স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ আ.লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ আ.লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ আ.লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের সমর্থনে এবারও প্রার্থী হওয়া আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন ওই ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র প্রার্থী জহিরুল ইসলাম ভুইয়া ভুট্টু।

শনিবার (১১ জানুয়ারি) দক্ষিণ সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেনের কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেন তিনি। চিঠির অনুলিপি ডিএসসিসির সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সারমিনা সাত্তারের কাছে পাঠানো হয়।

অভিযোগে ভুট্টু বলেন, ‘আমি শান্তিপুর স্কুল কমিটির সভাপতি। স্কুলের মিটিং চলাকালে আমাকে ডেকে নিয়ে আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসী আমার ওপর হামলা চালায়। আমাকে কিলঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। আমি স্কুলের ভেতরে আশ্রয় নিলে কয়েকশ লোক স্কুল ঘিরে ফেলে এবং আমি প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে আমাকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমার ছেলে মিফতাহুল ইসলামকেও মারধর করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমার ছেলেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।’

সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তিনি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার সহযোগিতা কামনা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জহিরুল ইসলাম ভুইয়া ভুট্টু বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমি দুপুরে শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার পর কয়েকজন লোক এসে বলে আনিস ভাই ডাকে, পরে দেখি তার সঙ্গে দেড় থেকে ২০০ লোক। সে হাত মেলানোর পর কালা মাহবুব পিচ্চি রুবেলসহ কয়েকজন আমাকে ধরে বসল। এ সময় আমাকে বলে তুই নির্বাচন থেকে সরবি কিনা। আমার ছোট ছেলে আসার পর তাকেও মারধর করে তারা। এতে আমার ছেলে আহত হয়। পরে আমি দৌড়ে পালিয়ে যাই। এ সময় শুনি ওরা কেউ বলছে ওকে গুলি কর। পরে দেখলাম কোমর থেকে অস্ত্র বের করছিল। আমার কাছে সিসিটিভি ফুটেজ আছে। আমি থানায় মামলা করছি।’

অভিযোগের বিষয়ে ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আনিসুর রহমান বলেন, ‘শনিবার যুবলীগ সভাপতি ফজলে শামস পরশ গিয়েছিলেন তার নির্বাচনী প্রচারণায়। প্রচারণায় তার বিপুল সংখ্যক কর্মী-শুভাকাঙ্ক্ষী অংশ নেন। কিন্তু হঠাৎ করেই জহিরুল ইসলাম তাদের প্রচারণায় ঢুকে তার পক্ষে ভোট চাইতে শুরু করেন। এ জন্য তার লোকজন তাকে সেই মিছিল থেকে ধরে বের করে দেন। এর বাইরে কোনো ঘটনা ঘটেনি। তাকে বা তার ছেলেকে কেউ কিছু বলেনি। সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করেছেন তিনি।’

এদিকে, এ ঘটনায় ২ নং সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আনিসুর রহমানকে (ঘুড়ি প্রতীক) আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।