সৌরভের বায়োপিক, দাদার ভূমিকায় রণবীর!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সৌরভের বায়োপিক, দাদার ভূমিকায় রণবীর!

সৌরভের বায়োপিক, দাদার ভূমিকায় রণবীর!

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতীয় ক্রিকেটের কিং তিনি! ভারতীয় ক্রিকেটের দশা আর দিশা- দুটোই বদলে দেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। রূপকথার মতো ক্রিকেটের ২২ গজে তাঁর উত্থানের কাহিনী। হোঁচট খেয়েছেন বারবার তবুও হাল ছাড়েননি। সাফল্যের নতুন মাইলস্টোন ছুঁয়েছেন সৌরভ, ক্রিকেটার হিসাবেই নয় ক্রিকেট প্রশাসকের ভূমিকাতেও সামন সফল তিনি। এবার রুপোলি পর্দায় উঠে আসবে তাঁর জীবনী।

ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আগেই সেরেছেন সৌরভ, সম্প্রতি মুম্বাই উড়ে গিয়েছিলেন ছবির প্রি-প্রোডাকশনের কাজের জন্য। সঙ্গে ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় দাস, যিনি সৌরভের বায়োপিকের অন্যতম উদ্যোগী। প্রযোজক লাভ রঞ্জনের সঙ্গে বৈঠক করেন সৌরভ। ঘনিষ্ঠসূত্রের খবর, খুবই ইতিবাচক কথাবার্তা হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরেই শুরু হবে সৌরভের বায়োপিকের কাজ।

সৌরভ এক সাক্ষাৎকারে নিজেই জানান, বায়োপিকের চিত্রনাট্য লিখছেন তিনি নিজে। সকলেই সহমত চিত্রনাট্য যেন টানটান হয়। সিট ছেড়ে উঠতে পারবে না দর্শক, এমন মেদহীন চিত্রনাট্য হতে হবে।

সৌরভের বায়োপিকের সঙ্গে যুক্ত এক ঘনিষ্ঠ সূত্র মারফত জানা গেছে, সৌরভের জীবনের প্রতিটি ধাপ খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চান নির্মাতারা। সৌরভের বৈচিত্র্যময় জীবনে কোনটা রাখা হবে, কোনওটা বাদ পড়বে সবটা নিয়েই ভাবনা-চিন্তা চলছে। ক্রিকেটার সৌরভের লাভ লাইফও কম চিত্তাকর্ষক নয়। প্রতিবেশি ডোনার সঙ্গে গোপন প্রেম এবং লুকিয়ে বিয়েও নিঃসন্দেহে উঠে আসবে এই ছবিতে।

এই ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে থেকে একটা প্রশ্ন নিয়ে মাথাব্যাথার শেষ নেই দর্শকদের। সৌরভের ভূমিকায় অভিনয় করবেন কে? সেই আলোচনা এখনও জারি রয়েছে। পর্দার সৌরভ হিসেবে অনেক নামই উঠে এসেছে, বলা হচ্ছে দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রণবীর কাপুর। তবে সমস্যা হল, চিত্রনাট্য না শুনে কোনও অভিনেতাই কমিটমেন্ট দিতে নারাজ। তাই দ্রুত চিত্রনাট্যের কাজ শেষ করবার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সৌরভ বুধবার সকালে কলকাতায় ফিরেছেন। আগামী মাসে ফের একবার প্রযোজনা সংস্থার জন্য বৈঠকে বসবেন মহারাজ। এই বছর শ্যুটিং-এর কাজ শুরু হলে হয়তো ২০২৫ নাগাদ মুক্তি পাবে এই ছবি। জানা যাচ্ছে, ছবির বাজেট হতে চলেছে ২৫০ কোটি টাকা।

২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও লাভ ফিল্মসের তরফে বায়োপিকের কথা ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। সৌরভ টুইট করেছিলেন, ‘ক্রিকেট আমার জীবন। আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে, এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে। এই যাত্রার স্বাদ আনন্দের। সেই যাত্রা নিয়ে ছবি করবে LUV। বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে আমার জীবন।’

আমার পৃথিবী ছোট



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় কেমনভাবে যেন জানান দেয়। আর অদ্ভুত ভাবে মিলে যায় ভাবনার সঙ্গে ভবিতব্য। ওয়েব সিরিজ ‘লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান’-এ অভিনয় করার সময়ই তাসনিয়া ফারিনের মনে হয়েছিল এবার ডাক আসবে কলকাতা থেকে। এলও তাই। পরিচালক অতনু ঘোষের ‘আরো এক পৃথিবী’ ছবিতে ‘প্রতীক্ষা’র ভূমিকায় অভিনয় করছেন তিনি।

বিবাহবিচ্ছিন্ন বাবা-মায়ের একাকী, অন্তর্মুখী, অথচ একজন স্বাবলম্বী মেয়ে প্রতীক্ষা। ‘অনেকটা আমার মতো’ দক্ষিণ কলকাতার এক কাফেতে বসে বললেন তাসনিয়া। মায়ের আগ্রহে স্কুলে পড়তেই মণিপুরী নৃত্যে দীক্ষা। তা বেশিদূর এগয়নি বাবার আপত্তিতে। অতঃপর গান। নজরুলগীতি ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে স্নাতক তাসনিয়ার প্রথাগত পড়াশোনা মার্কেটিং নিয়ে। আবার মায়ের উৎসাহেই মেয়ের অভিনয় জগতে প্রবেশ। প্রথম কাজ ২০১৯ এ। ‘আরো এক পৃথিবী’তে যখন অভিনয়ের ডাক আসে বাংলাদেশী অভিনেত্রী তখন ‘হইচই’এর ওয়েব সিরিজ ‘কারাগার’-এ অভিনয় করছেন। তাসনিয়াও চাইছিলেন একটা স্বপ্নের চরিত্রে অভিনয় দিয়েই শুরু হোক সিনেমার জার্নি। অতনুর মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরিচালকের ডাক পেয়ে তাই আর দ্বিতীয়বার ভাবেননি, চিত্রনাট্য না পড়েই রাজি হয়ে যান অভিনেত্রী।

টেলিভিশন, ওয়েব সিরিজ, সিনেমা নিয়ে তৈরি পৃথিবীর বাইরে তাসনিয়ার ব্যক্তিজীবনের পৃথিবীটা কেমন? কাদের নিয়ে গড়া সেই জগৎ? নীল শাড়িতে স্নিগ্ধ তাসনিয়া হেসে বললেন, ‘সেই পৃথিবীটা খুব ছোট। আমি খুব একটা কারও সঙ্গে মিশি না। বাবা, মা, ভাই, আর কয়েকজন বন্ধু নিয়ে আমার নিজস্ব পৃথিবী।’ মনের মানুষের ঠাঁই নেই সেই দুনিয়ায়? তাসনিয়ার হাসিতে ছড়িয়ে পড়ে আলো। ‘সেটা না হয় নাই বললাম। থাক না আমার পৃথিবীর মধ্যে।’

;

পাঠানের সাফল্যে দর্শকদের ধন্যবাদ জানালেন শাহরুখ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বক্স অফিসে ‘পাঠান’ সুনামি অব্যাহত। অবশেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হলেন শাহরুখ-দীপিকারা। সোমবার মুম্বইয়ে পাঠান-এর সাংবাদিক বৈঠকে দেখা মিলল ‘জিম’ জন আব্রহাম এবং পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দেরও। জংলা কাজের সুরু স্ট্রাপের গাউনে এদিন হাজির ‘রুবাই’ দীপিকা। নায়িকার সৌন্দর্য থেকে চোখ ফেরানো দায়! ততটাই হ্যান্ডসাম লুকে ধরা দিলেন শাহরুখ। অল-ব্ল্যাক আউটফিটে তাক লাগালেন এই সুপারস্টার।

ছবি মুক্তির আগে একাধিক বিতর্কে জর্জরিত হয়েছেন শাহরুখ-দীপিকারা। ছবির ‘বেশরম রং’ গান ঘিরে বিতর্কের শেষ ছিল না, এমনকী ছবি বয়কটের ডাকও উঠে। গেরুয়া বিকিনিতে দীপিকাকে দেখে মেজাজ হারিয়েছিল একাধিক হিন্দু সংগঠন। তবে সব বাধা পেরিয়ে সুস্থ পরিবেশে মুক্তি পেয়েছে ‘পাঠান’। দু-একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটলেও সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণভাবেই দেশজুড়ে এই ছবির প্রদর্শন চলছে। এতেই শান্তিতে বাদশা।

এদিন সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমরা সত্যি কৃতজ্ঞ দর্শক এবং সংবাদমাধ্যমের কাছে পাঠানকে এতটা পরিমাণ সমর্থন জোগানোর জন্য। এমন অনেক কিছুই ঘটতে পারত যা এই ছবির আনন্দদায়ক মুক্তিকে সংকুচিত করতে পারতো…. তবে সবদিক থেকে যে ভালোবাসা এসেছে সেটাই আমাদের এই সাফল্য এনে দিয়েছে। এর জন্য আমরা যতই কৃতজ্ঞতা জানাই সেটা কম হবে। আমি আমার সমস্ত সহকর্মীদের তরফ থেকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি দর্শকদের। সিনেমায় আবারও জীবন ফিরিয়ে আনার জন্য ধন্যবাদ'।

শাহরুখ আরও বলেন,'কোনও বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ছবি মুক্তির আগে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে দেখা করিনি তা নয়, আসলে এই ছবি কোডিভের সময় শ্যুটিং করা হয়েছিল। তারপর থেকে ছবির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ নিয়ে সবাই ব্যস্ত ছিল। আমরাও সঙ্গ দিচ্ছিলাম আদি (আদিত্য চোপড়া) এবং সিদ্ধার্থের। তবে এই ছবিকে সবাই খুব সমর্থন করেছে।'

মুক্তির প্রথম পাঁচদিনে সারা দেশে মোট ২৭১ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে ‘পাঠান’ (হিন্দি সংস্করণ)। অন্যদিকে তামিল ও তেলুগু ভার্সন মেলালে পাঁচদিনে ৯.৭৫ কোটি টাকা আয় করেছে এই ছবি। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ভারতে মোট (২৭১+৯.৭৫) ২৮০.৭৫ কোটি টাকার নেট কালেকশন করেছে পাঠান। বিশ্ব বক্স অফিসের ছবিটাও খুব বেশি আলাদা নয়। পাঁচ দিনে ‘পাঠান’-এর গ্রস কালেকশন ৫৪২ কোটি টাকা। ভারতে এই ছবির গ্রস কালেকশন ৩৩৫ কোটি টাকা, বিদেশে ২০৭ কোটি টাকা।

২৫ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে শাহরুখ খানের নতুন ছবি ‘পাঠান’। এই ছবির হাত ধরেই দীর্ঘ চার বছর রুপোলি পর্দায় লিড রোলে ফিরলেন শাহরুখ খান। আর এই ফিরে আসা যে পুরোপুরি সফল তা নতুন করে বলবার প্রয়োজন নেই।

;

রুমকির ‘সেলফ অ্যান্ড আদার্স’ শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সময়ের গুণী শিল্পী হাসুরা আক্তার রুমকির ‘সেলফ অ্যান্ড আদার্স’ শীর্ষক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকার লা গ্যালারিতে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, রিকশা বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনের একটা অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বাহনটি একজন মানুষের পরিবার এবং আমাদের বহন করে চলেছে। আমরা শিল্পী, সাহিত্যিক, কবিরা যদি এটিকে ভুলে যাই, তা হবে আমাদের জন্য একটা অন্ধত্বের মতো।বাংলাদেশের রিকশার ডিজাইনের মতো বিশ্বের কোনও দেশে এত সুন্দর ডিজাইন নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি যতই এগিয়ে যাক না কেন, শত বছর পরও এই রিকশাই আমাদের সংস্কৃতির একটা অংশ হবে, এটি আমাদের ভুলে গেলে চলবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার সাবেক অধ্যাপক ও চিত্রশিল্পী জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের চোখের সামনে থাকা রিকশাও যে কত সুন্দর চিত্রকর্ম হতে পারে, তা আমরা চিন্তা করতে পারিনি। সেটি রুমকি করে দেখিয়েছে। তার শিল্পকর্মে রিকশার বহু দিক ফুটে উঠেছে। রুমকির একাডেমির দক্ষতার পাশাপাশি একজন শিল্পীর সব গুণাবলি রয়েছে। সে একদিন খুবই ভালো করবে, সেই প্রত্যাশা করাই যায়।

হাসুরার আঁকা ছবির নানা দিক উল্লেখ করে শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, একজন নারী হয়েও সে খুবই ভালো ছবি আঁকছে। তার রঙের বিষয়টি খুবই চমৎকার। একজন শিল্পীর জন্য কম্পোজিশন, চিন্তাধারা সবকিছুই প্রয়োজন। এগুলো রুমকির শিল্পকর্মে জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। আমি তার জন্য অনেক শুভ কামনা রাখছি।

অভিনেত্রী শমী কায়সার বলেন, একজন নারী যখন চিত্রকলায় পদচারণ শুরু করে, তার যুদ্ধ ও সংগ্রামটা অনেক বড় হয়। পরিবারের ইচ্ছা অনুয়ায়ী চিকিৎসক না হয়ে একজন নারী শিল্পীর জীবনটা যাপন করার যে স্বপ্ন ও চ্যালেঞ্জ রুমকি নিয়েছে, সেটিকে একটা সাহসী পদক্ষেপ। তার চিত্রকর্মে রিকশার যে বহুমাত্রিক উপস্থাপন, তা প্রশংসনীয়।

হাসুরা আক্তার রুমকি বলেন, ছোটবেলা থেকেই চিত্রকর্মের প্রতি একটা ঝোঁক ছিল। সেখান থেকে এক পর্যায়ে চারুকলায় ভর্তি হওয়া এবং পরে চিত্রকর্মকে জীবনের অংশ করে নেওয়া। এবারের প্রদর্শনীটা রিকশা নিয়ে করছি, যেটি সব শ্রেণি-পেশা ও সব বয়সের মানুষের একটি সাধারণ বাহন। সমাজে একজন নারী চিত্রশিল্পী হিসেবে আমি আশা করবো সবাই যেন আর্টিস্টকে এবং আর্টকে সাপোর্ট করেন। সমাজের কাছে এইটুকু চাওয়া শিল্পীকে আপনারা প্রেরণা দেবেন। আগামীতে আরও ভালো কাজ উপহার দিতে চাই।

চিত্রকর্মটি দেখতে বিভিন্ন অঙ্গনের শিল্পী, সাহিত্যক, সংস্কৃতি কর্মী ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা ভিড় জমিয়েছেন। আজ থেকে শুরু হওয়া প্রদর্শনীটি আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এই প্রদর্শনী।

প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ওরিয়েন্টাল আর্ট বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন হাসুরা আক্তার রুমকি। ২০২১ সালে জাপানের কাহাল আর্ট গ্যালারিতে হওয়া বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক শিল্প প্রদর্শনীতে গ্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিনি। এ ছাড়া কয়েকটি গ্রুপ আর্ট প্রদর্শনী, কর্মশালা, আর্টক্যাম্প, প্রকল্প ও আর্ট রেসিডেন্সিতে অংশ নিয়েছেন হাসুরা।

;

সত্যিকারের হিরোর সাথে শাকিব খান



কামরুজ্জামান মিলু, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা ২৪.কম
সত্যিকারের হিরোর সাথে শাকিব খান

সত্যিকারের হিরোর সাথে শাকিব খান

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ঢালিউডের সুপারস্টার তারকা শাকিব খান এবার এক হোটেল লবিতে সত্যিকারের হিরোর দেখা পেলেন। সেই সাথে তাকে নিয়ে তাঁর ফেসবুকের পেইজে লম্বা এক স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন তিনি।

ছবিতে শাকিব খানের পাশে সেই ছেলের ছবিও ঢালিউড স্টারের ফ্যান পেইজে দেখা যাচ্ছে। শাকিব খান পেইজে লিখেছেন, হোটেল লবি দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাকে দূর থেকে দেখে দৌড়ে এসে ছেলেটি জড়িয়ে ধরলো। শুরুতে সে কথা বলতে বারবার নার্ভাস হয়ে যাচ্ছিল। কথা বলে জানতে পারলাম ওর বয়স হবে ২০-২১ এর মতো। যে বয়সে তার লেখাপড়া করার কথা, সেই বয়সে পরিবার স্বজনদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে সবকিছু ত্যাগ করে দূর প্রবাসে থেকে পরিবারের হাল ধরেছে। দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে ওভারটাইম খেটে খেয়ে না খেয়ে অর্থ পাঠিয়ে সে তার পরিবারের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে। অবদান রাখছে দেশের অর্থনীতিতে। এতেই তার আত্মতুষ্টি! তার চোখেমুখে সেই তৃপ্তির ছাপ স্পষ্ট দেখছিলাম।

চাকচিক্যবিহীন এই শহরে চোখ ধাঁধানো অনেককিছু দেখা যায়। কিন্তু আমাকে স্পর্শ করা সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতি ছিল এটি। প্রায়ই দেশের বাইরে অচেনা মানুষদের সঙ্গে দেখা হয়। যারা আমাকে হৃদয় নিঙড়ানো ভালোবাসা জানায়। ক্ষণিকের দেখায় পাশে পেয়ে সুখ-দুঃখের অনুভূতি জানায়। এসব গর্বিত মানুষদের সঙ্গে কথা বললে আমিও মনের মধ্যে শীতল প্রশান্তি পাই।

প্রবাসের বিভিন্ন শহরের কোণে লুকিয়ে আছে আমার দেশের গর্বিত এসব মানুষেরা। তাদের কারণে সমৃদ্ধ হচ্ছে আমার বাংলাদেশের অর্থনীতি। সোনার বাংলা গড়তে তারা যে কতটা ভূমিকা রাখছে হয়তো তারা জানে না, অথচ নিরবে কাজ করে যাচ্ছে। আমার চোখে এই মানুষগুলো আসলেই সত্যিকারের হিরো।

;