়েন্টাল ব্যাংক। সে সময় ব্যাংকটি ওরিয়ন গ্রুপের মালিকানায় ছিল। তবে দেউলিয়াপ্রায় অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে তা মালয়েশিয়াভিত্তিক আইসিবি ইসলামি গ্রুপ ব্যাংকটির অধিকাংশ শেয়ার কিনে নেয়। তবে নাম, মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনলেও আইসিবি ইসলামি ব্যাংক আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

এদিকে ইসলামি ধারার কয়েকটি ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এসব ব্যাংক নিয়ে নিউজও হয়। তবে এসব ব্যাংক এখনই একীভূত হচ্ছে না বলেই জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত মার্চ মাসে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চুক্তি করেছে পদ্মা ব্যাংক। এর মধ্য দিয়ে ব্যাংক একীভূত করার ধারা শুরু হয়। এছাড়া রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংককে (রাকাব) কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংককে (বিডিবিএল) সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে সরকারি মালিকানাধীন সমস্যাগ্রস্ত বেসিক ব্যাংক।

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত সূত্র জানায়, সম্প্রতি আর্থিক খাতের নীতিনির্ধারকদের এক বৈঠকে ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে আলোচনা হয়। কোন ব্যাংক কার সঙ্গে একীভূত করা যায়, তা নিয়ে সেখানে অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তার একটি খবরের পর আলোচনা ব্যাপক মাত্রা পেয়েছে।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোকে একীভূত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কেউ একীভূত না হলে আগামী বছর মার্চ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ভালো ব্যাংকের সঙ্গে দুর্বল ব্যাংককে মিলিয়ে দেয়া হবে।

ইতিমধ্যে গত বৃহস্পতিবার স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার একটি নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাতে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে, ‘একীভূতকরণের পর যে ব্যাংক বিলীন হয়ে যাবে, সেই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন বছরের আগে ছাঁটাই করা যাবে না। তবে ওই ব্যাংকের বড় কর্তারা (এমডি, ডিএমডি) থাকতে পারবেন না।’

এ ছাড়া একত্রীকরণের অনুমোদন হওয়ার পর হস্তান্তরকারী ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী হস্তান্তর গ্রহীতা ব্যাংকের কর্মকর্তা হতে না চাইলে তাঁদের ক্ষতিপূরণ, পেনশন, গ্র্যাচুইটি, ভবিষ্য তহবিল ও অন্যান্য অবসরজনিত সুবিধা দেওয়া বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে গ্রহীতা ব্যাংক-নীতিমালায় এ বিষয়েও নির্দেশনা দেয়া আছে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ব্যাংক একীভূতকরণের ‍উদাহরণ খুব একটা নেই। বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থাকে একীভূতকরণ করে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গঠন করা হয়েছিল ২০০৯ সালে।

;

ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদকে কেন্দ্র করে দেশে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। চলতি (এপ্রিল) মাসের প্রথম পাঁচদিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। সেই হিসেবে প্রতিদিন গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৯ কোটি ১০ লাখ ডলার।

সোমবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিলের প্রথম পাঁচদিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ কোটি ৮৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩৮ কোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। সবমিলিয়ে এপ্রিলের প্রথম পাঁচদিনে ৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার দেশে এসেছে।

এর আগে, মার্চের প্রথম ৫দিনে ৩২ কোটি ৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। সেই হিসেবে চলতি মাসের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। এই ধারা আগামী ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, রোজা-ঈদে প্রবাসীরা দেশে আত্মীয়-স্বজনদের জন্য বিপুল অঙ্কের অর্থ পাঠান। তাই এই সময়ে স্বাভাবিকভাবেই রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ে। রেমিট্যান্সের এই ধারা অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়বে। একইসঙ্গে ডলার সংকটও কেটে যাবে।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে দেশে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। আর ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যা চলতি অর্থবছরে সর্বোচ্চ।

;

ঈদ উৎসবকে বর্ণিল করে তুলছে বিকাশ-এ সালামি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের বার্তা, খুশির বার্তা নিয়ে আসে নতুন চাঁদ। নতুন জামা, নামাজ, মজাদার খাবার, প্রিয়জনের সান্নিধ্য সহ আরো নানান অনুষঙ্গের সাথে ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ হয় সালামি বিনিময়ের মধ্য দিয়ে। সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির কল্যাণে সালামিও এখন ডিজিটাল। ঈদ সালামি নিতে এবং দিতে বিকাশ-এ হয়ে উঠেছে অন্যতম মাধ্যম। ‘ঈদের চাঁদ আকাশে, সালামি দিন বিকাশ-এ’ স্লোগানে মুখরিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশে ডিজিটাল সালামির জনপ্রিয়তা জানান দেয়।

একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইমুল করিম বলেন, “ঈদ আনন্দের একটি বড় অংশ জুড়েই থাকে সালামি, বিশেষ করে ছোটদের জন্য। আর এই যুগে সালামি দেওয়া বা চাওয়ার ধরণে পরিবর্তন এসেছে প্রযুক্তির কল্যাণে। ঈদের সময় সহকর্মী বা আত্মীয়-স্বজন সবার সঙ্গে দেখা হওয়াটা কঠিনই বটে। তাই বলে তো আর ছোটদের সালামি থেকে বঞ্চিত করতে পারি না! গত কয়েক বছরের মতো এবারও তাই সবাইকে মজার ম্যাসেজসহ সালামি পাঠিয়ে দিবো বিকাশ-এ।”

নাইমুলের মত লাখ লাখ মানুষ স্নেহভাজনদের ঈদ সালামি পাঠাতে এবছরও ব্যবহার করবেন বিকাশ-এর সেন্ড মানি সেবা। সাথে বিকাশ অ্যাপে থাকা ডিফল্ট গ্রিটিংস কার্ড অথবা গ্রাহক চাইলে নিজের পছন্দমতো সেই কার্ডে নতুন ম্যাসেজ লিখে দিতে পারবেন বিনামূল্যে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই মেসেজ লেখার সুযোগ রয়েছে।

এদিকে রমজানের দুই সপ্তাহ পার না হতেই কার কার কাছ থেকে সালামি পাওয়া যাবে তার একটি লিস্ট করে ফেলেছেন সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখা তাসনুভা ও তার স্কুলপড়ুয়া ছোট ভাই ফাহিম। চট্টগ্রাম নিবাসী এই তরুণী বলেন, “চাচা-মামা-ফুপু-খালা, কাজিনদের অনেকেই বাস করেন অন্যান্য জেলায়। ঈদের সময় তাদের অনেকের সঙ্গেই দেখা হওয়ার সুযোগ কম। তাই ঈদের আগেই কল করে বা ম্যাসেজ দিয়ে তাদের বিকাশে সালামি পাঠিয়ে দেয়ার আবদার জানাচ্ছি!”

বড় শহর থেকে শুরু করে গ্রাম-গঞ্জে সব শ্রেণির মানুষের মধ্যেই সাড়া ফেলেছে বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি থেকে সালামি পাঠানোর এই উদ্ভাবনী ফিচার। টাকা পাঠানোর সাথে সাথে মজার ম্যাসেজসহ ডিজিটাল ঈদ সালামি হয়ে উঠেছে ঈদের অন্যতম অনুষঙ্গ। আর এবার ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’ ফিচারের কল্যাণে একসঙ্গে অনেককে সালামি দেওয়ার সুযোগ যোগ করেছে বাড়তি আনন্দ।

;

সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এবার বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক।

সোমবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেসিক ব্যাংক স্বেচ্ছায় একীভূত হচ্ছে সিটি ব্যাংকের সঙ্গে। এ নিয়ে বেসরকারি খাতের দ্বিতীয় ব্যাংক হিসেবে আরেকটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক।

এর আগে, গত ১৯ মার্চ সিটি ব্যাংকের পর্ষদকে বেসিক ব্যাংককে একীভূত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তারপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় সিটি ও বেসিক ব্যাংকের পর্ষদের মধ্যে।

জানা গেছে, একীভূত হলেও আগামী তিন বছর পৃথক আর্থিক প্রতিবেদন করবে ব্যাংক দুটি৷

এ বিষয়ে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, স্বতঃপ্রণোদিত একত্রীকরণ নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের নীতি সহায়তা বাধ্যতামূলক একত্রীকরণ থেকে অনেক বেশি, তাই সবল ব্যাংক হিসেবে কোন দুর্বল ব্যাংককে সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করা যায়, তা আমরা খতিয়ে দেখছি।

এ নিয়ে মোট চারটি ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, এর মধ্যে সরকারি ব্যাংক দুটি আর বেসরকারি ব্যাংক দুটি। গত মার্চ মাসে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চুক্তি করেছে পদ্মা ব্যাংক। এর মধ্য দিয়ে ব্যাংক একীভূত করার ধারা শুরু হয়।

;