মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) রমজান মাসকে সামনে রেখে মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, এখন আমরা জানি, রাশিয়া-ইউক্রেন ও কোভিড মহামারির কারণে বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার মধ্যে যাচ্ছে। বাংলাদেশও এর থেকে দূরে নয়। আমাদের বাজার পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতির দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে সরকারপ্রধান বলেন, সামনে রোজা আসছে। রোজা মাস আসলে কিছু ব্যবসায়ী থাকে মজুতদারী করে, দাম বাড়িয়ে মুনাফা লুটতে চায়। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে হবে, পরনির্ভরশীলতা কমাতে হবে। আরেকটা হচ্ছে, সরবারহ সমস্যা। অনেক সময় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়, মজুত করে পঁচিয়ে ফেলবে কিন্তু বাজারে পণ্য দিবে না। এজন্য কঠোর আইনি ব্যবস্থা প্রয়োগ করা দরকার।

রমজান মাসকে সামনে রেখে আমি এ কথাগুলো বললাম, মানুষের নাগালে যেন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যাতে যায় তার দিকে সবাইকে নজর দিতে হবে, প্রধানমন্ত্রী।

রোববার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি চারদিন ব্যাপী ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

এবার সম্মেলনের আলোচ্য সূচিতে থাকছে ৩৫৬টি প্রস্তাব। আলোচনায় গুরুত্ব পাবে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম জোরদারকরণ।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে আরও বলেন, সরকারের ধারাবাহিকতা না থাকলে উন্নয়ন ব্যাহত হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের চারবারের মত ক্ষমতায় আসা এবং সরকার ধারাবাহিকতা রক্ষা হওয়ায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

শেখ হাসিনা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের প্রচেষ্টা তুলে ধরে বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকেই দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। গ্রাম পর্যায়ে প্রশিক্ষণ বাড়ানোর মাধ্যমে মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এতে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

কিশোর গ্যাং নিয়ে সতর্কতা ও নজরদারি বাড়াতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,  শুধু গ্রেফতার করে কারাগারে রেখে কিশোর গ্যাং কমানো যাবে না। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই এর সমাধান করতে হবে। কারাগারে অন্যান্যদের সাথে মিশে এই সমস্যা আরও জটিল হতে পারে।

পার্বত্য সমস্যা সমাধানে আওয়ামী লীগ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

তিনি বলেন, সেখানে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। তাই সবাইকে সে অঞ্চলেরর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেন তিনি।

   

একীভূত হচ্ছে না ইসলামী ব্যাংক, তালিকায় রয়েছে অন্য ৯টি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইতিমধ্যে স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসরকারি খাতের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে ধুঁকতে থাকা পদ্মা ব্যাংক। আরও বেশ কয়েকটি ব্যাংক একীভূত করার চূড়ান্ত একটি লিস্ট তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এর মধ্যে কোনো ইসলামি ব্যাংকে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়নি।

জানা যায়, দুর্বল যেসব ইসলামি ধারার ব্যাংক রয়েছে এসব ব্যাংক মালিকরা নিজেদের উদ্যোগেই ব্যাংকগুলোর স্বাস্থ্য ভালো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নরের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকের মালিকানায় থাকা পরিচালক ও চেয়ারম্যানরা বৈঠক করেন। বৈঠকে ১০টি দুর্বল ব্যাংককে বিভিন্ন সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে পদ্মা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এবং আইসিবি ইসলামি ব্যাংক।

যদিও আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের একীভূত হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের শেয়ার ওরিয়ন গ্রুপ কিনে নেয়ার বিষয়ে কথা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে। এর আগে আইসিবি ইসলামি ব্যাংকটির নাম ছিল দ্য ওরিয়েন্টাল ব্যাংক। সে সময় ব্যাংকটি ওরিয়ন গ্রুপের মালিকানায় ছিল। তবে দেউলিয়াপ্রায় অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে তা মালয়েশিয়াভিত্তিক আইসিবি ইসলামি গ্রুপ ব্যাংকটির অধিকাংশ শেয়ার কিনে নেয়। তবে নাম, মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনলেও আইসিবি ইসলামি ব্যাংক আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

এদিকে ইসলামি ধারার কয়েকটি ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এসব ব্যাংক নিয়ে নিউজও হয়। তবে এসব ব্যাংক এখনই একীভূত হচ্ছে না বলেই জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত মার্চ মাসে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চুক্তি করেছে পদ্মা ব্যাংক। এর মধ্য দিয়ে ব্যাংক একীভূত করার ধারা শুরু হয়। এছাড়া রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংককে (রাকাব) কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংককে (বিডিবিএল) সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে সরকারি মালিকানাধীন সমস্যাগ্রস্ত বেসিক ব্যাংক।

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত সূত্র জানায়, সম্প্রতি আর্থিক খাতের নীতিনির্ধারকদের এক বৈঠকে ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে আলোচনা হয়। কোন ব্যাংক কার সঙ্গে একীভূত করা যায়, তা নিয়ে সেখানে অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তার একটি খবরের পর আলোচনা ব্যাপক মাত্রা পেয়েছে।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোকে একীভূত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কেউ একীভূত না হলে আগামী বছর মার্চ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ভালো ব্যাংকের সঙ্গে দুর্বল ব্যাংককে মিলিয়ে দেয়া হবে।

ইতিমধ্যে গত বৃহস্পতিবার স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার একটি নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাতে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে, ‘একীভূতকরণের পর যে ব্যাংক বিলীন হয়ে যাবে, সেই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন বছরের আগে ছাঁটাই করা যাবে না। তবে ওই ব্যাংকের বড় কর্তারা (এমডি, ডিএমডি) থাকতে পারবেন না।’

এ ছাড়া একত্রীকরণের অনুমোদন হওয়ার পর হস্তান্তরকারী ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী হস্তান্তর গ্রহীতা ব্যাংকের কর্মকর্তা হতে না চাইলে তাঁদের ক্ষতিপূরণ, পেনশন, গ্র্যাচুইটি, ভবিষ্য তহবিল ও অন্যান্য অবসরজনিত সুবিধা দেওয়া বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে গ্রহীতা ব্যাংক-নীতিমালায় এ বিষয়েও নির্দেশনা দেয়া আছে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ব্যাংক একীভূতকরণের ‍উদাহরণ খুব একটা নেই। বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থাকে একীভূতকরণ করে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গঠন করা হয়েছিল ২০০৯ সালে।

;

ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদকে কেন্দ্র করে দেশে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। চলতি (এপ্রিল) মাসের প্রথম পাঁচদিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। সেই হিসেবে প্রতিদিন গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৯ কোটি ১০ লাখ ডলার।

সোমবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিলের প্রথম পাঁচদিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ কোটি ৮৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩৮ কোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। সবমিলিয়ে এপ্রিলের প্রথম পাঁচদিনে ৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার দেশে এসেছে।

এর আগে, মার্চের প্রথম ৫দিনে ৩২ কোটি ৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। সেই হিসেবে চলতি মাসের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। এই ধারা আগামী ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, রোজা-ঈদে প্রবাসীরা দেশে আত্মীয়-স্বজনদের জন্য বিপুল অঙ্কের অর্থ পাঠান। তাই এই সময়ে স্বাভাবিকভাবেই রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ে। রেমিট্যান্সের এই ধারা অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়বে। একইসঙ্গে ডলার সংকটও কেটে যাবে।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে দেশে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। আর ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যা চলতি অর্থবছরে সর্বোচ্চ।

;

ঈদ উৎসবকে বর্ণিল করে তুলছে বিকাশ-এ সালামি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের বার্তা, খুশির বার্তা নিয়ে আসে নতুন চাঁদ। নতুন জামা, নামাজ, মজাদার খাবার, প্রিয়জনের সান্নিধ্য সহ আরো নানান অনুষঙ্গের সাথে ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ হয় সালামি বিনিময়ের মধ্য দিয়ে। সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির কল্যাণে সালামিও এখন ডিজিটাল। ঈদ সালামি নিতে এবং দিতে বিকাশ-এ হয়ে উঠেছে অন্যতম মাধ্যম। ‘ঈদের চাঁদ আকাশে, সালামি দিন বিকাশ-এ’ স্লোগানে মুখরিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশে ডিজিটাল সালামির জনপ্রিয়তা জানান দেয়।

একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইমুল করিম বলেন, “ঈদ আনন্দের একটি বড় অংশ জুড়েই থাকে সালামি, বিশেষ করে ছোটদের জন্য। আর এই যুগে সালামি দেওয়া বা চাওয়ার ধরণে পরিবর্তন এসেছে প্রযুক্তির কল্যাণে। ঈদের সময় সহকর্মী বা আত্মীয়-স্বজন সবার সঙ্গে দেখা হওয়াটা কঠিনই বটে। তাই বলে তো আর ছোটদের সালামি থেকে বঞ্চিত করতে পারি না! গত কয়েক বছরের মতো এবারও তাই সবাইকে মজার ম্যাসেজসহ সালামি পাঠিয়ে দিবো বিকাশ-এ।”

নাইমুলের মত লাখ লাখ মানুষ স্নেহভাজনদের ঈদ সালামি পাঠাতে এবছরও ব্যবহার করবেন বিকাশ-এর সেন্ড মানি সেবা। সাথে বিকাশ অ্যাপে থাকা ডিফল্ট গ্রিটিংস কার্ড অথবা গ্রাহক চাইলে নিজের পছন্দমতো সেই কার্ডে নতুন ম্যাসেজ লিখে দিতে পারবেন বিনামূল্যে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই মেসেজ লেখার সুযোগ রয়েছে।

এদিকে রমজানের দুই সপ্তাহ পার না হতেই কার কার কাছ থেকে সালামি পাওয়া যাবে তার একটি লিস্ট করে ফেলেছেন সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখা তাসনুভা ও তার স্কুলপড়ুয়া ছোট ভাই ফাহিম। চট্টগ্রাম নিবাসী এই তরুণী বলেন, “চাচা-মামা-ফুপু-খালা, কাজিনদের অনেকেই বাস করেন অন্যান্য জেলায়। ঈদের সময় তাদের অনেকের সঙ্গেই দেখা হওয়ার সুযোগ কম। তাই ঈদের আগেই কল করে বা ম্যাসেজ দিয়ে তাদের বিকাশে সালামি পাঠিয়ে দেয়ার আবদার জানাচ্ছি!”

বড় শহর থেকে শুরু করে গ্রাম-গঞ্জে সব শ্রেণির মানুষের মধ্যেই সাড়া ফেলেছে বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি থেকে সালামি পাঠানোর এই উদ্ভাবনী ফিচার। টাকা পাঠানোর সাথে সাথে মজার ম্যাসেজসহ ডিজিটাল ঈদ সালামি হয়ে উঠেছে ঈদের অন্যতম অনুষঙ্গ। আর এবার ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’ ফিচারের কল্যাণে একসঙ্গে অনেককে সালামি দেওয়ার সুযোগ যোগ করেছে বাড়তি আনন্দ।

;

সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এবার বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক।

সোমবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেসিক ব্যাংক স্বেচ্ছায় একীভূত হচ্ছে সিটি ব্যাংকের সঙ্গে। এ নিয়ে বেসরকারি খাতের দ্বিতীয় ব্যাংক হিসেবে আরেকটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক।

এর আগে, গত ১৯ মার্চ সিটি ব্যাংকের পর্ষদকে বেসিক ব্যাংককে একীভূত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তারপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় সিটি ও বেসিক ব্যাংকের পর্ষদের মধ্যে।

জানা গেছে, একীভূত হলেও আগামী তিন বছর পৃথক আর্থিক প্রতিবেদন করবে ব্যাংক দুটি৷

এ বিষয়ে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, স্বতঃপ্রণোদিত একত্রীকরণ নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের নীতি সহায়তা বাধ্যতামূলক একত্রীকরণ থেকে অনেক বেশি, তাই সবল ব্যাংক হিসেবে কোন দুর্বল ব্যাংককে সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করা যায়, তা আমরা খতিয়ে দেখছি।

এ নিয়ে মোট চারটি ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, এর মধ্যে সরকারি ব্যাংক দুটি আর বেসরকারি ব্যাংক দুটি। গত মার্চ মাসে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চুক্তি করেছে পদ্মা ব্যাংক। এর মধ্য দিয়ে ব্যাংক একীভূত করার ধারা শুরু হয়।

;