হলদে পরীর বিয়ে আজ, বর সেই শরিফুল রাজ



বিনোদন রিপোর্ট, বার্তা ২৪.কম
রাজ ও পরী

রাজ ও পরী

  • Font increase
  • Font Decrease

গিয়াস উদ্দিন সেলিমের মুক্তি প্রতীক্ষিত ‘গুণিন’ চলচ্চিত্রে শুটিং করতে গিয়ে তাদের সখ্যতা ও প্রেম। তারপর লুকিয়ে গত বছরের ১৭ অক্টোবর বিয়ে হয় অভিনেতা শরিফুল রাজ ও পরীমনির। তারপর এল সন্তান ধারণের খবর। ফের ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’ পরীমনি।

তারপর পারিবারিকভাবে এই প্রথম আনুষ্ঠানিক আয়োজন। গতকাল শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) দুই পরিবারের কাছের সদস্যদের উপস্থিতিতে ঘরোয়া আয়োজনে হয় পরী ও রাজের গায়ে হলুদ। বিয়ের অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে আজ। তার আগে গায়ে হলুদের এক ঝলক দেখা যাক।

মেহেদী হাতে রাজ ও পরী

 

গায়ে হলুদ মাখা রাজ-পরী 

পরীর অভিবাবক হিসেবে ছিলেন নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম ও চয়নিকা চৌধুরী

উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ডিএ তায়েব

গর্ভের সন্তান কি কান পেতে শুনছেন পরী ও রাজের আনন্দোৎসব?

ভালোবাসার বন্ধন দেখিয়ে দিলেন রাজ

 

 

 

 

 

কণ্ঠে সুরের যাদু ছড়িয়ে ঢাকা জয় করে গেলেন পিউ মুখোপাধ্যায়



জাহিদুর রহমান, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কণ্ঠে সুরের যাদু ছড়িয়ে ঢাকা জয় করে গেলেন পিউ মুখোপাধ্যায়

কণ্ঠে সুরের যাদু ছড়িয়ে ঢাকা জয় করে গেলেন পিউ মুখোপাধ্যায়

  • Font increase
  • Font Decrease

কণ্ঠে সুরের যাদু ছড়িয়ে ঢাকা জয় করে গেলেন কলকাতা সঙ্গীতশিল্পী পিউ মুখোপাধ্যায়। খ্যাতিমান সুরকার, গীতিকার ও সঙ্গীতজ্ঞ, সাবেক সচিব মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ'র লেখা ও সুরে ঢাকায় গাইতে এলেন কলকাতার জনপ্রিয় ও সম-সাময়িক সঙ্গীতের উদীয়মান তারকা এবং বিশিষ্ট গায়িকা পিউ মুখার্জি।

রোববার (২২ মে) সন্ধ্যায রাজধানীর গুলশানে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহর লেখা ও সুর করা গানের মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করা হয়

১৩টি নতুন গানেই  কণ্ঠ দিয়েছেন গায়িকা পিউ মুখার্জি। সবগুলো গানের সঙ্গীত আয়োজন করেছেন পণ্ডিত তেজেন্দ্ৰ

মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ সঙ্গীত জীবনে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের অনেক কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পীর সাথে কাজ করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলেন ফিরোজা বেগম, উত্তাদ গুলাম আলী, উদ্ভাদ হামিদ খান, উদ্ভাদ সাগীর উদ্দিন খান, আবিদা পারভীন এবং হৈমন্তী শুক্লা।


গায়িকা পিউ মুখার্জির কণ্ঠে গানগুলোর শিরোনাম হলো, পড়ে কি মনে অবাক আলোয় এখন সময় হল, বাইরে শ্রাবণ, কেনো চলে যেতে, কারে কারে বলি, কোনো রাত, মেঘ এসে ছুঁয়ে যায়, ফিরে ফিরে চেয়ে, রং এ তোমায় সাজাবো, গাছের সারি, তুমি ছাড়া কে বা, তুমিতো এখনও।

অনুষ্ঠানে কোলকাতার নন্দিত শিল্পী  পিউ মুখার্জি নির্বাচিত প্রথমে ৬টি গান পরিবেশনা করে অতিধিদের মুগ্ধ করেন। পরে দর্শক শ্রোতাদের অনুরোধে আরো কয়েকটি গান গেয়ে শোনান পিউ মুখার্জি।

মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ'র বলেন, এখন আর কিছুই ভালো লাগে না। কেবলই মৃত্যু কামনা করি। করোনায় মানুষ গান থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছে। উন্মুক্ত গানের আসর বন্ধ ছিল। সুর-লয় বন্দি হয়ে পড়েছিল। ভালো গান শুনতে পাচ্ছিলাম না অনেকদিন। শিল্পীরাও তেমন একটা গান নিয়ে মাতোয়ারা ছিলেন না এ সময়। মাঝখানের আড়াই বছর খুব খারাপ গেছে।

সকলের সামনে এমন আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পেরে নিজের ভাললাগার কথা জানান বহু গুণে গুণী কবি, গীতিকার ও সাবেক সচিব মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ

;

`ভাদাইমা'খ্যাত কৌতুক অভিনেতা আহসান আলী আর নেই



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
আহসান আলী

আহসান আলী

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের কৌতুক অভিনেতা `ভাদাইমা'খ্যাত আহসান আলী মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রোববার (২২ মে) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহসান আলী সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের দাইন্যা রামপাল গ্রামের বাবর আলীর ছেলে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৫০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি দুই স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।

আহসানের শ্যালক জজ আলী জানান, দীর্ঘদিন যাবত ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। এছাড়া তার লিভারেও পানি ছিলো। রোববার সকালে তিনি অসুস্থ হলে তাকে প্রথমে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে থেকে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন জানান, লাশ হাসপাতালে রয়েছে। বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আহসান আলী এক সময় কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। প্রায় দুই যুগ আগে তিনি কৌতুক অভিনয় শুরু করেন। ২০ বছর আগে ক্যাসেটের মাধ্যমে তিনি ‘ভাদাইমা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

;

ট্রেলার দেখে পুরো সিনেমা বিচার করা যায় না: শ্যাম বেনেগাল



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রখ্যাত ভারতীয় পরিচালক শ্যাম বেনেগাল

প্রখ্যাত ভারতীয় পরিচালক শ্যাম বেনেগাল

  • Font increase
  • Font Decrease

বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ (Mujib: The Making of a Nation)’ এর ট্রেলার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওঠা প্রতিক্রিয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সিনেমাটির নির্মাতা, প্রখ্যাত ভারতীয় পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।

শনিবার রাতে ভারতের সংবাদ মাধ্যম টেলিগ্রাফকে তিনি বলেছেন, ট্রেলার দেখে বাংলাদেশি দর্শকরা কেন বিরক্ত হয়েছেন, তা বোঝা আমার পক্ষে সত্যিই কঠিন বলে মনে করছি।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, ৯০ সেকেন্ডের ট্রেলারের উপর ভিত্তি করে একটি সম্পূর্ণ সিনেমাকে বিচার করা যায় না। তারা ট্রেলার নিয়ে মন্তব্য করতে পারেন, তবে পুরো সিনেমা নিয়ে মন্তব্য করা হাস্যকর।


‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ এর সিনেমার মূল চরিত্রগুলো নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশি অভিনেতাদের নিয়েছি কারণ তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতাদর্শ সম্পর্কে আরও ঘনিষ্ঠ।

এ সময় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তৈরি সিনেমাটি সম্পর্কে 'নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায়' তিনি বিভ্রান্ত' হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন।

গত ১৯ মে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ করা হয়। ট্রেলার মুক্তির পর অভিনয়, ভিএফএক্স-সহ নানা বিষয়ে সমালোচনা উঠেছে।

;

কেন ব্যর্থ হলেন তিনি?



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
ফজলুর রহমান বাবু

ফজলুর রহমান বাবু

  • Font increase
  • Font Decrease

অন্তর্জালে মুক্তি পেল নতুন নাটক মানুষ একটা ‘দুই চাক্কার সাইকেল’। রাকায়েত রাব্বি রচিত নাটকটি নির্মাণ করেছেন রুবেল আনুশ। তিন গুণী শিল্পী-ফজলুর রহমান বাবু, দিলারা জামান ও মুনিরা মিঠুর অনবদ্য অভিনয়ে মানবিক গল্পের নাটকটি ইতিমধ্যেই শ্রোতামহলে সাড়া ফেলেছে।

নাটকের গল্পে ফজলুর রহমান বাবু একজন ব্যর্থ বাবা, ব্যর্থ সন্তান এবং ব্যর্থ স্বামী । তিনি তার নিজের দোষে বা নিজের জন্য ব্যর্থ হননি, তার ব্যর্থতার কারণ- স্ত্রী-সন্তানের অনৈতিক আচরণ এবং অস্বাভাবিক চাহিদা। শুধু তাই নয়, স্ত্রী-সন্তানের কারনে তার জীবনের একমাত্র ভালোবাসার মানুষ মমতাময়ী মাকেও বৃদ্ধাশ্রম রেখে আসতে হয়েছে তাকে।

জীবনের একপর্যায়ে স্ত্রী-সন্তানদের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডেও জড়িয়ে পড়তে হয় তাকে।


একদিন রিকশায় করে তিনি উদ্দেশ্যহীন পথে যাচ্ছিলেন। তখন রিকশাওলার সুখী পরিবারের কথা শুনে সেই রিকশাওলার বাড়িতে যান তিনি। রিকশাওলার বাড়িতে গিয়ে তার সাথে রাতে খেয়ে, খোলা আকাশের নিচে ঘুমিয়ে পড়েন। এভাবেই গল্প এগুতে থাকে। শেষ হয় এক চমকের মাধ্যমে।

নাটকে ফজলুর রহমান বাবুর মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, স্ত্রীর চরিত্রে মুনিরা মিঠু।

নাটকে ব্যাবহৃত হয়েছে দেহতাত্বিক গান ‘আরে ও জীবন, জীবন রে,ও জীবন ছাড়িয়া না যাও মোরে’ গানটি।

নাটকটি প্রসঙ্গে নির্মাতা রুবেল আনুশ বলেন, “অনৈতিক ভাবে বিলাসিতা করা থেকে নৈতিকতায় থেকে অল্পে সন্তুষ্ট থাকাটাই সুন্দর। এই গল্পে মূলত দুইটা শ্রেণীর মানুষ এর জীবনধারা দেখিয়ে সমাজে একটা সুন্দর মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে । ”

নাটকটি লাইভ টেকনোলজির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছে একে আজাদ সেতু, জামশেদ জামান, তানিন তানহা, ফরগান মিল্টন, মোহাম্মদ সালমান, শ্রাবণ সাব্বির প্রমূখ।

মানুষ একটা দুই চাক্কার সাইকেল

;