সুকুমারের পুষ্পাতে অল্লুর বাজিমাত: রিভিউ



মহিউদ্দিন আহমেদ
পুষ্পা: দ্য রাইজ সিনেমায় আল্লু অর্জন

পুষ্পা: দ্য রাইজ সিনেমায় আল্লু অর্জন

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছরের শুরুতেই ভারতের চলচ্চিত্র বাণিজ্যে বেশ ভালোভাবেই ছড়ি ঘোরাচ্ছে তেলেগু মুভি 'পুষ্পা: দ্য রাইজ'। সুকুমার পরিচালিত এই ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছে তেলেগু মেগাস্টার অল্লু অর্জুন। ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন ফাহাদ ফজিল, রশ্মিকা মন্দানা, প্রকাশ রাজসহ অনেকে। প্রায় ২শ কোটির রুপির মুভিটি এখন পর্যন্ত শুধু ভারত থেকে ঘরে তুলেছে প্রায় ৩শ ৫০ কোটি রুপিরও বেশী।


পিতৃহীন পুষ্পা সাধারণ ট্রাকচালক থেকে কিভাবে ক্রমে স্থানীয় অপরাধজগতের প্রভাবশালী নেতা হয়ে ওঠেন সেটাই এই মুভির গল্পের সারমর্ম। তবে প্রায় ৩ ঘণ্টার মুভিটির শেষে এসে দর্শকদের জন্য একটাই বার্তা; দ্বিতীয় পর্ব আসছে। পরিচালকের ভাষ্যনুযায়ী প্রথম পর্ব শুধু পুষ্পা চরিত্রটিকে রূপায়নে ব্যয় করা হয়েছে। আসল কাহিনী শুরু হবে পুষ্পার দ্বিতীয় পর্বে। সুকুমারে সাথে তৃতীয়বারের মত অল্লুর এই রসায়ন ভবিষ্যতে যে আরও জমবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।


২০১৯ সালে শুরু হওয়া পুষ্পা কোভিডেও কারণে পর্দায় আসতে লম্বা সময় নিলেও, দ্বিতীয় পর্ব চলতি বছরের শেষেই পর্দায় নিয়ে আসতে চায় সুকুমারের দল।জমকালো পোষাক আর পরিপাটি গোছানো চরিত্রের আনাগোনা ছাড়াও কিভাবে মুভিতে দর্শক আটকে রাখতে হয় সেটা অবশ্য তেলেগু, তামিল পরিচালকদের ভালোই জানাই আছে। তাই তো লুঙ্গি আর গেঞ্জি পরা পুষ্পাতেই ফিদা হয়েছে সিনেমা প্রেমীরা। বিশেষ করে দাড়িতে পুষ্পার বাকাঁনো আঙ্গুলের দৃশ্যটি তো দর্শকরা শিস বাজিয়ে উপভোগ করেছে।


পুলিশ খবর পেয়ে গেছে, যে কোন ভাবেই হোক লুকাতে হবে সকল লাল চন্দনের গুড়ি। এই যখন অবস্থা তখন সকল চন্দনের গুড়ি পানিতে ভাসিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পুষ্পা। শুধু এই দৃশ্যটি করতে প্রায় ৬ কোটি রুপি খরচ করেছে পরিচালক। হাজার হাজার নকল কাঠের গুড়ি তৈরি করা হয়েছিল ফোম আর ফাইবার দিয়ে। কাঠ পাচারের দৃশ্যের শুটিং হয়েছে অন্ধ্র প্রদেশের মারেদুমিলি বনে। সেখানে প্রতিবার শুটিং এর জন্য প্রায় ৩শ গাড়ি একযোগে যেতো। প্রথম দৃশ্যের শুটিংয়ে একই সাথে ১৫শ লোককেও নেয়া হয়েছিল। তবে শুটিং টিমের কড়া নির্দেশনা ছিলো, বনে কোনভাবেই কোন খাবার প্যাকেট, প্লাস্টিকের বোতল বা কোন ময়লা ফেলে আসা যাবেনা। তারা ফেরার সময় সব সাথে করে নিয়ে আসতো।


পুষ্পা চরিত্র রূপায়নে অল্লকে মেকাপ নিতে প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের মত লাগতো আর সেই মেকাপ তুলতে লাগতো ২০ থেকে ৪০ মিনিট। পুষ্পার জন্য মহেশ বাবুকে চিন্তা করা হলেও শেষ পর্যন্ত অল্লুর হাত ধরেই পর্দাভিষেক হয় পুষ্পার। আর দর্শকও যে পুষ্পাকে ভালো ভাবেই নিয়েছে সেটা বোঝা যাচ্ছে বক্স অফিস আয় দেখেই। না হলে হলিউড মুভি স্পাইডার ম্যান নো ওয়ে হোমের সাথে টেক্কা দিয়ে আয় করা তো আর চাট্টিখানি কথা নয়।

পরীক্ষামূলক ভাবে ভেন্টিলেটরের বাহিরে রাখা হয়েছে লতাকে



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
লতা মঙ্গেশকর

লতা মঙ্গেশকর

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে এ মাসের শুরুর দিকে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় লতা মঙ্গেশকরকে। বর্তমানে হাসপাতালটির আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ভারতের প্রখ্যাত এই সংগীতশিল্পী।

কিংবদন্তি এই তারকার শারীরিক অবস্থার আপডেট জানিয়ে তার ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে লেখা হয়েছে, “লতা দিদি মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের আইসিইউতেই রয়েছেন। তার চিকিৎসা চলছে। তাকে পরীক্ষামূলক ভাবে ইনভেসিভ ভেন্টিলেটরের বাইরে রাখা হয়েছে আজ (২৭ জানুয়ারি) সকালে। শারীরিক স্থিতিশীলতা দেখেই তাকে ভেন্টিলেটরের বাইরে রাখা হয়। তিনি ডক্টর প্রতীত সমদানির তত্ত্বাবধানে একটি চিকিৎসক দলের নজরদারিতে রয়েছেন। আমরা সকলের প্রার্থনা ও শুভেচ্ছাকে ধন্যবাদ জানাই।”

এদিকে, দু’দিন আগে লতা মঙ্গেশকরের পরিবারের পক্ষ থেকে ফেসবুকে একটি পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে তারা জানিয়েছেন ৯২ বছর বয়সী এই সংগীতশিল্পীকে নিয়ে যেসব গুজব ছড়ানো হচ্ছে তাতে যেন কান না দেওয়া হয়। তারাই লতার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সকল আপডেট দেবেন।

ভক্তদের কাছে একই অনুরোধ করেছেন রাজনীতিবীদ ও সাবেক অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানিও।

১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন লতা মঙ্গেশকর। ১৯৪২ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে একজন পেশাগত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। তারপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

সাত দশকে সহস্রাধিক চলচ্চিত্রে গান গেয়েছেন। ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষা ও বিদেশি ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। গেয়েছেন চলচ্চিত্রের বাইরে আরও অনেক গান।

১৯৭৪ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত বিশ্বে সর্বাধিক গান রেকর্ড করার জন্য গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম ওঠে তার। এই সময়ে তিনি ২০টি ভাষায় ২৫০০০ এর বেশি গানে কণ্ঠ দেন। কিন্তু ২০১১ সালে এ রেকর্ডটি ভেঙে দেন তারই ছোট বোন আশা ভোঁসলে।

লতা মঙ্গেশকর এ পর্যন্ত ভারতরত্ন, পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণসহ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন। পেয়েছেন দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার, তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার চারবার সেরা নারী প্লেব্যাক, ১৯৯৩ সালে আজীবন সম্মাননা এবং ১৯৯৪ ও ২০০৪ সালে দুইবার ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া ১২ বার বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস’ অ্যাসোসিয়েশন পুরস্কার।

;

করোনা আক্রান্ত সন্ধ্যাকে দেখতে হাসপাতালে মমতা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সন্ধ্যা মুখার্জী ও মমতা ব্যানার্জী

সন্ধ্যা মুখার্জী ও মমতা ব্যানার্জী

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সংগীতশল্পী সন্ধ্যা মুখার্জী। তার হৃদযন্ত্রের অবস্থাও ভালো না। ফুসফুসেও ধরা পড়েছে সংক্রমণ। এছাড়াও রয়েছে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যা। সবকিছু মিলিয়ে শুরুতে তাকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে সেখান থেকে অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে বাথরুমে পড়ে যান সন্ধ্যা মুখার্জী। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় তার। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। উডবার্ন ওয়ার্ডে ১০৩ নাম্বার বেডে তাকে রাখা হয়। এমনকি তার চিকিৎসার জন্য ৭ সদস্যের বিশেষজ্ঞ টিম তৈরি করা হয়।

এদিনই বিকেলে সন্ধ্যা মুখার্জীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে এসএসকেএম হাসাপাতালে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে হাসপাতালের বাইরে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা ব্যানার্জী জানান, কোভিড পজিটিভ সন্ধ্যা মুখার্জী। বুকে আঘাত পেয়েছেন তিনি। হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে তার। আর শারীরিক অবস্থা বিচার-বিবেচনা করেই তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

সম্প্রতি পদ্মশ্রী প্রত্য়াখ্যান করেছেন সন্ধ্যা মুখার্জী। যা নিয়ে চারদিকে আলোচনা-সমালোচনার বন্যা বইতে শুরু করে। ক্যারিয়ারের এত বছর পর সন্ধ্যা মুখার্জীর মতো একজন কিংবদন্তি শিল্পীকে পদ্মশ্রী দেওয়ার সিদ্ধান্তে রীতমতো কটাক্ষের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় সরকার।

এখানেই শেষ নয়, ৯০ বছর বয়সী এই শিল্পী নিজেই জানিয়েছেন, খুবই অপমানজনকভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে ফোন করে তাকে পদ্মশ্রী দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। অপমানিত হয়েই পদ্মশ্রী প্রত্য়াখ্যান করেন তিনি।

;

সামিতাকে আন্টি বললেন তেজস্বী, চটলেন বিপাশা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
তেজস্বী প্রকাশ, বিপাশা বসু ও সামিতা শেঠি

তেজস্বী প্রকাশ, বিপাশা বসু ও সামিতা শেঠি

  • Font increase
  • Font Decrease

একজন বলিউড অভিনেত্রী সামিতা শেঠি অপরজন টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ তেজস্বী। দু’জনই এখন ‘বিগ বস’র ১৫তম মৌসুমের প্রতিযোগী। শোয়ে ফাইনালিস্ট হিসেবেও জায়গা করে নিয়েছেন এই দুই তারকা।

এদিকে, ‘বিগ বস’র শুরুর দিকে সামিতা-তেজস্বীর মধ্যে ভালো সম্পর্ক থাকলেও ধীরে ধীরে সেটি সাপে নেউলে সম্পর্কে পরিণত হতে থাকে।

এমনকি কথিত প্রেমিক ‘বিগ বস’র আরেক প্রতিযোগী করণ কুন্দ্রার সঙ্গে সামিতা কিছু নিয়ে আলোচনা করলে তাও সহ্য করতে পারেন না তেজস্বী। যার ফল হিসেবে একবার তো বলিউডের এই অভিনেত্রীকে ‘আন্টি’ বলেই সম্বোধন করে ফেলেছেন ছোটপর্দার এই তারকা।

এদিকে, সামিতাকে আন্টি বলায় তেজস্বীর ওপর চটেছেন আরেক বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসু। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে বিষয়টি প্রসঙ্গে বিপাশা লিখেছেন, “কাউকে লজ্জা দিয়ে তারপর ক্ষমা চাওয়া এটি সত্যিই খুব দুঃখজনক। আর এ ধরনের মানুষরাই যদি বিজয়ী বা যে কারও কাছে রোল মডেল হয় তাহলে সেটি খুব হতাশাজনক।”

যোগ করে বিপাশা বসু আরও লিখেছেন, “আপনি যদি নিরাপত্তাহীন বোধ করেন, তাহলে অন্য নারীকে (সামিতা শেঠি) নিচে টেনে না নিয়ে আপনার সঙ্গীকে (করণ কুন্দ্রা) প্রশ্ন করুন কারণ তিনিই আপনাকে নিরাপত্তাহীন বোধ করাচ্ছেন।”

এই মুহূর্তে ‘বিগ বস’র ঘরে রয়েছেন করণ কুন্দ্রা, তেজস্বী প্রকাশ, সামিতা শেঠি, নিশান্ত ভাট, রেশমি দেশাই ও প্রতীক শেহপাল। শেষমেষ কে এই শোয়ের ১৫তম মৌসুমের ট্রফি ঘরে তোলেন এখন সেটিই দেখার অপেক্ষায় রয়েছে দর্শক।

;

নতুন ধারাবাহিক ‘আকাশ মেঘে ঢাকা’



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
ধারাবাহিক নাটক ‘আকাশ মেঘে ঢাকা’

ধারাবাহিক নাটক ‘আকাশ মেঘে ঢাকা’

  • Font increase
  • Font Decrease

১ ফেব্রুয়ারি থেকে নাগরিক টিভিতে শুরু হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘আকাশ মেঘে ঢাকা’। এর রচয়িতা মাহ্বুব হাসান জ্যোতি। পরিচালনায় আছেন রূপক বিন রউফ।

নাটকটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই ধারাবাহিকে এক ঝাঁক নতুন মুখকে দর্শক দেখতে পাবেন। বলতে পারেন এই নাটকে মুখের চাইতে গল্পটাই মুখ্য। আমি নাগরিক টিভির কাছে কৃতজ্ঞ সুযোগটি করে দেবার জন্য। নওগাঁ, পূবাইল এবং ঢাকায় এই ধারাবাহিকের কাজ হচ্ছে। ”

নাটকিটির কাহিনী সম্পর্কে তিনি জানান, ভালোবাসা ও পরিচর্যার বিকল্প আশ্রয়ে বড় হচ্ছিল একদল তরুণ-তরুণী, যেখানে আঠারো হয়ে গেলে কারোরই আর থাকার সুযোগ নেই। তাদের এগিয়ে যাওয়া, প্রেম, ঈর্ষা, টিকে থাকার চেষ্টা, আছে ভাওতাভাজী, এসব নিয়েই নাটকটির গল্প।

ধারাবাহিকটির থিম সং লিখেছেন সোমেশ্বর অলি, সুর করেছেন তাহসিন আহমেদ। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন তাহসিন আহমেদ ও সিঁথি সাহা।

এতে অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম, প্রাণ রায়, মাসুম আজিজ, হোসাইন নিরব, সুস্মিতা সিনহা, তৃষ্ণা, সাথী মাহমুদা, লিটন খন্দকার, সাহেলা আক্তার, সঞ্জীব আহমেদ, হারুন রশিদসহ অনেকে।

জানা গেছে, ধারাবাহিকটি শনি থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন রাত ১০টায় প্রচার হবে।

;