মন্ত্রী-এমপিরা নির্বাচনের ক্যাম্পেইনে যাবে না: কাদের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কোনো মন্ত্রী-এমপি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে ক্যাম্পেইনে যাবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

কয়েকজন এমপি প্রচারে যাচ্ছেন, এ বিষয়ে ভবিষ্যতে কোনো মেসেজ আছি কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা কেউই ক্যাম্পেইনে যাচ্ছে না। আমরা এটা থেকে তাদের বিরত করব। কেউ ক্যাম্পেইন করতে পারবে না। ইলেকশন কমিশনের যে আচরণ বিধি সেটা আমরা লঙ্ঘন করতে দেবো না। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো। নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে থাকা এমপি-মন্ত্রী পরিচালনা কমিটি তো ক্যাম্পেইনে যাচ্ছে না। তারা ক্যাম্পেইন না করলে অসুবিধা কি।

এমপি মন্ত্রীরা নির্বাচনের কোনো কার্যক্রমেই অংশ নিতে পারবেন না নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের এমন মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, মাহবুব তালুকদার বলেছেন মন্ত্রী-এমপিরা প্রচারণায় যাবে না, আমরা কেউ ক্যাম্পেইনে যাবো না। কমিশনের আচরণ বিধি আমরা ভালো করেই জানি। আচরণ বিধি লঙ্ঘন হবে না এটা বলতে পারি। যদি কেউ করে অবশ্যই আমরা তাকে অ্যালাউ করব না। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন করুক। আমি বার বার বলছি সরকারি দল নির্বাচনে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। আমরা সহযোগিতা করব, যাতে ভালো নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়। জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দিতে পারে। সেখানে নির্বাচন কমিশনকে ফেসিলেটেড করা সরকারের দায়িত্ব। এবং সরকার সেটা করে যাবে। আমাদের দল নির্বাচনের আচরণ বিধি মেনে চলবে।

শেখ ফজলুল করিম সেলিম আচরণ বিধিমালার এই নিয়ম পরিবর্তনের জন্য কমিশনকে অনুরোধ জানাবেন বলেছেন- এ বিষয় তিনি বলেন, এটা তিনি পারসোনালি বলতে পারেন। কিন্তু আমরা দলীয়ভাবে এ ধরনের কোনো দাবি নির্বাচন কমিশনের কাছে করিনি।

বার্ধক্যজনিত কারণে বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা যুবকের মতো হওয়ার কথা নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে তার দলের লোকেরা ও পরিবারের লোকেরা যা বলে তার সঙ্গে চিকিৎকদের বিবৃতির মিল নেই। কাজেই তার চিকিৎসার বিষয় চিকিৎসদের ব্যাপার। আমি যতো আপন লোকই হই চিকিৎসার কি বুঝবো। সেখানে পরিবার বা দলের লোক চিকিৎসার কি বুঝবে। চিকিৎসা সম্পর্কে যারা বুঝে তারা হলো চিকিৎসক।

তিনি বলেন, চিকিৎসকদের যে বোর্ড সেখানে বিএনপির লোকও আছে। তারা তো বলছে না বেগম জিয়ার অবস্থা এতোটা খারাপ। যতোটা দলের লোকেরা বলছেন। আমার কাছে মনে হয় বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে বিএনপির যতোটা রাজনীতি করছে বাস্তবে তার শারীরিক অবস্থা ততোটা খারাপ না।

আপনার মতামত লিখুন :