৫৬ জন শিল্পীকে নিয়ে অংশুর নতুন ওয়েব সিরিজ



কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা ২৪.কম
তানিম রহমান অংশু

তানিম রহমান অংশু

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা তানিম রহমান অংশুর কাজ মানেই ভিন্ন কিছু। নতুন একটি ওয়েব সিরিজের কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি।

তানিম রহমান অংশু এ প্রসঙ্গে বলেন, কিছুদিন পর সিনেমাটির কাজ শুরু করব। একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে একটা ওয়েব সিরিজ শুরু করতে যাচ্ছি। বলা যায়, বড় ক্যানভাসেই এটি নির্মিত হবে। অপূর্ব, তমা ছাড়া আরও ২০ জন শিল্পী থাকবেন কেন্দ্রীয় চরিত্রে। মূল চরিত্র ছাড়াও এখানে আরও অনেক অভিনয় শিল্পীকে দেখা যাবে। এক কথায়, এতে সব মিলিয়ে ৫৬ জন শিল্পীকে দেখা যাবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বর এর শুটিং শুরু হবে।

স্বনামধন্য এক ওটিটি প্লাটফর্মের জন্য এটি নির্মিত হতে যাচ্ছে বলে জানা যায়। আলফা আইয়ের ব্যানারে সিরিজটি নির্মাণ করবেন তিনি।

   

রুপালি প্রান্তরে রক্ত কাঞ্চনের কাব্য



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
রুপালি প্রান্তরে রক্ত কাঞ্চনের কাব্য

রুপালি প্রান্তরে রক্ত কাঞ্চনের কাব্য

  • Font increase
  • Font Decrease

ঐতিহ্যবাহী শহর রাজশাহী এবার তার অন্তরে ধারণ করেছে রক্ত কাঞ্চনের অপূর্ব সাজ। নগরীর প্রাচীন ইতিহাস, সুবিশাল আমবাগান, এবং পদ্মা নদীর অপার সৌন্দর্যের মাঝে এই রক্ত কাঞ্চনের সংযোজন যেন এক নতুন কাব্যের সৃষ্টি করেছে।

ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অনন্য সমাহারের মাধ্যমে রাজশাহী নিজেকে পর্যটনের নতুন মুখ হিসেবে তুলে ধরেছে। শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, মসজিদ, এবং মন্দিরগুলি এবার রক্ত কাঞ্চনের রঙে আবির্ভূত হয়েছে। যা পর্যটকদের কাছে এক নতুন আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

রাজশাহীর মানুষ এই উৎসবকে আপন করে নিয়েছে এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মেলা, সঙ্গীত এবং নৃত্যের আয়োজনের মাধ্যমে এক অভিন্ন সুতোয় বাঁধা পড়েছে। এই উৎসবের ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। হস্তশিল্প, খাবারের দোকান, এবং পর্যটন ক্ষেত্রের বিকাশে এই উৎসব বড় সহায়ক হয়ে উঠেছে।

রাজশাহীর বুকে রক্ত কাঞ্চনের এই কাব্য শুধু একটি উৎসব নয়, এটি ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং অর্থনীতির এক অনন্য সমন্বয়। এই অনুষ্ঠান না শুধু স্থানীয়দের জন্য গর্বের বিষয়, বরং বিশ্বের দরবারে রাজশাহীর সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যকে নতুন করে তুলে ধরেছে। এদিকে দেশসেরা কলেজেও তার সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যকে নতুন করে তুলে ধরেছে। কলেজের অভ্যন্তরীণ প্রান্তর যেন এক রুপালি ক্যানভাস, যার উপর প্রকৃতি নিজের অসাধারণ সৌন্দর্য দিয়ে চিত্র এঁকেছে। বসন্তের প্রথম প্রহরে প্রকৃতি যখন নিজেকে নতুন করে সাজিয়েছে, এই ক্যাম্পাস তখন রক্ত কাঞ্চনের অপরূপ সাজে নিজেকে মেলে ধরেছে। একদিকে যেমন নগ্ন ডালপালা নতুন পাতার সজীবতায় মুখর, তেমনি অন্যদিকে রক্ত কাঞ্চনের বেগুনি পাঁপড়ি প্রকৃতিকে করে তোলে আরও বেশি মোহনীয় করেছে।

লাল দালানের ক্যাম্পাসের ফুলার ভবনের সামনের সবুজ পাতার ক্যানভাস জুড়ে যেন এক বেগুনি সমারোহ বেঁধেছে রক্ত কাঞ্চন। এই ফুলের বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য শুধু কলেজের সীমানা পেরিয়ে নয়, ফুলপ্রেমীদের মাঝেও এক আলাদা পরিচিতি সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীদের কাছে এই ফুলের মাধ্যমে প্রতিটি ঋতুর পালাবদল এক নতুন আশা ও প্রেরণার বার্তা বয়ে আনে।

প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ক্যাম্পাসের প্রতিটি মুহূর্তকে উপভোগ করেন।

কথা হয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারিভা আক্তারের সাথে। তিনি বলেন, আমাদের ক্যাম্পাসের প্রতিটা ফুল গাছে এখন ধীরে ধীরে ফুল ধরা শুরু করেছে। তার মধ্যে রক্ত কাঞ্চন দেখলেই মন ভরে যায়। সেজন্যই রক্ত কাঞ্চন ফুলটি আমার অনেক পছন্দের। রোজ সকাল বেলায় কলেজে এসে ফুল গাছের নিচে পড়ে থাকা ফুল দেখলেই প্রশান্তি মেলে। অনেকেই এই পড়ে থাকা ফুল কুড়িয়ে বাসায় নিয়ে যায়।

জানতে চাইলে কলেজের গণিত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জুনায়েদ আহমেদ বলেন, আমাদের ক্যাম্পাসে প্রায় প্রত্যেক ঋতুতেই কিছু না কিছু ফুল আমাদের মুগ্ধ করে। গ্রীষ্মে রক্ত কাঞ্চন ফুলের আকর্ষণীয় গোলাপি রঙ আর পাঁপড়ির নমনীয়তা ও কোমলতা হৃদয়ে প্রশান্তির দোলা দেয়। অসম্ভব সুন্দর লাগে। রোজ ক্যাম্পাসে এসে রক্ত কাঞ্চন আভায় যেন মুগ্ধ হই।

জুনায়েদ আহমেদ ও ফারিভা আক্তারের মতো হাজারো শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই ফুলের সুবাস নিতে আসে। কলেজের এই বসন্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন প্রাণের স্পন্দন তৈরি করে। প্রতিটি ফুলের প্রতিটি পাঁপড়িতে যেন জীবনের নতুন কোন গল্প লেখা হয়, যা প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আরও বেশি প্রেরণা ও আনন্দ দেয়।

রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহা: আব্দুল খালেক বলেন, রক্ত কাঞ্চন শুধুমাত্র আমাদের ক্যাম্পাসকে সুন্দর করে তোলে না, বরং এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও সম্মানের অনুভূতি জাগ্রত করে। এই ফুল আমাদের প্রতিদিনের জীবনে এক অনন্য আনন্দ এবং শান্তি বয়ে আনে, যা শিক্ষা ও সৃজনশীলতার পথে আমাদের আরও উৎসাহিত করে। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শিক্ষার্থীদের মনে প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি এক গভীর সচেতনতা এবং সম্মান তৈরি করে। এই সচেতনতা তাদের ভবিষ্যতে প্রকৃতির সাথে এক টেকসই ও সহযোগী সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, রাজশাহী কলেজের প্রতিটি কোণা প্রতিটি মৌসুমে নিজস্ব সৌন্দর্যে মেলে ধরে। এই রক্ত কাঞ্চন ফুল না শুধু কলেজের পরিচিতি বাড়ায়, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও সচেতনতা তৈরি করে। প্রতিটি ফুলের প্রতিটি পাঁপড়িতে যেন জীবনের নতুন কোন গল্প লেখা হয়, যা প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আরও বেশি প্রেরণা ও আনন্দ দেয়।

;

গানের ‘বুলবুলি’ সানজিদা মাহমুদ নন্দিতা বিয়ে করেছেন



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সানজিদা মাহমুদ নন্দিতা এবং মুফরাদ জাফর বিয়ে করেছেন

সানজিদা মাহমুদ নন্দিতা এবং মুফরাদ জাফর বিয়ে করেছেন

  • Font increase
  • Font Decrease

কোক স্টুডিও বাংলা সিজন-১ এ সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পায় বুলবুলি গানটি। গানের সঙ্গীত শিল্পী সানজিদা মাহমুদ নন্দিতা এব ঋতুরাজের জনপ্রিয়তা উঠে যায় তুঙ্গে। জাতীয় কবি কাজী নজরুলের রচিত সেই ‘বুলবুলি’-খ্যাত শিল্পী নন্দিতা শুভকর্ম সম্পন্ন করলেন।

ঘরোয়াভাবেই বিবাহকার্য সম্পন্ন করেছেন গায়িকা। জনপ্রিয় শিল্পী শাকিলা জাফরের পুত্রের সাথে গাঁটছড়া বেঁধেছেন বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম পছন্দের শিল্পী নন্দিতা। মুফরাদ জাফর এবং নন্দিতার মুভ পরিণয় সম্পন্ন হয়েছে মার্চের ১ম দিন।  

বিয়ের সাজে নবদম্পতি

কিছুদিন আগেই বিয়ে করার ঘোষণা দিয়েছিলেন নন্দিতা। ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখ ভক্তদের মাঝে সাড়া পড়ে যায় নন্দিতার পোস্টে। হাতে বাগদানের আংটি প্রকাশ করে তিনি ক্যাপশন দেন,‘আংটি-টি পেলাম!’ পোস্টের কমেন্টবক্স ভরে যায় শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছা বার্তায়।

সঙ্গীত জগতের অনেক তারকারাও তাকে অভিনন্দন জানান। যেমন- আঁখি আলমগীর, সুনিধি নায়েক, পুতুল, ঝিলিক প্রমুখ। ছোট অনুষ্ঠানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিয়ে সারলেন নব-দম্পতি।

গায়িকার অনামিকা আঙুলে বাগদানের আংটি 

বিয়ে নিয়ে বেশ গোপনীয়তা বজায় রেখেছিলেন নন্দিতা। অবশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুকটাক ছবি প্রকাশ পেয়েছে। ভক্তরাও প্রিয় গায়িকার জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনায় অভিনন্দন জানিয়েছে।               

;

পাভেল আরিনের সংগীত পরিচালনায় জালাল খাঁর গান



বিনোদন ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফিউশানের মধ্য দিয়ে গানের মৌলিক সুর ও ঢংয়ের কোন পরিবর্তন নয়, নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংগীতের অফুরন্ত ভাণ্ডার হতে অনন্য সব গান নতুন রূপে উপস্থাপনের প্রত্যয় নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘টাইম জোন লিভিং রুম সেশান’। ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে এ সংগীত উদ্যোগের প্রথম সিজনের দ্বিতীয় গানটি।

সাধক কবি জালাল উদ্দিন খাঁর ‘আমায় যত দুঃখ দিলি বন্ধুরে’-গানটি প্রকাশিত হয়েছে ২৯ ফেব্রুয়ারি লিপ ডে-তে। পাভেল আরিনের সংগীত পরিচালনায় গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ানের উত্তরসুরী শিল্পী কাজল দেওয়ান।

গানটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সাধক কবি জালাল উদ্দিন খাঁ অনেক ধরণের গান লিখেছেন। সুফিবাদের উপরও তার অনেক গান লেখা আছে। কিছু গান আমরা মঞ্চেও গেয়েছি। কিন্তু এবার যে গানটি গেয়েছি তা সত্যিই অন্যমাত্রার গান। কেন অন্যমাত্রার তা না শুনে বোঝা যাবে না। এমন আয়োজনে গাইতে পেরে খুবই ভালো লেগেছে। মন থেকে গানটা গেয়েছি।”

গানের কথাগুলো এমন-আমায় যত দুঃখ দিলি বন্ধুরে, আমি তোর প্রেমেরই দেওয়ানারে দেওয়ানা, এই মন জানে আর কেউ জানেনা।

পাভেল আরিন বলেন, “গানটির কথায় আমি দারুণভাবে আলোড়িত হয়েছি। জীবন দিয়ে অনুভব করেছি- তাই এটি বেছে নেয়া। শিল্পী কাজল দেওয়ান যখন গান করেন তখন তিনি এত প্রাণবন্ত এত সততার সাথে সুর উচ্চারণ করেন যে কারণে তার সাথে এ গানটি নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হয়েছি। তার অন্যতম শক্তির জায়গা গানে টান দিয়ে তিনি একটানা দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে পারেন। এমন ক্ষমতা বাংলা গানে দুস্প্রাপ্য। এ গানেও তার একটি নমুনা শ্রোতারা পাবেন।”

পাভেল জানান, গানের ‘অরিজিনালিটি’ রক্ষা করে এ ধরনের কালজয়ী গানগুলোর শ্রতিমধুর নতুন রেকর্ডেড ভার্সন তৈরির লক্ষ্যেই কাজ করছে টাইম জোন লিভিং রুম সেশান। ভালোবাসা দিবসে রবীন্দ্রনাথের ‘ভালোবেসে সখী’-গানটির দারুণ শ্রোতাপ্রিয়তা অর্জনের পর এবার এলো জালাল খাঁর গানটি।

গানটিতে বাঁশি বাজিয়েছেন সোহাগ, ভায়োলিন- পলাশ দেওয়ান, ইয়ার হোসাইন। গিটারে ছিলেন হাসিবুল নিবিড়, মিছিল, এ এমএম নওয়াজ শরীফ, মেন্ডোলিন বাজিয়েছেন রায়হান পারভেজ আখন্দ। পিয়ানোতে ছিলেন আরিফুল হাসান শান্ত। পারকেশান- মো. সোহেল মিয়া, এসকে সাগর খান, দোতারা-আনন্দ শিকদার।

সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই আয়োজনের সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছে কল্লোল গ্রুপ অব কোম্পানিজের আওতাধীন ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ড ঘড়ির অথরাইজড রিটেইল চেইনশপ ব্র্যান্ড “টাইম জোন”। এবং ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজি ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন কল্লোল গ্রুপ অব কোম্পানিজের হেড অব ডিজিটাল মার্কেটিং রিফাত আহমেদ।

এই উদ্যোগের সম্পর্কে তিনি জানান; ‘লিভিং রুম সেশন’ মূলত ট্যালেন্টেড সংগীত পরিচালক পাভেল আরিনের ব্রেইন চাইল্ড। বাংলা গান ও সংস্কৃতির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে বাংলদেশের মিউজিককে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যেই আমরা ‘টাইম জোন’ এই উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছি। এই উদ্যোগের সাথে থাকতে পেরে আমরা উচ্ছ্বসিত।

‘টাইম জোন লিভিং রুম সেশন’ এর পরবর্তি পরিকল্পনা সম্পর্কে রিফাত আহমেদ বলেন, এই সিজনের গানগুলোর প্রোডাকশন সম্পন্ন হওয়ার পরে এসে আমরা সম্পৃক্ত হয়েছি, এটি আমাদের মাত্র শুরু, আশা করছি পরবর্তি সিজনগুলোতে একদম গ্রাউন্ড লেভেল থেকে আমরা একসাথে কাজ করবো এবং আরও বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্নতা গুরুত্ব দিয়ে ‘টাইম জোন লিভিং রুম সেশন’ কে নিয়ে আসা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

‘‘টাইম জোন লিভিং রুম সেশন’’-সংগীত প্রযোজনা করেছে বাটার কমিউনিকেশন। গানগুলোর ভিডিও নির্মাণ করেছেন মারুফ রায়হান। পরিবেশনায়-মাশরুম এন্টারটেইনমেন্ট। ওয়াড্রোব পার্টনার- সেইলর ও পি আর পার্টনার হিসেবে সহযোগিতা করছে ইস্টিশন কমিউনিকেশনস।

নিয়মিত বিরতিতেই নতুন নতুন চমক নিয়ে প্রথম সিজনের গানগুলো প্রকাশিত হতে থাকবে। ‘‘টাইম জোন লিভিং রুম সেশন’’ ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং স্পটিফাই সহ বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম -এর মাধ্যমে সঙ্গীত প্রেমীরা এই গানগুলো উপভোগ করতে পারবেন।

;

গভীর শোকাহত শাকিব, চাইলেন সুষ্ঠু তদন্ত



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সুপারস্টার শাকিব খান

সুপারস্টার শাকিব খান

  • Font increase
  • Font Decrease

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর বেইলি রোডে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে লাগা আগুনে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৪৬ জন। গুরুতর অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন বহু মানুষ।

এই অগ্নিকাণ্ডে ক্রমশ বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। ইতোমধ্যেই শোকে নিমজ্জিত হয়েছে সারাদেশ। বেইলি রোডের এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার শোক ছুঁয়ে গেছে সুপারস্টার শাকিব খানকেও।

শোকার্ত এই অভিনেতা নিহতদের প্রতি শোক ও বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শুক্রবার সকালে দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

নিজের ফ্যান পেজে শাকিব লিখেছেন, অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করছি। হাসপাতালে যারা সংকটাপন্ন অবস্থায় আছেন, তারা যেন দ্রুত আরোগ্য লাভ করেন সেই কামনা করছি। মহান সৃষ্টিকর্তা শোক সন্তপ্ত পরিবারের সকলকে এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি দান করুন।

সুপারস্টার শাকিব খান

শাকিবের এমন পোস্টে বোঝা যাচ্ছে, অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের জন্য মন কাঁদছে তার। পোস্টের কমেন্ট বক্সে এই তারকার শতশত অনুসারীরা শোক প্রকাশ করছেন।

শাকিব খান বলেন, গতরাতে বেইলি রোডে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের আগে সেখানে বেশিরভাগ মানুষ হয়তো গিয়েছিলেন তাদের প্রিয়জন নিয়ে আনন্দময় কিছু সময় ভাগাভাগি করতে। কেউ কেউ গিয়েছিলেন শপিংয়ে বা পরিবার পরিজন নিয়ে ফ্রি টাইমে খাওয়া-দাওয়া করতে। কিন্তু এক নিমিষেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড থামিয়ে দিয়েছে এতোগুলো জ্বলজ্যান্ত জীবন।

শাকিব তার পোস্টে উল্লেখ করেন, স্বজন হারিয়ে অনেকের ভবিষ্যৎ জীবনে নেমে এসেছে ঘোর অমানিশা! অনেকের তিলে তিলে গড়ে তোলা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শেষ হয়ে গেছে।

এর আগে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডসহ ঢাকার বনানী, চকবাজার, বঙ্গবাজার, নিউমার্কেটেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ইঙ্গিত দিয়ে শাকিব বলেন,
কিছুদিন পরপর অগ্নিকাণ্ডে এতো এতো তরতাজা প্রাণ অকালে চলে যাওয়া এবং ক্ষয়ক্ষতি কোনোভাবে কাম্য নয়। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।

সুপারস্টার শাকিব খান

অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসের প্রশংসা করে শাকিব লিখেছেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা সবসময় এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা মোকাবিলা করে সাধারণ মানুষের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন, সেইসব ফায়ায় সার্ভিস কর্মীদের জানাই সেলুট!

আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তি টার্গেট করে ‘রাজকুমার’ সিনেমার শুটিংয়ে সাজেক ভ্যালিতে আছেন শাকিব খান। আরশাদ আদনানের প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ‘প্রিয়তমা’-খ্যাত হিমেল আশরাফ। এতে শাকিবের নায়িকা মার্কিন অভিনেত্রী কোর্টনি কফি।

;