লাইসেন্সবিহীন ও অনিরাপদ সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধে আহ্বান বিএসএর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
লাইসেন্সবিহীন ও অনিরাপদ সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধে আহ্বান বিএসএর

লাইসেন্সবিহীন ও অনিরাপদ সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধে আহ্বান বিএসএর

  • Font increase
  • Font Decrease

সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যারের ব্যবহার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সফটওয়্যার বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা দ্য সফটওয়্যার এলায়েন্স বা বিএসএ।

দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের বিস্তৃতি সত্বেও লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যারের ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। সাইবার ঝুঁকি এড়াতে লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে এখন জরুরি বলে মনে করছে সংস্থাটি।

বিএসএ-এর সিনিয়র ডিরেক্টর তরুণ সাওনি বলেন, লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যারের ব্যবহার তথ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। যার ফলে সম্ভাব্য সাইবার আক্রমণ, তথ্য চুরি ও ম্যালওয়্যার আক্রমণের শঙ্কা বেড়ে যায়। এসব ঘটনা গ্রাহক, অংশীদার ও সহযোগীদের বিশ্বাস ও আস্থা নষ্ট করতে পারে। এছাড়া এটি যে কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের জন্য আইনী ঝুঁকি তৈরির পাশাপাশি ‍সুনাম ক্ষুণ্নের কারণও হতে পারে। আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যারের ব্যবহার কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন, যার ফলে যে কোন সংস্থা বা সংগঠন মামলা, জরিমানা অথবা আইনি জরিমানার সম্মুখীন হতে পারে।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে তাদের কোম্পানিগুলোয় সফটওয়্যার সক্রিয়ভাবে পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছে। অনেক কোম্পানিই তাদের ব্যবসায় কার্যক্রম পরিচালনায় লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন, বিশেষ করে নির্মাণ এবং অবকাঠামোর উন্নয়নের সাথে যুক্ত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো। বাংলাদেশের সিইওদের দায়িত্ব হল তাদের কোম্পানিগুলো নিরাপদ, সুরক্ষিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে আইন মেনে চলছে কি না তা নিশ্চিত করা।”

বিএসএ-এর তথ্যে উঠে এসেছে যে বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতের অনেক কোম্পানিই লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যবহার করছে, যার মধ্যে আছে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, খুচরা ও বড় ব্যবসা, নির্মাণ ও রিয়েল এস্টেট, ভোগ্যপণ্য, ব্যাংকিং, আর্থিক পরিষেবা এবং স্থাপত্য ও প্রকৌশলসহ অন্যান্য ক্ষেত্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যবহার করার ক্ষতিকর প্রভাবগুলো সামনে উঠে আসে যখন সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় ডেটা সেন্টার স্টোরেজ ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া, ফায়ারওয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং আপডেট ইনস্টল করতে না পারার মতো একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। এই সমস্যাগুলো তৈরি হওয়ার জন্য বাইরের বিভিন্ন উৎস থেকে সরবরাহকৃত লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যারের ব্যবহারকে দায়ী করা হয়েছিল যা মূলত আইন মেনে না চলার পরিনতিকেই নির্দেশ করে।

বিএসএ-এর সিনিয়র ডিরেক্টর বলেন, “লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যবহারের ক্ষতি শুধু আর্থিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর কারণে মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয় এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনও বাধাগ্রস্ত হয়। ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে সফটওয়্যার সংক্রান্ত সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের ব্যবসা মালিক, শেয়ারহোল্ডার এবং সি-স্যুট এক্সিকিউটিভদের জন্য এটা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে যে তাদের কর্মীরা লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যারে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন কিনা এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছেন কিনা সে বিষয়ে সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।”

বিএসএ বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ে ব্যবহৃত বৃহৎ ভলিউমের সফটওয়্যারগুলো যাতে বৈধভাবে ব্যবহার করা হয় তার জন্য বাংলাদেশের আইসিটি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির মতো সরকারি সংস্থার সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

তরুণ সাওনি বলেন, "সাইবার আক্রমণ থেকে সমগ্র বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখার জন্য ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যার ব্যবহার করছেন কি না তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সরকার মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।”

বাংলাদেশের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির মহাপরিচালক আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, এনডিসি, লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার সংক্রান্ত ঝুঁকিগুলো তুলে ধরে বলেন, “লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার সাইবার হুমকির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। শুধুমাত্র ঝুঁকি কমানোর জন্য নয় বরং একটি নিরাপদ ও বিপদমুক্ত সাইবার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর/সংস্থাগুলোর উচিত বৈধ সফটওয়্যার ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেয়া।”

তিনি আরও বলেন, “সরকার এই সমস্যা সমাধানে অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমরা নিয়মিতই ব্যবসায়িক সংস্থাগুলোকে বৈধ সফটওয়্যার ব্যবহার ও নিয়মিত লাইসেন্স নবায়ন করার পরামর্শ দিই৷ বিএসএ-এর মতো সংস্থাগুলোর সহযোগিতা এই বিষয়ক সচেতনতা এবং বাস্তবায়নের প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দেবে। এসব উদ্যোগ কার্যকরভাবে সাইবার নিরাপত্তার হুমকি কমাতে ভূমিকা রাখবে।”

বিএসএ তার সফটওয়্যার কমপ্লায়েন্স বাড়ানোর অঙ্গীকারে অবিচল। ২০১৯ সাল থেকে, সংস্থাটি প্রায় ১ মিলিয়ন পিসিতে বৈধ ও নিরাপদ সফটওয়্যার ইনস্টল করার লক্ষ্য নিয়ে ব্যবসায়ীদেরকে সহায়তার উদ্দেশ্যে ‘লিগ্যালাইজ অ্যান্ড প্রোটেক্ট’ নামের আঞ্চলিক প্রচারভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। অবৈধ সফটওয়্যারের ব্যবহার এখনও চালু থাকায় ব্যবসায়িক সংস্থাগুলিকে এ বিষয়ে সচেতন করতে এবং সফটওয়্যার কমপ্লায়েন্সের প্রচারে আঞ্চলিকভাবে এবং বিশ্বব্যাপী বিএসএ তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

বিএসএ বিভিন্ন দেশের সরকারের কাছে ও আন্তর্জাতিক বাজারে সফটওয়্যার খাতকে তুলে ধরতে শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা হিসেবে পরিচিত দ্য সফটওয়্যার এলায়েন্স বা বিএসএ (www.bsa.org)। এর সদস্যদের মধ্যে আছে বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলো, যারা যে কোন ধরণের ছোট-বড় ব্যবসার আধুনিকায়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষে সফটওয়্যারভিত্তিক সমাধান তৈরি করে।

সংস্থাটির সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে। ৩০টিরও বেশি দেশে বিএসএ’র কার্যক্রম চালু রয়েছে। বিএসএ বৈধ সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রচার এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও ডিজিটাল অর্থনীতির সমৃদ্ধির লক্ষে গৃহীত সরকারী নীতিমালা বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন কর্মসূচীতে নেতৃত্ব দিয়ে থাকে।

   

দেশে প্রোপেন চালিত জেনারেটর পরীক্ষায় সফল ইউনিগ্যাস



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস

এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম শীর্ষ এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস দেশে প্রথমবারের মতো শতভাগ প্রোপেন ব্যবহার করে বিখ্যাত ওয়াকেশা ইনো ব্র্যান্ডের গ্যাস জেনারেটর সফলভাবে অপারেট করতে সাফল্য অর্জন করেছে। ইউনিটেক্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস শতভাগ প্রোপেন বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানা গেছে।

বিগত দুই বছর ধরে ইউনিগ্যাস ও ডানা ইঞ্জিনিয়ার্স (লোকাল ডিস্ট্রিবিউটর ওয়াকেশা ইনো) গ্যাস-ভিত্তিক জেনারেটরের জন্য জ্বালানি হিসেবে শতভাগ প্রোপেন ব্যবহার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আসছে। সময়োপযোগী এই উদ্ভাবনের ফলে দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো গ্যাসের ঘাটতিতে এই শতভাগ প্রোপেন জেনারেটরের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ কিংবা পণ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারবেন।

বর্তমানে কারখানাগুলোতে জেনারেটরের জ্বালানি হিসেবে প্রধানত প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ডিজেল, এইচএফও ব্যবহার করা হয়, যা বেশ ব্যয়বহুল। ইউনিগ্যাসের এই শতভাগ প্রোপেন জেনারেটরের জ্বালানি হিসেবে ডিজেলের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি সাশ্রয়ী এবং গ্যাস-ভিত্তিক জেনারেটরগুলোতে তা সহজেই ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া প্রয়োজনীয় চাহিদা অনুযায়ী এই প্রোপেন মজুতাগারে মজুত করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

ইউনিগ্যাস

প্রাকৃতিক গ্যাস জেনারেটরের জন্য বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এই শতভাগ প্রোপেন গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে ইতোমধ্যে সব ধরনের সরবরাহ সুবিধার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইউনিগ্যাস, প্রস্তুত রয়েছে নিরাপদ ও অত্যাধুনিক পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রোপেন রোড ট্যাংকারও।

কোম্পানিটির এই উদ্যোগ প্রয়োজনীয় জ্বালানি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের চাকা গতিশীল রাখতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ইউনিগ্যাস।

এই যৌথ উদ্যোগের সফল আনুষ্ঠানিকতায় ইউনিটেক্স এলপি গ্যাস লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ডিরেক্টর (অপারেশন্স) মো. জোবায়দুল ইসলাম চৌধুরী, সিএমও মো. ফারুকুজ্জামান, হেড অব অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স মো. কামরুল হাসান, হেড অব অপারেশন্স মো. আনিসুর রহমান, আরও ছিলেন কোম্পানির টেকনিক্যাল হেড মো. আশফাক নাবিল। ডানা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদ মাসুদ, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর লে. কর্নেল (অব.) মো. আনোয়ারুল ইসলাম, টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজর শেখ তৌহিদুল ইসলাম এবং সিনিয়র জিএম রেহানা পারভিন।

ইউনিগ্যাস বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল ও বহু-মাত্রিক ইউনিটেক্স গ্রুপের অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান। এছাড়া পারফেক্ট কেয়ার লিমিটেডের মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডও ইউনিটেক্স গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। ১৯৯২ সালে স্পিনিং ও কম্পোজিট কোম্পানির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা ইউনিটেক্স গ্রুপ। সম্প্রতি সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করেছে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য প্রকল্পে। এর মধ্যে রয়েছে এইচএস কম্পোজিট, ‘ইউনিটেক্স স্পিনিং মিলস ইউনিট, স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ইউনিটেক্স জুট ইন্ডাস্ট্রি, ইউনিটেক্স স্টিল মিলস লিমিটেড, সোনালী ফাইবার ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড। এসব প্রকল্প পুরোপুরি চালু হলে দেশের অর্থনীতি গতিশীল করার পাশাপাশি, বিপুল সংখ্যক কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা করা হচ্ছে।

;

পুনরায় সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান কায়সার, ভাইস চেয়ারম্যান খালেদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আজিজ আল কায়সার ও হোসেন খালেদ ভাইস, ছবি: সংগৃহীত

আজিজ আল কায়সার ও হোসেন খালেদ ভাইস, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে আজিজ আল কায়সার ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও হোসেন খালেদ ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হলেন।

সোমবার (২৪ জুন) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক আজিজ আল কায়সার এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো ব্যাংকটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোট তিন মেয়াদে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি সিটি ব্যাংককে দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

আজিজ আল কায়সারের হাত ধরেই ২০০৮ সালে এ ব্যাংকের পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়। এই পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তিনি যেসব পরিবর্তন আনেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ব্যাংকের ব্যবসাসমূহ ও অপারেশনের কেন্দ্রীভূতকরণ, পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যাংকিং ও রিটেইল ব্যবসা চালু করা, আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ডের প্রবর্তন, ব্যাংকটির জন্য ডিজিটাল অভিমুখ প্রণয়ন, সিটিজেম প্রায়োরিটি ব্যাংকিং সেবা ও সিটি আলো নারী ব্যাংকিংসহ ঢাকা বিমানবন্দরে বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক লাউঞ্জ চালুকরণ, এসএমই ও ক্ষুদ্র লোন ব্যবসা এবং ডিজিটাল লোন প্রবর্তন, ইত্যাদি। তার নেতৃত্বে সিটি ব্যাংক সম্প্রতি দেশের প্রথম ব্যাঙ্কাসুরেন্স লাইসেন্স অর্জন করে। সেইসাথে তিনি এ ব্যাংকের চার সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড, সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড, মালয়েশিয়ায় ১৫টি শাখা সম্পন্ন সিবিএল মানি ট্রান্সফার কোম্পানি এবং সিটি হংকং লিমিটেড স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে শুধু গত পাঁচ বছরেই ব্যাঙ্কের নিট মুনাফা বেড়েছে প্রায় তিনগুণ ২০১৮ সালের ২২২ কোটি টাকা থেকে এ মুনাফা ২০২৩ সালে ৬৩৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। একই সময়ে ব্যাংকের রিটার্ন অন ইক্যুইটি ৮.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৭.৭ শতাংশতে পৌঁছায়। এ সময়ের মধ্যে সিটি ব্যাংক টানা তিন বছর বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ‘শীর্ষ টেকসই ব্যাংক’ রেটিংয়েও ভূষিত হয়।

আজিজ আল কায়সার বর্তমানে পারটেক্স স্টার গ্রুপের পরিচালক এবং এর বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া তিনি মালয়েশিয়ায় সিটি ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএল মানি ট্রান্সফারের চেয়ারম্যান হিসেবেও নিয়োজিত আছেন।

অন্যদিকে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হওয়া হোসেন খালেদ দেশের একজন সুপরিচিত ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব। তিনিও এ ব্যাংকের একজন অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক। যুক্তরাষ্ট্রের টলেডো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক করার পরে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এঅ্যান্ডএম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের ওপর তিনি এমবিএ করেন এবং ২০০০ সালে পারিবারিক ব্যবসা আনোয়ার গ্রুপে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি গ্রুপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে এই শিল্পগোষ্ঠীকে দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করছেন। তিনি ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আজ পর্যন্ত সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসেবে মোট চার মেয়াদে এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশে অন্ট্রেপ্রেনার অর্গানাইজেশন বা ইও-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি সিটি ব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড ও সিটি হংকং লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং একইসাথে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির আহ্বায়ক।

;

ইসলামী ব্যাংকের অডিট বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইসলামী ব্যাংকের অডিট বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের অডিট বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমির (আইবিটিআরএ) আয়োজনে ‘অডিটিং ফর অ্যাচিভিং এক্সিলেন্স ইন ব্যাংক’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। আইবিটিআরএ-এর প্রিন্সিপাল মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালার বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী ও জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান মিজি ও মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী।

ব্যাংকের অডিট অ্যান্ড ইনস্পেকশন ডিভিশনের ১০৫ জন নির্বাহী ও কর্মকর্তা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

;

নগদের জমি জিতলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী আলাউদ্দিন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি আলাউদ্দিন ‘নগদে জমি’ ক্যাম্পেইনে পঞ্চম প্লট জিতে নিয়েছেন। দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে তিনি জিতে নিয়েছেন এই পুরস্কার।

সম্প্রতি নগদের ডেপুটি চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ সোলাইমান ও জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ মালয়েশিয়া গিয়ে নগদের প্লটের কাগজপত্র আলাউদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করেন। নগদের জমি ক্যাম্পেইনে প্রবাসী কারো কাছে জমি হস্তান্তর এটাই প্রথম। এই ক্যাম্পেইনে আটজন ভাগ্যবান বিজয়ী এই প্লট উপহার পাবেন, আলাউদ্দিন ছিলেন পঞ্চম বিজয়ী। ইতিমধ্যে নগদের জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ও সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান নগদের হয়ে কয়েকজন বিজয়ীর হাতে নগদের প্লট বুঝিয়ে দিয়েছেন।

নগদের এই ক্যাম্পেইনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নিতে পারবেন। সরকার ঘোষিত ইনসেনটিভের বাইরে কেউ দেশে সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা নগদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে জিতে নিতে পারেন ঢাকায় একটি প্লট।

মুন্সিগঞ্জের অধিবাসী আলাউদ্দিন মালয়েশিয়ায় একটি সেবাদাতা কোম্পানিতে চাকরি করেন। তিনি দেশে তাঁর মায়ের নগদ অ্যাকাউন্টে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লীতে নগদের জমি জিতে নিয়েছেন। নগদের জমি জেতার খবরে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারেননি আলাউদ্দিন। খবর শোনার সাথে সাথে তিনি তাঁর মায়ের কাছে ফোন করেন এবং নগদের জমি জেতার খবর জানান। ঢাকায় একখ- জমির মালিক হওয়ায় নগদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আলাউদ্দিন।

জমি হস্তান্তরের বিষয়ে নগদের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সিহাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘রেমিট্যান্স পাঠানো মানুষেরা আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বড় অবদান রাখেন, তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম একটি পিলার। প্রবাসীদের সম্মান জানানোর একটি ছোট্ট প্রয়াসের অংশ আমাদের এই মেগা ক্যাম্পেইন। একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধাকে জমি হস্তান্তর করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

পুরো ক্যাম্পেইন জুড়ে মোট আটটি জমি বিজয়ী গ্রাহকদের উপহার দেবে নগদ। ঈদ উৎসবকে সামনে রেখে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জমি জেতার অফার নিয়ে আসে নগদ। এই ক্যাম্পেইনে নগদের সাথে জমির জন্য ল্যান্ড পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী লিমিটেড। এই ক্যাম্পেইনে মাত্র তিন ধাপে ঢাকায় জমি জেতার সুযোগ পাচ্ছে গ্রাহকেরা। এছাড়াও তালিকায় আছে শতাধিক মোটরবাইক, টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি, স্মার্টফোন, স্মার্ট ওয়াচসহ ২০ কোটি টাকার পুরস্কার।

জমি জেতার এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে তিনটি কাজ করতে হবে। প্রথমত নগদে কমপক্ষে ৫০০ টাকার লেনদেন অথবা কমপক্ষে ১০০ টাকার মোবাইল রিচার্জ বা ব্যাংক থেকে নগদে ১,০০০ টাকা অ্যাড মানি করতে হবে। এ ছাড়া বিদেশ থেকে পাঠানো ৫,০০০ টাকা বা তার বেশি (সরকারি প্রণোদনা ব্যতীত) রেমিট্যান্স নগদে গ্রহণ করেও এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সাথে সাথে এই ব্যবহারকারী এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার উপযুক্ত হয়েছেন বলে একটি মেসেজ পাবেন। সে ক্ষেত্রে তাকে তিনজনের একটি দল গঠন করতে হবে। এদের সবার নগদ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এরপর দলের সবাই ক্যাম্পেইন জুড়ে নগদে নিয়মিত লেনদেন করলেই জমি জেতার সুযোগ পাবেন।

;