‘নব্বই শতাংশ নিশ্চিত ‘গোর’ অস্কারে মূল প্রতিযোগীতার জন্য মনোনীত হবে’



পার্থিব স্বর্গ, বার্তা ২৪.কম
নির্মাতা গাজী রাকায়েত ও ‘গোর’-এর পোস্টার

নির্মাতা গাজী রাকায়েত ও ‘গোর’-এর পোস্টার

  • Font increase
  • Font Decrease

ইংরেজী ভাষা এবং অস্কার সার্টিফাইড আন্তর্জাতিক হলে মুক্তি পাওয়ার শর্ত পুরণের মধ্য দিয়ে অস্কারের সাধারণ প্রতিযোগীতা বিভাগে লড়ার জন্য জমা পড়েছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘দ্য গ্রেভ’। যার বাংলা সংস্করণ ‘গোর’ ২০২০ সালে মুক্তি পেয়েছিলো বাংলাদেশে। এছাড়াও চলতিবছর উত্তর হলিউডের ‘লেমলে নহো’ প্রেক্ষাগৃহে বানিজ্যিকভাবে মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটির নির্মাতা, কাহিনীকার ও অভিনেতা গাজী রাকায়েত জানিয়েছেন, ৯০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে সিনেমাটি নমিনেশনের মুল প্রতিযোগীতায় টিকে যাওয়ার।


অস্কারে ছবি জমা দেওয়ার গল্পটা বলুন...
‘গোর’ নির্মাণের সময় থেকেই আমার প্রত্যাশা ছিলো সিনেমাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রদর্শিত হোক। ফলে, আমি নির্মাণের সময়ই বাংলা এবং ইংরেজী দুটি ভাষাতেই সিনেমাটি নির্মাণ করি। বাংলায় এর নামকরণ হয় ‘গোর’ আর ইংরেজীতে ‘দ্য গ্রেভ’। পরবর্তীতে আমি সুযোগ খুঁজতে থাকি কী করে বৈশ্বিক সভায় ‘দ্য গ্রেভ’-এর উপস্থাপন সম্ভব হবে। তখন আমি জানতে পারি ইংরেজী ভাষার চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে ওদের নিদৃষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করে সাধারণ বিভাগে প্রতিযোগীতার জন্য চলচ্চিত্র জমা দেওয়ার সুযোগ আছে। আমি সব শর্ত পুরণ করে জমা দেই। এবং প্রতিযোগীতায় জমা পড়ার যোগ্য বিবেচনায় এটিকে গ্রহণ করা হয়।


‘দ্যা গ্রেভ’ অস্কারে মনোনীত হতে কতটুকু আশাবাদী আপনি?
এখন শর্ট লিস্টের জন্য অপেক্ষা। আগামী বছরের শুরুর দিকে সেই সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশিত হলেই কেবল আমরা জানতে পারবো ‘দ্য গ্রেভ’ কিংবা ‘রেহানা মারিয়াম নূর’ মুল নমিনেশন প্রতিযোগীতার জন্য মনোনীত হলো কিনা। তবে তাদের সাথে আমার এখন পর্যন্ত যে ধরনের মেইল আদান প্রদান হয়েছে তাতে আমি নব্বই শতাংশ নিশ্চিত হয়েছি চলচ্চিত্রটি প্রতিযোগীতার জন্য মনোনিত হবে। শর্টলিস্ট এলে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে জেনারেল ক্যাটাগরিতে এভাবে বাংলাদেশের কোনো চলচ্চিত্র আগে জমা পড়েনি। আসলে এভাবে ছবি জমা দেওয়া সম্ভব এটাই অনেকে জানেনই না।

আপনি বলছেন, শুরু থেকেই ইচ্ছে ছিলো এটিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে যাওয়ার। কী আছে দ্য গ্রেভ চলচ্চিত্রে যা সারা পৃথিবীকে দেখাতে হবে? এবং সেখানে বাংলাদেশকে কতটা প্রতিনিধিত্ব করবে এই সিনেমা?
দেখুন আমাদের অবস্থা অনেকটা টিনের তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধ করতে চাওয়ার মত। লাখ লাখ ডলার দিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রের বিপরীতে আমরা সামান্য বাজেটের সিনেমা নিয়ে প্রতিযোগীতা করতে চাইছি। মানতে হবে আমাদের হাজারও সীমাবদ্ধতা। তবে আমাদের শক্তিও আছে। সেটি আমাদের গল্প ও নির্মাণ ভাবনা। ‘দ্য গ্রেভ-এরও সবচেয়ে শক্তিশালী দিক এর স্টোরি লাইন আপ।

২২ বছর আগে আমি ‘গোর ’নামের টেলিভিশন নাটক বানিয়েছিলাম। তখন থেকেই এটিকে চলচ্চিত্র রুপায়ণের স্বপ্ন নিয়ে ঘুরেছি। এর কাহিনী অভিনয় এবং নির্মাণ একই সাথে আমার করা। মানে দীর্ঘদিন ধরে ‘দ্য গ্রেভ’কে আমার ভেতর লালন পালন করেছি। তাকে পরিণত হতে দিয়েছি। আমার আগের চলচ্চিত্র ‘মৃত্তিকা মায়া’র সফলতা আমাকে আত্মবিশ্বাস এনে দেয় এটি নির্মানের। পাশাপাশি সিনোমাটোগ্রাফী এবং সাউন্ড দুটোতেই আন্তর্জাতিক মান ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। নাহলে আস্কারে জমা দেওয়া সম্ভব হতো না।

আমি বলবো অভিনয়ও এর আরেকটা শক্তির দিক। এবং দিন শেষে এটি বাংলাদেশের সিনেমা। এখানে একটি চরিত্র আছে যে পায়ে হেটে বাংলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘোরে। তার পিছি পিছে ‘দ্য গ্রেভ’-এর দর্শকরাও সারা বাংলাদেশের রুপ-কৃষ্টি-প্রকৃতি দেখে নেবে একটি চলচ্চিত্রেই । ফলে ‘দ্য গ্রেভ’ বাংলাদেশেরই প্রতিনিধিত্ব করবে।

যেহেতু এটি জমা পড়েছে প্রতিযোগীতার জন্য এখন আমার প্রত্যাশা থাকবে মনোনয়ন বিভাগ নিয়ে। এটা ভেবে আনন্দ লাগছে বিশ্বের সেরা দশ হাজার চলচ্চিত্র বোদ্ধার শর্টলিস্টে যাবে আমাদের ‘দ্য গ্রেভ’ চলচ্চিত্রটি।


একই সাথে দুটি ভাষায় শুটিং করেছিলেন। বাংলা এবং ইংরেজী। কতটা কঠিন ছিলো কাজটা?
খুবই কঠিন কাজ ছিলো সেটি। যেহেতু অনুদানের ছবি, আমাকে বলা হয়েছিলো আপনাকে তো শুধু বাংলায় নির্মাণের জন্য আমরা অনুদান দিয়েছি। কিন্তু আমি বলেছি এটি নির্মাতা হিসেব আমার সিদ্ধান্ত। খুবই কঠিন হলেও স্ব স্ব অভিনেতাকে দিয়েই তার ডাবিং করিয়েছি। আমরা ব্রিটিশ উচ্চারণ ভঙ্গিকে প্রধান্য দিয়েছি। চেষ্টা ছিলো সঠিক উচ্চারণ ভঙ্গি ধরে রাখার।

বাংলা চলচ্চিত্রের ক্রান্তিকাল চলছে দীর্ঘদিন। তার উপর করোনার আঘাতে সব কিছু স্থবির হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু সম্প্রতি ‘রেহেনা মারিয়াম নূর’, আপনার ‘দ্য গ্রেভ’ কিংবা ‘কামার সাইমন-এর ‘অন্যদিন...’-এর মত চলচ্চিত্রগুলো বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আলোচিত হচ্ছে। এটিকে কি আপনি নতুন কোন সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন কিনা?
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আসলে একেবারে উল্টো স্রোতে বইছে। যখন সব কিছু স্বাভাবিক থাকে তখনই প্রত্যাশা করা যেতে পারে। তবে এটাও ঠিক সব কিছু ধ্বংস হয় নতুন করে শুরু হওয়ার জন্য। আমি সেই উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখতে পারছি। সেটি বানিজ্যিক ধারা হোক কিংবা অন্য যেকোন ধারার চলচ্চিত্র হোক। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র খুব শিগগিরই ঘুরে দাঁড়াবে। কারণ বাংলাদেশ গল্পের দেশ। আমরা গল্প শুনতে এবং বলতে ভালোবাসি।

সিনেমার এই সংকট উত্তরণে আপনার পরামর্শ কী থাকবে?
অনেক মেধাবী তরুন রয়েছে। কিন্তু তাদের মেধার প্রকাশ ঘটাবার উপযুক্ত পরিবেশ নেই। উপজেলা পর্যায়ে সিনেমা হলগুলোকে উন্মুক্ত করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে হবে। এত বছরেও আমাদের ফিল্ম ইনস্টিটিউটা হলো না। হাইলি টেকনিক্যাল একটা মাধ্যম আমাদের চলচ্চিত্র। অথচ আমাদের ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা করার কোনো সুযোগ নাই। ফলে শুধু দু’একটা বিদেশী অ্যাওয়ার্ড পাওয়া সিনেমা দিয়ে আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তবু আশা করি আগামী ৫ বছরের মধ্যে আমরা ঘুরে দাঁড়াবো।



এক নজরে গোর-দ্য গ্রেভ

গোর-দ্য গ্রেভ
পরিচালক: গাজী রাকায়েত
প্রযোজক: ফরিদুর রেজা সাগর[
চিত্রনাট্যকার: গাজী রাকায়েত
কাহিনিকার: গাজী রাকায়েত
উৎস: গোর (নাটক), ১৯৯৮

শ্রেষ্ঠাংশে
গাজী রাকায়েত
মৌসুমী হামিদ
দিলারা জামান
মামুনুর রশীদ
আশিউল ইসলাম
সুষমা সরকার
এ কে আজাদ সেতু
দীপান্বিতা মার্টিন
ওমর ফারুক
শামীমা তুষ্টি
অর্থা (শিশু শিল্পী)
এসএম মহসীন
গাজী আমাতুন নূর

সুরকার:  মোঃ ফজলে কাদের স্বাধীন
চিত্রগ্রাহক: পঙ্কজ পালিত, নিয়াজ মাহবুব
সম্পাদক: মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম রাসেল
প্রযোজনা কোম্পানি: ইমপ্রেস টেলিফিল্ম
পরিবেশক: ইমপ্রেস টেলিফিল্ম (বাংলাদেশ)
ইলিয়ট ক্যানবার (যুক্তরাষ্ট্র)
মুক্তি: ২৫ ডিসেম্বর ২০২০ (বাংলাদেশ), ১৪ মে ২০২১ (লস এঞ্জেলেস)
দৈর্ঘ্য ১৩২ মিনিট

আইপিএল’র ফাইনালে প্রকাশ পাবে ‘লাল সিং চাড্ডা’র ট্রেলার



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
‘লাল সিং চাড্ডা’র পোস্টারে আমির খান ও কারিনা কাপুর খান

‘লাল সিং চাড্ডা’র পোস্টারে আমির খান ও কারিনা কাপুর খান

  • Font increase
  • Font Decrease

‌‌বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট তিনি। সবশেষ ২০১৮ সালে ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ ছবিতে দেখা গেছে তাকে। অদ্বৈত চন্দন পরিচালিত ‘লাল সিং চাড্ডা’র মধ্য দিয়ে চার বছর পর রূপালি পর্দায় কামব্যাক করতে যাচ্ছেন তিনি। কথা হচ্ছে বলিউড অভিনেতা আমির খানকে নিয়ে।

আমির খানের ছবি বড়পর্দায় আসবে আর চমক থাকবে না তা কি করে হয় বলুন তো? আর নিজের আসন্ন ছবি ‘লাল সিং চাড্ডা’র ক্ষেত্রেও যে তার ব্যতিক্রম হবে না সেটি ইতিমধ্যে বুঝিয়ে দিয়েছেন আমির। এই যেমন, একই ছবিতে নানা অবতারের ধরা দিচ্ছেন তিনি। দেশের বহু শহরে পৌঁছে শুটিং করেছেন ছবিটির। কয়েক দিন আগে রেডিও চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে ছবির গান। যেখানে অন্যান্য ছবির ভিডিও গান প্রকাশ্যে আসে, সেখানে ‘লাল সিং চাড্ডা’র নতুন গান শুধু অডিওর মধ্যে দিয়ে সামনে আনলেন।

এখানেই শেষ নয়, শোনা যাচ্ছে, আগামী ২৯ মে আইপিএলের ফাইনালে ‘লাল সিং চাড্ডা’র প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে আনবেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট।

জানা গেছে, খেলা চলাকালীনই টেলিভিশনের পর্দায় ফুটে উঠবে আমিরের এই ছবির প্রথম ঝলক। জানা গিয়েছে, আইপিএলের উন্মাদনাকে কাজে লাগিয়ে ‘লাল সিং চাড্ডা’র প্রচার সারতে চাইছেন আমির।

;

সারার সঙ্গে প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন কার্তিক



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কার্তিক আরিয়ান ও সারা আলি খান

কার্তিক আরিয়ান ও সারা আলি খান

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রেমের সম্পর্ক ছিলো কার্তিক আরিয়ান ও সারা আলি খানের। যার শুরুটা হয়েছিলো ইমতিয়াজ আলির ‘লাভ আজ কাল’ ছবির সেট থেকে। কিন্তু প্রেমের বিষয়টি নিয়ে এই তারকা জুটির কেউই কখনও কোন মন্তব্য করেননি।


‘লাভ আজ কাল’ ছবির সেট থেকে কার্তিক-সারার প্রেমের শুরুটি হলেও, ছবিটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ার পর প্রেম ভেঙে যায় তাদের। ইনস্টা থেকে সেই সময় একে-অপরকে আনফলো করে দিয়েছিলেন তারা। এরপর অনেকে তো সেসময় এমনটিও বলেছিলো যে, ছবির প্রোমোশনের জন্যই নাকি এই প্রেমের সম্পর্কের নাটক করেছিলেন তারা।


তবে এবার হয়তো সারার সঙ্গে প্রেমের বিষয়টি স্বীকার করে নিলেন কার্তিক আরিয়ান। সম্প্রতি নবভারত টাইমসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কার্তিক নিজের প্রেম প্রসঙ্গে জানান, ‘না না ওখানে কোনও কিছু প্রোমোশনাল ছিল না। কীভাবে এটা আমি বোঝাব? আমরাও তো মানুষ, তাই সব কিছু প্রোমোশনাল হয় না। এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি বলা আমিার পক্ষে সম্ভব নয়।’


এই তারকা জুটি তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে কোন মন্তব্য না করলেও, তাদের এই প্রেম ভাঙার কারণ হিসেবে মাঝে উঠে এসেছিল ‘পজেসিভনেস’র থিয়োরি।

;

কানের লালগালিচায় আলো ছড়ালেন আরিফিন শুভ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কানের লালগালিচায় আরিফিন শুভ

কানের লালগালিচায় আরিফিন শুভ

  • Font increase
  • Font Decrease

পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন এবং প্রভাবশালী কান চলচ্চিত্র উৎসবের মর্যাদাপূর্ণ রেড কার্পেটে হেঁটেছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। কান উৎসবের চতুর্থ দিন (২০ মে) ফ্রান্সের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সাদা-কালোর সমন্বয়ে ড্যাপার বিস্পোকে টাকসিডোর রেড কার্পেটে দেখা মেলে বাংলাদেশি এই পাওয়ার-স্টারের।

নিজের প্রথম কান সফরে রেড কার্পেটে হেঁটে উচ্ছ্বসিত আরিফিন শুভ। এক প্রতিক্রিয়ায় নায়ক জানিয়েছেন, ‘কানের রেড কার্পেটে হাঁটা ষোলকলা পূর্ণের মতো; একেবারে স্বপ্নের বাইরের কোনও কিছুকে ছোঁয়ার মতো। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ আমার দর্শকদের কাছে, আমার পরিচালক-প্রযোজকদের কাছে। আমার অসংখ্য ভক্ত-ফ্যান যাঁরা আছেন, আমাকে এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমি চেষ্টা করব তাঁদের যে আস্থা-বিশ্বাস আমার প্রতি আছে, সেটা রক্ষা করতে।’


কান চলচ্চিত্র উৎসবের বাণিজ্যিক শাখা মার্শে দ্যু ফিল্মে ১৯ মে কান সৈকতে ভারতীয় প্যাভিলিয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীনির্ভর ‘মুজিব : দ্য মেকিং অব আ নেশন’ সিনেমাটির ট্রেইলার প্রদর্শন হয়।

সিনেমাটির সবশেষ অবস্থা প্রসঙ্গে ভ্যারাইটিকে খ্যাতনামা পরিচালক শ্যাম বেনেগাল জানিয়েছেন, সিনেমাটি এখন দীর্ঘ ভিএফএক্স প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুজিব’ সিনেমার অফিশিয়াল টিজার পোস্টার প্রকাশ করা হয়। পোস্টারে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের মুহূর্তটিই তুলে ধরা হয়েছে। জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর হাত নাড়ার দৃশ্যটিই পোস্টারে রাখা হয়েছে। যদিও দেখানো হয়নি কারও লুক। ট্যাগ লাইনে লেখা, ‘একটি জাতির রূপকার’।


সেপ্টেম্বরে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘মুজিব’ সিনেমায় বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ, শেখ হাসিনার একটি চরিত্রে চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া ও বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছার বড়বেলার চরিত্রে অভিনয় করছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। শতাধিক অভিনেতা কাজ করছেন সিনেমাটিতে।

২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ দিকে মুম্বাইয়ের দাদা সাহেব ফালকে স্টুডিওতে সিনেমাটির প্রথম ধাপের শুট শুরু হয়। সিনেমাটিতে সহযোগী পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন দয়াল নিহালানি। চিত্রনাট্য লিখেছেন অতুল তিওয়ারি ও শামা জায়েদি। শিল্প নির্দেশনার দায়িত্বে রয়েছেন নীতিশ রায়। কস্টিউম ডিরেক্টর হিসেবে আছেন শ্যাম বেনেগালের মেয়ে পিয়া বেনেগাল।

;

ছেলের মা হলেন রিহানা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রিহানা

রিহানা

  • Font increase
  • Font Decrease

ছেলের মা হলেন জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা রিহানা। গত ১৩ মে লস অ্যাঞ্জেলসে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন রিহানা।


রিহানার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে নিজেদের লস অ্যাঞ্জেলসের বাড়িতেই রয়েছেন রিহানা। মা ও সন্তান দু’জনেই সুস্থ আছেন।


ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই বয়ফ্রেন্ড এসাপ রকির হাত ধরে নিউইয়র্ক সিটির রাস্তায় বেবিবাম্প নিয়ে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল রিহানাকে। ছবিতে স্পষ্ট ধরা পড়েছিল তার বেবিবাম্প, আর সেই শুরু হইচই। ছেলে হওয়ার সুখবর এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেননি রিহানা, কিন্তু তাতে কী! সবমহল থেকে উপচে পড়ছে শুভেচ্ছা বার্তা। দেশি গার্ল প্রিয়াঙ্কা চোপড়াও পিছিয়ে থাকলেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় রিহানাকে মাতৃত্বকে আলিঙ্গন করার জন্য অভিনন্দন বার্তা দিলেন।


রিহানার প্রেগন্যান্সি শ্যুটের একটি ছবি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন প্রিয়াঙ্কা। সেই ছবির ক্যাপশনে পিগি চপস লেখেন, ‘অভিনন্দন রিহানা’ সঙ্গে জুড়ে দেন একটা হলুদ হার্ট ইমোজি।

;