বাজেট সহায়তা ও অনুদান মিলে এএফডি দেবে ৩৮৮২ কোটি টাকা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাজেট সহায়তা হিসেবে ফ্রান্সের উন্নয়ন সংস্থা এএফডি আগামী তিন বছরে বাংলাদেশকে মোট ৩০ কোটি ইউরো বাজেট সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।

এর বাইরে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের কারিগরি দক্ষতা বাড়াতে অনুদান হিসেবে আরও ৫০ লাখ ইউরো অনুদান দেবে সংস্থাটি।

ঋণ ও অনুদান মিলে ৩০ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৩ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা ছাড় করতে সোমবার সরকারের সঙ্গে একটি ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট সই করেছে ফ্রান্সের সংস্থাটি।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং এএফডি বাংলাদেশ অফিসের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর Cecilia CORTESE নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত Marie MASDUPUY উপস্থিত ছিলেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ইআরডি।

ইআরডির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাজেট সহায়তা সুনির্দিষ্ট কিছু শর্তের অনুকূলে ছাড় হলেও এই খাতের অর্থ সরাসরি সরকারের ট্রেজারিতে জমা হয়। প্রকল্পের বাইরেও যে কোনো খাতে এই অর্থ ব্যয় করার সুযোগ থাকে।

রাজস্ব আহরণে ব্যর্থতায় তীব্র আর্থিক সংকট ও বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে ঘাটতির মধ্যে এই ধরনের সহায়তা সংকট মোকাবেলায় বড় ধরনের সহায়ক ভূমিকা রাখে বলে তারা জানিয়েছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিন বছরের বাজেট সহায়তার প্রথম কিস্তির ১০ কোটি ইউরো আগামী জুনের মধ্যে দেওয়া হবে। এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের তহবিলে যোগ হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা।

ইআরডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জলবায়ু সংক্রান্ত জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা, ন্যাশনাল ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশনস (NDC) এবং মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক অভিঘাতের বিরুদ্ধে কার্যকর ও শক্তিশালী ভিত্তি প্রস্তুত করার লক্ষে তিন বছরের প্রকল্পটি নেয়া হচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলবায়ু-সহিষ্ণু ও স্বল্প কার্বন নিঃসরণভিত্তিক অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করা হবে বলেও জানিয়েছে ইআরডি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ফরাসি সরকারের দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহায়তা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থা এএফডি ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। সংস্থাটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবহন ও যোগাযোগ এবং স্বাস্থ্য ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহায়তা দিচ্ছে।

বাংলাদেশে চলমান ১১টি প্রকল্পে মোট ১১৪ কোটি ১৯ লাখ ইউরো সহায়তা দিচ্ছে এএফডি। এর মধ্যে ১.১২ মিলিয়ন ইউরো ঋণ আর ১ কোটি ৯৯ লাখ ইউরো অনুদান রয়েছে।

   

বাংলাদেশকে ৯০ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জলবায়ু সহনশীল প্রবৃদ্ধি, শহরাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আর্থিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক খাতে নীতিমালা জোরালো করতে বাংলাদেশকে ৯০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। যা বাংলাদেশি টাকায় ১০ হাজার ৫৫২ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১১৭.২৫ টাকা ধরে)।

বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড শুক্রবার (২১ জুন) এ ঋণের অনুমোদন দেয়। শনিবার (২২ জুন) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে। নতুন অর্থায়ন বাংলাদেশকে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহায়তা করবে, একটি হচ্ছে আর্থিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্যটি উচ্চ মধ্যম-আয়ের দেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

আরও বলা হয়, দুই কিস্তি ঋণের শেষ কিস্তি হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সংস্কারের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের গতি বাড়াবে।

এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট এবং এই প্রোগ্রামের টাস্ক টিম লিডার বার্নার্ড হ্যাভেন বার্তায় বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়াদের জন্য অর্থের অ্যাক্সেস উন্নত করতে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো কার্যকরী আর্থিক খাত গুরুত্বপূর্ণ।

সরকার বাহ্যিক ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংস্কার এবং আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করার জন্য একটি নতুন আইনি কাঠামো গ্রহণ করেছে। যা ব্যাংক পুনরুদ্ধার কাঠামোকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

কম মূলধনী ব্যাংকগুলোকে সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য একটি দ্রুত সংশোধনমূলক কর্মকাঠামো বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে। এটি অর্থনৈতিক মন্দা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের রক্ষা করে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকেও শক্তিশালী করবে বলে জানান তিনি।

;

ওপেক ফান্ডের ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ পেল সিটি ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিটি ব্যাংক সম্প্রতি আন্তর্জাতিক উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত দি ওপেক ফান্ড-এর সঙ্গে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এক ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

দেশের আমদানি ও রফতানি কোম্পানিগুলিকে, বিশেষ করে কৃষি ও গ্রিন এনার্জি খাতে অর্থায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সহায়তার জন্য এ অর্থ ব্যবহার করা হবে। বাংলাদেশের কৃষি ও গ্রিন এনার্জি পণ্যের প্রসারের উদ্দেশ্যে ভিয়েনায় ওপেক ফান্ডের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার শেখ মোহাম্মদ মারুফ এবং ওপেক ফান্ড-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক আলনাসার এই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

আলনাসার বলেন, ‘ওপেক ফান্ড সিটি ব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের আমদানিকারকদের বাণিজ্য অর্থায়ন সুবিধা দিয়ে সরবরাহ চেইন নির্বিঘœ রেখে পণ্যের প্রবাহকে সুলভ ও সহজতর করবে। এতে করে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার চাপ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব হবে। ওপেক ফান্ড আমদানি ও রফতানি প্রতিষ্ঠানগুলিকে সহায়তা করবে, বিশেষ করে কৃষি ও গ্রিন এনার্জি শিল্পের সঙ্গে যারা রয়েছেন, তাদের আমদানি অর্থায়নকে আরো সহজ ও সাশ্রয়ি করবে।

সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ বলেন, ‘ওপেক ফান্ডের সঙ্গে এই কৌশলগত অংশীদারিত্বে আমরা আনন্দিত। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে সিটি ব্যাংকের যে অঙ্গীকার, আমাদের সঙ্গে ওপেকের এই সহযোগিতার সম্পর্ক তাকে আরও শক্তিশালী করবে। ওপেক ফান্ডের দেয়া এই বাণিজ্য আর্থিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের আমদানি ও রফতানির সাথে সম্পৃক্ত কোম্পানিগুলিকে, বিশেষ করে কৃষি এবং গ্রিন এনার্জির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতকে আরও সুলভ ও সক্ষম করে তুলতে পারবো। এই লক্ষ্য অর্জনে ওপেক ফান্ডের সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে ।

ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ওপেক ফান্ড) হচ্ছে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একমাত্র আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, যেটি তার সদস্য দেশগুলি থেকে সদস্য নয় এমন দেশগুলিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই সংস্থাটি বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে উন্নয়নশীল দেশের অংশীদার এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় কাজ করে যাচ্ছে।

;

বিশ্বব্যাংক টাকা দেয়, তাদের কথা শুনতে হবে: অর্থমন্ত্রী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর বিশ্বব্যাংক বলেছে, ‘বাংলাদেশ ভালো আছে'! বিশ্বব্যাংক যা বলবে, তা আমাদের শুনতে হবে। কারণ, তারা আমাদের টাকা দেয়। আমাদের টাকা লাগবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত 'বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, বাজেট ঘোষণার পরপরই বিরোধীদল বলে ওঠে, গেল, গেল! এ সরকার টিকবে না! কই, সরকার তো পড়ে না! দেশ তো দেউলিয়া হলো না! বিশ্বব্যাংক কিছু বোঝে না! আপনি সবকিছু বোঝেন!

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট ঘোষণার পর বিশ্বব্যাংক বলেছে, বাংলাদেশ ভালো আছে। বিশ্বব্যাংক যা বলবে, তা আমাদের শুনতে হবে। কারণ, তারা আমাদের টাকা দেয়। আমাদের টাকা লাগবে।

প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জনবান্ধব’ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান বলেন, এটা প্রস্তাবিত বাজেট। এ বাজেট ‘জনবান্ধব’! কোনো কিছু পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকলে পুনর্বিবেচনা করা হবে। বাজেট এখনো পাস হয়নি।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিসংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাজ্জাদুল হাসান। এতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি গবেষণা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

;

এবারের বাজেট 'পরিণত সাহসী' বাজেট



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে 'পরিণত সাহসী' বাজেট বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত 'বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫' শীর্ষক সেমিনারে মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

ড. শামসুল আলম বলেন, মুদ্রাস্ফীতির কারণে এবারের বাজেট হওয়ার কথা ছিল ৯ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা। সেখানে এবার বাজেট সংকুচিত করে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার বাজেট সংকুচিত করা হয়েছে। টাকার সরবরাহ কমলে মূল্যস্ফীতি কমবে। এবারের বাজেটে কৃপণতা দেখানো হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাজ্জাদুল হাসান। এতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি গবেষণা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

;