সোনারগাঁও হোটেলে শুরু হলো থাই বাণিজ্য মেলা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪, ঢাকায় শুরু হয়েছে ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস-২০২৪’ বাণিজ্য মেলা

ছবি: বার্তা২৪, ঢাকায় শুরু হয়েছে ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস-২০২৪’ বাণিজ্য মেলা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকায় শুরু হলো ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস-২০২৪’ বাণিজ্য মেলা।

বুধবার (১০ জুলাই) বেলা আড়াইটায় প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে এ মেলার উদ্বোধন করেন শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন।

এ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত থাই রাষ্ট্রদূত মাকাওয়াদে সুমিতমোর এবং থাই ট্রেড সেন্টারের মিনিস্টার কাউন্সিলর খেমাতাত আরচাওয়াথাম্রং।

থাইল্যান্ড সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড প্রোমোশন (ডিআইটিপি)-এর উদ্যোগে এ মেলায় আয়োজন করা হয়েছে। ১০ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

থাইল্যান্ড ট্রেড ফেয়ার উভয় দেশের জন্যই একটি ফলপ্রসূ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশ থেকে অনেকেই এই মেলার মাধ্যমে থাইল্যান্ড থেকে তাদের ব্যবসা খুঁজে নিতে সমর্থ হন।

এ মেলায় ৬৪টি থাই প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশে থাই পণ্যের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। মেলায় খাদ্যপণ্য, জুয়েলারি, স্বাস্থ্যসেবা, প্রসাধনী, বেডিং, স্পা, ইলেক্ট্রনিকস যন্ত্রপাতি, টেক্সটাইল, অন্তর্বাস, স্টেশনারি, গৃহস্থালি পণ্যসহ নানান ধরনের বিশ্বমানের থাই পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।

থাই সংস্কৃতির সঙ্গে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দিতে মেলায় থাকবে থাই নৃত্য এবং ব্যবসায়িক সভা। সেইসঙ্গে আরো থাকছে, র‍্যাফেল ড্র। এতে ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা বিমান টিকিট জেতার সুযোগ রয়েছে।

কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে জরিমানা করবে না ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় অনেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের বিল, ঋণের বকেয়া ও বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিম দিতে পারেননি। তবে এই বিলম্বের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে জরিমানা আদায় না করতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (২৪ জুলাই) পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে অনেক ঋণগ্রহীতা ও ক্রেডিট কার্ড গ্রাহক ব্যাংকে তাদের বকেয়া অর্থ নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে সক্ষম হননি। এ ছাড়া অনেক আমানতকারী ডিপোজিট পেনশন স্কিমসহ (ডিপিএস) বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে পারেননি। এমন প্রেক্ষাপটে ১৮ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত পরিশোধযোগ্য ঋণের বকেয়া অর্থ পরিশোধ, ক্রেডিট কার্ডের বিল এবং ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা কার্যকর হবে।

আরও বলা হয়েছে, ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের পরিশোধযোগ্য অর্থ ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে এই বকেয়া অর্থের ওপর কোনো প্রকারের সুদ বা মুনাফা এবং দণ্ড সুদ, অতিরিক্ত সুদ, অতিরিক্ত মুনাফা, বিলম্ব ফি কিংবা জরিমানা (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আদায় বা আরোপ করা যাবে না। ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি গ্রাহক কর্তৃক ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে এর ওপর কোনো ধরনের বিলম্ব ফি বা জরিমানা আদায়/আরোপ করা যাবে না।

নির্দেশনায় বলা হয়, এই সময়ে কোনো সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি পরিশোধে গ্রাহক ব্যর্থ হলে তা বন্ধ বা বাতিল করা যাবে না এবং পূর্বঘোষিত হারের তুলনায় কম সুদ অথবা মুনাফা প্রদান করা যাবে না। এ ছাড়া ইতিমধ্যে কোনো ঋণ বা ক্রেডিট কার্ডের ওপর সুদ বা মুনাফা ও দণ্ড সুদ বা বিলম্ব ফি এবং ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের ওপর কোনো প্রকারের বিলম্ব ফি বা জরিমানা আদায় অথবা আরোপ করা হয়ে থাকলে, তা ফেরত দিতে অথবা সমন্বয় করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, এই সময়ে অনেকে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে চাইলেও পরিস্থিতির কারণে পারেননি। ফলে এই সময়ের দায় কোনোভাবে তাঁদের ওপর পড়তে পারে না। এ জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

;

জরুরি পরিস্থিতিতে সেবা নিশ্চিত করেছে নগদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নগদের লগো, ছবি: সংগৃহীত

নগদের লগো, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের জরুরি পরিস্থিতিতে প্রায় সব ধরনের আর্থিক সেবা যখন বিঘ্নিত হচ্ছে, তখন একমাত্র নগদ তার গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করেছে। অধিকাংশ আর্থিক সেবা যখন কাজ বন্ধ রেখেছে, তখন একমাত্র ভরসা হয়ে ছিল নগদ। ইন্টারনেট না থাকায় অ্যাপ কাজ করেনি। কিন্তু *১৬৭# ডায়াল করে বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ-আউট, ক্যাশ-ইনসহ অন্যান্য সকল লেনদেনের সেবা নিয়েছেন কয়েক কোটি গ্রাহক। অন্যদিকে ইন্টারনেট সংযোগ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপের লেনদেন শুরু হয়েছে। সেখানেও স্বাচ্ছন্দ্যে লেনদেন করতে শুরু করেছেন গ্রাহক।

ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। প্রচলিত ব্যাংকিং সেবা বিঘ্নিত হয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় মোবাইল রিচার্জ করার পদ্ধতিও বন্ধ ছিল। এ অবস্থায় মোবাইল রিচার্জ, বিল পেমেন্ট ও টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল নগদ।

মহল্লায় মহল্লায় এ সময়ে নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা গেছে। নগদ উদ্যোক্তা পয়েন্টের সামনে দীর্ঘ লাইন ধরে মানুষ ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট এবং বিল পেমেন্টের জন্য অপেক্ষা করেছেন। নগদে ক্যাশ ইন করে সেখান থেকে মোবাইল রিচার্জ করেছেন লোকেরা।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বিশেষ তৎপরতা চালিয়ে প্রয়োজনীয় সকল সেবা চালু রাখতে পেরেছে নগদ। অ্যাপ ছাড়াই ইউএসএসডির মাধ্যমে বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, সেন্ড মানিসহ প্রয়োজনীয় সকল সেবা সচল রাখতে দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছে নগদের টেকনোলজি টিম। কারফিউর মধ্যেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই রাতদিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করেছে নগদের টেকনোলজি টিমের সদস্যরা। এক মুহূর্তের জন্যও তারা নগদের সেবা বন্ধ হতে দেননি।
যার ফলে এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নগদের তিন লাখ উদ্যোক্তা পয়েন্ট ছাড়াও শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চারদিনে চার কোটি অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি গ্রাহক নগদের সেবা গ্রহণ করেছেন।

প্রতিকূল সময়েও এক মিনিটের জন্যও যেন গ্রাহকের সেবায় বিঘœ না ঘটে সেটি নিশ্চিত করা হয় বলে জানান, নগদের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এ মিশুক। তিনি বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকের জরুরি প্রয়োজনে পাশে থাকাটাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছিল নগদ। আমরা নিশ্চিত করেছি যে, একটা সেকেন্ডের জন্যও যেন নগদের সেবা বন্ধ না থাকে। কারণ আমরা মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে দিতে চাইনি। তারা নগদ থেকে মোবাইল রিচার্জ করে ফোনে কথা বলেছেন। বিল পেমেন্ট করে নানান নিত্যদিনের নানান প্রয়োজীয় সেবাকে চালু রেখেছেন। এসব নিশ্চিত করার জন্য আমাদের কর্মীরা নিরলস কাজ করেছেন।”

;

ব্যাংকে গ্রাহকদের উপচেপড়া ভিড়



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
টানা কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর চালু হয়েছে ব্যাংকিং সেবা, ছবি: বার্তা২৪.কম

টানা কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর চালু হয়েছে ব্যাংকিং সেবা, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টানা কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর চালু হয়েছে ব্যাংকিং সেবা। কারফিউ জারি শিথিল থাকা অবস্থায় বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত চলছে লেনদেন।

বুধবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকেই ব্যাংকগুলোর সামনে দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবি) এর ধানমন্ডি শাখার সামনে গ্রাহক ও ব্যাংক স্টাফদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

নতুন ব্যাংকিং আওয়ার শুরু হওয়ার আগেই সাতমসজিদ রোড, মিরপুর রোড়ে অবস্থিত বিভিন্ন ব্যাংকের সামনে ভিড় দেখা গেছে। নিরাপত্তার কারণে গেট খুলে না দেওয়ায় রাস্তার গ্রাহকদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে কমপ্লিট শাটডাউন (সবকিছু বন্ধ) কর্মসূচির ডাক দেয়। ওই দিন থেকেই ব্যাংকিং সেবা ব্যাহত হতে শুরু করে। এরপর শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় অনেকেই রোববার কর্ম দিবসের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু তার আগেই পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে সরকার সারাদেশে কারফিউ জারি করে।

এতে করে জরুরি প্রয়োজনে একমাত্র ভরসা ছিল এটিএম বুথ। কিন্তু ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকা ও সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে সেখানেও হতাশ হতে হয় অনেককে। বেশিরভাগ এটিএম বুথই ছিল সেবার বাইরে। এতে করে মানুষের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। তাই আজকে সুযোগ পেয়ে ব্যাংক আওয়ার শুরুর আগেই ব্যাংকের সামনে ভিড় করছেন গ্রাহকরা।

;

বিলম্ব মাশুল ছাড়া জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল জমা দেওয়া যাবে!



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) শর্ত সাপেক্ষে বিলম্ব মাশুল ছাড়া জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল জমা দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। যাদের বিল জমাদানের তারিখ ২০ জুলাই এবং তারপরে ছিল।

সেইসব গ্রাহকরা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বিলম্ব মাশুল ছাড়া বিদ্যুৎ বিল জমা দিতে পারবেন বলে ডেসকো জানিয়েছে।

১৯ জুলাই সকাল থেকেই মোবাইল ডাটা কাজ করছিল না, সন্ধ্যার পর ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের প্রিপেইড মিটার গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়ে যান। সারাদেশে অনেক গ্রাহকের ব্যালান্স শেষ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

একদিকে রাস্তায় রাস্তায় আন্দোলকারীদের ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ কারফিউ জারি অন্যদিকে বাসায় বিদ্যুৎ ক্ষেত্র বিশেষে গ্যাস না থাকায় অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার লাখ লাখ গ্রাহক। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, তাদের কার্ড রিচার্জ করতে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর‌্যন্ত লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য মতে সারাদেশে আড়াই কোটি গ্রাহক প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করেন।

বিদ্যুতের অফিসগুলোতে হাজার-হাজার গ্রাহকের ভিড় বাড়তে থাকে। ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় অফিসের লোকজনের। অন্যদিকে ম্যানুয়ালি রিচার্জ করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা ক্ষুব্ধ করে তোলে গ্রাহকদের। ঢাকাসহ সারাদেশের বিদ্যুৎ অফিসগুলোর সামনে লম্বা সারি দেখা যায়। বিদ্যুৎ বিভাগ ইমারজেন্সী ব্যালান্স সিঙ্গেল ফেজ ৩ হাজার টাকা ও থ্রি ফেজ ৫ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত দিলে কর্মীদের কাজ কিছুটা। সেই ব্যালেন্স বাড়িয়ে নিতে গেলেও অফিসে যেতে হয়েছে। এছাড়া বিকাশ *২৪৭# জিপি *৭৭৭# নগদ *১৬৭# উপায় *২৬৮# ডেসকো, নেসকো, ওজোপাডিকো ও ডিপিডিসির ইমারজেন্সী ব্যালান্স বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যদিও সেখানে দুর্ভোগের কমতি ছিল না। এই পাওয়া যায়তো এই নেই অবস্থা।

;